নামজারি
জমির নামজারি করতে ঘুষ চেয়েছে। বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
19,118 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জমির নামজারি করতে ঘুষ চেয়েছে। বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
জমি বিক্রির সময় আমার মায়ের নামে সামান্য ভুল থাকায় তারা ঝামেলা করে এবং অর্থ দাবি করে এক প্রকার বাধ্য হয়েই সাব রেজিস্ট্রার কে অর্থ দিয়ে জ কাজ করতে হয়
আমার নতুন পাসপোর্ট 5 বছর এর মেয়াদ এর জন্য 5 হাজার টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে দিছি, কিন্তু পাসপোর্ট অফিস এসে দেখি টাকা নাকি আসে নাই । তার পরে পাসপোর্ট অফিসের সামনের কম্পিউটার এর দোকানে গেলাম 2000 টাকা দিলাম সে একটা ফোন দিল কাজ হয়ে গেছে ।
BSTI, পরিচালক, পরিবেশ পরিচালক, ফায়ার, ভ্যাট অফিস সাবাই কে ঘুষ দিতে হয়
অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া এবং প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট ঠিক থাকলেও গ্রাহক ফাইল নিয়ে জমা দিলে বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলে বেড়ায়। সাইট ঠিকমত কাজ করে না সার্ভারে সমস্যা অপেক্ষা করেন। এবং অপ্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সংগ্রহ করে আনতে বলে। এক পর্যায়ে গ্রাহকরা হয়রানির শিকার হয়ে যায়। পাসপোর্ট অফিসের সাথে আশপাশে কিছু দোকান থাকে। সেই দোকান মালিকদের সাথে পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদের লিংক হয় কোডের মাধ্যমে। সেখানকার প্রতিটি দোকানদারের আলাদা একটি কোড আছে। সেই কোডটি পাসপোর্টে থাকা ৭৯ নম্বর অপশনে লিখে দিলে কোনরকম কাগজপত্র ছাড়াই পাসপোর্ট করা যায়। বাহিরে দোকান থেকে সেই কোড লিখে আনতে হলে ১৫০০ টাকা এক একটা পাসপোর্ট এর জন্য দিতে হয়।
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর জন্য কর্তব্যরত সরকারি কর্মকর্তার কাছে গেলে তিনি বাড়তি এক হাজার টাকা দাবি করেন এবং না দিলে আমার কাজটি আরো ২০ দিন পিছিয়ে যাবে বলে আমাকে ভয় দেখান।
MPO file transfer and area bill. MPO file transfer এর সময় সম্পূর্ণ টাকা দিয়েছি. Area bill file transfer এর সময় 1000 টাকা দিয়েছি file এখনো pending এ আছে।
আমার মনে হয় বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ঘুষ দিতে হয় ভূমি অফিসে ।
নিজেই পিয়নের মাধ্যমে নিয়েছে।
টাকা ছাড়া ফেল করিয়েছে। এর পর টাকা দিলেই পাস করতে হয় না
কক্সবাজার শহর অঞ্চল ঝিলংজা তে, বিডিএস (Bangladesh Digital Survey – BDS) জরিপ শুরু হয়েছে এক বছর আগে থেকে, বর্তমানে এখানে খতিয়ান তসদিক (খসড়া খতিয়ান ও নকশা যাচাই এবং সত্যতা নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া) কাজ চলছে, তাদের অফিসে বর্তমানে খতিয়ান প্রতি (যদি জায়গা কম থাকে) তাহলে ৫ হাজার টাকা এবং যদি জায়গা বেশি থাকে তাহলে ১০ হাজার টাকার নির্ধারণ এর মাধ্যমে টাকা গ্রহন চলছে, আর যদি খতিয়ানে/জায়গায় কোন সমস্যা তাহলে সেটা খতিয়ান প্রতি ১ লক্ষ টাকা উপরে চলে যেতে পারে যেটা আপনার জায়গার সমস্যার উপর নির্ভর করে, এমনকি খাস জায়গার পর্যন্ত খতিয়ান তসদিক করে দেওয়া হচ্ছে, আমার ১০ টা খতিয়ানে জন্য ১ লক্ষ টাকা এবং একটা খতিয়ানে কিছু অন্য দাগের জায়গা ৩ শতকের মত বেশি এসেছে সেটার জন্য ১ লক্ষ টাকার সহ মোট ২ লক্ষ টাকা দাবি তাদের।
