নামজারি
অনলাইনে সব ফি পরিশোধ করা হয়েছে কিন্তু দীর্ঘদিন যাবত সমস্যা ইত্যাদি ইস্যু দেখিয়ে হয়রানি করেছিলো এবং কমিশন এবং সহকারী ভূমি এবং কর্মকর্তা সবাই ৮০০০ চেয়েছিলো না দিলে বলে সার্ভার সমস্যা অনেক সময় লাগবে।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
অনলাইনে সব ফি পরিশোধ করা হয়েছে কিন্তু দীর্ঘদিন যাবত সমস্যা ইত্যাদি ইস্যু দেখিয়ে হয়রানি করেছিলো এবং কমিশন এবং সহকারী ভূমি এবং কর্মকর্তা সবাই ৮০০০ চেয়েছিলো না দিলে বলে সার্ভার সমস্যা অনেক সময় লাগবে।
বিদ্যুৎ বিল বেশি আসার কারণে হাটহাজারীতে অবস্থিত রেব সেন্টারের পারে অবস্থিত বিদ্যুৎ অফিসে যাই যাওয়ার পর আমাকে বলে সামনের মাস থেকে বিল কম আসবে ৫০০ টাকা দাও আমরা সিস্টেম করে দিব
একজন শিক্ষক ২০০৪ সালে মাধ্যমিক পর্যায়ে নিয়োগ হয় কিন্তু স্কুলে মাধ্যমিক অনুমোদন ছিলো না ২০২৩ সালে অনুমোন পায় এমন শিক্ষকও এমপিও পায় কিভাবে,শোনা যায় ঐ শিক্ষকের মোট ১৫ লক্ষটাকা লাগছে,কয়েকবার ফাইল এই কারণে রিজেক্টও হয়েছিলো,আবার অন্য একজন শিক্ষক জাল সনদ দিয়েও এমপিও হয়,কিভাবে হয় বুঝে আসে না
আমার পিতার মৃত্যুর পর তার সম্পদ আমি তাহার পুত্র। আমার নামে নামজারি,মিউটেশন করতে আবেদন করি। এবং উক্ত সম্পত্তির একই দাগে অন্য অংশিদারের অংশ ভিপি থাকায় আমার জমি ভিপি নয় মর্মে একখানা প্রত্যায়ন দিবে ভূমি অফিস। এই কারনে ঘুষ চেয়েছে। বিশ হাজার টাকা। আমি একজন ৭০ উর্ধ বয়স্ক লোক। আমি তেমন কোন কাজ কর্ম করি না। যৌবনের জমানো সঞ্চয় খরচ করে চলি।
CDA অথরিটি বিল্ডিং নির্মাণ কাজে অনুমোদনের জন্য বিল্ডিং প্রতি ১০-লাখ - কোটি টাকা ঘুষ দাবি করে। শুনেছি বর্তমান চেয়ারম্যান ২০কোটি দিয়ে এই পদে এসেছে। তদারকির জন্য কোন ইন্জিনিয়ার আসে না। কারি কারি টাকা নিচ্ছে আর জন দূর্ভোগ বাড়াচ্ছে। স্টাফ নিয়োগ এ কোটি কোটি লেনদেন 🙄🙄🙄। যার যত পাওয়ার তার তত ছাড়!
আমি একটা প্রতিষ্ঠানে বার বছর ধরে চাকরি করি,আমার বাড়ি থেকে কর্মস্থলের দূরত্ব প্রায় ৫৫০ কি.মি. সম্প্রতি আমার স্ত্রীর মানসিক সমস্যা হয়।যার কারনে আমার কর্মরত অফিস প্রধানের মাধ্যমে ঢাকা হেড অফিসে মানবিক কারনে বদলির আবেদন করি।কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় বিগত ৫ মাস ধরে আমার আবেদনটি পেন্ডিং রয়ে গেতে।কিন্তু গত ২ দিন আগেও অনেক বড় বদলির অর্ডার হয়েছে যারা ২ লক্ষ টাকা উৎকোচ প্রদান করে বদলি হয়েছে। যাদের বদলি হয়েছে তাদের সাথে যোগাযোগ করলে বলে ২ লক্ষ টাকা দিলে ওরা বদলির ব্যবস্থা করে দিবে।আসলে এ দেশের নিয়ম অনুযায়ী কোন কাজই হয় না।সব হয় ঘুষের মাধ্যমে। আমি আল্লাহ কাছে বিচার দিলাম।এই পৃথিবীতে না হলেও পরকালে এ বিচার হবে ইনশাআল্লাহ।
বিভিন্ন কারন দেখিয়ে ফাইলে সাইন না করা। দালাল দিয়ে তা ৫ মিনিটে করানো হয়েছে
সিলেটে ২০১৮ সালে আমি পাসপোর্ট করতে যাই। আমার সব কাগজ থাকার পরেও ২/৩ বার ওরা আামকে ফেরত পাঠায়। এবং প্রতিবাদ করায় আমাকে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দপয়ার হুমকিও দপয়। তারপর দালাল আমাক কগজে নিল কালি দিয়ে একটা টান/দাগ দিল ২০০০ টাকার মিনিময়ে এতেই আগের ভুল কাগজ হয়ে যায় সঠিক। আজ আমি কানাডার নাগরিক। দেশের প্রতি ঘিন্না হয়। দেশের প্রতি আর মায়া হয় না।
