বন্টননামা দলিলের খতিয়ান নম্বরের ভুল সংশোধন
এসএ খতিয়ানে ভুল ছিল। সংশোধন দলিল করতে মোক্তারের মধ্যস্থতায় সাব-রেজিস্টাকে দলিল খরচের অতিরিক্ত এক লক্ষ টাকা দিতে হয়েছিল।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এসএ খতিয়ানে ভুল ছিল। সংশোধন দলিল করতে মোক্তারের মধ্যস্থতায় সাব-রেজিস্টাকে দলিল খরচের অতিরিক্ত এক লক্ষ টাকা দিতে হয়েছিল।
নিচু ১০ শতাংশ কৃষি জমি নামজারী কোন ভাবেই বাড়তিটাকা ছাড়া হবে না, অনেক মাস ভুল করেছে। হয়রানি হওয়ার পর অবশেষে বাধ্য হয়ে ঘুষদিয়েই করতে হয়েছে।
চার মাস যাবত ঘুরতাছি খারিজ করতে পারতাছি না যখনই টাকা ১০০০০ দিলাম সাথে সাথে কাজ হয়ে গেলো
আদালতের রায় অনুযায়ী রেকর্ড সংশোধন আবেদন করি।টাকা দেওয়া ছাড়া আমার ফাইলের অগ্রগতি হয় নাই।আমি বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে।
আমার পরিবারের সদস্যের জন্য নতুন পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম সেখানে নরমাল প্রসিডিউরে আমি করতে পারিনি যখন সরকারি খরচের বাইরে অতিরিক্ত টাকা দিলাম তারপর অটোমেটিকলি আধা ঘন্টার ভিতরে আমার আবেদনটি জমা হয়ে যায়।
একটি খতিয়ান দাগ সংশোধন করার জন্য মিসকেস তদন্তের দাবিতে বারো হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে
জন্মনিবন্ধন সংশোধন করতে ৬০০ ছয়শত টাকা ঘুষ নেয়।
নতুন বাড়ি করছিলাম । কারেন্টের লাইনের জন্য মিটার লাগবে । কৃত্রিমভাবে সংকট সৃষ্টি করে, বারবার ডিলে করা হইতেছিল । এত সময় লাগে কেন, জিজ্ঞেস করার পরে ঘুষ দাবি করে । পরে টাকা পরিশোধ করে ,মিটার আনা লাগছে!
বাসা থেকে ৮০০ মিটার দূরে কাচা বাজার।বাসায় মেহমান আসায় তাড়াহুড়ো করে বাইক নিয়ে বের হওয়ায় হেলমেট পড়তে ভুলে গেছি।তারপর ট্রাফিক পুলিশ বলতেছে হেলমেট নেই মামলা দিবো ।আমি বলছি আমার এই সামনেই বাসা ভাই তাড়া ছিল তাই আনতে ভুলে গেছি ইভেন আমি মোবাইল ও বাসায় রেখে গেছি তারপর বললো সমস্যা নেই আপনি তো বিষয়টা বুঝতে পেরেছেন কিছু করেন নয়তো আমরা মামলা দেব । তারপর ৫০০ টাকা দাবি করে নয়তো বাইকের চাবি চায় মামলা দিবে তারপর বাইক ছাড়বে কিন্তু আমার তাড়া থাকায় ৫০০ টাকা দিয়ে তারপর চলে যাই।
আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স করার সময় যখন পরীক্ষা নিবে তার আগে আমি জানতে পারি বিআরটিএ অফিসের নির্দিষ্ট দালাল এর সাথে যোগাযোগ না করলে সচরাচর ড্রাইভিং পরীক্ষায় ফেল করানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত হলাম যখন পরীক্ষা দিলাম এবং পরবর্তীতে দালালকে টাকা দেয়ার পর পাশ করিয়ে দিয়েছে।ঐদিন ৩০০ জন মতো পরীক্ষা দিয়েছিলাম প্রায় সকলের থেকেই এমন পরিমাণ টাকা নিয়ে পাশ করানো হয়
বছর খানিক আগে আমি আমার ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম এস.এ পর্চা এর একটি কপি তুলার জন্য। আমার কাছে মাট পর্চা এবং প্রিন্ট পর্চা ছিল, উনারা শুধুমাত্র ভলিয়ম চেক করে আমাকে এস এ পর্চার একটি কপি দেয়ার কথা। কিন্তু উনারা ভলিয়ম চেক করতে গিয়ে দেখেন তাদের ভলিয়মের কয়েকটি পৃষ্টা ছেড়া। উনারা বললেন দিতে পারবেন না। আমাকে ডিসি অফিসে যেতে বা উপজেলা ভুমি অফিসে যেতে বললেন। এখন আমার কথা হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ তত্তের ভলিয়মের পৃষ্টা ছিড়ে গেলে এই দায়ভার কি তাদের উপরে পড়ে না? যাই হুক শেষ পর্যন্ত উনারা আমাকে এস এ পর্চা দিতে রাজি হলেন এবং আমার কাছে ৬০০ টাকা দাবি করলেন। শেষমেষ অনেক কথা বলার পর ২০০ টাকা দিয়ে কাজটা করাই। এখন আমার কথা হচ্ছে ভূমি অফিসে এরকম আরও অনিয়ম রয়েছে। এগুলো আমাদেরকে আর কতদিন সহ্য করতে হবে?
