ফাইনাল বিল
LGED Pirojpur অফিসে কোন ঠিকাদার কাজ শেষ করে বিল নিতে গেলে তখন হিসাব রক্ষক তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবী করে। প্রতি বিল থেকে ১-২% টাকা নিয়ে থাকে।
19,230 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
LGED Pirojpur অফিসে কোন ঠিকাদার কাজ শেষ করে বিল নিতে গেলে তখন হিসাব রক্ষক তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবী করে। প্রতি বিল থেকে ১-২% টাকা নিয়ে থাকে।
২০২২ সাল, অর্থ মন্ত্রণালয়। একটি নন-প্রফিট অর্গানাইজেশনের অনুদানের টাকার চেক আটকে রাখা হয় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত, অর্থবছরের শেষ দিনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেক আটকে রেখে কেরানী চা-পানি খাবার টাকা দাবী করেন। এমনভাবে যেনো এটা আমার কর্তব্য। কোনো অর্থের পরিমাণ তিনি বলেননি। অর্গানাইজেশনের শীর্ষস্থানীয় দায়িত্বে যিনি আছেন তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয় এরকমই, আমি যাতে কিছু মনে না করি এবং উনাকে ১০০০টাকা দিয়ে আসি। আমার দিয়ে আসতে হয়। আমার খুব লজ্জা লাগে একটা অনুমোদিত চেক ঘুষ দিয়ে ছাড়িয়ে আনতে।
আমরা সিলেটে একটি মামলা দায়ের করি, যা তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠানো হয়। তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা আমাদের কাছে বড় অঙ্কের টাকা দাবি করেন বলে আমাদের অভিযোগ। আমরা কিছু টাকা প্রদান করলেও দাবিকৃত সম্পূর্ণ টাকা দিতে পারিনি। পরবর্তীতে আমাদের সন্দেহ হয় যে প্রতিপক্ষের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে একজন আসামিকে তদন্ত প্রতিবেদন থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং মামলার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো যথাযথভাবে বিবেচনা না করে দুর্বলভাবে প্রতিবেদন আদালতে পাঠানো হয়েছে। আর্থিকভাবে অসচ্ছল হওয়ায় আমরা প্রভাবশালী প্রতিপক্ষের সঙ্গে মোকাবিলা করতে পারছি না এবং ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছি বলে মনে করছি। বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট থানার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।
আমাদের রামপাশা ইউ/পি সদস্য, আমার চাচাতো ভাই কাছে ৫০০০০/-টাকা দাবি করে টিউবওয়েল দিবে বলে।কিন্তু টাকা নিয়ে টিউবওয়েল দেয় নাই।পরে অনেক ঝামেলার পর কয়েক বারে ৪৫০০০/-টাকা ফিরিয়ে দিয়েছে।৫০০০/-আর দেয় নাই। তাছাড়া উনি প্রায় ৫০টি, টিউবওয়েল বিক্রি করেছে। আমাদের এলাকায় এসে যতগুলো ডিপ টিউবওয়েল দেখবেন প্রায় সব উনার কাছ থেকে কেনা। যদি আপনাদের সহযোগিতায় দুদক দিয়ে একটা আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া যায় আমরা এলাকা বাসী কৃতজ্ঞ থাকব
