এমপিও করতে
স্কুলে যোগদানের পর সরকারি ভাতা(বেতন ) করতে জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা তাদের উপরী চাওয়ার কারণে আমি ও আমার সহকর্মী এই পরিমাণ অর্থ উৎকচোন দিতে হয় যেটা খুবই খারাপ কাজ।
19,172 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
স্কুলে যোগদানের পর সরকারি ভাতা(বেতন ) করতে জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা তাদের উপরী চাওয়ার কারণে আমি ও আমার সহকর্মী এই পরিমাণ অর্থ উৎকচোন দিতে হয় যেটা খুবই খারাপ কাজ।
Production wastage disposal permission এর জন্য প্রায় ১ বছর ফাইল আটকিয়ে রাখে পরে 1,50,000.00 টাকা দেওয়ার পর ফাইল approve করে
মৌলভীবাজার পাসপোর্ট অফিসে একটি পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম। পেশা উল্লেখ করার কারনে তারা সনদপত্র দেখতে চায়। আমি দেখাতে পারিনি। বিধায় পাসপোর্ট অফিস থেকে ফেরত আসি। পাসপোর্টের কাজ করেন এমন একজন বড় ভাইয়ের সাথে আলাপ করে তাকে অতিরিক্ত ১৫০০ টাকা দিলে তিনি কাজটি কোন সনদপত্র ছাড়াই করে দেন।
সরকারি বাসা বরাদ্দ প্রাপ্তির জন্য বাংলাদেশ আবাসন পরিদপ্তরের কর্মরত কর্মচারী কর্তৃক আমার কাছে পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়েছিল, আমি ঘুষ দিয়ে সরকারি বাসা বরাদ্দনিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছি, সরকারি আবাসন পরিদপ্তরে কর্মরত প্রথম শ্রেণি থেকে চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত কর্মরত সকল কর্মচারী ঘুষ লেনদেনে জড়িত
রোগী ভর্তি করার করে ওয়ার্ডে নিয়ে যাবার পর ট্রলির টাকা দেয়া লাগে। তারপর রোগীর বেডের জন্য বলা হলে তারা বলে বেড ফাকা নাই মেঝেতে থাকতে হবে৷ পরে সেখানকার ওয়ার্ড বয় কে বলার পর সে বলে টাকা দিলে সীট দিতে পারবে। আমরা টাকা দিলে তাৎক্ষনিক বেড পাওয়া যায়
বদলি বাণিজ্য চরম মাত্রায় হয় এলজিইডি তে।এখানে টাকার জোরে সব হয়। প্রকল্প, মাস্টাররোল নুন্যতম বিধি না মেনে স্হায়ী হয,শিক্ষাগত যোগ্যতা নাই তবু উক্ত পদে চাকরি হয়। অবৈধ ভাবে সার্ভেয়ররা এমবি পাওয়ার পেয়ে সার্ভে কাজ বাদ দিয়ে বিল করে সাইট দেখে, যারা পদ রিলেটেড না।তাদেরকে দিয়ে বিল করায় ফায়দা লোটে। গ্রেডেশন লিস্টের কোন ঠিক ঠিকানা নাই। প্রমোশন জটিলতা করা হয় টাকার জন্য।আবার টাকা পেলে প্রমোশন ও ভাল প্লেসে পোস্টিং। মামলা করে নিয়োগ আটকে রাখা হয়। অ.দা,চ.দা দিয়ে ভরে রাখছে। টিএ ডিএ বিল নিম্নপদস্থ রা পায় না।অফিস প্রধাণ নানান অজুহাতে নিজ পকেটে ঢুকায়। কাজ খারাপ করার জন্য উধ্ধতনরা দ্বায়ী,দোষ হয় ফিল্ড লেভেলের।কারন, ওয়ার্ক অর্ডারের সময় পিসি নিয়ে কাজ করে।নোয়া দিতে পিসি।ইজিপি তে ঘাপলা করে কাজ বাতিল করে।
নতুন পাসপোর্ট করার জন্য অনলাইনে এপ্লাই করা হয়েছিল, সকল ডকুমেন্টস রেডি করে জমা দিতে গেলে অনেক ভুল ধরা হয় কিন্তু ঘুষ দিলে আর কোন ভুল সংশোধন করা লাগবে না বলে জানানো হয়। এছাড়াও বলা হয় যে ঘুস দিয়ে ৯৫% লোকের কাজ হয়, ঘুস ছাড়া ৫% কিন্তু অনেক হয়রানির পর।
বাবা মৃত্যুর পর বাবার সিফি ফান্ড ও আনুতোষিক পাওয়ার জন্য যারা ফাইল নিয়ে কাজ করবে তারা কিছু খরচ চাই।
They want a contract. exam is sample show only present. cash paid 13000 taka evening result pass. i believe all Bangladesh like this ghush . if you no contract you fail 100 times. end of day back to them.
