দোকানের মাসিক খাজনা জমা
প্রতি মাসে দোকানের সিটি কর্পোরেশনের ভাড়া বাবদ জমা দিতে যাই সে ক্ষেত্রে সে চা খরচ দাবি করে প্রতি মাসেই এবং যে ৯১৬ টাকা জমা নেওয়ার কথা সে ক্ষেত্রে দেখা যায় সে উত্তর এসব থেকে বেশি টাকা রাখে প্রায় ১০০ টাকা ৫০ টাকা ৩০ টাকা
19,073 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
প্রতি মাসে দোকানের সিটি কর্পোরেশনের ভাড়া বাবদ জমা দিতে যাই সে ক্ষেত্রে সে চা খরচ দাবি করে প্রতি মাসেই এবং যে ৯১৬ টাকা জমা নেওয়ার কথা সে ক্ষেত্রে দেখা যায় সে উত্তর এসব থেকে বেশি টাকা রাখে প্রায় ১০০ টাকা ৫০ টাকা ৩০ টাকা
আমাদের জমির উপর দিয়ে গ্যাস পাইপলাইন গিয়েছিল,নিয়ম অনুযায়ী আমরা মৌজা রেইট থেকে তিনগুন বেশি পাওয়ার কথা ,তো সব কাগজ দলিল দেওয়ার পর বললো যে ওকে আপনাদের এত পাওনা আপনারা যদি টাকা পেতে চান মোট টাকার সাত শতাংশ আমাদের দিতে হবে না হয় ভুল বের করে ফাইল আটকে দেওয়া হবে।চেক পাওয়ার আগে নির্দিষ্ট জায়গায় নগদ টাকা দিতে হবে,তারপর চেক হস্তান্তর করা হবে। এটি হয়েছিল ফেনী ডিসি অফিসে।
পিরোজপুর brta তে দালাল ও মেজিস্টেট ও অফিস সহকারি রা মিলে টাকার মাধ্যমে বাইক ও গাড়ির লাইসেন্স দেয়া হয়। আমি দেখেছি জারা জিক জেক পড়িক্ষা য় ফেল করার পড় ও তাদে পাস হয়ে জায়। তাদের সাথে কাথা বলার পড় তারা বলে 14000 টাকায় কন্টাক্ট হয়েছে
সরকারি ভ্যাট প্রদান ছাড়াও প্রতিটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে প্রতি মাসে ৫০০ থেকে ১০০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয় কাস্টমস ও ভ্যাট অফিসে এবং তা বাধ্যতামূলক, অতিরিক্ত ভ্যাট আদায় করার লক্ষ্যে তারা সবসময় ভয়-ভীতি দেখায় এবং ব্যবসায়িক সমিতি বাধ্য হয়ে তাদের সঙ্গে মিটিং করে প্রতিষ্ঠান প্রতি ছোট বড় হিসেবে একটা ঘুষ নির্ধারণ করে দেয়, সেটাই দীর্ঘ কয়েক বছর থেকেই আমরা দিয়ে আসছি, আফসোস সেটার কোন পরিবর্তন এখনো হয়নি, এবং কখনো হবেও না আমরা মেনে নিয়েছি এই ব্যবস্থা
Medical device registration purpose for two product
রিজাইন।লেটার এ বড়।স্যারের সিগনেচার দেয়ার নাম।করে ৩০০০ ঘুস দাবি।আমি।দিতে বাধ্য হয়েছিলাম।
বিএড স্কেল প্রাপ্তির আবেদনের পর উপজেলা শিক্ষা অফিসার ফাইল ফরওয়ার্ড করে জেলাতে পাঠান। জেলা শিক্ষা অফিসার ফাইলটি রিজেক্ট করে। পরবর্তীতে ২০০০টাকা তার করণিককে প্রদান করলে ফাইলটি ঢাকা ডেপুটি অফিসারের নিকট প্রেরণ করে এবং সেখানে কোনো ঘুষ ব্যাতিত ফাইলটি এপ্রুভ হয়। ফলে আমি ১১তম গ্রেড হতে ১০গ্রেডে উন্নীত হই।
