গাড়ির ডিজিটাল নেম প্লেট লাগানো
গাড়ির নেম প্লেট লাগতে বকশিস না দিলে লাগিয়ে দিবে না। পরে ১০০ টাকা দেওয়া লাগছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
গাড়ির নেম প্লেট লাগতে বকশিস না দিলে লাগিয়ে দিবে না। পরে ১০০ টাকা দেওয়া লাগছে
আলমনগর,গোপালপুর,টাঙ্গাইল।আমার ইউনিয়ন পরিষধ এ জে কোন সেবা নিতে গেলে তাদেরকে ঘুষ হিসেবে অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়।যদি সরকারি ফী থাকে ৫০ আমাদের থেকে নেয় ২০০।না দিলে তারা কাজ করবে না বলে জানিয়ে দেয় 🥺
বজ্রপাত হয়ে বিল্ডিং এর বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তিতে লাইন পুনরায় চালু করতে ৫০,০০০ টাকা ডিপিডিসি খিলগাঁও অফিস থেকে ঘুষ চাওয়া হয়। বিনা খরচে এই সার্ভিস পাওয়ার কথা থাকলে অফিসের কন্ট্রোল রুমের ইঞ্জিনিয়ার অফিসের বাহিরে নিয়ে কয়েক বার দর কসাকসি করে ২৫০০০/- টাকা নিয়ে লাইন চালু করে। দেশের নাগরিক এবং গ্রাহক হিসেবে খুব অসহায় মনে হয়েছিল।
ফাইল পোস্টিং করবে। প্রতিবছর দুই হাজার করে টাকা নেই।
গণপূর্ত আবাসন(হাউজিং) এর ক্রয়কৃত জায়গার ওয়ারিশ নামজারির জন্য প্রথমে হাউজিং এ বিল্ডিংয়ের রিপোর্ট করতে হয় এ রিপোর্ট করতে এসিস্ট্যান্ট ইন্জিনিয়ার ২০০০০ টাকা ডিভিশন ইন্জিনিয়ার ১৫০০০ এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (এক্সিয়েন)প্রথম ধাপে ৫৫০০০ হাজার ২য় ধাপে ২০০০০ স্টেট অফিসার ২০০০০ অফিস খরচ ১০০০০ ও হাজিরা ফরম পূরন ও উপস্থিত হাজিরা দেওয়ার সময় ১০০০০ টাকা ও বিভিন্ন সময় কখনো ৫০০ /১০০০ তাদের প্রদান করা হয়। হাউজিং এ নামজারি ফি (সরকারি কোষাগারে)১,১৫০০০ টাকা প্রানন করেছি।তারপর তারা (গণপূর্ত আবাসন) নামজারির অনুমতি প্রদান করলে ভূমি অফিসে নামজারি করি।ভূমি অফিসে নামজারি করতে ২৫০০০টাকা প্রদান করি।এখন হেবা করবো হাউজিং হেবার অনুমতি নিতে লাগবে প্রায় ৩,০০,০০০ (তিন লক্ষ টাকা)।
আমার বাবা মৃত্যুবরণ করার পর তাঁর পেনশনের টাকা উত্তোলনের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে ৩০,০০০ টাকা দিতে হয়েছে। টাকা না দিলে পেনশনের টাকা উত্তোলনের কাজ করা হবে না বলে জানানো হয়।
নেম প্লেট লাগতে বকশিস না দিলে লাগিয়ে দিবে না। পরে ১০০ টাকা দেওয়া লাগছে
শ্রান্তি বিনোদনের ভাতা উত্তোলন এর জন্য অফিসে গিয়ে সারাদিন ঘুরাঘুরি করেছি। দায়িত্বরত অফিসার বলে, বড় স্যার ছুটিতে আছেন, আজকে হবে না, ৭দিন পর আসেন, এখন এপ্লিকেশন করে যান, এরপর স্যার আসলে ফরোয়ার্ড করে দিব, ভাতা পেতে আরও প্রায় ২/৩ মাস লেগে যাবে। সারাদিন ঘুরাঘুরি করে অবশেষে যখন ক্লান্ত, তখন একজন বলল এসব কাজ এত সহজে হয় না, ৫০০০টাকা দেন দেখি কিছু করা যায় কিনা। তখন নিরুপায় হয়ে পকেটে ৩০০০ ছিল, সেটা দিয়ে দেই। যে কাজ সারাদিন ঘুরেও হচ্ছিল না, সে কাজ টাকা দেয়ার পর ৫ মিনিটের মধ্যে হয়ে গেল। ২দিনের মধ্যে ভাতাও পেয়ে গেলাম। দিজ ওয়াজ ম্যাজিক। সরকারী কর্মকর্তাদের যদি ঘুষ দিয়েই টাকা উদ্ধার করতে হয়, তাহলে সরকার কেন তাদের বেতন দিচ্ছে???
