বিল পাস
দিল পাস করতে গেলে পার্সেন্টেজ। পেনশনে ১৫ থেকে ২০ হাজার। সকল কাজে এক থেকে দুই হাজার টাকা
19,067 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
দিল পাস করতে গেলে পার্সেন্টেজ। পেনশনে ১৫ থেকে ২০ হাজার। সকল কাজে এক থেকে দুই হাজার টাকা
এনআইডি কার্ড সংশোধনের জন্য সবকিছু ওকে থাকার পরে Afis যাচাইয়ের জন্য হেড অফিস মেসেজ দিয়েছিল কিন্তু সিলেটে কম্পিউটার অপারেটর ফিঙ্গার নিয়ে অন্য মানুষের ফিঙ্গার ডাউনলোড দিয়া দিছে এতে আবেদন সাইডে গেলে দেখা যায় ফিঙ্গার ম্যাচ করে নাই কিন্তু বাহিরে সিমের দোকান থেকে সিম উঠালে ওইখানে ফিঙ্গার ম্যাচ হয় এই কথা আবার ওদেরকে বলেছিলাম ওরা বলেছিল আবার ট্রাই করে দেখেন কিন্তু কম্পিউটার অপারেটর বলে নেট নেই আরো বলে বেশি কথা বললে আবেদন ক্যানসেল করে দিব পরে দালালের শরণাপন্ন হয়েছিলাম দালাল বলেছিল ৮৫ হাজার টাকা দিলে নাকি তিন দিনের ভিতরে সমাধান হয়ে যাবে এখন আবেদন পেন্ডিং অবস্থায় আছে
শুধুমাত্র পাসপোর্ট এর আবেদন করার জন্য আমার এবং আমার বন্ধু থেকে ১০০০ টাকা নেয়া হয়। প্রথমে আমি আবেদন করি। তার কয়েক মাস পর আমার বন্ধু করেছিল। প্রথমে আমার বন্ধু টাকা দিতে চাইনি । টাকা না দেয়ায় তাকে , বিভিন্ন ডকুমেন্টস লাগবে বলে আবেদন পত্র ফেরত দেয়া হয়। এরপর বাধ্য হয়ে , আবার ফিরে গিয়ে পরে টাকা দিয়ে করিয়ে নিতে হয়। আবেদনপত্রের সাথে সরাসরি টাকা নেয়া হয়েছিল । সময়টি ছিল ২০১৯ সাল।
আমার শাশুড়ী রাজশাহী মেডিকেল কলেজে মারা যায়। রাজশাহী থেকে নওগাঁ এ্যামবুলেন্স ভাড়া করতে গেলে প্রথমে 16000 টাকা চায় । পড়ে আমি বাহির থেকে এ্যামবুলেন্স ভাড়া করলে তারা হাসপাতালের ভিতর ডুকতে দেয় নি। এমন কি লাশ নিয়ে মেডিকেল কলেজ এর গেট পর্যন্ত আসতে আরো 5 জনকে 200 টাকা করে ঘুষ দিতে হইছে। 200 টাকা দেওয়াতে তারা খুশি হয় নি তার জন্য অনেক কটু কথা শুনতে হইছে ঐ সময়। গেটে আসার পরে আনসার সদস্য আটকে দেয় সকল কাগজ পত্র ঠিক থাকার পরেও বলে এ্যামবুলেন্স ছাড়া লাশ বের করা যাবে না। পরে তার মাধ্যমে 12000 হাজার টাকায় মিটমাট হয় । বাধ্য হলে দিতে হয় কোন উপায় ছিল না।
প্রতিদিন শত শত পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে আসে, কিন্তু যারা দালাল ধরে আসে তারা পাস করে নয়তো ফেইল। — নামে ড্রাইভার আছে যে বি আর টি এ তে পরীক্ষা নেয় ড্রাইভিং এর। তাকে যদি টাকা না দেওয়া হয় তাহলে পরীক্ষার্থী যোগ্য হলেই ফেইল দিয়ে দেওয়া হয়। এখন সে এবং তার উর্ধতন কর্মকর্তাগণ টাকার পাহাড় হয়ে আছে। যে — ভাড়ায় গাড়ি চালয়ে জীবিকা নির্বাহ করতো, সে এখন কোটি পতি। বাড়ি কুমিল্লা হওয়া সত্যেও সিলেটে গাড়ি বাড়ি সব কিছুই করে ফেলেছে ঘুষ এর টাকায়। এই — কে বি আর টিএ থেকে সরালে কমপক্ষে ৫০% ঘুষ বাণিজ্য বন্ধ হবে। তদন্ত করলে এর প্রমাণ পাবেন। তুলে ধরেন জনসম্মুখে, তার ছবি লাগল্র দেওয়া যাবে। —ের মোবাইল নাম্বার নিচে। ফোন : [redacted] আর নিচের মেন্ডারি অপশন টা সরান, ব্যক্তির ক্ষেত্রেও যাতে পোস্ট্ করা যায়
