পুলিশ ভেরিফিকেশন
২০০০০ টাকা দাবি করেছিল, আমি সর্বশেষ ৫ হাজার টাকা দিয়ে কাজ৷ করালাম।
19,215 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
২০০০০ টাকা দাবি করেছিল, আমি সর্বশেষ ৫ হাজার টাকা দিয়ে কাজ৷ করালাম।
আমি নিজে নিজে অনলাইনের মাধ্যমে পাসপোর্ট এর আবেদন করে অতঃপর কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে যাই। কিন্তু তারা আমার এপ্লিকেশন জমা নিবে না। এই ভুল ওই ভুল বলে এই টেস্ট ওই টেস্ট বলে হয়রানি করে। এনআইডি কার্ডে পেশা দেয়া ছিল শ্রমিক আর পাসপোর্টে দিয়েছিলাম লেবার এ কারণে নাকি আমার পাসপোর্ট হবে না। অতঃপর তারা আমাকে একটি কম্পিউটারের দোকানদের নাম্বার দিয়ে বলে এ নাম্বারে যোগাযোগ করে সংশোধন করে আনেন। নম্বরে যোগাযোগ করলে বলে যে ২ হাজার টাকা দিতে হবে আপনাকে। আরে টাকা আমি অর্ধেক নেব ওই অফিসার অর্ধেক নিবে। তাই প্রয়োজন এর কারণে আমি তাদেরকে ঘুষ দিয়ে কাজটি করতে বাধ্য হই।
একজন কেনারি দাবি করে আর এটা সবাই জনে যারা পৌরসভায় বিল্ডিং এর নকশা অনুমোদন করান। নাহলে ফাইল আগায় না। মাসের পর মাস যায় কোন অগ্রগতি ছাড়া। বাধ্য হয়ে পরিশোধ করতে হয় ঘুষ
পটুয়াখালী সরকারি ডায়াবেটিস হসপিটালে ডায়াবেটিস রোগীদের বই করার জন্য ৫০০ থেকে ১১০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয় । আমার পরিবারের একজনের ডায়াবেটিস হয়েছে তাই ডায়াবেটিস হসপিটালে গিয়েছিল পরীক্ষা করতে ।তখন জানতে পারে ডায়াবেটিস হসপিটালের বই করলে কিছু সুযোগ সুবিধা আছে । তখন বই করতে গেলে প্রথমে ১১০০ টাকা চেয়েছেন পরে ৫০০ টাকা চাইলেন তারপর ৫০০ টাকা দিয়ে বই করা হয় ।
আমার বাবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন, চাকরিরত অবস্থায় এবছর মারা যান। তার পেনশনের দাবি করতে গেলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কাশিয়ানী বলেন পেনশনে পেতে হলে তাকে টাকা দিতে হবে না হলে সে কাজ করবে না। আমি প্রথমে ঘুষ দিতে সম্মত হই না। পরে এক মাস হয়ে যায় আমার বাবার পেনশনের কাগজ স্বাক্ষর করে না উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার। তখন সে আবারও ঘুষ দাবি করে ৫০০০০ টাকা। না দিলে কাজ করবে না। পরে বাধ্য হয়ে তাকে ৩ খাদে ৪০০০০ টাকা দেই এবং পেনশনের কাগজ স্বাক্ষর করে forward করে। অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর নেন ৮০০০ টাকা ঘুষ এই পেনশনের কাজের জন্য। এরপর পেনশনের কাগজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস গোপালগঞ্জ নিয়ে গেলে, সহকারী মনিটরিং অফিসার (AMO) আমার থেকে ৩০০০০ টাকা ঘুষ নেন পেনশনের কাজ করতে
আমি টিভি নিয়ে সদর ঘাটে যেতে সেখানে এক লোক বলে, ৫০০/ টাকা লাগবে, লেবার খরচ হিসাবে। কিন্ত আমি কোন লেবার নেইনি। তারা বলে কোন লেবার না নিলেও ৫০০/ দিতে হবে। পরে ২০০/ টাকা দিয়ে আমার নিতে হয়। এটা টার্মিনাল এর বিতর হয়েছে। আর এখনো হয় আমার জানা মতে
