পাসপোর্ট করিছিলাম
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম গতমাসের ১০ তারিখ।১০ তারিখ এই আমাকে টানা ১ সপ্তাহ হয়রানি করে।এই সমস্যা ওই সম্যস্যা। ৮০০০ টাকা দেওয়ার সাথে সাথে সব ঠিক হয়ে গেছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম গতমাসের ১০ তারিখ।১০ তারিখ এই আমাকে টানা ১ সপ্তাহ হয়রানি করে।এই সমস্যা ওই সম্যস্যা। ৮০০০ টাকা দেওয়ার সাথে সাথে সব ঠিক হয়ে গেছে।
রেলের টিকিট ক্রয়ের সময় সিট সংকট দেখিয়ে টিকিট মূল্যের থেকে বাড়তি মূল্য নেয় । মির্জাপুর থেকে ট্রেনে ঢাকা যাওয়ার টিকিট কেনার সময় সেই স্টেশনে দায়িত্বরত বাড়তি ভাড়া দাবী করে।
আমার জানামতে সরকারি ফি 600 টাকা কিন্তু, 1800-2500 টাকা লাগে নকল সইমোহর দলিল নিতে।
এম পি ও ভুক্ত হতে প্রয়োজনীয় কাগজ জেলার পাঠানোর ক্ষেত্রে ঘুস দিতে হয়েছিল।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট, করতে গিয়ে পুলিশ আমাকে বলে খুশি হয়ে কিছু দিয়ে যান, পরে আমি বললাম আমার কাছে তেমন টাকা নাই,বলে যা আছে দিয়ে যান 😄 সিসি ক্যামেরার সামনে গিয়ে বললাম বিকাশে দেবো কিনা, উনি ভয় পেয়ে রুমে ডেকে বলল পকেটে যা আছে দেন, পরে ২০০ টাকা ছিল দিয়ে আসলাম। 😄😄
আমি নাটোর পাসপোর্ট আফিসে পাসপোর্ট করার জন্য কাগজ জমা দিতে গেলে বিয়ের কাবিন নামা লাগবে বলে আমাকে ফেরত দেয়, পরে আমি যে কম্পিউটার এর দোকানে কাগজ রেডি করেছি তাদের জানাই, তারা বলে ১৫০০ টাকা দিলে কিছু লাগবে না, আমাকে পরের দিন আসতে বলে আমি পরের দিন আসলে ১৫০০ টাকা দেই, তখন তারা আমার কাগজ নিয়ে কি যেন করে, তারপর আমি পাসপোর্ট আফিসে কাগজ জমা দিলে কাবিন নামা ছাড়াই জমা নেয় এবং আমার সমস্ত কাজ হয়। এই রকম ভুক্তভোগী সবাই তারা ঘুষ না দিয়ে গেলে কিছু না কিছু ভুল ধরে এবং হয়রানি করে, তারা কম্পিউটার দোকানের সাথে সিস্টেম করে রেখেছে
একজন সহকারী শিক্ষক থেকে আমি সিনিয়র শিক্ষকের জন্য আবেদন করেছি। সেখানে ফাইল প্রতি বা শিক্ষক প্রতি ৪০০০ টাকা দাবি করে। আমার স্ত্রী ও একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। আমাদের দুই জনের একই সাথে চাকুরির বয়স ১০ বছর পূর্ন হয়। আমার দুই জন একসাথে উচ্চতর স্কেল পাওয়ার জন্য আবেদন করি। মাধ্যমিক শিক্ষক স্যার কে বলি স্যার আমরা দুই জন স্বামী-স্ত্রী আমাদের দুই টা ৪০০০ টাকায় ছেড়ে দেন । কিন্তু আমার টা উচ্চতর স্কেল হয়ে যায় ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে আর আমার স্রীর টা এখন পর্যন্ত হয় নাই। তার পর থেকে প্রতি mpo তে ফাইল সাবমিট করলে বার বারই ফাইল ব্যাক করে দেয়।
Income tax office doing an investigation on my tax file. they blocked my bank account, to release the back account i need to pay 6000 taka as GUSH
নামজারি করতে সকল খরচ বাবদ ৪০০০ টাকা দাবি করলে,আমি অফারক হয়ে দিতে হয়েছে,আমি অনেক কষ্ট করে টাকা দিয়েছি।