আড়াই হাজার উপজেলার দুপ্তারা ইউনিয়ন এর ভূমি অফিসে নামজারির জন্য গিয়েছিলাম। কাগজপত্র এটা সেটা সমস্যা আসছে বলে আমার নিকট ১৫ হাজার টাকা দাবি করে। আমি বলেছি আমি গরিব মানুষ দিতে পারব না। বলছে না দিতে পারলে উপজেলা অফিসে ফাইল আটকে যাবে। আমি বলেছি আটকে গেলে আটকে যাবে আমার ফাইলটা ছেড়ে দেন। তারপর ওনারা ফাইলটা এক সপ্তাহ পর ছেড়ে দেয়। তারপর সঠিক নিয়মই আমার নাম জারি টা হয়ে যায়। তারপর ইউনিয়ন অফিসে হোল্ডিং খোলার জন্য আমার নিকট থেকে পাঁচশত টাকা নেয়। আর উপজেলা ভূমি অফিসে মূল খতিয়ান থেকে আমার নামজারীর অংশ মাইনাস করার জন্য ২০০ টাকা নেয়।এই নামজারিটি করার জন্য আমাকে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তিনবার এবং উপজেলা অফিসে দুইবার আসতে হয়। তারপর আমার নামজারি সম্পন্ন হয়।
জন্ম নিবন্ধন এ ২০০ টাকা,মৃত্যু নিবন্ধন এ ৫০০ টাকা নিচ্ছে। সিট কর্পোরেশন এর এই বিষয় গুলা দেখা দরকার। ২৭ নাম্বার কাউন্সিলর কার্যালয় এর — নামে একজন আছে।তার কাছে অফিস টাইম এর পাঞ্চুয়ালিটি একদম নাই।এবং এই সার্টিফিকেট গুলার জন্য টাকা চাইবে,টাকা ছাড়া একটা সার্টিফিকেট ই দে না।
আমি যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর মনিরামপুর অফিসের একজন গ্রাহক। আমার বাড়ির বিদ্যুতের খুঁটি ও লাইনের রুট পরিবর্তনের জন্য গত জুন মাসে নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করি। পরবর্তীতে এ কাজের জন্য অফিসের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় টাকা জমাও প্রদান করি। কিন্তু কিছুদিন পর পল্লী বিদ্যুতের সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার আমাকে ফোন করে জানান যে, আমি যদি তাকে অতিরিক্ত ৮,০০০/- (আট হাজার) টাকা প্রদান করি, তাহলে তিনি এক-দুই দিনের মধ্যে কাজটি করে দেবেন। অন্যথায় কাজ করতে প্রায় এক মাস সময় লাগবে বলে জানান। আমি ওই অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাই। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, এরপরও দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও আমার খুঁটি ও বিদ্যুতের লাইনের রুট পরিবর্তনের কাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি এবং বিষয়টি ঝুলে আছে।
মোট মূল্য থেকে প্রত্যেক বিদেশগামী যাত্রীদের থেকে অতিরিক্ত টাকা রাখা হয় অথচ অথচ নতুন করে BMET রেজিস্ট্রেশন করতে ২০২ টাকা এবং ট্রেনিংয়ের জন্য আবেদন করতে ২০০ টাকা লাগলেও মোট ৪০৪ টাকা লাগলেও আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া কর্মসংস্থান অফিসে ৪৭০ টাকা নেয়া হয়। কোন উপায় না দেখে বাধ্য হয়ে ৪৭০ টাকা পরিশোধ করি।
মোটর বাইক রেজিস্ট্রেশন করতে একাধিক দিন যাওয়ার পরিবর্তে অল্প দিনের মাঝে একদিনেই অফিসে যেয়ে ফিংগার, ছবি, ও গাড়ীর তদন্ত করে দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত দেড় হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।
এক্স-রে রিপোর্টে নাম ও রিপোর্টের ধরন ভূল আসে, ঠিক করানোর জন্য গেলে রূম বন্ধ থাকে, আরেক যাইগা থেকে বলে ৪দিন পরে আসতে। অথচ কিছুক্ষণ পরে ১৫০ টাকা দিয়েই কাজটা হয়ে যায়, জরূরী প্রয়োজন ছিলো তাই টাকা দিয়ে কাজ করানো।
