নাম জারি
লিগেল ভাবে করলে জামেলায় পড়বেন আর টাকা দিয়ে করলে আরামে হয়ে যাবে
19,197 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
লিগেল ভাবে করলে জামেলায় পড়বেন আর টাকা দিয়ে করলে আরামে হয়ে যাবে
ভাই খাজনা এভাবে আদায় করা যাবে এইজন্য এভাবে কিছু টাকা দিতে হবে বাড়তি বাড়তি
ময়মনসিংহ গফরগাঁও ইউনিয়ন ভুমি অফিসে
আমার সব সঠিক। ফরমে পেশা Others দেয়া ছিল। বলল হবে না, পেরত দিয়ে দিয়েছে। পরের দিন এক দালাল এর মাধ্যমে একই ফরম কোন রকমের পরিবর্তন ছাড়াই জমা নিয়েছে এবং পাসপোর্ট হয়েছে।
পাসপোর্ট করতে বেশি টাকা দেয়া লাগছে , তা নাহলে পাসপোর্ট অনটাইমে জীবনেও দিবেনা অথবা যেকোনো ছোট প্রবলেম ধরে আপ্লিকেশন ফিরাই দিবে।
আমি আমার জমির নামজারি (মিউটেশন) করাতে গিয়েছিলাম, কিন্তু অতিরিক্ত ৮,০০০ টাকা না দেওয়ায় ব্যর্থ হয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত টাকাটা দিয়ে কাজটি সম্পন্ন করলাম।
পাসপোর্ট করার জন্য পুলিশ ভেরফিকেশন করার জন্য টাকা দিবো না বলে সিদ্ধান্ত নিয়ে ছিলাম কিন্তু আমার একটা বন্ধুর শুনলাম পুলিশকে টাকা দেয়নি বলে তার পাসপোর্ট হয়নি।এ-র পরে ১হাজার টাকা রফা করি।ঘটনাটি ২০২৪ সালে শেষের দিকের।এখন কথা হলো ঘুষ না দিলে আজ হবে না আগামী কাল আসেন,আজ স্যার নেই, এর এই কাগজে সমস্যা ইত্যাদি এখন প্রশ্ন যে যারা চাকুরি করে আরও কর্মস্থল যদি হয়ে ঢাকা তাহলে ঘুষ না দিয়ে করনীয় কি?
আদালতের আদেশ থাকা সত্ত্বেও, নামজারি করতে চায় না
আমি ১৩ই জুলাই ২০২৫ এ বগুড়া সদর ভূমি অফিসে মিসকেসের জন্য আবেদন করেছি। অদ্যাবধি কোন ম্যাসেজ পাইনি। অফিসে গেলে বলে তদন্তে আছে। অথচ আমার গ্রামের একজন আমার অনেক পরে আবেদন করার পরও শুনানী হয়ে গেছে। কারণ সে খরচাপাতি দিয়েছে। আমার কাছে কেউ টাকা চায়নি তাই দেয়ার প্রশ্নই আসেনা।
গফরগাঁও রসুলপুর ইউনিয়ন ভুমি অফিসে
সরকারী চাকুরীর প্রয়োজনে হেলথ রিপোর্ট নেওয়ার জন্য সিভিল সার্জন অফিস থেকে সেবা নিতে গিয়ে রিপোর্ট স্বাক্ষর করতে গিয়ে ২০০টাকা ঘুষ দিতে হয়। প্রথমে ভাবলাম দিবো না। পরে সাথের আরেক কলিগ বললো না দিলে সমস্যা করবে। বাধ্য হয়ে দিতে হয়।
অযথাই দেরি করছিল। অল্প সময়ের কাজ এর জন্য অনেক অপেক্ষা করতে হয়েছিল
আমি ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য যাই আমি তাকে বলি যে আমি অনলাইনে আবেদন করে এসেছি সে বলে এখন এখানে 100 টাকা দিতে হবে তারপর আমাকে একটা কাগজ ধরিয়ে দেয় দিলে আমি সে কাগজটি জমি দিয়ে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ফ্রিতে ১৪০০ টাকা
