বাইক
সিগনাল অমান্য করেছিলাম।
19,086 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সিগনাল অমান্য করেছিলাম।
ঘটনাটা আজ থেকে ৩-৪ বছর আগের, আমার গ্রামে একটা জমি বিক্রি করার ছিল শুধু ৮ শতাংশ জমি, দামও অনেক কম ছিল, আমার বাবা নামের রেকর্ড করতে হত, বিক্রি করার জন্য। যদিও আমি ঘুষ দিতে একদমই রাজি ছিলাম না, কিন্তু আমার কাছে আর উপায় ছিল না, তাই বাধ্য হয়ে । পটুয়াখালী সদর ভূমি অফিসের তোহিলদার সাহেবের কাছে আমার এক মামা নিয়ে যায় কারণ মামার সকল জমির রেকর্ড এই তোশিলদার কি করেছেন, আমি যতটুকু জানি তার সকল জমির রেকর্ডে সে ঘুষ নিয়েছেন, আমি সকল কাগজ ডিটেলস দেখানোর পরে সে আমার কাছে ১৮ হাজার টাকা দাবি করে (আমার যতটুকু মনে পড়ছে) পরে মামা বলল জমি খুব কম অনেক অনুরোধ করার পরে উনি সর্বশেষ ১৬০০০ টাকায় রাজি হই, প্রথমবারের টাকা উনি হাতে নেয় সেজন্য সেটার প্রমাণ নাই। শেষবার বাকিটা ওনার বিকাশ নম্বরে আমি বিকাশে পাঠাই।
ময়মনসিংহ সদর হাসপাতালের কার্ডিয়াক ক্যাথলাবে মালামাল সাপ্লাই দেওয়ার জন্য কার্ডিয়াক বিভাগের ডক্টর আমার কাছে নগদ অর্থ দাবি করেন। উনার বক্তব্য উনাকে টাকা পরিশোধ না করলে উনি মালামাল সাপ্লাই করার পারমিশন দেবেন না এবং হসপিটালের ঢোকার পারমিশন দেবে না।
পুলিশ সরাসরি পাস্পোর্ট ভেরিফিকেশন করতে চা নাস্তার বিল চেয়েছে। ভাবখানা এমন যেন টাকা না দিলে এই কাজ হয় না। ৫০০ টাকা চেয়েছিল, রীতিমত নেগোসিয়েশন করে ৪০০ দিয়েছি।
আমার জমির নাম জারি করার সময়।
নাম -—,,পিতা -—, জেলা -সাতক্ষীরা, তারা ২৪০০০০০ ঘুষ দিয়ে গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় সহকারী ভিসি আমার সাথে যোগাযোগ করে চাকরি নিচ্ছে, দয়া করে বিষয়টা আপনারা দেখুন.
Musik 9.1 Receive Kora diban
এফসি অফিসে যেকোনো টি এডি এ নিতে গেলে বিলের যে টাকা আসে তার ২০ শতাংশ ঘুষ দিতে হয় না দিলে বিল বছরের পর বছর ঝুলে থাকে, নিয়ম অনুযায়ী চলতে থাকে কখনোই পাওয়া যায় না।
আমি লক্ষীপুর জেলার সদর উপজেলার ভবানীগন্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তশিলদার — — খতিয়ানে নামজারি নথি গ্রহণ করার জন্য 2500 টাকা দাবি করে। না হলে গ্রহণ করবে না। পরে 1000 বাধ্য হয়ে দিতে হয়। তারপরেও সে — খতিয়ানে 12 শতাংশ জমি থাকার কথা কিন্তু সে অনলাইনে 6 শতাংশ জমি আপডেট করে বাকিটা সে রেখে দেয় যাহাতে নামজারি শুনানির দিন গ্রাহক ঝামেলায় পড়ে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মধ্যে সবচাইতে দুর্নীতিবাজ ঘুষখোর ভূমি অফিসার — ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বর্তমান দায়িত্বে আছে সে ঘুষ ছাড়া সে একটি কাজও করে না।
