রেজিষ্ট্রি
রেজিষ্ট্রেশন এর সময় খুটিনাটি বিষয় নিয়ে নাজেহাল করে অফিস টাইমের পর সাবরেজিস্টার এর কক্ষে নিয়ে গিয়ে দাড়িওয়ালা পিয়নের মাধ্যমে ঘুষ আদায় করে।এরা সবাই এক সিন্ডিকেট।একজনে ইশারা করলে বাকি সবাই ঐটা নিয়ে নাজেহাল করে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৮২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
রেজিষ্ট্রেশন এর সময় খুটিনাটি বিষয় নিয়ে নাজেহাল করে অফিস টাইমের পর সাবরেজিস্টার এর কক্ষে নিয়ে গিয়ে দাড়িওয়ালা পিয়নের মাধ্যমে ঘুষ আদায় করে।এরা সবাই এক সিন্ডিকেট।একজনে ইশারা করলে বাকি সবাই ঐটা নিয়ে নাজেহাল করে
আমি ট্যাক্স দিতে গেলে তারা টেক্স অতিরিক্ত পরিমাণে বলে এবং আমি তাদেরকে সরকারি রেড বললেও তারা আমার কথা শুনে নেই এবং আমাকে অতিরিক্ত দুই হাজার টাকা বেশি দিতে বলেছে যার ফলে আমি আর কোন উপায় না পেয়ে আমাকে দুই হাজার টাকা বেশি দিতে হয়েছে।
গেলাম ভুমি অফিসে দাগ নাম্বার বের করতে তখন টাকা চাইলো ৩০০৳ লাগবে - দেখি অনেক লোখ এইভাবে প্রতিদিন পিওন যারা তাদের দৈনিক ইনকাম ১০০০০৳ উপরে।
রাজশাহী জেলার একজন কোন নির্দিষ্ট একটি থানার শিক্ষা অফিসার দীর্ঘদিন ধরে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার এমপিও এবং উচ্চতর স্কেলের (আপার স্কেল) ফাইল অধিদপ্তরে পাঠানোর নাম করে শিক্ষক ও কর্মচারীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ঘুষ আদায় করে আসছেন। নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য তিনি একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরি করেছেন। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিজের অনুগত কিংবা জোরপূর্বক নির্দিষ্ট কিছু শিক্ষক বা কর্মচারীকে তিনি ব্যবহার করেন এবং যেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক তার কথামতো চলতে চান না, সেখানকার কাউকে কাউকে বিভিন্নভাবে ( কাউন্ড অফ ব্ল্যাকমেইল) করে ঘুষের টাকা তাদের মাধ্যমে অফিসে নিয়ে আসতে বাধ্য করেন। আমার সাথেও অনেকটাই একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। অধিদপ্তরে এমপিও ফাইল পাঠানোর জন্য আমাকেও প্রায় ৫,০০০ টাকা দিতে বাধ্য করা হয়েছে (আমার
ঢাকা ওয়াসার পানির মিটার ডিসপ্লে ঘোলাটে হয়ে যাওয়ায় মিটারের ডিসপ্লে পরিষ্কার করে রিডিং না নিয়ে ওয়াসার মিটার রিডার মিটার প্রতিস্থাপন করতে বলে এবং ১৫০০০.০০ টাকা দাবী করে যার মধ্যে ৯০০০ টাকা নতুন মিটারের দাম বাকি ৬০০০.০০ ঘুষ হিসাবে নেয়।
আমি একটি ফুড ফ্যাক্টরি ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছি। সেখানে যাওয়ার পরে আমার ১৩০০০ সামথিং টাকা সরকারি ফি ছিলো। আমার কাছে চাওয়া হয়েছে ৩০০০০ টাকা অন্যথায় তারা করে দিতে পারবে না।
দূর্ঘটনার পর হাসপাতালে গিয়েছিলাম কোন ঔষধ তাঁরা দেননি বরং সেলাই করার পর ১০০০ টাকা দাবি করেন। সব কিছু বাইরে থেকে কিনতে হয়
জেমন আমার আগের পাসপোটে নাম চিলো mohammod এই নামটা সংখেপে দিতে হবে md আগের পাসপোট টা তারাই করচে আমার আইড়ি কার্ড় দেখে কিন্তু এখন আবার তারাই টাকা চাইতেচে