আমি ঢাকা পঙ্গু হসপিটাল একটা রোগী নিয়ে যাই কাউন্টারে ঢোকার আগেও কিছু লোক এসে বলে ইমারজেন্সি দেখালে আমাদের কাছে ভালো ডাক্তার আছে সিরাল দেখা যায় অনেক দেরি হবে আমরা বলছি আমরা সিরালে দেখাবো অনেকক্ষণ অপেক্ষা করি কোন সময় ওটিতে নিবে ৫-৬ ঘণ্টা পর নিচে ওটি বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলাম একটু পর দেখে বলে ব্যাংকের কাপড় আনতে হবে বারোশো টাকা লাগবে আবার ডেকে বলে একটা রড আনতে হবে ৩০০ টাকা দিতে হবে এরপর আবার বলে হাদিয়া দিতে হবে ২০০ টাকা প্রাথমিক চিকিৎসা করার পর বলে এটা অপারেশন করতে হবে এখানে তো অনেক দেরি হবে এই কাজটা যদি আপনার বাইরে করান তাহলে আমি করে দিব অলপ টাকায় ওই লোকটা ছিল যিনি ভেন্টিস করছে ওই এই সবগুলো টাকা আমি দিতে হইছে ও তো অনেক সমস্যা আছে এই জায়গায় হাতিয়ে দেবো ওই জায়গায় হাদিয়া দাও কেন ওরা
জন্ম নিবন্ধনে নাম সংশোধন করতে হবে পাসপোর্ট এর নাম অনুযায়ী সংশোধন করতে হবে তাই আমি গিয়েছিলাম সিটি কর্পোরেশন অফিসে তারা কম্পিউটার দোকান থেকে আবেদন করতে বলে আবেদিন কপি ওনাদের কাছে নিয়ে যাওয়ার পরে বলে ডিসি অফিস থেকে কাগজ পাস করে আনতে হবে অথবা ওনাদের কাছে টাকা দিলেও তারা করে দেবে দুপুর ১২ টায় টাকা দিয়ে আসার পরে বিকেল পাঁচটায় কাজ হয়ে গেছে এত অল্প সময়ে ডিসি অফিসে গেল কিভাবে এফিডেভিট করলো কিভাবে সেটা আমার মাথায় আসে না যারা টাকা না দেয় তারা মাসের পর মাস ঘুরেও কাজ করাতে পারে না আমার সামনে দেখলাম একজন এক সপ্তাহ আগে সদরঘাট ডিসি অফিসে কাগজ দিয়ে আসছে আজ জন্ম নিবন্ধন নিতে এসে দেখে তার কাগজে নাকি ভুল আছে আবার ডিসি অফিসে যেতে হবে টাকা না দিলে এরকম ভোগান্তির শিকার হতে হয়
লাইসেন্স করতে নির্ধারিত ফি ছাড়া কোন টাকা লাগে নি। একটু ভাল করে প্রাক্টিক্যাল পরিক্ষা দিলেই পাশ করা যায়। তবে সমস্্যা হচ্ছে ্ওইখানে কিছু দালাল শ্রেণীর লোক থাকে তারা মুলত টাকা চায়।
হাটহাজারীতে অবস্থিত বিদ্যুৎ অফিসে যাওয়ার পর আমাকে বলা হয় ৫০০ টাকা দাও সামনে মাস থেকে বিদ্যুৎ বিল কম আসবে
আমি একজন প্রবাসি। বর্তমানে আমার এম, আর, পি পাসপোর্ট। ই-পাসপোর্ট নবায়নের জন্য আমার জাতীয় পরিচয়পত্রে নিজ ও পিতা-মাতার নামের বানান ভুল সংশোধনের জন্য চাহিত কাগজপত্র জমা সহ প্রয়োজনীয় সরকারি ফি পরিশোধ করে অনলাইনে আবেদন করি। কয়েকদিন পর স্হানীয় “নির্বাচন কমিশন অফিসে” গিয়ে দায়িত্ব রত অফিসারের সাথে দেখা করে অনলাইন আবেদনপত্র সহ আমি আমার যাবতীয় মূল কপি জমা দেয়। তিনি আমাকে আনান্য আর কাগজপত্রের লিস্ট ধরিয়ে দিয়ে পুনরায় অফিসে আসতে বলে। আমি তার লিস্ট অনুযায়ী সব কাগজপত্র জমা দিলেও দিনের পর দিন আমাকে ঘুরাতে থাকে। আমি এক পর্যায়ে অধর্ষ হয়ে অফিসে গিয়ে সেই অফিসারকে বলি, আপনি কি চান? তারপর তার অফিসের এক কর্মচারী বিদ্যুৎ এর মেইন সুইচ অফ করে যাতে সি,সি ক্যামেরা বন্ধ থাকে। তারপর সে ২০০০০ টাকার দাবি করে।
আমার নাকি কাগজে সমস্যা। বাসায় গিয়ে জোর কাগজ আছে আবার নিয়ে আসতে হবে। ১০০০ চাইছিল। পরে তিনশ। পরে ভিক্ষা হিসেবে ৫০ টাকা দিয়েছিলাম। সেটাই ভিক্ষুকের মত হাত পেতে নিয়েছে
Madrasha teacher bodlir application ar chapotro jonno principal tk Dabi Koren.
