NE TRANSFER
Amar garir name transfer er somoy dalal soho 8k gesilo
20,447 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Amar garir name transfer er somoy dalal soho 8k gesilo
1000 chara dewa jabe na. So u have to pay for it
BDS জরিপে নাম উঠানো নিয়ে, দাগ নাম্বার নিয়ে ঝামেলা করে, টাকা দাবী করে।
একজন শিক্ষক যত টাকা কল্যাণ ও পেনশন এ পাবে তার ৫% দেওয়া লাগবে ঘুষ হিসেবে। ওখানে অনেক জট এজন্য টাকা দিলে আগে টাকা পাবেন। না দিলে অপেক্ষা করতে হবে যেটা ৪-৫ বছর।
I paid the payment on govt site to get character certificate. But the computer operator of Manirampur Pourashova said that needs 100 tk even though that is paid. Even, he printed a citizenship certificate even though I filled up the paper to get character certificate. He demanded more 40 tk to print out character certificate.
কাগজ সব অনলাইন ভেরিফাই করা তারপরও আবেদন গ্রহণ করেনি, বলা হয়েছে অনলাইন ভেরিফাই কপি হলে হবে না, অরিজিনাল কপি লাগবে।
মেয়ে কে এক ছেলে জিলা স্কুল থেকে নিয়ে যায়, প্রথমে পুলিশ এবং পরে কোর্ট এর মাধ্যমে ডিবির শরণাপন্ন হলে তারা লোকেশন বের করে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করে, অগ্রিম পরিশোধ করলে তারা মেয়ে উদ্ধার করে দিবে।
প্রত্যেকবার জমির খারিজ বাবদ মোট ৭০০০ টাকা নেওয়া হয়। এই চিত্র নাকি দেশ এর সকল ভূমি অফিসে বিদ্যমান
আমাকে বলছে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ না দিলে। অতিরিক্ত ইনকাম দেখিয়ে ইনকাম ট্যাক্স বাড়িয়ে দিবে। আমি নিরুপায় তাই টাকা দিতে বাধ্য।
আমার বাড়ি করার জন্য নিজেদের পৌতৃক ভিটাটির ইমিঊটেশন বা নামজারির দরকার পরে। তাই আমার বাবা টাংাইল বাসাইলের ভুমি অফিসে সরনাপন্য হন। ওখান থেকেই আমাদের অনলাইন আবেদন করে দেয়া হয় আর পর কিযেন একটা ভুল আসে। তারপর সেটা ঠিক করতে আ্যসিলেন্ট এর কাছে যেতে বলে।আব্বু ওখানেও যাই, অনেকদিন ঘুরপাক খাই কিন্তু কাজ হয়না। পরে ওই অফিসের এক কর্মকর্তা তার পিওনকে ১২০০০ টাকা দিতে বলে আর বলে যে কোন সমস্যাই হবে না। আমাদের বাড়ি বানানোর তাড়া থাকাই দিতে বাধ্য হই তখন।
ইদানীং বিদ্যুৎ অফিসে নতুন সংযোগ নিতে গেলে ইন্সপেকশন এ ফেইল করে দেয়। তবে মিটারপ্রতি ৫-১০ হাজার টাকা জমা দিলে ইন্সপেকশন ও সাকসেস হয় সাথে মিটার লাগিয়ে দিয়ে যায়।
নামজারী আবেদন করার পর প্রস্তাবের জন্য তহশীলদারকে দিতে হয় ৪০০০, সার্কেল অফিসে প্রেরণের জন্য দিতে হয় ৫০০-১০০০, সার্কেল অফিসে ফাইল আসলে সার্ভেয়ার ও কানুনগো বাবদ দিতে হয় (১৫০০+১৫০০)=৩০০০, এর পর জারীকারককে নোটিশ বাবদ দিতে হয় ১০০০, ওরা ফাইলটিতে প্রতিবেদন দিয়ে পাঠিয়ে দেয় অফিস সহকারীকে, অনুমোদন বাবদ সহকারী নেয় আরো ৫০০০, অনুমোদন হওয়ার পর ফাইল যায় তামিল শাখায়, খতিয়ান তামিল বাবদ নেয় ১০০০ মোট খরচ ১৫০০০ সর্বশেষে আরো ১১৫০ নিজের পকেটের টাকা দিয়ে ডিসিয়ার কাটলাম এবং খতিয়ান প্রিন্ট নিলাম এই হলো নামজারীর অবস্থা
আমি নতুন পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করি, যখন আমি আমার পাসপোর্ট এর ফাইল সাবমিট করি, ওই কর্মকর্তা আমার ফাইলটি দেখার পরে বললেন আমার পেশা পাইভেট সার্ভিস দেয়া হয়েছে ওইটি সংশোধন করে দিতে, তখন আমি তাকে অনেকভাবে বুঝানোর চেষ্টা করি তিনি আমাকে আমার ফাইল রাখলেন না, তখন আমি পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে যাই তখন এক ব্যক্তি আমাকে বললেন কি সমস্যা তখন আমি আমার সমস্যা বললাম তিনি বললেন কোন সমস্যা নাই তখন তিনি দাম বললেন ২০০০ টাকা লাগবে তখন আমি ওনার সাথে দামাদামি করে ১৫০০ টাকা করি, তখন আমি আগেরই ফাইল আবার নিয়ে যাই সবকিছু ঠিকঠাক রেখে কোন সংশোধনী করি নাই তখন অফিসার আমার ফাইলটি গ্রহণ করেন আমাকে আর কোন কিছু প্রশ্ন করেন নাই।