বাবা মারা যাওয়ার পর আমাদের ভাই বোন দের নামে নামজারি করার জন্য যায় নারায়ণগঞ্জ ভূমি অফিসে । সেখানে তারা পর পর ২ বার নামঞ্জুর করে দেই। তৃতীয় বার আমি আম্মুর সথে যাই। ওইখান এ যেয়ে আমি ঢাকা কলেজ এ পরি এইটা পরিচয় দেই। তারপর তারা আমাকে কম্পিউটার এ দেখায় যে আমাদের জায়গায় নাকি মামলা আছে।আমার দাদার সম্পত্তি। আমার বাবা পাইসে। সেখান থেকে আমরা পাবো। বাবার ভাই বোন দের জায়গা অনেক আগে ই ভাগ হইসে । আমাদের জায়গায় কোনো মামলা নেই। তবুও আমাদের জায়গায় মামলা আছে কিনা টা দেখার জন্য আমাদের জায়গায় কাগজ নিয়ে এলাকার দলিল লেখক এর কাছে যাই। উনি বলতাসে আমি সব দেখলাম আপনাদের জায়গায় কোনো মামলা নেই । তারপর ২৫০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে নারায়ণগঞ্জ ভূমি অফিস থেকে নামজারি করতে হইসে।
আমি নোয়াখালীে জেলা কোম্পানীগঞ্জ থানা বরাবর একটি চেক হারানোর জিডি অনলাইনে আবেদন করি। দীর্ঘক্ষন অনলাইনে অটো এপ্রুভ বা জিডি নম্বর না পড়ায়, থানায় ডিউটি অফিসার হিসেবে কর্মরত আমার কাছ হইতে ৫০০ টাকা দাবি করিলে, আমি ৫০০ টাকার রশিদ চাওয়ায় তিনি আর টাকা দাবী করেন নাই।
চাঁদপুর সদর বি আর টি অফিসে আমার মোটরসাইকেলের নাম্বার রেজিস্ট্রেশন করতে গেলে সকল কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও আমার কাছ থেকে ফাইল খরচ বাবদ ২৫০০ টাকা দাবি করেন। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমার কাজটি করে না, পরবর্তীতে আরেকদিন কাজটি করার জন্য বি আর টি তে যাই তখন বিআরটির পিয়ন — উনি বলেন উনাদেরকে খামে করে টাকা পাঠিয়ে দেয় এছাড়া কোন কাজ হয় না নিরুপায় হয়ে আমিও উনাকে ১৫০০ টাকা ফাইল খরচ দিয়ে তারপর কাজটি করে আসি।
আমি একজন প্রবাসী আমার পূর্বের পাসপোর্টে নিজের বয়স ও বাবার নামে মোঃ ছিল না আইডি কার্ডে মোঃ পূর্বের জন্ম নিবন্ধন দিয়ে করা পাসপোর্ট টিতে বয়স ছিল০৪ জুন ১৯৯২ বর্তমানে এনআইডি তে ১৪ জুন ১৯৯৯ বর্তমানে এনআইডি অনুযায়ী পাসপোর্ট করতে আবেদন করে নিয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ বলে এটা হবে না এতবছর এভিডেভিড নিয়ে আসো। আবার গেইটে আসতেই আনসার সদস্য কে দিয়ে আমাকে বলা হয় আপনার পাসপোর্ট আজকেই করে দিবো টাকা লাগবে ৪০ হাজার দিতে পারবেন। আমি একজন ভুক্তভোগী পাসপোর্টে মেয়াদ নেই প্রবাসে ফিরতে হবে কিন্তু ঝামেলা হবে বুঝে টাকা দিতে রাজি হই বিপদে পড়ে।
আমি আমার স্ত্রীর পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম। সেখানে তারা আমাকে অনেক হয়রানি করেছি আমার সব কাগজপত্র ঠিক ছিল কিন্তু তারা বিভিন্ন অফিসে পাঠিয়েছে। পরবর্তীতে তারা আমার কাছে ৩০০০ টাকা চায় এটা হচ্ছে ওদিক থেকে সব কাজ সেরে এসেছি আমি নিজেই , ফিঙ্গার দেওয়ার জন্য যখন আমি আসি তখন আমার কাছে তারা এইটা চায়।
খতিয়ান এর কপি সংগ্রহ করতে চাইলে ২০০ টাকা দাবি করা হয়
সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে দেখলাম মশা মারার ধোঁয়া স্প্রে করতেছে।রাস্তায় দিয়ে শুধু চলে যায় আর বাগি প্রতি ৫০ টাকা করে দিলে বাসার ভেতরে দিয়ে যায়😃।জিজ্ঞেস করলাম টাকা কিসের?বলে যে লোকটা খাটতাছে তার পারিশ্রমিক। যদিও লোকটা সিটি কর্পোরেশনের জামা পড়ে ছিল।যখন বললাম মেমো দিতে পারবেন?তখন চইলা গেল।😄
For the extension of a gas stove connection at my residence, I was forced to pay a total of BDT 50,000 in bribes to officials at Titas Gas Transmission in Motijheel. Initially, an officer demanded BDT 30,000 and promised approval within one week. Later, another official claimed he had not received any money and suggested that additional payments were needed for senior officials. The first officer then demanded another BDT 20,000, which I paid. Despite these payments, I faced repeated delays, negligence, and excuses. After I complained directly to a supervisor, I was promised a quick resolution, but the process ultimately took about three months and required constant follow-up. experience
ল্যাব সহকারী পদে চাকরির জন্য
একজন প্রবাসি, দেশে খুব কম আসা হয়েছে তাই ইনকাম ট্যাক্স ফাইল রিটার্ন দেয়া হয়নি, অথচ আমার অয়াছে রেমিট্যান্স ডকুমেন্টস আছে তাই, ফাইল রেডি করার রিটার্ন জমা করার জন্য বিভিন্ন জনের সাথে আলাপ করি সেই শুত্রে সেই ইনকাম টেক্স ইন্সপেক্টর অনেক প্রেশার দিচ্ছে, সেই অফিসারের কার্ড আছে আমার কাছে। আমি চাইছি সহজভাবে রিটার্ন জমা দিতে কিন্তু সে হয়্রানির আর ভুল ইন্সপেকশন জমা দিবে ভয় দেখাচ্ছে।
৩টা নাম জারি করতে গেছিলাম — নামে এক অফিসারের কাছে। সরকার নির্ধারিত মুল্য ১১০০x৩=৩৩০০ কিন্তু আমার কাছ থেকে নিছে ২৪ হাজার টাকা। আমি নিজে করেছিলাম কিন্তু OTP তার কাছে যায় এবং সে approve করে না। যখন টাকা দিলাম তখন কাজ করে দিছে।
আমি এবং আমার নানা যাই একটা পর্চা আনতে প্রথমে দিতে চায় না বলে নাই পরে বলে ৮০০ টাকা দেন ব্যবস্থা করছি পরে বললাম এতো টাকা তো হওয়ার কথা না ১০০ টাকা একটা পর্চা এতো টাকা কেনো নিবেন। পরে বলে একদাম ৬০০ নিলে নিতে পারেন না নিলে নাই । অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর টাকা নেয় এটা গত বছরের ঘটনা।
১১,৮৮০ টাকার এ চালান করে একটি মর্টগেজ দলিলের জন্য সাব রেজিস্টারের অফিসের এক কর্মচারীকে ১০,০০০ টাকা অতিরিক্ত দিতে হয়েছে । এ ছাড়াও এ চালানের কপি অফিসে প্রিন্ট করার ব্্যবস্থা না থাকায় তাদের মনোনীত দোকানে দুটি চালান প্রিন্ট করতে ২০০ টাকা দিতে হয়েছে।