the main govt fees is under 1,200 BDT. But I had to pay 14,000/= BDT to get the registration job done
মিজানুর রহমান প্রধান শিক্ষক উত্তর ভংগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাদিরাবাদ ক্লাস্টার মাধ্যমে সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রবিউল ইসলাম কাদিরাবাদ ক্লাস্টার এবং ভাসানচর ক্লাস্টারের মেরামতের চেকে স্বাক্ষর দেওয়ার সময় ১২৫০০/১৫০০০ টাকা নিয়েছে ২৫ টি বিদ্যালয় থেকে। স্লিপ বরাদ্দ হইতে ৩০০০ টাকা ৫৬ টি বিদ্যালয় থেকে। প্রাক-প্রাথমিক বরাদ্দ হইতে ১৫০০ টাকা ৫৬ টি বিদ্যালয় থেকে। এছাড়া ২য় প্রান্তিক পরিক্ষার প্রশ্ন ছাফিয়ে প্রতি সেট ১৭ টাকা হারে ৫৬ টি বিদ্যালয় হইতে সকল ছাত্র ছাত্রী মাথাপিছু অথচ বিদ্যালয়ে পরিক্ষায় ফি তোলা হয়নি প্রধান শিক্ষক নিজ বেতন থেকে প্রশ্নের টাকা পরিশোধ করা লাগছে।
আজ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সেবা নিতে গেলে। মাস্ক ছাড়া এন্ট্রি নেই বলে মাস্ক বিক্রি করা শুরু করে দিল ৩ টা মাস্ক যেখানে ১০ টাকা, সেখানে ১টা মাস্ক ১০ টাকা করে নিতেছিল আমরা যারা ছিলাম ৫ টাকা করে দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু তারা রাজি হয়নি। আর যারা মাস্ক ছাড়া ডাক্তারের চেম্বারে গেল তাদেরকে অরুচিকর কথায় ডাক্তার গালাগালি শুরু করে দিল। তাই আমি মাস্ক কিনে ডাক্তার দেখানোর পর পাস করে আরেকটা লোককে দিয়ে আসলাম। এখানে অনেক মানুষ ছিল যারা টাকা গননা করে নিয়ে এসেছিল।
সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিস চরম দূর্নীতিগ্রস্থ একটা অফিস। সেখানের বর্তমান অফিস সহকারী টাকা ছাড়া কোন কাজ করেনা। টাকা দিলে আপনার সাথে খুব ভালো ব্যবহার করবে। না দিলে আপনার সাথে সৌজন্যমূলক আচরণ করবেনা। টাকা দিলে এক সপ্তাহের কাজ পারলে একদিনে করে দিবে। আর টাকা না দিলে একদিনের কাজ একমাস লাগাবে। এখানে আর একটা উচ্চমান সহকারী ছিলো, বর্তমানে ক্যাশিয়ার পদে প্রমোশন পেয়ে মৌলভীবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে গেছে। সেও ছিলো আরো তিন ধাপ এগিয়ে। মৌলভীবাজারের শিক্ষকরা অচিরেই তার আসল চেহারা দেখতে পারবেন। যেগুলো বেশি টাকার কাজ সেক্ষেত্রে তারা শিক্ষা অফিসারের দোহাই দিয়ে শিক্ষকদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে থাকে। কর্মকর্তাগণ কতটুকু জড়িত তদন্ত করলেই সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে।
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান বিল উত্তলন করতে গেলে, ইঞ্জিয়ার সাহেব গন ৫% হারে ঘুষ ছাড়া ফাইল স্বাক্ষর করে না