প্রতি কাঠা রেজিষ্ট্রেশন জন্য তাকে আলাদা করে ৫০০০ টাকা দিতে হবে, নয়তো দানপত্র দলিল করবেনা। বড়ই বিড়ম্বনা বয়ে বেড়াচ্ছি
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফাই করতে ফোন দেয় লালমাই থানার এএসআই —। গেলে বলে ২৫০০ টাকা দিতে-পরে ১৫০০ টাকা দি।
এমনি দালাল ছাড়া ডাইভিং পরীক্ষা দেয় তখন আমি পরীক্ষায় পাশ করি নাই আর যদি যখনই ঘুষ দিচ্ছি তখনই আমি পরীক্ষায় পাশ করছি।
ছেলের বাথ সার্টিফিকেট করতে গিয়ে জানলাম, বাবা মা এর ও সার্টিফিকেট লাগবে 4000 টাকা লাগবে। সেই মোতাবেক 3000টাকায রোফা হয়েছে।
এদের মত খারাপ লোক আর দুনিয়াতে হতে পারে না। মিউটেশন করতে গেলেই ১০০০। এক এক জন দুর্নীতি গ্রস্থ কর্মচারী এই হারাম টাকা দিয়ে শহরে ১০০ কোটি টাকার সম্পদ গড়ে ফেলেছে
কেনা জমির দলিল ও অন্যান্য করতে
এখন হবে না, টাকা ছাড়া
ভূমির অনলাইনে এখন সকল কার্যক্রম হয়, তো আমি অনলাইনে সাবমিট করেছি কিন্তু তারা পেনেল থেকে রিজেক্ট করে দেয় তো আমি সমস্যা জনার জন্য গিয়ে ছিলাম, আমাকে বলে আমার ডকুমেন্ট ঠিক নেই, পরে এক লোক বলে আপনি ১০০০টাকা দিন আমি অনলাইন এপ্রুভ করে দিচ্ছি। আমি দেই নি, আমাকে বলছে যে টাকা না দিলে আমি যতই Landtaxbd তে রেজিস্ট্রার করে আমার তথ্য সাবমিট করি তারা হোল্ডিং আপডেট করবে না
পুর্বগুজরা ইউনিয়ন ভুমি অফিস হতে ফোন করে অফিসে ডেকে আনা হয়, এবং বলা হয় আপনি বাদী জায়গাটি আপনার দখলে দেখিয়ে আদালতে রিপোর্ট প্রেরণ করা হবে, তার জন্য টাকা দিতে হবে ১২০০০০ টাকা। আমি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে তারা আমার খালি জায়গাটি বিবাদীর দখলে দেখিয়ে রিপোর্ট প্রদান করে। আমি রাউজানের এসি ল্যান্ড, ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা কারও কাছে খালি জায়গা কিভাবে বিবাদীর দখল দেখানো হলো এর কোন সদুত্তর খুজে পাইনি। পরবর্তীতে একজন পরিচিত কর্মচারীর সাথে গোপনে কথা বলে জানতে পারি ১৫০০০০ টাকার বিনিময়ে রিপোর্ট বিবাদীর পক্ষে লিখে দেয়। পরবর্তীতে আমি নারাজি রিপোর্ট করি আদালতে। আদালত আবার রিপোর্ট প্রদানের কথা বলা হলেও অদ্যাবধি এসিল্যান্ড অফিস এটা নিয়ে কোন উদ্যোগ নেয়নি।
আমি মোটরবাইক লাইসেন্স নিজে দুই বার করতে পারিনি তৃতীয় বার অফিস এর দালাল আমার কাছথেকে 9100 টাকা দাবি করে এবং আমাকে বলে টাকা না দিলে আপনার লাইসেন্স কখনও হবে না । তারপর আমার কাছে থেকে 9100 টাকা নিয়ে আমার কাজ করে দেই ।
জমির বেকয়া টাকা এসেছিলো ৩০ হাজার টাকা কিন্তু ঐখানে এক কর্মচারী বললো আমাকে ১০ হাজার টাকা দিলে আপনার বেকয়াটা একটু কমাই দিবো।