নতুন পাসপোর্ট
নতুন পাসপোর্ট তৈরি করার জন্য ফরম কাউন্টারে জমা দিয়েছিলাম তারপর ভুল ধরল, অন্য টেবিলে যে ১৫০০ টাকা দেওয়ার পর আমার পাসপোর্ট হয়ে গেল।
19,215 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নতুন পাসপোর্ট তৈরি করার জন্য ফরম কাউন্টারে জমা দিয়েছিলাম তারপর ভুল ধরল, অন্য টেবিলে যে ১৫০০ টাকা দেওয়ার পর আমার পাসপোর্ট হয়ে গেল।
এখন অনেক জায়গায় বিডিএস ভূমি জরিপ হচ্ছে। আমাদের এলাকায়ও হচ্ছে। আমার সব কাগজপত্রে আমার জমি চার শতাংশ। কিন্তু ম্যাপে ৩.৬৪ শতাংশ। বাকি ০.৩৬ শতাংশ ম্যাপে উঠানোর জন্য আমার কাছে ৩০,০০০ টাকা ঘুষ চাওয়া হয়েছে। আমি প্রথমে দিতে রাজি হইনি। পরে ভেবে চিন্তে ১০০০০ টাকা দিতে রাজি হই। কিন্তু তারা সাফ জানিয়ে দেয় ১০০০০ টাকায় হবেনা। কোন উপায় না পেয়ে শেষপর্যন্ত ২০০০০ টাকায় রাজি করাই। আমার কথা হলো, সব কাগজপত্রে চার শতাংশ থাকার পরেও কেনো ম্যাপে কম উঠলো? আর ম্যাপে কম থাকার পরেও ঘুষ দিলে সেটা কি করে পাওয়া যায়?
Amader Tire shop er same Gari Te Tire installation er somoy eshe Traffic police er Ti eshe Mamla deya suru kore, wrecker diye Gari niye jay. Ekhon ora Bolteche 10000 Taka kore market Theke tule dite. Agey amra Tikte na pere 7000 taka kore tule ditam. Ekhon Ek Jon —Ti Aachen, uni naki 10k er niche nen na Taka. Amra wari area te achi
Demanding unnecessary documents. Making excuses to get money. I denied
অনলাইনে আমি নিজে এপ্লাই করি। ফিংগার, রিটেন, ভাইভা এবং ফিজিক্যাল সব ভালো করি, কিন্তু ফিজিক্যাল টেস্টে ফেইল করে দেয়। পরে দালাল ধরে ফিজিক্যাল টেস্ট না দিয়েই ৬,০০০ টাকা দিয়ে ফিজিক্যাল টেস্ট পাস দেখায়।
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ৫০০ টাকা পুলিশকে ঘুষ দিতে হয়েছিল।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে ইজিপিতে ১৪ লাখ টাকার ২টা ফার্নিচারের কাজ পাই। অফিসের সাবেসিস্টেন্ট ইঞ্জিনিয়ার আমার লাইসেন্সে কাজ পাইয়ে দিছে বলে ৭০০০০ টাকা চায়। এইটা নাকি অফিস খরচ আর এই টাকা না দিলে আমার লাইসেন্স থেকে কাজ বাতিল করে দিবে। তাকে ৫০০০০ হাজার টাকা দিয়ে ওয়ার্ক অর্ডার নিতে বাধ্য হইছি। পরে জানতে পারি অফিসের ভয় দেখিয়ে সে আমার থেকে টাকা নিছে।
আমি আমার জমি মিউটেশন করতে চেয়েছিলাম সরকারি খরচ ১১৭০ টাকা কিন্তু আমার থেকে ৩০০০০ টাকা দাবি করে আমি প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছি এবং মিউটেশন করতে পারিনি
নতুন বিল্ডিং এর অনুমোদন নেয়ার জন্য গিয়েছিলাম সেখানে তারা সরাসরি বিল্ডিং অনুমোদন করিয়ে দেবে এই শর্তে ১৭ হাজার টাকা দাবি করে এছাড়া আর কোন রাস্তা নেই, সরকারি যে প্রসেসে বিল্ডিং অনুমোদন হয় ওই প্রসেসে আমাদের ইউনিয়ন পর্যায়ে কোন বিল্ডিং এর অনুমোদন দেওয়ার নিয়ম নাই তাই আমি বাধ্য হয়ে ১৭ হাজার টাকা পরিশোধ করেছি।
