ভূমি নামজারি
অনেক ঘোরাঘুরির পরে দুইটা নামজারির জন্য ১৬০০০ ট টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
অনেক ঘোরাঘুরির পরে দুইটা নামজারির জন্য ১৬০০০ ট টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি
আমি একটা ঘোষণা পত্র দলিল করি,কাজ আমার অতি জরুরি ছিল॥
আমার পাসপোটে আগে নাম চিলো mohamude সেটা আরো ৮ বছর আগে তারাই করচিলো আমার আইড়ি কার্ড় দেখে এখন নাম সংখেপে md দিতে হবে এটার জন্য প্রথমে বলে সব ঠিক করে আনাও ইউনিয়ন পরিশদ থেকে আইড়ি জন্মনিবন্ধন সব পরে টাকা ২০০০ দিলাম আর কোনো ভুল নাই নামে সব ঠিক আমার পাসপোট ও হাতে পেয়ে গেচি
টাকা লাগবে, না দিলে হবে না।কম দেওয়া অনেক দিন ঘুড়াচ্ছে।।সব দেওয়ার পর দিছে।।
আমি পরিশোধ করিনি। তবে আমার সেই দরিদ্র দাদা যে আমার নিকটে জমি বিক্রি করেছে, সে পরিশোধ করতে বাধ্য হয়েছিল। তার জমির খতিয়ানে করনিক ভুল ছিল। জমির দাগ নম্বর ২৬২৮ এর স্থানে ১৬২৮ লেখা ছিল, যার কারণে সে আমাকে জমিটি দলিল করে দিতে পারছিল না। ঘুষ সরাসরি নিয়ে ছিল স্থানীয় দলিল লেখক তবে সেটা যে ভুমি অফিসে এসিল্যান্ড নিয়ে ছিল তা আমি বুঝতে পরেছিলাম। কারণ আমি আমার সেই দাদার হয়ে ২ মাস ভূমি অফিসে ঘুরেও সেই মিসকেস অনুমোদন নিতে পারছিলাম। নানা ধরনের অজুহাত চলছিল ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যেতে হবে, সরজমিন তদন্ত হবে, তারপর ইত্যাদি ইত্যাদি। অখচ ঘুষ দেওয়ার পরদিনই সংশোধিত খতিয়ান পাওয়া গেলো। জমিও রেজিস্ট্র হয়ে গেল। আমি শিক্ষিত লোক হয়েও বোকা বনে গেলাম। ভূমি অফিসে বড়বাবু আমাকে দেখে হাসতো। ২০২৩ সালের ঘটনা।
আমি আমার পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন জন্য মিরসরাই থানা যায় আমার সকল কাগজ পত্র ওকে থাকার পর ও আমার কাছে ১হাজার ঘুষ চাওয়া তখন রোজা ছিল আমি স্টুডেন্ট মানুষ কিছু কম রেখে ৫০০টাকা নেওয়া হয়। এই টাকা না দিলে ভেরিফিকেশন ফেল দেখানো হয় নাকি তাই আমিও ৫০০ টাকা দিয়েছি।
ঢাকার ভাটারা তহসিল অফিসে নামজারির ভুল সংশোধনের জন্য দুই লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। সরকারের ফি ছিল মনে হয় কয়েক শত টাকা।
আমার কাবিননামা চায়তেছে বলতেছে কাবিন নামা ছাড়া হবে না৷ তার পর ২ হাজার টাকা টুপ দিলাম বলে লাগবে না 🤣
লাইসেন্স অনলাইনে নবায়ন করা যায়, গতো বছর করেছি যখন ইউনুস সরকার ছিল কিন্তু এই বছর আর ঐ নবায়ন লিংকে বার বার চেষ্টা করেও ঢুকতে না পেরে, সিটি কর্পোরেশনে গেলে সরাসরি বলে, আমি করে দিচ্ছি, ৩০০ টাকা লাগবে, আমি বললাম আমি কেন করতে পারছিনা, বলল তা তো জানিনা, অথচ পাসওয়ার্ড ও ইউজার নাম লাগে, কিছুই নিলোনা কিন্তু নবায়নের আবেদন করে দিলো, ৫০০ চেয়েছিল ৩০০ দিয়েছি।
