বিদেশ যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট করা বা প্রবাসী
আমি পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম সেখানে সরকারি মূল্য নির্ধারিত হয়েছিল ৫৭৫০ টাকা কিন্তু অতিরিক্ত ঘোষ হিসাবে আমার লেগেছে ৭৫০০ টাকা প্রাইজ দেড় হাজার বেশি
19,215 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম সেখানে সরকারি মূল্য নির্ধারিত হয়েছিল ৫৭৫০ টাকা কিন্তু অতিরিক্ত ঘোষ হিসাবে আমার লেগেছে ৭৫০০ টাকা প্রাইজ দেড় হাজার বেশি
For file approval related work, an assistant engineer of city corporation claim for his associates
Kaj sheshe bashai firchilam, uttarai 14 no sector a rasta block kore amake bike er papers dekhte chai, ami shob diyechilam, amar driving license Trainer chilo, but uni eta cholbe na bole prothom a 500 then 1000 taka chai, amio baddho hoye diye chole ashi. Police ti hindu chilo.
চাঁদপুর পৌরসভার মহিলা কাউন্সিলর নামে এলাকায় অনেক অনিয়মের অভিযোগ শোনা যায়। সরকারি মাটি কাটার প্রকল্পের মাটি বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ আছে, প্রায় লাখ টাকার হিসাব নিয়েও অভিযোগ আছে। গরিব মানুষের জন্য আসা রিলিফ নিয়েও অনিয়ম/চুরির অভিযোগ আছে। বিভিন্ন সরকারি রিলিফের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগও রয়েছে। এছাড়া গরিব মানুষের জন্য আসা কার্ড করে দেওয়ার সময় ৫০০ টাকা করে নেওয়া এবং সরকারি দুগ্ধভাতার সুবিধা নিজের সন্তানদের নামে করিয়ে নেওয়ার অভিযোগও শোনা যায়।
Even though ,my Dad is a renowned Police Officer,He had to pay 10,000 BDT onwards in order to cancel his transfer certificate from khulshi Police station to another police station in Chittagong on 19th of June,1994 due date,attenuated to the stance that there's a huge syndicate in Government's transfer protocol all over the country!
আমি বিদেশে গমনের উদ্দেশ্যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করি। তারপর আমি থানায় কাগজ জমা দিতে গেলে পুলিশ কর্মকর্তা আমাকে বলে যদি টাকা দেন তাহলে কাজ দ্রুত হবে না দিলে দুই মাস বা তার বেশিও লাগতে পারে। তিনি আমাকে প্রমাণস্বরূপ অন্যান্য ফাইল ও দেখিয়েছেন যারা টাকা না দেওয়ার ফলে ছয় মাস পূর্বের আবেদন এখনো থানায়। সুতরাং তিনি স্পষ্টই বলেন ঘুরেই টাকা দিবেন শেষে অযথা সময় নষ্ট না করে এখনই করে ফেলেন সবচেয়ে ভালো। তাই আমি আট হাজার টাকা দেই কিন্তু উনি ১০ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন শেষ পর্যন্ত আমি সাত হাজার টাকা দিয়ে সমাধান করেছি। অথচ পুলিশ রাফি আমি অনলাইনে পেমেন্ট করেছিলাম। আমি প্রবাসীদের বিদেশে যাওয়ার ব্যাপারে সরকারের প্রতি এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি স্বচ্ছতা দাবি করছি। এবং আর্থিক ক্ষতির হাত থেকে
Pani unnayan board (BWDB-Lalmonirhat )theke paoa ekti kaj er work order nebar agae sekhanker XEN tk dabi kore boshen and unake tk diyei kaj korte hoy r hosche.Ekhn uni local mp er shelter e obadhe corruption kore jaschen.Unar job Lalmonirhat branch e 2 years exceed korleo uni local mp er support niye sekhanei rajotto kortechen.
আমার গ্রামের জমিতে খাজনা দেওয়ার জন্য ভোটার অফিসে অনলাইনে সংরক্ষণ করতে গেলে বলে আমার নামে ভুল আছে যেটা তাদের কাছ থেকে কয়েকমাস আগে আমার নতুনটা নেওয়া। পরে তা ঠিক করে দিতে বললে বলে সময় নাই, এখন না এসব বলে ৩০০০ টাকা চায়, দিতে বাধ্য হই কারণ ১ মাস এর মত বসাই রাখছে সার্ভে করবে বলে। পরে সংশধোনের কাগজ ভূমি অফিস থেকে আনতে গেলে হেড এর সিগনাচার এবং অনলাইনে তারা কাগজ পূরণ করছে তার জন্য (১০০০০ + ২০০০ টাকা) চায়। কিন্তু সময় যাচ্ছে আর পরে আছে দেখে পরে দিয়ে দি। যার আসল সরকারি খরচ হলো ( ২০০ - ১০০০ + যাওয়া আসা এই + ভোটার অফিস এ যাওয়া আসা)
Ac land head took 25 lacs to provide sell permission of a hashishahar plot.