বিদ্যুৎ অফিসে ঘুষ বাণিজ্য একটি পুরনো ঘটনা। তার মধ্যে এসেছে ডিজিটাল মিটার। নতুন মিটার, মিটারের ব্যাটারি চেঞ্জ, মিটার লক খুলা সমস্যাগুলো সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সমাধান করা একজন সাধারন মানুষের পক্ষে সম্ভবই না। আর এখানেই গড়ে উঠেছে ঘুষ বাণিজ্যের একটি রমরমা ব্যবসা। একটা নতুন মিটার সংযোগের জন্য কিছু ধাপ অতিক্রম করা লাগে। বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন ধাপগুলো এত কঠিন করে রেখেছে যে একজন সাধারণ মানুষের পক্ষে ঘুষ ছাড়া একটি নতুন মিটার পাওয়া সম্ভব নয়।
আমি সমস্ত কাগজ পএ ডকুমেন্ট যা যা লাগবে সবকিছুই নিয়েছিলাম প্রায় ১৮ টা ডকুমেন্ট , অনলাইন আবেদন কপি ও নিয়েছিলাম কোন কাগজে কোন রকম কোন সমস্যা ছিল না, তারপরে তারা বলল আমি কেন আবেদন করেছি এজন্য হবে না তাদের কাছ থেকে আবেদন করতে হবে তাদের লোক দিয়ে আবেদন করতে হবে, সরকারের নিয়ম অনুযায়ী আনুমানিক ৬০০০ টাকার কিছু কম লাগে পাসপোর্ট করতে, কিন্তু সে আমার কাছ থেকে টোটাল ১২০০০ টাকা নিয়েছিল শুধু আমার ভোটার আইডি কার্ড দেখেই পাসপোর্ট করে দিয়েছিল অন্য কোন কাগজে পরে আর দেখেনি, কিন্তু আমি যখন নিজে নিয়ে গিয়েছিলাম তখন প্রত্যেকটি কাগজ বারবার করে দেখেছে, টাকা দিয়ে দিলে তখন আর কাগজপত্র দেখা লাগে না।
Babar namer matured sonchoi potrer taka tulte gechilam. Uni mrito, ami nominee. Death certificate and family relationship certificate dichi...tarporeo taka chaiche. Badho hoye diyei kajta sesh korechilam.
আমি ২০১৯ সালে জিপি ফান্ড ওপেন করতে যায় হিসাবরক্ষণ অফিসে।তখন আমার নামে ভুল ছিল। ঐ নামটা ঠিক করার জন্য আমি ওনাকে ১০০০ টাকা দেই। ওনারা টাকা ছাড়া কথা বলে না।টাকা নিয়ে আমার কাজটা করে দেই নি।ঘুষ তো নিয়েছে কাজটাও করে দেই নি।এই যদি হয় বাংলাদেশের অবস্থা তাহলে সাধারণ মানুষ কিভাবে বসবাস করবে?
Officer Taka nay bodli hoi aj 2 bochor hocchay kaj akono ni, taka na dayias kaj o korchilo na
এখানে ২৫০০থেকে ১৫০০০/- টাকা পর্যন্ত দিতে হয়। এর সমাধান কোথায়
একজন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসাবে আমার কন্সুলেটেন্সি ফী এর টাকা উত্তোলন এর সময় বিভিন্ন দপ্তর যে এই অর্থ প্রদান করতে হয়েছে.
Amar SSC and HSC certificate e ekta spelling mistake ache. Ami oita correction korate chaichilam. Tokhon ma boyoshi ek mohila direct taka chaiche naile kaj hobena. Ogotta taka diyei kaj ta korte hoichilo.
৫ টি জমির নামজারি করতে লেখেছে ১৪৫০০০ মুলত নামজারি, বলে এটা নাই ওটা নাই। লোকজন নেই,পরে আসেন,নেট নেই। আজ হবে না। মাসের পর মাস আটকে রেখে বাতিল করে, পরে টাকা দিলেই ও-ই আবেদনএই করে দেই। একাধিক দলিল এক সাথে করে করে একটি করে দলিল বা দাগ নামজারি করাই বেশি টাকা নিয়ে। রাজনৈতিক দাপট। সবাই জানে কে কত %ভাগ নেই। সংশ্লিষ্ট সবাই ভাগ নেই।
উল্টো পথে মাল বাহী গাড়ী চালানো হয়েছিল, তারপর ত পুলিশ দেখে আটকায় ও টাকা চায় টাকা দেওয়ার পর ছেড়ে দেয়
খারিজ করতে গেলে ২০০০ টাকা ছাড়া এসিল্যান্ড ফাইল সাইন করে না