কিশোরগঞ্জ ফিঙ্গার অফিসে প্রতিটি লোকের কাছ থেকে বাধ্যতা মুলক ভাবে ৫০ টাকা করে নেওয়া হয়। এই পুরা টাকা ঘুষের টাকা।হিসাব করলে প্রতিদিন ৫০০ লোকের যাতায়াত এই অফিসে।।যা ৫০ টাকা করে নিলে বছরে এই টাকার পরিমাণ দারাই নব্বই লাখ টাকা(৯০,০০০০০)।। কি পরিমাণ দূর্নীতি হচ্ছে এই ছোট খাটো অফিসে একটু চিন্তা করেন।।
ইউনিয়নের খাতায় নথিভুক্ত আছে এবং পাসপোর্ট অনুযায়ী টাকা না দিলে সংশোধন করা যাবে না
আমার দাঁতের অনেক সমস্যা হয়েছিল। দাঁতে প্রচণ্ড ব্যথা করছিল। আমি দেশের বাইরে, সিঙ্গাপুরে থাকি। দাঁতের ব্যথার কারণে বাংলাদেশে, আমার নিজ জেলা টাঙ্গাইলে যাই। টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে যাওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী টিকিট নিই। টিকিট নেওয়ার জায়গায় অনেক মানুষের ভিড় ছিল। অনেক কষ্ট করে সিরিয়াল ধরে টিকিট নিই। টিকিট নেওয়ার পর ডাক্তারের কাছে যাই। কিন্তু প্রথম দিন যাওয়ার পর ডাক্তার আমার সমস্যাকে তেমন গুরুত্ব দেননি। আমাকে পরের দিন ১,৪০০ টাকা নিয়ে আসতে বলেন। পরের দিন আবার হাসপাতালে গেলে আমার সমস্যার তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয়নি এবং বিভিন্নভাবে আমাকে ঘুরানো হয়। এরপর আবার পরের দিন যেতে বলা হয়। পরের দিন হাসপাতালে গেলে আমার সঙ্গে খুব খারাপ ব্যবহার করা হয়।
আমি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম নামজারি করার জন্য ৷ আমার কাছে থেকে ৮,০০০/- টাকা চাওয়া হয়েছিলো ৷ আমি প্রথম দিকে কোনো টাকা দিতে রাজি হইনি ৷ এবং আমি নিজে নিজেই অনলাইনে আবেদন করেছিলাম ৷ কিন্তু ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে রিপোর্ট দিয়েছিলো আমার জমির মালিকানা প্রমাণিত হয়নি ৷ এরপর এসি ল্যান্ড শুনানির জন্য তারিখ দিয়েছিলো ৷ আমি শুনানিতে গিয়েছিলাম, কিন্তু আগের সকলে খারাপ রিপোর্ট দেওয়ায়, নামজারি আবেদন নামঞ্জুর করে দিয়েছিলো ৷ পরবর্তীতে আবার নামজারির আবেদন করে নিজে নিজেই অফিসে ঘুরে ঘুরে ৪৫৭০/- টাকা দিয়ে নামজারি করিয়ে নিয়েছি ৷ ৪৫৭০/- টাকার মধ্যে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ১৫০০/- দিয়েছি এবং এসি ল্যান্ড অফিসে ৩০৭০/- ( অরিজিনাল সরকারি ১১৭০/- টাকা সহ) টাকা দিয়েছি ৷