পেশকারকে বিচার কাজে স্বাক্ষীর নাম প্রদানে ঘুষ দিতে হয়েছে।
বন্ড লাইসেন্স এর মেয়াদ শেষ হয়েছিল ৪ বছর আগে, লাইসেন্স নবায়ন ফি ৫০০০ প্রতি বছর। যখন বন্ড অফিস এ যোগাযোগ করি তারা ঘুষ চাই ৩০০০০০ পরে ২০০০০০ টাকা দিয়ে নবায়ন করতে বাধ্য হই।
I applied for my retirement benefits, including gratuity and the Contributory Provident Fund (CPF), from the Bangladesh Agricultural Development Corporation (BADC). During the process, a BADC employee requested payment in exchange for providing the service. I paid the requested amount so that my retirement benefits could be processed and released.
আমার ইন্ডিয়ান টুরিস্ট ভিসা মাল্টিপল এন্ট্রি আছে আইন এবং ভিসার ধরন অনুযায়ী আমি প্রতি মাসে একবার আসা যাওয়া করতে পারবো, কিন্তু সেই জায়গায় আমি ২মাস গ্যাপ দিয়েও যদি আসা যাওয়া করি বাংলাদেশ ইমিগ্রেশনের অফিসাররা পাস দিতে চায় না নানান এক্সকিউজ দেখায় যেগুলোর কোন ভিত্তি নেই, তারপর পাসপোর্ট নিয়ে বাইরে এলে তাদেরই লোক এসে বলে ৫ হাজার দেন ৭ হাজার দেন ইমিগ্রেশন কমপ্লিট করে দিচ্ছি তো টাকা দেওয়ার পর ঠিকই পাস দেয় এই ভুগান্তি কমবে কবে? আমার ভ্যালিড ভিসা থাকা সত্তেও টাকা দিয়ে ইমিগ্রেশন কমপ্লিট করানো লাগে।
শুনেছিলাম মিরপুর বিআরটিএ অফিসে অটোমেটিক মেশিনে গাড়ির পরীক্ষা করা হয় বলে কোনো দালাল ধরতে হবে না। কিন্তু গাড়ি প্রবেশ করানোর পর আমার মোবাইলে রিপোর্ট আসে আমার গাড়ির সাসপেনশন এ সমস্যা আছে। এরপর বিআরটিএর ফিটনেস পরীক্ষার মেশিন যে কোম্পানি চালায় অর্থাৎ থার্ড পার্টি তাদের আইডি কার্ড দেখিয়ে একজন লোক এসে বলে আমার গাড়িতে সমস্যা থাকায় সেটি ফিটনেস পরীক্ষায় ফেল করবে। এজন্য আমাকে ৪৮ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। পরবর্তীতে আমাকে পাশের ফটোকপির দোকানগুলোর দিকে নিয়ে যাওয়া হয় এবং আমি ২৫ হাজার প্রদান করি। ফিটনেস করানোর পর আমি বাইরে থেকে চেক করি এবং দেখি আসলে আমার গাড়িতে সাসপেনশনে কোনো সমস্যা নেই। এই থার্ড পার্টির লোকেরা একটা সিন্ডিকেট বানিয়ে ঘুষ বাণিজ্য করছে।
আমি গত জুন জুলাই মাস থেকে ট্রেড লাইসেন্স করার জন্যে এপলাই করে আবেদনটি নিয়ে ইউনিউন পরিষদে যোগাযোগ করি। নিজস্ব যায়গায় ব্যবসায়ের স্থান হওয়ায় ব্যবসা স্থানের চুক্তিপত্র ছিলনা। এর পরিবর্তে যেকোন ধরনের ডকুমেন্ট নেওয়ার জন্যে বলি। ইউনিয়ন পরিষদ সচিব বললো হবে না। পরবর্তীতে ২৭/০৮/২০২৬ তারিখে মেম্বারের মাধ্যমে যোগাযোগ করি। উনি জানালো ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ১৫০০০ টাকা ,প্যানেল চেয়ারম্যান ১০০০ টাকা, মেম্বার ১০০০ টাকা আর ট্রেড লাইসেন্স এর জন্যে ৫০০টাকা(মুল ফি ৩০০ টাকা) দিলেই পাওয়া যাবে। আমি প্রত্যাখ্যান করে চলে আসি