আমি বিদেশ থেকে হজ্বে যাওয়ার উদ্দেশ্য পাসপোর্ট রি-নিউ করতে গেছিলাম। উনারা বলছে জন্ম নিবন্ধন লাগবে। জন্ম নিবন্ধনের নামের বানান ভুল ছিল। আমি বিদেশ থেকে বসে কথা বলছি, টাকা না দিলে সংশোধন হবে না। বাধ্য হয়ে দিয়েছি।
পাসপোর্ট রিনিউ করেন কিংবা নতুন করেন সব অবস্থাতেই পার পাসপোর্ট ১৩০০/১৫০০ দিতে হবে। না হলে এমন এমন ভুল বের করবে যেটা ঠিক করা পসিবল না। যেমন, নাগরিক সনদ অনলাইন লাগবে, অরিজিনাল কাবিন নামা লাগবে, বাবা, মায়ের অরিজিনাল কার্ড শো করাতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। আর টাকা পে করলে কিছুই লাগেনা। ভুল থাকলেও সেটা চশমার উপর দিয়ে পড়ে সাইন দিয়ে দিবে।।
গত বছর জরুরি পাসপোর্ট করতে মনসুরাবাদ পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। সব কাগজ ঠিক ছিল, শুধু স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা আলাদা হওয়ায় নাগরিক সনদ নিয়ে সমস্যা হলো। সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে সবশেষে ছবি তুলতে গেলে কর্মচারী স্থায়ী ঠিকানার সনদ চাইলেন। অথচ আমার আগের একজনের একই কাগজ না থাকলেও তার কোনো সমস্যা হয়নি। পরে জানতে পারলাম, সে দালালের মাধ্যমে কাজ করেছিল। বাধ্য হয়ে আমিও ২,৫০০ টাকা দিয়ে দালালের সাহায্য নিলাম। পরদিন কোনো লাইন ছাড়াই সরাসরি ছবি তুলতে গেলাম—একই কাগজপত্র দেখে সেই কর্মচারী এবার আর কিছুই বললেন না! ছবি তোলার পর হাসতে হাসতে শুধু জিজ্ঞেস করলাম, “কাল তো বলেছিলেন হবে না, আজ কীভাবে হয়ে গেল?” .
বসিলা ৪০ ফিট পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট রেনিউ করতে গেলে সব কাগজ জমা দেওয়ার পরও জমা নেয়নি অতপর পাসপোর্ট অফিসের নিচেই কিছু ফটোকপির দোকান আছে সেখানে যোগাযোগ করতে বলা হলে যেখানে যোগাযোগ করার পর তাড়াতাড়ি দুইহাজার টাকা দাবি করে এবং তাদের দুইহাজার টাকা জমা দেওয়ার পর তারা সেম কাগজটাই নিয়ে জমা দেয় তখন আর কোন রুমে যেতে হয়নি সরাসরি ফিঙ্গারপিন্ট যেখানে নেওয়া হয় সেখানেই ডাকে এবং কাজ শেষ করে। আমার কথা হলো প্রথমে সমস্যা থাকলে সেম কাগজ আবার দালালরা জমা দিলে ঠিক হয় কিভাবে?? দালালদের কথা অনুযায়ী তাদের ১৫০০ টাকা নাকি বড় অফিসারদের দিতে হয়।
ভ্যাট অফিসে প্রতি মাসেই ব্যাবসায়ীক রিটার্ন সাবমিট করতে হয়, প্রতিবার ই ২/৩ হাজার টাকা ভ্যাট দিতে হলে ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়,এটা তারা ওপেন এই চায়,ভ্যাট অফিসে এটা এতটাই স্বাভাবিক বিষয় যে মনে হবে এটা একটা বৈধ বিষয়
আমার নিজের বাপের জমি আমার নামে খারিজ করতে ২৫০০০ টাকা নিছে শুয়োরের বাচ্চারা । এতিমের টাকা মারা সবগুলারে আল্লাহ দুনিয়াতেই জাহান্নাম দিক
সাধারণত সরকারিভাবে অপারেশন করানো হলে কোনো টাকা নেওয়া হয়না। শুধু মাত্র যদি কোনোপ্রকার সরঞ্জাম( রড, পিন, এলিজার্ব) কিন্তু এরা কয়েকজন অপারেশনের পরে ৪০০০-৫০০০ টাকা দাবি করে বসে। টা নাহলে রুগীর ফাইল দিতে অস্বীকার করে। ডক্টর রা জেনেও এইসবে বাদা দেয়না। আর দিনে ৫-৬ টা অপারেশন হয়। তারও বেশি। প্রতিজন থেকে ৩০০০-৪০০০.