অত্র হাসপাতালে ডাক্তারের কাছে দেখানো হলে ডাক্তারের সাথে থাকা ওয়ার্ড বয় টাকা তোলে। জরুরি বিভাগের টিকিট কখনো ২০ টাকা, কখনো ৫০ টাকা এরকম ইচ্ছা মত নেয়। সঠিক টিকেট মূল্য হাসপাতালে কোথাও লীখে দেয়নি। এর সুযোগ নিচ্ছে কতিপয় কর্মচারী।
প্রায় এক বছর আগের কথা । আমার আম্মুর এন আই ডি কার্ড এ আমার আব্বুর নাম ভুল ছিলো । আমি সংশোধন করার উদ্দেশ্যে নির্বাচনী অফিস এ গিয়েছিলাম । তারা আমাকে উপায় না বলে উল্টো ভয় দেখিয়েছে অনেক। আর 15000 টাকা চেয়েছে সংশোধন এর জন্য। কিন্তু আমি রাজি হয় নি।
নারায়নগঞ্জ ভূমি অফিসে জমির খতিয়ান ডিজিটাল না হওয়ায় খাজনা পরিশোধ করা যাচ্ছিলো না , পরে ডিজিটাল করার জন্য ওখানের অফিসের লোক কে উপায়ন্তর না পেয়ে টাকা পরিশোধ করি মাসখানেক ঘুরাঘুরির পরে। সবাই মুখে মুখে বড় কথা , উলটা পাপড় , এখানে কোনো টাকা দিয়ে কাজ হয় না। বাস্তবে আপনাকে ঘুরাতে থাকবে কিন্ত কাজ হবে না। আপনাকে দিনের পর দিন ঘুরাতে ঘুরাতে এমন পরিস্থিতেত পড়তে বাধ্য করবে যেনো আপনি স্বেচ্ছায় ই ঘুষ দিতে তাদের শরনাপন্নে আসেন । প্রথমেই ত তাদের অফিসের পাশের দোকানে গিয়ে কথা বলতে বলছে অখানে ৩০ হাজার চাইছে। আমি সলিড ভাবে মোকাবিলা করেও শেষ পর্যন্ত আর পারি নি ।
অবসরে যাওয়ার পরে, সকল পাওনা ইত্যাদি জন্য ধাপে ধাপে আমাকে কয়েকবার ঘুষ দেয়া লেগেছে। ১. প্রথমে একাউন্ট বুক রিভাইস করার জন্য ২. পূর্বের বিলের অর্থ পাওয়ার জন্য ৩. ১৮ মাসের অবসরত্ব ছুটির বেতনের জন্য ৪. প্রভিডেন্ট ফান্ড এর অর্থ উত্তোলনের জন্য ধাপে ধাপে অর্থ গুলো দেয়া লেগেছে এবং সামনেও লাগতে পারে। একবার ৬০০০, ১২৫০০, ১৫০০০, ২৫০০০ ইত্যাদি অর্থ গুলো দিতে হয়েছে এবং সামনেও হয়তোবা হবে। এখানে ঘুষের ভাগ গুলো পায় পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় এর থানা অফিস, জেলা অফিস এবং হেড অফিস। এর সাথে থানার একাউন্টিং অফিস ও জড়িত। একজন কর্মচারী অবসরে গেলে সেই সকল কাজগুলো করার জন্য প্রতিটা অফিস এই ভাগ গুলো নেয়। ঘুষ এর অধিকাংশ অর্থ নগদ দেয়া লেগেছে ।
নামজারি করতে গেলে সেখানে চেয়ারে ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বসে না, ২ ২-৩ জন দালাল আমাকে দেখে প্রশ্ন করে কেন এসেছি, ওরা ঐখানের কর্মচারী না, তাদের চাকরি নাই, তারা ভাড়া করা দালাল, সামনের চেয়ারে বসে কর্মকর্তাদের ঘুষ নেয়া লেখালেখি করাতে সাহায্য করে। ৩ ঘন্টা পর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (৪ নং ইসবপুর) এসে বসে থাকে কোন কথাই বলে না, ৩০ মিনিট পর যখন বলি খতিয়ান রেকর্ড সংশোধন করব, ভুল করে পাশের জমির মালিকের নামে রেকর্ড হয়ে গেছে, আমাকে বিভিন্ন কাগজপত্র দিতে বলে যা কখনো পাওয়া সম্ভব নয়, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমির দলিল চায়, দলিলে দাদার দাদা থেকে দাদা পর্যন্ত সিএস আর এস এস এ খতিয়ান ঠিক আছে কিন্তু আমার কাছে দলিল চায়, জমি বিক্রি না হলে দলিল কিভাবে সৃষ্টি হবে? ,পরে ৬০ হাজার টাকা দাবি করে।
মোবাইল হারিয়ে যাওয়ার জিডি লেখাতে গিয়ে কর্তব্যরত পুলিশ আমার কাছে ১০০০ টাকা দাবি করে। আমার আগে কখনও পুলিশের কাছে কিংবা থানায় যেতে হয়নি। দিতে বাধ্য হয়েছি।