name jari korle ay taka lage
জমির কাগজ সব ঠিক আছে। তারপর আমার কাছ থেকে ৪৫০০০ টাকা দাবি করছে। আমি ইতি মধ্যে ২৫০০০ টাকা দিয়েছি তারপর আমার সব জমির পচ্া দেয় নাই। শুধু আমার কাছ থেকে না সবার কাজ থেকে এর থেকে বেশি টাকা নিতেছে। বিনোদপুর বড় খন্ড বি ডি এস রেকড করতে
আনসার সদস্য পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা ও শালিখা থানা পুলিশ
বাড়ির জায়গার কাজনা
আমি জন্মনিবন্ধন অনলাইন করতে চেয়েছিলাম, তারপর প্রথমে আমার কাছে 2500 টাকা চায় পরে আমি প্রত্যাখান করাতে 2000 টাকা দিয়ে দিলেই হবে বলছিলো আমার কাজটা ছিল 23নং ওয়ার্ডে, প্রাক্তণ ওয়ার্ড সচিব এই টাকা দাবি করেছিল
নামজারি সংক্রান্ত ঘটনার বিবরণ কিছুদিন আগে আমি এবং আমার Uncle পৃথকভাবে দুটি জায়গা ক্রয় করি। এর মধ্যে আমি ১ গণ্ডা এবং আমার Uncle ৩ গণ্ডা জমি ক্রয় করেন। জমি ক্রয়ের পর দলিলের নকল আসার পর নামজারি করার বিষয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট Sub-Registry Officer-এর সঙ্গে কথা বলি। তখন আমাদের জানানো হয়েছিল যে, দলিল লেখক এবং আমিনের মাধ্যমে নামজারির প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করে দেওয়া হবে। সেই অনুযায়ী আমি নামজারি করার বিষয়ে যোগাযোগ করলে আমাদের জানানো হয় যে, ৩ গণ্ডা জমির জন্য নামজারি করতে ২০,০০০ টাকা খরচ হবে। একইভাবে ১ গণ্ডা জমির জন্যও একই ধরনের খরচের কথা বলা হয়। পরবর্তীতে আমাদের জানানো হয় যে, সরকারি নিয়মে নামজারি করার জন্য একটি বিকল্প পদ্ধতি রয়েছে, যেখানে খরচ তুলনামূলকভাবে অনেক কম—প্রায় ৪,০০০ টাকা। তবে এই পদ্ধতিতে নামজার
ক্রয়কৃত জমির মিউটেশন/ নামজারি করতে ভূমি অফিস এর দায়িত্বরত প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের উৎকোচ বাবদ প্রদান করা হয়
মনপুরা হলো সম্পূন্ন নদী দ্বারা আবদ্ধ দ্বীপ যেখানে ভূমি সেবা গ্রহনের জন্য অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয় যা এখন নিয়মে পরিনত হয়েছে। অন্যান্য দপ্তরের মত এখনে ভূমি অফিসে কর্মরতরা নিজেদের দূনীতিকে পরিশ্রামে অর্থ মনে করেন। ভূমি নামজারি থেকে শুরু করে খাজনা এবং যেকোনো সেবা গ্রহনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ আগ্রিম দিতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ দিয়েও সেবা পাওয়া যায় না হতাশা জনক। সবচেয়ে হাস্যকর বিষয় হলো এখানকার স্থানীয় সাংবাদিক দাবি করা একজন — নামে সেও ভূমি অফিসের কর্মকতাদের থেকে হাদিয়া নেন সংবাদ প্রকাশ করবেন না বলে 🤣🤣🤣। সবশেষ আমার মতামত হলো সরকার যেহেতু দুনীতিকে থামাতে পারবে না সেই ক্ষেত্রে দুনীতির রেট নিধারন করে দিলে আমাদের মত সাধারন জনগনের উপকার হয়। মানসিক ভাবে হলেও তো প্রস্তুত থাকতে পারবো😭😭😭
ড্রাগ লাইসেন্স আবেদন করেছিলাম ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে, এখন আগস্ট ২০২৬ চলছে, অনলাইনে আবেদন এস্পেটেড হইছে ৯ মাস আগে, একদিন অফিসে যোগাযোগ করলাম, বলছে এমনিতে হবে না, ২০,০০০/- টাকা দিলে ১৫ দিনে হয়ে যাবে।। না দিলে বছরের পর বছর পড়ে থাকবে।। সিলেট ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর অফিস, মদিনা মার্কেট, সিলেট।।
নিয়োগপত্র পাওয়ার পর হাতিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ইএফটি ও অন্যান্য অফিসিয়াল কার্যক্রমের জন্য উক্ত অফিেসর উচ্চমান সহকারী ১৭০০ টাকা এক প্রকার বাধ্য করে নেয়। বলে যে এখানে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস এবং অন্যান্য পার্টিদের অংশ আছে৷
তার ১০ পরে ইমারজেন্সী কনো রুগী নিয়ে গেলে তারা তাল বাহানা করে এংব অবহেলা করে, এইভাবে সমস্যা তৈরি করে টাকা দাবি করে, টাকা না দিলে চিকিৎসা নিতে সমস্যা করে,