Bank a Fitness er main free paid korsi but BRTA theke 3000 taks dabi na dile kono certificate dibe nah .kono upai na peye ghus diye certificate nese.
একজন সদ্য সরকারিকৃত কলেজ এর প্রভাষক এর কথা বলছি যিনি গত ৩ বছর আগে মারা যান। তিন বছর অতিবাহিত হলে ও আজ ও ওনার পরিবারের লোকজন পেনশন এর টাকা পাই নাই।পরিবারে কারো কোনো ইনকাম নাই ছেলেমেয়েরা এখনো পড়ালেখা করে। এমন কোনো জায়গা নাই যেখানে ঘুষ ছাড়া কোনো কিছু হচ্ছে। সেটা উপজেলা লেভেল এ একাউন্টস অফিস থেকে শুরু করে ডিসি অফিস, শিক্ষা অধিদপ্তর এবং মিনিস্ট্রি পর্যন্ত যেখানে ই যাচ্ছে সেখান এ ঘুষ দিতে হচ্ছে। এমন কি ঘুষ দেওয়ার পর ও আজও পেনশন হচ্ছে না। কখনো বলে স্থায়ীকরণ করতে হবে কখনও এইটা ওইটা বিভীন্ন রকম কাগজ জুগাড় করে দিয়ে এ যাচ্ছে কমবেশি যা পারছে সব জায়গায় ই ঘুষ ও দিচ্ছে। এখন আর ঘুষ দেওয়ার টাকা ও নাই তাই এমনিতে বসে আছে যদি কোনোদিন কিছু হয়।
আমি একটি ভোটার আইডি কার্ডের নাম পরিবর্তন করার জন্য একে একে 4বার অনলাইনে আবেদন করি। আমাকে 4বারি রিজেক্ট করে দেয়। তারপর আমি দালালের সহায়তা নিই 10000 টাকা কন্ট্রাক্ট করে কাজটা করি। সময় লাগলো 25দিন। এভাবে আমাকে হয়রানি হতে হলো।
আমি আমার বাবার ক্রয়কৃত ১০০ শতাংশ জমি নামজারি করতে যাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। আমি প্রথমে নিজে নিজে অনলাইনে আবেদন করি। কিন্তু আমার আবেদন না মন্জুর হতে থাকে। একাধিকবার আবেদন করে ব্যর্থ হয়ে ভূমি অফিসে ৫০০০০ টাকা চুক্তি করে আবার আবেদন করলে নামজারিটি সম্পন্ন হয়।
আমার মা অসুস্থ ছিলো। বেড পাওয়ার জন্য ডাক্তাররা ওয়ার্ড বয়দের কাছে যেতে বলে। তাদের কাছে গেলে আমার কাছে ৫০০ টাকা চাই। আমার রোগীর অবস্থা খারাব ছিলো বলে ৫০০ টাকা দিয়ে বেড নিতে হয়েছে।
আপনার ছুটি আপনি পাশ করিয়ে আনবেন?নাকি আমাকে দিয়ে করালে খরচ দিতে হবে।অনেক জায়গা থেকে সাইন আনতে হয়।প্রত্যেক সাইনের জন্য ৫০০ টাকা দিতে হয়।
I am outside of Bangladesh that's means I am remittance fighter i needed police clearance certificate that's why I already gave to 5500 BD taka .
Ami 2019 sal e passport er file joma dite parsilam na.tara reject kore disilo.pore dalal dhore take diye joma dite parsilam
আমরা একটা অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করতে গেলে থানার কতবঢ়রত এসআই ৩০০০ হাজার টাকা দাবি করে । পরবর্তীতে বিপদে পড়ে টাকা দিয়ে আইনি সহায়তা নিতে হয়েছে ।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ফি ব্যাংকে জমা দেয়ার পর, ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন কৃত প্রিন্ট কপি পরে পাবো বলে, অথবা এখনই প্রিন্ট নিতে হলে ৫০০ টাকা লাগবে। আবার যাওয়া ভাড়া আসা সময় জ্যাম ইত্যাদি চিন্তা করে টাকা দিয়ে প্রিন্ট কপি নেই।
৮০০০ টাকা চেয়েছে আমার বাবার কাছে যে ক ভুক্ত খতিয়ান ঠিক করে দিবে ৫০০০ টাকা নিয়েছে
ভ্যাট প্রত্যয়ন পত্র পাওয়ার জন্য ভ্যাট আফিস আমার কাছে ৫০,০০০ হাজার টাকা দাবি করে , পরবর্তিতে ৩০,০০০ হাজার টাকার বিনিময়ে আমাদের ভ্যাট প্রত্যয়ন পত্র গ্রহন করি ।