বনানী ডেসকো অফিস এ নেট মিটারিং এর আবেদন এর জন্য ৬০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল ২০২৫ সালে। সেখানকার সুপারডেইন্টেন্ট ইঞ্জিনিয়ার এই পরিমান অর্থ দাবি করে সরাসরি
আমি পরে হাত ভেংগে ফেলি পরে পংগু হাসপাতালে গিয়ে ডাক্তার দেখানর পর যখন হাত প্লাস্টার করতে যাই তখন আমাকে বলে ১০০০ টাকা দিতে হবে প্লাস্টার করার জন্য টাকা না দিলে নাকি করবে না তখন আমি কোন উপাই না দেখে টাকা দেই
আমি অনলাইনে পাসপোর্ট নবায়নের জন্য আবেদন করি এবং নির্ধারিত ফি বিকাশের মাধ্যমে পরিশোধ করি। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে গাইবান্ধা পাসপোর্ট অফিসে ছবি তোলা ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার জন্য যাই। অফিসে যাওয়ার পর সেখানে কর্মরত একজন কর্মকর্তা আমাকে জানান যে সেদিন ছবি তোলা ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়া হবে না। এতে আমি হতাশ হয়ে পড়ি। এ সময় অফিসে অবস্থানরত একজন দালাল আমাকে বলেন যে, তাকে ১,৫০০ টাকা দিলে আমার কাজ হয়ে যাবে এবং আমার ছবি ও ফিঙ্গারপ্রিন্টও নেওয়া হবে। তার কথায় আমি তাকে ১,৫০০ টাকা প্রদান করি। টাকা দেওয়ার পর আমার ছবি তোলা ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। আমার অভিযোগ হলো, সরকারি সেবাটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় পাওয়ার কথা থাকলেও প্রথমে আমাকে ছবি ও ফিঙ্গারপ্রিন্
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অনলাইন মিটার আবেদন করতে সরকারি জামানত ফি প্রতি কিলোওয়াট ৪৪৮ + আনুসাঙ্গিক খরচ সহ ১২০০ টাকা হলেও একটা মিটারের জন্য প্রদান করতে হয় ৪৫০০/৫০০০ টাকা এই টাকা প্রথমে ইলেকট্রিশিয়ান হয়ে ওয়্যারিং ইনস্পেক্টর বা পিইউসি তারপর ডিজিএম এর পকেটে যায় । ডিজিএম অনলাইন মিটার প্রতি ২০০ টাকা করে নেন
আমি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন খিলগাঁও-বাসাবো এলাকায় একটি বাড়ি নির্মাণ করেছি। বাড়িটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলেও আমি ২০২৩ সাল থেকে সেখানে বসবাস শুরু করি। যেহেতু আমি দেশের বাইরে চাকরি করি, সিটি কর্পোরেশনের কর সংক্রান্ত বিষয়টি আমার পরিবারের মাধ্যমে জানতে পারি। পরবর্তীতে আমার ছেলে সিটি কর্পোরেশনে গিয়ে প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র জমা দেয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, বাড়িতে বসবাস শুরু করার বছর ২০২৩ হলেও আমার ওপর ২০২০ সাল থেকে কর নির্ধারণ করা হয়। বিষয়টি সংশোধনের জন্য আমি একাধিকবার সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি, ই-মেইল করেছি এবং ফোনে বিষয়টি জানিয়েছি। কিন্তু তারা আমাকে জানায় যে ২০২০ সাল থেকেই কর পরিশোধ করতে হবে। অন্যথায় প্রতি বছরের জন্য অতিরিক্ত ৫০,০০০
অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, প্রতি মাসে উক্ত এজেন্সি কর্তৃপক্ষ আমাদের কাছ থেকে সরকারি বিধিমালা ও অডিট প্রদর্শনের জন্য ১৬,৬৭৩/- (ষোলো হাজার ছয়শত তিয়াত্তর) টাকার স্ট্যাম্প ও মাস্টাররোলে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। কিন্তু বাস্তবে আমাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে মাত্র ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা প্রদান করা হচ্ছে। অবশিষ্ট ৬,৬৭৩/- টাকা প্রতি মাসে আমাদের না জানিয়ে এজেন্সি কর্তৃপক্ষ বেআইনিভাবে কেটে রাখছে, যা একটি চরম আর্থিক অনিয়ম এবং সরকারি অর্থের সুস্পষ্ট অপচয় ও আত্মসাৎ।
আমার স্ত্রী সম্প্রতি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের (নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল) আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন। সেখানে আইসিইউতে রোগীর সেবা দেওয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডবয় ও আয়াদের প্রত্যেক বেলা, অর্থাৎ দিনে তিনবার, প্রত্যেকজনকে প্রায় ২০০ টাকা করে বকশিশ দিতে হতো। বকশিশ না দিলে রোগীকে ঠিকমতো দেখাশোনা করা হবে না—এমনকি রোগীকে খাবার খাওয়ানো, সাকশন দেওয়া কিংবা প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রেও অবহেলা করা হতে পারে—এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। আরও একটি বিষয় আমি শুনেছি—এই বকশিশের অর্থের একটি অংশ নাকি ডাক্তারদের কাছেও পৌঁছায়। সাংবাদিকদের অনুসন্ধানের মাধ্যমে এটি যাচাই করা যেতে পারে। আমি চাই, আপনারা বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে অনুসন্ধান করুন।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য পরীক্ষা দেই পাশ লিখিত পরীক্ষায় আমাকে অকৃতকার্য ঘোষণা করে। সেদিনই দালালের মাধ্যমে সরকারি ফ্রি ব্যতীত অধিক পাঁচ হাজার টাকার লেনদেনের মাধ্যমে আবার পরের দিন পরীক্ষার ডেট দেওয়া হয়। পরের দিন পরীক্ষায় কৃতকার্য হই।
মালিকানা পরিবর্তনের সব কাগজ ও ফি জমা দেওয়ার পর আমার এবং বিক্রেতার স্বাক্ষর নেওয়া হল এর পর আমাকে বসতে বললো। কিছুক্ষন পর আমাকে ডেকে বললো চা খাওয়ার জন্য কিছু দেন তখন আমি ৫০০ টাকা দিলে আমাকে বলে এতে কাজ হবে না ১০০০ টাকা দেন। তখন আমি ১০০০ টাকা প্রদান করি। প্রকাশ্যে একজন স্টাফ অফিসেই এভাবে ঘুষ নিচ্ছে।
আমি আর্জেন্ট পাসপোর্ট রিনিউ করতে দি ২ মাশ হয় যায় তাও আসেনা । শ পরিশালক পরিচালক সবার সাথে কথা বলেও কোনো হয়না ।একদি ওইখানে এক আনসারের সাথে গোপনে কথা বলি, উনি বলে ৩ দিনের ভেতর পাসপোর্ট এনে দেবো। আমি বিশ্বাস করতে পারসিলাম না ।৩০০০ টাকা দেবেন উপায় না পেয়ে বিশ্বাস করতে বাধ্য হলাম ৩ দিন পর সকালে আসতে বলল ২ দিন পর রাতে ফোন দিয়ে বলে সকালে এসে পাসপোর্ট নিয়ে যান ।পাসপোর্ট নিয়ে জানতে চাইলাম কেমনে কি করে পারলেন ?উনি বলল কাউকে বলবেননা ওকে। বলল এইভাবে সবার কস্থেকে টাকা নেওয়া হয় পুরো সপ্তাহ যা টাকা হয় তার অর্ধেক পরিসালক রাখে বাকি টাকা আমাদের মাঝে ভাগাভাগি করে দেওয়া হয়।তখন বুঝলাম সবাই খাই কারকাসে বিসার দেবো । আমি জানি কোনো পরিবর্ত হবেনা জাস্ট আবেগটা বললাম
দলিল নকল তোলার জন্য টাকা চাইছিল
টাকা ছাড়া চিকিৎসা নিতে পারছি না