সকল কাগজপত্র সঠিকভাবে জমা দেওয়ার পরও বারবার রিজেক্ট করছিল। একে একে তিনবার সংশোধন করে নিয়ে যাওয়ার পরও চতুর্থ বারের বেলায় বলল এসব করে আপনি করতে পারবেন না। বরং পাশের রুমে থাকা ব্যক্তির সাথে কথা বলুন তিনি কাজটি করে দেবে। চা চা খাওয়ার জন্য কিছু দিবেন। বললাম কত দিতে হবে? তিনি ইশারায় বললেন ১০ । মানে ১০০০০। আমি বলেছি নিয়ম মেনে যদি করা যায় আমি করব নইলে করব না। আল্লাহ আপনাদের বিচার করবেন। চলে এসেছি।
সার্ভেয়ার সাহেব -এর কাছে কাছে প্রথমে কাগজ দেখালাম। তিনি বললেন দরখাস্ত করুন। আমি দরখাস্ত করলাম এবং তাকে দেখালাম। তিনি ধমকে সুরে বলেন, আমি কি আপনাকে অনলাইনে দরখাস্ত করতে বলেছি? বিস্তারিত হাতে লিখে দরখাস্ত করুন বা কম্পোজ করে নিয়ে আসুন। তার কাছে আবার গেলাম এবং এনি তিনি কাগজগুলো আবার সব দেখলেন এবং বললেন 2 লক্ষ টাকা লাগবে নয়তো কোর্ট থেকে কারেকশন করাইয়া নিয়ে আসতে পারেন। আমাদের সাথে চুক্তি করা ছাড়া এ কাজগুলো আপনি করাতে পারবেন না এগুলো হয় না পড়ে থাকে। এখনও এটা করানো হয় নাই। কারণ এটা আমার সামর্থের বাইরে। তাই ভাবছি কি করা যায়? কত টাকায় আমার চুক্তি করা উচিত?
আমি একজন ভুক্তভোগী প্রবাসে যাওয়ার জন্য টাকা জমা দিয়েছিলাম সব ধরনের ব্যাংক স্টেটমেন্ট আছে ও দুইটি চেক আছে এবং স্ট্যাম্পিং লেখা আছে তা সবকিছু ডকুমেন্ট দিয়ে হবিগঞ্জ কোর্টে মামলা দায়ের করেছিলাম সেই ক্ষেত্রে শায়েস্তাগঞ্জ থানা এই মামলার দায়িত্ব পায় সেই সুযোগে সে আমার কাছ থেকে তদন্ত প্রতিবেদন কোর্টের মধ্যে জমা দেওয়ার নামে বারবার টাকা চায় আমি দ্বিতীয়বার টাকা না দিতে আগ্রহী হই এমনি অবস্থায় বর্তমানে পর্যন্ত আমার মামলা তদন্ত প্রতিবেদন ১০ মাস পার হয়ে গেলেও সে-ই তদন্ত প্রতিবেদন আজ পর্যন্ত হবিগঞ্জ কোর্টে জমা হয় নাই এই হচ্ছে সোনার বাংলার পুলিশ।
৪ টি প্রোজেকটের ই সি সি (পরিবেশগত ছাড়পত্র নবায়ন) বাবদ ৫ লক্ষ টাকা অতিরিক্ত দিতে হয় এবং ১ টি তে ৪ দিনের জন্য আরেকটিতে ২ মাসের জন্য নবায়ন মিলে। সরকারী কোষাগারে নির্ধারিত অর্থ পরিশোধের পরেও আমাকে আমার দায়িত্ব পালনের জন্য দীর্ঘ আট (০৮) মাস ঐ অধিদফতরের কর্মকর্তাদের পেছনে ঘুরতে হয়। অবশেষে কোম্পানি টাকা দিয়ে আমার মাধ্যমে বিষয়টি সুরাহা করে।
টাকা ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স যেনো টাকা ছাড়া হয়ইনা। বিশেষ করে ঢাকাতে। এখানে কে গাড়ি চালাতে পারে, বা পারে না তা দায়িত্বরত মেজিস্ট্রেট দেখেই না। সবাইকে ফিল্ড-এ গনহারে ফেল দেখানো হয়, পরবর্তিতে যে সিস্টাম করে রাখে সে অটো পাশ। প্রথমবার আমি সিস্টেম ছাড়া লিখিত, মৌখিক কৃতকার্য হলে, ড্রাইভিং পারার পরে ফেল দেখানো হযেছে। পরবর্তিতে ১২০০০ টাকা পেমেন্ট দেওয়ার পর (এই টাকার মধ্যে ব্যাংক পেমেন্টসহ সকল চার্জ) দিত্বীয় পরিক্ষায় গাড়িতে খালি উঠে নেমে গিয়েছি, চালায়নি, ফিল্ড ফেইল হলেও অনলাইনে পাশ। এবং পরবর্তিতে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেয়েছি।