কাবিন নামা নেই বলে ফিরিয়ে দেয়, পরে কম্পিউটার এর দোকানে কথা বলি,তারা বলে ১৫০০ টাকা দিলে হবে, আমাকে পরের দিন আসতে বলে, পরের দিন ১৫০০ টাকা দিলে কাবিন নামা ছাড়া ফাইল জমা নেয়।
চিয়ারে নিয়ে গিয়ে ১০০ টাকা ভাড়া। গেট পাশ বাবদ ৪০ টাকা রাখা।
কোন সরকারি কর্মচারী ডাক্তার সঠিক টাইমে আসে না ৯ঃ০০ টার সময় আসার কথা কোনো ডাক্তারি নয় টার সময় পাওয়া যায় না দশটা এগারোটা পর থেকে পাওয়া যায় এবং যে রিপোর্ট ৫ টাকা করে নেয় সেটা সরকারের নেয়ার কথা হলো তোর টাকা সেটা তিন টাকা বেশি নেয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতাল সরকারি, কি আমার কথা হল কেন তিন টাকা বেশি নিবে, ডাক্তারটা সঠিক নিয়মের অফিসও করে না আর সঠিক নিয়মে থাকে না পার্সোনাল ভাবে প্রাইভেটে যায় রোগী দেখে
নতুন বা নবায়ন করা জন্য বেশি টাকা দিতে হয়, দালাল আছে।
আমি ভূমি অফিসে গিয়েছি আমাকে দেখে একজন পিয়ন বলে ভাই আসেন, কাজ কাম নাই বসে আছি, কাগজপত্র দেন দেখি, আপনার মিউটেশন করিয়ে দেব ৬০০০ টাকা দিয়েন, বোঝেন তো সাররা টাকা ছাড়া কথা শোনে না। শত শত মানুষ টাকা দিয়ে এভাবে মিউটেশন করাচ্ছে, কোন পিওনের সাথে যোগাযোগ না করে আমি একবার আবেদন করেছিলাম খতিয়ানের অনলাইন কপি নেই বলে আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছিল
আমি ২০২৬ সালের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ভাইবা দেওয়ার সময় জেলা সহকারী শিক্ষা অফিসারের সাথে যোগাযোগ করলে তারা আমাকে বলে ভাইবার নাম্বার তারা দিয়ে দিবে।বিনিময়ে তাদেরকে ৯০০০০ টাকা দিতে হবে আমি যেহেতু তাদের সাথে যোগাযোগ করি এবং আমার এডমিটকার্ড তাদের কাছে দিয়ে দেই তাই চিন্তা করি যেহেতু তাদের সাথে আলাপ করেছি এখন যদি টাকা না দেই তখন তারা যদি আমাকে ফেল করিয়ে দেয় তাই ভেবে টাকাটা দিয়ে দেই। কিন্তু দুঃখের বিষয় আমার চাকরিটা হয়নি। হয়তো আমি অবৈধ পথে যাওয়ায় তার হয়নি।তাই মনে কষ্ট নেই। কিন্তু আমি আর আমার টাকাটা ফেরত পায়নি। আমি হয়ে টাকা দিয়েছি তার প্রমাণ আছে। এখন আমি কি করতে পারি।
আমার নানা একজন মুক্তিযোদ্ধা সে মারা গিয়েছে, এখন আমার নানী এবং আমার মা ব্যাংকে গিয়েছে লোন তোলার জন্য ফুলবাড়ী উপজেলা সোনালী ব্যাংকে। সেখানে তারা ৫ লক্ষ টাকার লোন ব্যাংকের কাছে চায়। সবকিছু পেপার সঠিক থাকা সত্ত্বেও তারা ৫০০০০ টাকা ঘুষের জন্য দাবি করে। এই ঘুষ যদি তাদেরকে না দেওয়া হয় তাহলে তারা নানান প্রকার ভাবে হয়রানি করে হাওয়া কাজও তারা ঢিলে করে দেয় এবং ঘুষ দেওয়ার পরে কাজটি তাৎক্ষণিকভাবে করে তারা।