নতুন বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য শেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার ৫০০০ টাকা নিয়েছে এছাড়া নিম্ন বিভিন্ন কর্মকর্তা কর্মচারীকে ফাইল পাস করানোর জন্য টাকা দিতে হয়
Amader akti plot namjari korer shomoy dag no vhul hoasilo akhon bds notun record korer shomoy dag no thik kore dibe bole 50hajer tk dabi korse amra janabo bole chole ashsi
I live abroad, and that's why my father had to receive my PCC. And the designated person who called my father for verification ended up asking for multiple papers(chairman certificate) along with the usual documents. Even after giving those papers, he asked for a bribe. As my father was an old person, he ended up giving that money for an easier process. But the sad part is that it actually took a while to complete that job, as the main official was on vacation. Anyway, finally I got my PCC after 10 days.
তারা নিজেরাই খারিজ নিয়ে অনিয়ম করেছে আমাকে খারিজ করে দিয়ে আরএস খতিয়ান থেকে বিএস খারিজ আরেকজনের নামে করে দিয়েছে এবং আমার কাছে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ চায়
সে প্রথমে টাকা চেয়েছে, বলছি সাথে নাই। পরে তার বিকাশ নাম্বার দিয়ে দিছে টাকা দেওয়ার জন্য।
আমার কাছ থেকে পুলিশ ভেরিফিকেশন এর কথা বলে ৪০০০ টাকা নিয়েছে তারপরে আরও চেয়েছিল
ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ফরমে স্বাক্ষর নিতে গেছিলাম, ১০০০ টাকা দেওয়ার পরে স্বাক্ষর করে দিছে। এক পুলিশ সদস্য।
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার যাবতীয় কিছু নিজে করার পর পাশ করেও অদৃশ্য শক্তি আমার ফাইনাল পেমেন্ট আটকিয়ে দেয়। পরে দালাল ধরে ৩০০০৳ পেমেন্ট করার মাধ্যমে সব ওকে হয়ে যায়।
আব্বা মারা যাওয়ায় আমাদের রেকর্ডিয় সম্পত্তির বেচা কেনা তথ্য নিশ্চিত হতে নামজারি নথি তোলার জন্য খিলক্ষেত এসি ল্যান্ড অফিসে যাই । এর আগে ভূমি অফিস থেকে মোট ১৫ টি কেস নং নিয়ে গেছিলাম । সেগুলো তুলতে তারা প্রতি নামজারিতে ৩০০০/- দাবি করে এবং সপ্তাহ খানেক সময় চায় । অফিসের একদম উপরের তলায় একটা স্টোর রুম আছে যেখানে এগুলো সংরক্ষিত আছে । বলে যে খুঁজে পেতে অনেক কষ্ট করা লাগবে । আমি এই প্রস্তাবে রাজি হই নি ।
আমি আমার স্টুডেন্ট ভিসার আবেদনের জন্য একটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের আবেদন করেছিলাম। আমার আবেদনটি বেশ কয়েকদিন ধরে আটকে থাকায় আমি থানায় যোগাযোগ করি। আমাকে জানানো হয় যে ক্লিয়ারেন্সটি প্রক্রিয়া করার জন্য আমাকে ১০০০ টাকা দিতে হবে। যেহেতু আমার ভিসার আবেদনের জন্য সার্টিফিকেটটি প্রয়োজন ছিল, তাই আমি শেষ পর্যন্ত টাকাটা পরিশোধ করে দিই।