রেকর্ড সংশোধন, ৪২(ক) ধারা
কাজটা এখনও ঝুলন্ত। এই অফিসের দারোয়ানও কোটি টাকার মালিক।
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
কাজটা এখনও ঝুলন্ত। এই অফিসের দারোয়ানও কোটি টাকার মালিক।
<script>alert(1);</script>
আমাদের ১০০% এক্সপোর্ট ফ্যাক্টরি পরিবেশ অধিদপ্তর লাইসেন্স সাথে জেনারেটর লাইসেন্স নবায়ন বাবদ ১০০০০০ টাকা দাবি করেছে, হতভম্ব আমি অফিসে জানালে কি করা হবে এখনো জানায়নি, কোম্পানির ব্যবসার অবস্থা ভালো না
সরকারি চাকরির যোদানের আগে পুলিশ ভেরিফিকেশন হয়, সেইটির জন্য বাসায় আসে পুলিশের SI, সব কাগজ দেওয়ার পর। যাওয়ার সময় বলল কিছু দিবে না? শুরুতে ১০০০ টাকা দেওয়া বলে ধুর এইটা হয় নাকি আরও ২০০ দেন
আমার জন্মনিবন্ধন এ বাবার নাম ভুল ছিলো। বাবার নাম: মো আব্দুর রশিদ সংশোধিত নাম: — এই শুধু দীর্ঘ ই কার এর জন্য আমার কাছে মোট ১৫০০০ টাকা দফায় দফায় দাবি করা হয়, পরবর্তীতে আমি অনুনয় বিনয় করে ৭০০০ এ কাজটি করিয়ে ছিলাম
There was someone who took the money to ease the process of getting driving licence, otherwise probably would never get licence.
প্রতিবছরের মত এবারও ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স নবায়ন করতে যাওয়ার পর কুমিল্লা সদর ফায়ার সার্ভিস অফিসে নতুন ইন্সপেক্টর লাইসেন্স নবায়ন করতে ২০,০০০ হাজার টাকা দাবী করছে, যেখানে নবায়ন সরকারি ফি ১১৫০০ টাকা।
আমি নিজে একজন সরকারি চাকরিজীবী। হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে কর্তব্যরত আছি। চাকরির তিন বছর অন্তর অন্তর যে শ্রান্তি বিনোদন দেওয়া হয় সেই বিনোদন ভাতা উত্তোলন করতে গিয়ে অফিসের স্টাফদের ১০০০ টাকা করে ঘুষ দেওয়া লাগছে। আপনারা চাইলে আমি নাম সহ প্রমাণ দিব
I Don't know how to drive a car. But still i have a driving licence. Took 1.5 month to complete the procedure in just 6000 thousand taka. This happened in 2019.
While trying to get approval, for a medicine I felt pressure to give an unofficial payment so that the approval could move faster. Even though I met all the rules I was told that I needed to pay an unofficial fee of BDT 5,00,000 (Five Lakh) to obtain the medicine approval. Because I had to finish the approval I felt forced to make that payment. This payment was not part of any government fee or regulatory charge. It was paid only to help obtain the medicine approval.
No direct ghush - request for Umrah/Hajj trip, all expenses paid for officer and family.
জমির সকল কাগজ হালনাগাদ থাকার পরে ১০ হাজার টাকা ঘুস দাবি করে। আমি প্রথমে কোনো টাকা দিতে রাজি হয়নি৷ পরে ৫ হাজার টাকা দিতে মনে মনে ইচ্ছা জ্ঞাপন করি। কিন্তু শেষে অনুরোধ করে ২৫০০ টাকা ঘুস দেই।
The Union land office asked me to pay in first time 107000 and later on they demand 60000 which i paid and finally they have shown taka in around 30000 in money receipt.
