ভূমি সেবা
একজন জর্জ টাকার বিনিময়ে রায় দেয় কেমনে তিনি একজন নেয় বিচারক হয়ে এটা করলে মানুষ কোথায় জাবে টাকার কাছে কি অনায় জিতে যাবে।
19,034 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
একজন জর্জ টাকার বিনিময়ে রায় দেয় কেমনে তিনি একজন নেয় বিচারক হয়ে এটা করলে মানুষ কোথায় জাবে টাকার কাছে কি অনায় জিতে যাবে।
আসসালামু আলাইকুম, আমার বাড়ি চট্টগ্রাম, রাউজান। বিগত শনিবার ২২ শে আগস্ট রাউজান থানায় গিয়ে আমি আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের ফাইল জমা দেওয়ার সময় আমার কাছ থেকে কর্মরত পুলিশ অফিসার পকেট খরচের জন্য এক হাজার টাকা দাবি করে, আমার কাছে অত না থাকার কারণে আমি তাকে বললাম আমি 500 দিতে পারব, এরপর উনি ওই ৫০০ টাকা নিয়ে আমার কাছ থেকে পকেটে রাখে। ওনার নাম —।
আমার ব্যক্তিগত প্রয়োজনে আমি ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করি। আমি নিজে থেকে আবেদন করতে চাইলেও পূর্বে লাইসেন্স গ্রহন করেছে এমন পরিচিত লোকজনের কাছে এই প্রকৃয়া জানতে চাই, এবং সকলেই এক বাক্যে জানায় যে দালাল ধরা ব্যতীত ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া অসম্ভব। যা হোক আমি এক পরিচিতের মাধ্যমে একজনের সাথে যোগাযোগ করি যেখানে আমাকে সর্বমোট ১১০০০(এগাড়ো) হাজার টাকা পরিশোধে বিনিময়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দেয়ার কথা বলা হয়(জোয়ার সাহারা-খিলক্ষেত), কিন্ত যেখানে সরকারী ফি হচ্ছে তার অর্ধেক। উল্লেখ করা রাখা ভালো, লিখিত পরীক্ষার আগেরদিন উত্তর সহ প্রশ্ন প্রদান করা হয়। যদিও আমি গাড়ীর স্টেয়ারিংও ধরি নাই কখনও এবং প্রাকটিকাল পরীক্ষায় ফেল করা সত্তেও, টাকার বিনিময়ে আমাকে ঠিকই লাইসেন্স প্রদান করা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে সাধারণ মানুষ নিজে পাসপোর্ট করতে গেলে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও নির্দিষ্ট তারিখে আবার আসতে বলা হয়। কিন্তু দালালের মাধ্যমে কাজ করালে এসব সমস্যা ছাড়াই কাজ হয়ে যায় এমন অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া প্রতিটি পাসপোর্টে অতিরিক্ত প্রায় ১,৫০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, অফিসে দালালচক্রের মাধ্যমে এভাবেই চলছে অতিরিক্ত টাকার লেনদেন।
ভর্তি হওয়ার সময় তিন দিন যেতে হয়েছে তাও কাগজ চেক করা হয়নি অবশেষে যখন 1000 টাকা পিয়নকে ঘুষ দেওয়া হয়েছে তারপরে গিয়ে ফাইল এক্সেপ্ট করছে
আমার শ্বশুরের ফাইল অডিটে পড়েছিল। উনি প্যারালাইজড হয়ে শয্যাশায়ী। সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা প্রথমে ৫০০০ টাকা ঘুষ দাবী করে। সেটা না দেওয়াতে পরে ৪০০০০ টাকা দাবী করে। অসুস্থতার কথা বলে টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে হুমকি দেয় যে এখন ৪০০০০ টাকা না দেওয়াতে হয়ত পরে লক্ষ লক্ষ টাকা পকেট থেকে বের হয়ে যেতে পারে। সর্বশেষ পর্যালোচনা রিপোর্টে প্রায় ২৫০০০০ (আড়াই লক্ষ) টাকা ট্যাক্সের দাবী টেনেছে। সংশ্লিষ্ট কর কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানানোর পরে উনি অভিযোগ গ্রাহ্য না করে ২৫০০০০ টাকা জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পুরোই হতাশ।
4 Times electric bill 3 months. After complaining they will send someone for checking. To fast track the process asked for 1000. For Travel cost 500 extra.
I saw few are getting prompt service without serial.I was curious and asked one dalal what's the process? He replied 2500taka for prompt Service. I observed more catiouosly and it seems correct. Who stands in serial, they get service(Bio-enrollment) minimum after 3 hours, where without serial public are getting within 20min.It’s torture like anything. Here some security staff are involved like A..,S... with others dalal. Here need proper investigation for correction and ensure systematic service. Thanks
pension file process korte naki eai tk legbe
We are a small business. We submit monthly e-VAT return and the printed copy need to be signed from our circle office. Every month we have pay 4000 taka to get signed. If we make late to go there they call us to get sign and give us threat.
Passport office ar baire ak lok niye gese amak taka deyar pore vitore ak lok amk sob kore dise.
গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানায় সাব রেজিস্ট্রার অতিরিক্ত টাকা ছাড়া কোন ফাইল সই করে না, গত ০৯/০৮/২০২৬ ইং তারিখে একটা বন্ধকী ও পাওয়ায় এর জন্য ১ লক্ষ টাকা দিয়ে এই কাজ করা লাগছে, লোকজন অসহয়ায় এই অফিসে
প্রতইদিন মামলার হাজিরা, তদবির, সময়ের দরখাস্ত, জামিনের পিটিশন সহ সব কিছুই নিত্যকার মতো দাখিল করি, পেশকার ২০/৫০/১০০/৫০০/১০০০ ছাড়া জমা নেয় না, এমনকি টাকা ছাড়া তার দপ্তরের কোনো পিয়ন ই এক চুল নড়ে না। কোনো আইনজীবী কে কল দিয়ে এসব জিজ্ঞেস করেন, এক ফোঁটা পরিমান অসত্য পাবেন না। চট্টগ্রামের সকল কোর্ট/দপ্তরে হরহামেশাই ঘুষের বানিজ্য চলে। একেকটা পেশকার ৫০/১০০ কোটি টাকার মালিক।
নেত্রকোনা জেলার উপপরিচালক পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক ও সহকারী পরিচালক ( সিসি) কে মাসিক ভিত্তিক চাঁদা না দিলে এবং বাতসরিক টাকা না দিলে দুরবর্তী উপজেলায় বদলি করে দেয়। সম্প্রতি আমাকে বদলি করা হয়েছে। দাবিকৃত এক লক্ষ টাকা পরিশোধ করেছি কিন্তু এখনো আমাকে পুর্বের জায়গায় বদলির অর্ডার করেনি। অফিস সহকারীর সাথে যোগাযোগ করা হলে উনি মিষ্টি খাওয়ার জন্য টাকা চাচ্ছে।
রেজিস্ট্রারের পি এর মাধ্যমে দলিলে বাগান খতিয়ানে নাল, আমি নালে রেজিষ্ট্রেশন করতে ৪১১০০০টাকা সরকারি খরচ দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করতে চেয়েছিলাম,অথছ দলিল মোতাবেক বাগান দিয়ে করলে খরছ অনেক কম,দলিল মোতাবেক হবে না, খতিয়ান যেটা আছে সে ভাবে করতে হবে,আমি রাজি হওয়ায় পরে বলে আরো ২৭৩০০০ টাকা উৎস করদিতে হবে জমির দাম ৫লাখ রেজিস্ট্রি খরছপ্রায় ৭ লাখ,১লাখ ঘুষ দিলে উৎস কর দেওয়া লাগবে না২৭৩০০০ টাকা।
ভুমি মিউটেশনের জন্য কাশীপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে (বরিশাল সদর)গেলে আমার মিউটেশনের রিপোর্ট দিতে বলা হলে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ১ সপ্তাহ পরে আসেন বলে যেতে বলে। এরপর ১ সপ্তাহ পরে গেলে এক ই কথা বলে। পরে তার অফিসের কর্মচারীর মাধ্যমে জানতে পারি, টাকা না দেওয়ায় আমার রিপোর্ট হচ্ছে না। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা তাকে প্রদান করি।
আমার বাবার রেটিনা অপারেশন এর সিরিয়াল দিবে বলে ঐ হাসপাতাল এর ঘুষ চক্র এর এক আনসার আমার কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করেছিলো
আমার দুই বন্ধুর নতুন ২ টা মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন এর কাগজ জমা নেবার সময়, এটা নাই ওটা নাই (যদিও সব পেপার সঠিক ছিল) বলে বার বার এখানে ওখানে পাঠিয়ে বিরক্ত করলো সারাদিন। দিন শেষের সময় দুই হাজার করে টাকা নিয়ে তারাই আবার বললো পেপার টেপার কিছু লাগবে না। SMS পাইলে অফিস এ এসে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়েন। যেহেতু আমাদের যাওয়া-আসা এবং অনেক সময় ধরে তাদের কাজে ধর্ণা দেয়া কষ্টের ছিল, তাই তাদের চাওয়া অনুসারে দুই হাজার করে টাকা দিয়ে কাজ টা শেষ করাই কম কষ্টের মনে হইল।
পৈত্রিক সম্পত্তি নাম খারিজ করতে অনলাইনে কাজটি করার জন্য অফিস সহকারী ফারুক প্রতারনা ও বিবিধ কুটকৌশলে সরকার নির্ধারিত ফি ১১৭০/-টাকার স্থলে মোট তিন কিস্তিতে (১৫০০০+২০০০০+৭০০০) সর্বমোট ৪২,০০০/-টাকা নগদ টাকা গ্ৰহন করেন। এছাড়াও উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো ও অফিস খরচ বাবদ আরো ৮৫০০/- টাকা ঘুষ নেন।
হাউজ বিল্ডিং থেকে লোন নেওয়ার জন্য আমাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে একটি শরিকানা চুক্তি করার প্রয়োজন ছিল। ফেনী সদরের সাব রেজিস্টার এর সাথে প্রথম দিন দেখা করার পর উনি বলল যে করে দেবে, দলিল লিখে যেন নিয়ে যাই। দলিল লিখি নিয়ে যাওয়ার পর বলে যে মুসাবিদাকারকের স্বাক্ষর লাগবে। মূসাবিদাকারকের স্বাক্ষর নেওয়ার পর বলে যে,মুসাবিদাকারক স্বয়ং উপস্থিত থাকতে হবে। যে মুসাবিদাকারক স্বাক্ষর দিয়েছিল, তিনি বলেন যে টাকা ছাড়া সে কাজ করবে না, উপস্থিত হলে তাকে বকা দিবে। পরিচিত আরো কয়েকজনও একই কথা বলল। তারপর অন্য একজনের মাধ্যমে উপস্থাপন করি, সে বলে অফিস খরচ ১১ হাজার টাকা দিতে হবে। তিনি নিজের জন্য খরচ নেয় নাই। তবে আমি তাকে কিছু সম্মানী দিয়েছি।অথচ সরকারি ফি ২০০--৩০০টাকা