১৮/০৫/২০২৬ তারিখে আমি পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম আমার পাসপোর্ট টির ইনফরমেশন কারেকসন করে নতুন পাসপর্ট ইস্যু করার জন্য। কিন্তু তার আমাকে নানা কাগজের অযুহাত দেখিয়ে শেষমেশ এক ব্যাক্তির নিকত যেতে বলে। এরপরে সেই ব্যাক্তির নিকট গেলে সে আমাকে বলে অন্যদের জন্য ২০০০০টাকা তবে আপনি যেহেতু সরকারী চাকরীজীবী তাই আপনার জন্য ডিষ্কাউন্ট করে ১৫০০০টাকা। এই টাকা পরিশোধ করলেই আপনার পাসপোর্ট এর আবেদন গ্রহণ করে প্রসেস করা হবে। এরপরে আমি সেই টাকা দিতে অস্বীকার যাই এবং এরপরে তাদের কে বলি আমার পাসপোর্ট করে না দিলে আমি সাংবাদিক ডাকবো কিন্তু তারা তাতে ভয় না পেয়ে এক রকম আমাকে অপমান করে সেখান থেকে বের করে দেয়। এরপরে আমিও রাগে ক্ষোভে সেখান থেকে ফেরত চলে আসি। এবং এখন পর্যন্ত আমি পাসপোর্ট কারেকশন করিনি এন্ড ইন্ডিয়া তেও যাইনি।
পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে নূন্যতম ২৫০০ টাকা লাগে। ডোপ টেস্টে অতিরিক্ত ৬০০ টাকা ঘুশ না দিলে অনেক লেট করে যেটা ইচ্ছাকৃত। এমনকি থানায় ওসি পর্যায়ে আরও অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দিতে হয়।
আমরা সরকারি কর্মচারী হিসাবে যে কোন বিলে ৫% না দিলে কাজ হয় না।
পিরুজালী ইউনিয়ন পরিষদ সচিব নতুন ট্রেডলাইসেন্স আবেদন করলে আবেদনের সাথে বারতি ১০০০০.০০টাকা দাবি করেন। যাহার সরকারি ফি মাত্র ২০০০.০০টাকা এবং No Observation Certificate(NOC) জন্য ৫০০০০.০০ টাকা দাবি করেন। অথচ যার সরকারি ফি মাত্র ৫০০০.০০টাকা।
কর অঞ্চল ১০ এ একজন করে কমিশনার আমার রিটার্নের বিলম্বের অজুহাতে ভয় দেখায়। তার রুমের সামনে আরেক কর কমিশনের নেতাও জড়িত ছিল (নাম ভুলে গেছি)। পরে টাকা দেওয়ার পর ব্যাক ডেটে আমাকে সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।
২০২৪ সালে একটি জমির নামজারী করতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে তারা ৮০০০ টাকা দাবি করে কিন্তু আমরা জানতাম ১১০০ টাকা লাগে। তাই বাইরে থেকে আবেদন করি আর আবেদনের কপি জমা দেই। ১ মাসের মধ্যে হওয়ার কথা থাকলেও আবেদনটি তারা একমাসের অনেক বেশি সময় রাখে এবং শুনানির সময় আবার ৭০০০ টাকা চায়, টাকা না দেওয়ায় তারা আবেদন টি বাতিল করে দেয়।
BMET FATHER NAME CORRECTION BMET JE KNO CORROCTION KORTE TK DABI KORE NA DILE CORROCTION KORE DAY NA OTHOSO EI BMET FREE SERVICE DIBE ORA PROBASHIDER 2500 TK O NAY ORA
পাসপোর্ট কপি,এন,আই,ডি ছিল।আর কিছু ছিল না। এরা অনেক ডকুমেন্টস চাচ্ছে। টাকা দিলে আর কিছু লাগবে না।
শুধু একটা টিপ সই নেয়ার জন্য কোন নিয়ম ছাড়ায় ১০০ টাকা দাবী করলো। আমি বাধ্য হলাম দিতে।
নামজারি করতে গেলে এই টাকা দাবি করে
টাকা না দিলে জমির খারিজ হয় না।
দলিল দিয়ে ননাম জারি করতে গেলে এই টাকা দাবি করে। একনো ক্জ হয়৷ নাই
না দিলে দলিল হবেনা তাই পরিশোধ করেছি।
জমির অনলাইন খাজনা ছিল 57 টাকা তফশিলদা ৯৭ টাকা পরিশোধ করার জন্য পাঁচ হাজার টাকা নিয়েছে তার কারন একটা জমির মালিক আমার বাবা তুমি মারা গেছে, তাদের কথা মারা গেলেও নাকি হবে না তার আসতে হবে