পৈতৃক সম্পত্তির নামজারি করতে এখন পর্যন্ত ১ লাখ টাকার বেশি ঘুষ নিয়েছেন আমার আব্বা থেকে,কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো নামজারি করেনি,আমার বাবার আগেই নামজারি করা হয়েছিল কিন্তু পৈতৃক সম্পত্তি থেকে নিজের নামে আলাদা নামজারি করার জন্য আবেদন করেছিলেন,একেকবার একেক কারণে নামজারি করেনি,আমার চাচা ফুফু সবাই আলাদা নামজারি আছে শুধু আমার বাবার নামে আলাদা করতে গরিমসী করতেছে,,সার্ভেয়ার রিপোর্ট,তওসিলদার সবাই সঠিক রিপোর্ট দিয়েছে তাও আরো বেশি টাকার জন্য আটকে রেখেছে
না দিলে কাজ করবে না।
রাজুকের বরাদ্দক্রিত আমার আবাসিক যার জন্য সেল পারমিশন লাগবে না মর্মে যে গেজেট প্রকাশ হয়েছে তা রাজুক মানতে নারাজ। এর বিকল্প হিসাবে তারা গেজেট প্রকাশ করছে সেখানে যেই স্থাপনার লিস্ট থাকবে তাঁদের সেল পারমিসশান লাগেবে না অন্য সবার লাগবে। এই ইস্যু দেখিয়ে আমার আবাসিক স্থাপনার জন্য সেল পারমিসশান নিতে হবে বলছে এবং তার জন্য ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবী করছে। আমি একখনো কোনো উত্তর দেই নাই।
বলসে খারিজ আজকে।দিলেন পাবেন ৩ মাস পর আর যদি ৭ হাজার দেন তাহলে ৭ দিনের মদ্ধে পাবেন
এই ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের সাথে সরাসরি কথা বলা যায় না। কয়েকদিন ধরে তাদের কাছে গিয়েও দেখা করতে পারিনি। অফিসে থাকলেও বলে এখন উপস্থিত নাই। অথচ টাকা দিলে তারা কাজ করে দিতে রাজি হয়। এবং উপজেলার নিকট একটি কাচারি ঘর আছে সেখানে টাকার বিনিময়ে দলিল, নামজারি সহ বিভিন্ন রকম কাজ করা হয়। দিন শেষে মোট ঘুষের টাকা সবাই ভাগ করে নেয়। আমি সরাসরি কারো নাম বলতে চাইছি না। তবে কোন সৎ ও দায়িত্ববান প্রশাসনের লোক চাইলে সিভিল পোশাকে তাদের কার্যক্রম দেখে আসতে পারেন।
নোয়াখালী জেলা কোম্পানীগঞ্জ থানা হইতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আবেদন এর সাথে ১০০০ টাকা দিলে বৃহস্পতিবারে ফাইল জমা গ্রহণ এবং পরের সপ্তাহে বৃহস্পতিবারে অর্থ্যাৎ ৭/৮দিন পরে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এসবি অফিস থেকে সংগ্রহ করতে হয়। এছাড়া পুলিশ ক্লিয়ারেন্স যদি কোম্পানীগঞ্জ থানাতে সংগ্রহ করতে হলে ১৫০০ টাকা প্রদান করতে হয়। টাকা না দিলে, ১৫-২০দিনের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাওয়া যায় না।
শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য বয়লারের লাইসেন্স নবায়ন , অর্থ না দিলে বিভিন্ন ধরনের আইনের হুমকি। সরকারি অনেক বেশি নিয়ম-নীতি প্রয়োগের মাধ্যমে লাইসেন্স দিতে ডিনাই করে দেয়া। এখানে আইনকে অর্থ কামানোর মেশিন বানানো হয়েছে।
“ভবিষ্যৎ তহবিল থেকে ৫,০০,০০০ টাকা উত্তোলন করতে ১৫,০০০ টাকা দেওয়া লাগছে না হলে ফাইল স্বাক্ষর হবে না।”
জমি রেজিস্ট্রেশন করার পরে নামজারী করতে ভূমি অফিস এ গিয়েছিলাম, সরকারি ফ্র্রি ১১০০ টাকা করে, সারাদিন ইউটিউব এ সচিব এর ভিডিয়ো দেখি কয় ১১০০ টাকা, কিন্তু আসলে ২ লাখ তাকার নিচে নাই। সব সালা বাটপার।