আমি গাড়ি নিয়ে যাওয়ার সময় সার্জেন্ট ধরে. আমার সব কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করে।
ট্রেড লাইসেন্স নতুন করতে গেছিলাম। এর জন্য অফিসার টাকা চাইছিলো। টাকা যে পর্যন্ত না আমি তাকে টাকা দেইনি সে পর্যন্ত সে আমার কাগজ হাতেও নেয় নাই। এটা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। অঞ্চল নয় দশ এগারোর ঘটনা।
রূপালী ব্যাংকের সিলেট অঞ্চলে বাইরের কর্মকর্তারা বদলি হতে চাইলে অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে বদলি করাতে হয়। আবার লোকাল অনেকে বছরের পর বছর একই এলাকায় থেকে যাচ্ছেন। ঋণ বিতরণ ও রিকভারিতে সন্তোষজনক অর্জন না থাকলেও কার্যকর জবাবদিহিতা নেই । এছাড়া সিলেট, সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের জোনাল ও বিভাগীয় অফিসে কয়েকজন কর্মকর্তা গত ৫–৬ বছর ধরে একই অফিসে কর্মরত। রোটেশন নীতিমালা সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে কার্যকর হচ্ছে কি না, তা তদন্ত করা প্রয়োজন। বিশেষ করে SPO/AGM পর্যায়ের কর্মকর্তাদের গত ৫–৬ বছরের পোস্টিং ইতিহাস, ব্রাঞ্চ ব্যাংকিংয়ে থাকার সময়, ম্যানেজার হিসেবে ঋণ বিতরণের টার্গেট বনাম অর্জন এবং রিকভারি পর্যালোচনা করা হোক। যাঁদের কর্মদক্ষতা সন্তোষজনক নয়, তাঁদের বিরুদ্ধেও যেন জবাবদিহিতা করা হয়
আমি একজন প্রবাসী ২০২৩ সালে উত্তরাতে একটি বাড়ি ক্রয় করি এই বাড়ির নাম জারি ডেসকো, ওয়াসা, তিতাস এবং সিটি কর্পোরেশনের নাম জারির জন্য সরকারি ফীর বাহিরে অতিরিক্ত 75 হাজার টাকা আমাকে পরিশোধ করতে হয়েছিল
They were asking for bribe to reduce the tax money.
নতুন জন্ম নিবন্ধন অথবা সংশোধন করতে মূলত সরকারি খরচ ৫০ টাকা আর ইউনিয়ন অফিস থেকে তারা নেয় ১৫০ টাকা প্রতিজন থেকে তারা ১০০ টাকা করে বেশি নে যদি তাদেরকে জিজ্ঞেস করি কেন ১০০ টাকা বেশি নিবেন বলে যে অফিস খরচ চেয়ারম্যান খরচ। যদি অফিস খরচ চেয়ারম্যান খরচ আমরা দিতে হয় তাহলে সরকার কেন আপনাদেরকে বেতন দিচ্ছে অফিস খরচ দিচ্ছি এগুলা কোথায় যাচ্ছে এগুলোর কথা বলে প্রতিজন থেকে যদি ১০০ টাকা করে বেশি নেয় তাহলে এখানে কত টাকা দুর্নীতি করতেছে???! কুমিল্লা সদর দক্ষিণ, ইউনিয়- গলিয়ার দক্ষিণ গলিয়ারা উত্তর।
আমার একটি Account খোলার জন্য গিয়েছে,Account এর From পূরন করার জন্য আমার কাজ থেকে ২০০ টাকা নিয়েছে। এই টাকা টা সবার কাজ থেকে নেয় ২০০/৩০০/৫০০ টাকা পযন্ত।
আমি একজন প্রবাসী গাজীপুর শ্রীপুর কাওরাদ এলাকায় আমি একটি জমি ক্রয় করি এবং একটি নাম জারি করার জন্য ২৫ হাজার টাকা দাবি করে ভূমি অফিস ওই টাকা দিয়েই আমাকে নামধারী করতে হয়েছিল
যেমন ১। সিভিল মামলা দায়ের করতে ৫০০-১০০০ টাকা দিতে হয়। ২। নিষেধাজ্ঞা , আপত্তি দাখিল,জবানবন্দি দাখিল ও অন্যান্য এর জন্য সিভিল কোর্টের সেরেস্তাদারের কাছে এভিডেভিড দিতে ৫০০-১০০০ দিতে হয়। সিভিল মামলায় সংশোধনের জন্য পেশকারকে ৩০০-১০০০ দিতে হয়,জবানবন্দি / সাক্ষীর জন্য ১০০০-২০০০ দিতেই হয় আরো অনের সার্ভিস এর জন্য টাকা দেওয়া বাধ্যতামুলক হয়ে গেছে