কক্সবাজার শহরে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক পরিচালিত নতুন ভূমি জরিপ চলমান রয়েছে, এই জরিপে সকল ভূমি মালিকদের নিজ নিজ জমির সকল বৈধ কাগজপত্র (যেমন, জমির দলিল, খতিয়ান, পরিশোধিত খাজনার রশিদ ইত্যাদি) নিয়ে পূর্ব নির্ধারিত সার্ভেয়ার কর্তৃক জমির মালিকানা প্রমাণ সাপেক্ষ নতুন বিডিএস খতিয়ান পাওয়া যায়। এই সেবাটি পেতে আমাকে দুই ধাপে যথাক্রমে, তিন লক্ষ এবং পঞ্চাশ হাজার টাকা দিতে হয়েছে, দুজন আলাদা সরকারি কর্মীকে।
আজ আমার বাবার জমিতে খাজনা দেয়ার জন্য আমারা ভুমি অফিসে যাই BRS পর্চা দেখে বলে খাজনা নেবেনা নতুন করে নামজারি করতে হবে তার জন্য ৫টা নামজারি করতে ৬০ হাজার টাকা করে চায় নায়েবের নাম — [redacted]
মিটারের আবেদন করার পর অনেকদিন হয় গেছে কোনো খোঁজ খবর নেই তারপর একদিন অনলাইনে চেক করে দেখি প্রতিবেদন দেয়া আছে আমার 1টা মিটার আছে অথচ মিটার আমার বাবার নামে আর সেটা আমাদের প্রথম বাড়িতে এই বাড়ির জন্য আবেদন করেছি তো দেখিয়েছে আমার মিটার আছে। এরপর অফিসে গেলাম তারা বললো আবার আবেদন করতে।একটা আবেদন করতে নেই 100 টাকা একবার করেছি বাতিল করে দিয়ে বলে আবার আবেদন করতে।সরকারি ভাবে নির্দেশনা দেয়া আছে একটা মিটার নিতে 500 টাকা লাগবে আর এলাকায় বিদুৎ অফিসের যে দালাল আছে সে এনে দেবে 1500 টাকা দিতে হবে।সেইজন্য আবেদন করেছিলাম যে সরকারিভাবে আনবো কিন্তু বিদুৎ অফিসের মিথ্যাচার এর কারণে অধর্য হয়ে সেই দালালের দিয়ে পরে 1500 টাকা দিয়ে তাই নিয়ে আসলাম মিটার।
অভিযোগের বিবরণ: সম্প্রতি একজন পরিচিত ব্যক্তি পাসপোর্ট করার জন্য আমার সহযোগিতা চান। তিনি তুলনামূলকভাবে অশিক্ষিত হওয়ায় অনলাইনে আবেদন করা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বোঝা, আবেদন ফি/ব্যাংকের টাকা পরিশোধসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় আমি তাকে সহযোগিতা করি। পাসপোর্টের আবেদন করার জন্য আমরা পাসপোর্ট অফিসের আশপাশের একটি কম্পিউটার/অনলাইন সেবার দোকানে যাই। সেখানে আবেদন করার সময় আমার পর্যবেক্ষণে মনে হয়েছে, ওই দোকানের লোকজন পাসপোর্ট অফিসের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে কাজ করে। আবেদনপত্রে নামের বানান, ইংরেজি নামের বানান, কাগজপত্রের কোনো তথ্য বা অন্যান্য ছোটখাটো বিষয়কে পরবর্তীতে সমস্যা হিসেবে দেখানো হতে পারে—এমন তথ্য তারা আগে থেকেই সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে রাখে বলে আমার কাছে প্রতীয়মান হয়।
Custom Bond officer file pass korar jonno dabi kore
জমির নামজারি করতে ১১৫০ টাকার পরিবর্তে ৮০০০ টাকা দিতে হইসে।
কারখানার জন্য ট্রেড লাইসেন্স যাকে বলে হোসিয়ারি ব্যাবসার লাইসেন্স সরকারি ফি লাগে ৩৪০০ থেকে ৩৫০০টাকা কিন্তু আমার কাছে ২০হাজার টাকা চেয়েছে অনেক জোড়াজোরি করে ১২ হাজারে করিয়েছি।
Dolil tollashi kora ,and. Check korq
সরকারি মূল ফিসের চেয়ে 3 হাজার টাকা বেশি দাবি করেছে যেইদিন আমি বাইকের নাম ট্রান্সফার করার জন্য গিয়েছি এটা না দিলে মূল ম্যাজিস্ট্রেটের সাইন ই পাওয়া যায়না ও সে পর্যন্ত পৌঁছানোই যায়না।