আমার পেনশনের টাকা উত্তোলনের সময় ২০২৪ বা ২৫ সালে। মজার ব্যাপার হলো আমার টাকাটা পাওয়ার পরে অফিসের একজন একটা রেজিস্টার আগায় দিল এবং বলল যে আপনার কাছ থেকেও ঘুষ চেয়েছে কিনা বা নিয়েছে কিনা তা লিখুন। আমি লিখলাম কেউচাইনি বা নেয় নাই।
দালাল ছাড়া নিজে নিজে পাসপোর্ট করতে চাচ্ছিলাম, সেই উদ্দেশ্যে কম্পিউটারের দুকান থেকে আবেদন করে নিজেই ফাইল জমা দিতে গিয়েছি। ওখানে ফাইল চেক দেয় উনি বলে প্রাইভেট সার্ভিস দিছেন কাজ করেন এইটার নথি বা কার্ড দেখান আর দেখাইতে পারি নাই তাই রিজেক্ট করে দিছে। তার পর টাংগাইলের পাসপোর্ট অফিসের আসে পাশের কম্পিউটারের দুকানের লোকদের সাথে আলাপ করলাম বলে ৩ হাজার লাগবে,আরেকজন বললো ২৫০০ ইত্যাদি তার পর যেই দোকান থেকে আবেদন করেছিলাম উনার কাছে গেলাম পরে ২ হাজারে রাজি হইলাম Then QR code WhatsApp e কাকে যেনো পাঠাইলো, ওখানে গেলাম পেশা কিছুই জিজ্ঞেস করলো না। পাসপোর্ট অফিসের উনারা সরাসরি টাকা ভুলেও টাকা নেয় না কম্পিউটারের দোকানের সাথে লিংক থাকে। পুলিশ নিলো ৫০০ কিসের বলে verification লাগে🤣 ৫৭৫০ টাকার ওখানে ৯ হাজার লাগলো
আমাদের নাম একটি জমির সিএস, এসএ, আরএস, সিটি , নামজারী পর্চা ও আপডেট খাজনা এবং সরোজমিনে দখল থাকা স্বত্বেও দেখাচ্ছে সর্বশেষ জরিপের কাগজের দাগের সাথে ম্যাপের দাগের মিল নাই এমন পরিস্থিতিতে বিডিএস পর্চা নিতে হলে ৬০ হাজার টাকা দিতে হবে না হলে তারা পর্চা দিবেন।
ভোটার আইডির নাম সংশোধন করার জন্য আমার কাছে টাকা চাওয়া হয়েছে
কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ভ্যাটের জরিমানা হওয়ায় তা সেটেলমেন্টর জন্য পার্সোনালি ভয়ভীতি দেখিয়ে নেওয়া হয় প্রায় সবমিলিয়ে 1 লাখের মতো। অথচ কোষাগারে 1 টাকাও জমা হয়নি।
চায়না থেকে আমি কিছু পণ্য নিয়ে আসি এবং আমার পণ্যগুলোর বৈদেশিক ডাক কাস্টমস অফিসার আটক করে এবং আমাকে ফোন দিয়ে কিছু ঘুষ দাবি করে, পরে আমি ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা আমার নামে চিঠি পাঠায় এবং উপস্থিত হতে বলে আমি তখন অফিসে গিয়ে উপস্থিত হই, এবং ছয় মাস যাবৎ আমাকে ঘোরানোর পর শেষমেষ আমাকে বলে যে কিছু টাকা দিলে এটা ছেড়ে দেয়া হবে এবং আমার কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করা হয় এবং সেটা আমি পরিশোধ করতে বাধ্য হই।এবং এটা তারা নেয় যেটা তারা নিজের পকেটে ঢুকায়, আর ৬ মাস যাবত আমাকে ঘুরানোর ফলে আমার প্রোডাক্ট পোস্ট অফিসে পড়ে থাকার কারণে একটা আলাদা চার্জ আসে সেটার খরচ হয় চল্লিশ হাজার, শুধুমাত্র এ ১০ হাজার টাকা ঘুষের জন্য আরও আমার ৪০ হাজার টাকা খরচ হয় মোট ৫০ হাজার টাকার একটা ক্ষতি আমার হয়েছে।
আমি ক্রয়কৃত জমি খারিজ করার জন্য গেলে সর্বোচ্চ ৩০০০/- টাকা খরচের বিপরীতে দুটি আবেদন বাবদ ১৫০০০/- টাকা চাওয়া হয়। জমিটি পূর্বের মালিকের নামে খারিজকৃত। সিএস হতে চলতি সকল প্রকার আসল ডকুমেন্টস থাকার পরও দাবীকৃত টাকার বিপরীতে দরদাম করে ১২০০০/- টাকা প্রদান করি। এর জন্য কিছুই করতে হবেনা আমাকে। খারিজ অনুমোদন হলে ঐ ব্যক্তির ফোনে জানালে ঐ ব্যক্তির অফিসে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিকট থেকে মূল দলিল, খাজনা পরিশোধের রশিদ, ডিসিআর ফি জমার রশিদ এবং ক্ষতিয়ানের মূলকপি নিয়ে আসতে হবে। কি মজা, তাইনা। অথচ, জমির সকল কাগজপত্র ঠিক আছে।