DPHE এর সাব এসিসটেন্ট ইঞ্জিনিয়ার —। সে পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলায় কর্মরত। সে প্রত্যেক ঠিকাদারের কাছ থেকে বিলের ২% টাকা আদায় করে নেয়। কোন ঠিকাদার দিতে না চাইলে তার সাথে খারাপ আচরণ করে। মিস্ত্রীদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে। কাজ বন্ধ করে দেয়। বিষয়টি DPHE এর নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে একাধিক ঠিকাদার বারবার অভিযোগ করেছেন। কিন্তু কোন এক অদৃশ্য শক্তির কারণে নির্বাহী প্রকৌশলী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। —ের এই অসদাচরণের কারণে অনেক ঠিকাদার কাজ না করে কাজ ফেলে রেখে চলে গেছে।
অফিসের নামঃ Fish Inspection and Quality Control (FIQC) The main objectives of QC Lab, DoF, Chattogram are: * To support export/ import certification issued by Fish Inspection and Quality Control (FIQC) through providing credible test results and to ensure the quality of fish and fishery product for promoting exports and public health. * To ensure the quality of fish and fishery product for promoting exports and public health. কিন্তু এখানে যে কোনো কাজে গেলেই টাকাতো দেয়া লাগে উলটা মারাত্মক হয়রানি হতে হয়। পুরো ফিস এক্সপোর্ট কম্পানিগুলো এদের কাছে একপ্রকার জিম্মি। যেকোনো সার্টিফিকেট তুলতে গেলে টাকা তো দিতে হয় সাথে মনে মনে মাছ ও দিতে হয়। রিসেন্টলি উনারা আবার ঘুষের রেট ও বাড়াইসেন।
টাকা দিলে কোন দলিল বা ওয়ারিশন সনদ যেমনি হোক চলবে, ধরেন দলিল যদি ফটোকপি হয় বা ওয়ারিশন সনদ যদি অনলাইন কপি না হয় তাও চলে কিন্তু টাকা না দিলে সব সমস্যা তখন অরিজিনাল সব কাগজেও সমস্যা খুজে পায়। এর পরো সম্পূর্ণ ঠিক ঠাক কাগজে সরেজমিনে প্রদর্শনেও টাকা চায়। যাওয়া আসা সহ 500-2000 টাকা পর্যন্ত জমির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে। বি:দ্র: উপরে উল্লেখিত পরিমাণ 2 একর জমির উপরে।
রেলওয়েতে জার্নির সময় মহানগর প্রভাতী ট্রেনের এটেনডেন্ট যারা কর্তব্যরত আছে তারা বিভিন্ন উপায়ে টিকেটবিহীন যাত্রীদের এসি স্নিগ্ধা এবং এসি কেবিন এসবে যাত্রী তুলতেছে এবং তারা প্রতিদিন এসব করি যাচ্ছে যার কারণে আমিও টেন্ডিং টিকেট কেটেও তাদেরকে টাকা দিয়ে এসি কেবিনে উঠি
কলেজে কোন প্রকার এডমিট কার্ড রেজিস্ট্রেশন কার্ড কোন কিছু উঠাতে গেলে সরকারিভাবে ফ্রি কিন্তু কলেজ থেকে ওই একটা নির্দিষ্ট লোক 100 টাকা করে দাবি করে যেটা আমাদের পক্ষে দেওয়া অতটা সহজ না কারণ আমরা ছাত্র। ওই ১০০ টাকাটাই কষ্টটর হয়ে ওঠে , বিশেষ করে যখন ফরম ফিলাপ করি এবং তারপরে যখন চায় তখন ফরম ফিলাপ করার জন্য যে টাকা নিয়ে যাই সেটা পরিশোধ করার পরে ওই ১০০ টাকাটা যেন গলার কাটা হয়ে দাঁড়ায়।