আমার পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য যা যা ডকুমেন্টস দরকার সব নিয়ে জমা দেওয়ার পরেও একবার একটা নতুন নতুন ডকুমেন্টস আনতে বলে এভাবে ২/৩বার আনার পরে আমার কাছে আরেক টা ডকুমেন্টস আনতে বলে যা অনর্থক কিন্তু এভাবে কিছুদিন গুরার পর পাসপোর্ট অফিসের সামনের কম্পিউটার এর টাইপিং এর যে দোকান গুলো ছিলো তারা ও এই দূর্নিতীর সাথে জড়িত।এমন এক দোকানের সাহায্য নিয়ে ঘুস দেয়ার পর আমার আর কোন কাগজ লাগেনি,ডিরেক্ট পিঙ্গার, আই দিয়ে ই-পাসপোর্ট করি।
নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে বিশেষ কোড সম্বলিতে মেইল কোডে আবেদন জমা না দিলে।প্রচুর হয়রানি করা এবং জমা নেওয়া হয়না। পাসপোর্ট ফরমের ৭৯ নং কলামে একটি বিশেষ মেইল থাকে যা বাইরের দালালদের কোড। এই কোড মূলত অফিসের অসাধু সিন্ডিকেটের দেওয়া যা বাইরের দালালদের দেওয়া হয় এই কোড ব্যবহার করে আবেদন করলে কোন হয়রানি করা হয়না। এই কোড ব্যবহারকারী দালাল প্রতিটি আবেদনের জন্য ১০০০হাজার টাকা করে অফিসকে দিতে হয়।প্রতিদিন পাসপোর্ট অফিস ২০০-৩০০ আবেদন জমা হয় যার ৯৮% বিশেষ কোডসম্বলিত। প্রতিদিন ৩০০ ফাইলের মধ্যে কোন কোডের মাধ্যমে কতটি আবেদন জমা হয়েছে এটা হিসাব রাখা হয়। এই হিসাব অনুযায়ী বাইরের দালালরা সপ্তাহে একবার অফিসে টাকা দিয়ে যায়।প্রতিটি দালালের জন্য আলাদা কোড বরাদ্দ। যার কোডে যতটি ফাইল জমা হয় সে ততটাকা প্রতি সপ্তাহে দেয়।
টাকা না দিলে written এই fail করায়ে দেয় । আমার exam hall এর 99% মানুষ ই 10k to 15k ঘুষ দিয়েই এসেছিল।
Theres no way to complete it without additional amount.
Return joma dite giye ghusher kotha othe Office theke Office sohayok dabi.koren khorchopati dite hobe sir der ke 2000 taka.,na hole tader list er othbena return joma er list Ekporjay na pere 1000 taka diye aste hoyese.😈
আমি তখন ইন্টারণ ডাক্তার। অন্য সরকারি মেডিকেল কলেকে। আব্বার হঠাৎ ড্রাগ রি একশন করায়, আব্বাকে চট্রগ্রাম মেডিকেলে মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করায়৷ আব্বা ১০ /১৫ দিন হাসপাতালে ছিলেন। পরে যখন ছাড়পত্র দে, নার্স/আয়া বুয়া সবাই উঠে পড়ে লাগে আমার আম্মাকে বকশিস দেওয়ার জন্য। ওরা না কি অনেক কষ্ট করছে। কি কষ্ট করছে, ওরাই জানে। শুধু রুটিন দায়িত্ব পালন করছে। সারাদিন ওদেরকে ডাকতে ডাকতে আমি ক্লান্ত হয়ে যেতাম। এস এ ডাক্তার হয়েও। যদীও আমার মা থেকে ওরা জোর করে ১০০০ টাকা আদায় করেছিল..
একজন কর্মচারী নাফিউল্্লিাম