আমার মায়ের সিজার অপারেশন হয় তখন আয়া যে বাবু দিতে আসে সে বখসিস চায় তাকে ৫০০ টাকা দেওা হলে সে প্রত্যাখ্যান করে এবং আরো দাবি করে তখন তাকে আর ১০০ বাড়িয়ে দেওয়া হয় । সমস্যা এইখানে না সমস্যা যখন আমার মাকে অবজারভেশন রুমে রাখা হয়েছিল তখন আয়া বেচে যাওয়া অনেক ওষুধ সরায় ফেলে যেগুলার । জেগুলা আমাদের ফেরত দেওয়ার জন্য ডাক্তার বলেছিল । পরবর্তীতে তাকে জিজ্ঞেস করলে উনি ২০০ টাকা দাবি করে ইহা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সে আমার মায়ের ফ্যান বন্ধ করে রাখে । এবং অক্সিজেন মাস্ক ও বন্ধ করে রাখে । মা বার বার অভিযোগ করে এক পর্যায়ে গালাগালি শুরু করে । তখন বাধ্য হয়ে তাকে অক্সিজেন মাস্ক এর জন্য ২০০ এবং ফ্যান ছাড়ার জন্য আর ২০০ টাকা দেওয়া হয় । —
ভূমি অফিসে প্রতিটি কাজের জন্য fixed rate আছে৷ সবায়কে সেই রেট follow করতে হয়৷ নামজারিঃ ১০০০-২০০০ টাকা শুধু খসরা খতিয়ান প্রস্তুতের জন্য। খাজনাঃ online এ খাজনা approval দেয়ার জন্য ২০০ টাকা। হোল্ডিংঃ নামজারি করার পর হোল্ডিং খোলার জন্য ১০০ টাকা এবং আবার খাজনা approval এর জন্য 200 টাকা। আমার নিয়মিত এদের সাথে কাজ করতে হয়। কারো জন্য ভয় করেনা এরা। টাকা না দিলে নামজারি খসরা খতিয়ান দেয়না যায় ফলে cancel হয়ে যায়৷ টাকা না দিয়ে খাজনা approval দেয়না। টাকা লেনদেন হয় — নামে এক assistant এর দ্বারা৷ মেইন যেই মহিলা আছে তিনি আগে শুনে নেন টাকা দেয়া হয়েছে কিনা তারপর সব approval দেন।
একই দাগে ভিপি সম্পত্তি থাকায় ভিপি কর্তন করে নামজারি করতে হবে। অবমুক্তির রিপোর্ট দিচ্ছেন না শুধু ডেট দেয়। জানতে চাইলাম কেন এমন করে তারপরে টাকার কথা বললো।
রোড পারমিট নবায়নের জন্য যাওয়ার বিভিন্ন কাগজ পত্রের বাহানায় তারা টালবাহানা করতে লাগলো, এই সুযোগে একজন ২৫০০ টাকা ঘোষ দাবি করে, আমি প্রত্যাখ্যান করার পর তারা কাগজপত্র চায়, যেটা সঠিকভাবে দেওয়ার পরও বলে, এটা না ওটা। তারপর না পেরে ৩৫০০ টাকা দিয়ে সেই কাগজ করিয়ে আনছি।
সোহাগী ইউনিয়ন ভূমি অফিস, ঈশ্বরগঞ্জ, ময়মনসিংহ, এই অফিসের অফিস সহকারী — ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী —। কেউ নামজারি করতে গেলে টাকা ছাড়া নামজারি করে না। প্রতিটি খারিজ করতে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ নেয়। কোন সেবা নিতে গেলে ঘুষ ছাড়া করেনা।
My granny complete her 15 years of pension, from then she gets 10k pension, before she gets like 2.5, so they said they didn’t find the pension book. And ask for ''Cha Nasta'' charge.