জমির খাজনা খারিজ করা
ইউনিয়নের মধ্যে জমির খারিজ করতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে ৬ শতক জমির জন্য তারা ৬ হাজার টাকা দাবি করে।প্রকৃত সরকারি ফি ১১০০ টাকা। অনেক কথা কাটাকাটির পরে তারা ৫ হাজার টাকার করে দিয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ইউনিয়নের মধ্যে জমির খারিজ করতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে ৬ শতক জমির জন্য তারা ৬ হাজার টাকা দাবি করে।প্রকৃত সরকারি ফি ১১০০ টাকা। অনেক কথা কাটাকাটির পরে তারা ৫ হাজার টাকার করে দিয়েছে।
18 তম শিক্ষক নিবন্ধনে যখন আমি নিয়োগ পাই তখন এমপিওভুক্তকরণ করার জন্য আমার প্রধান শিক্ষক আমার থেকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে এবং সে বলে এই টাকা শিক্ষা অফিসে দিতে হয় আমি বাধ্য হই সেটা পরিশোধ করতে এবং দুই মাসের এরিয়ার বিল বাকি ছিল সেটাও প্রধান শিক্ষক বলেন এটা তুলতে আপনার 5000 টাকা লাগবে সেক্ষেত্রে আমাকে বাধ্য হয়ে ৫০০০ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগে।
আনছার সদস্য আমার কাছে দাবি করেন
জমি রেজিস্ট্রেশন এর জন্য শুনানীর দিন নির্ধারিত ছিল । সহকারী কমিশনার ভূমি এর শুনানী করেন। শুনানীর আগে সরকারী ফী সাথে অতিরিক্ত ৩০০০/- টাকা দাবি করা হয়। এগুলো কিসের ফী জিগ্যেস করলে বলা হয় এগুলো নাকি তাদের অফিস খরচ।
মাতৃত্বকালীন ভাতার আবেদন করতে গেলে তারা ৫০০০/- টাকা দাবী করে, টাকা না দিলে কাজ হবে না। নিরূপায় হয়ে টাকা দিয়েছিলাম, যদিও সরকারি সেবা ফ্রি পাওয়া প্রত্যেকটা নাগরিকের অধিকার। ট্রেড লাইসেন্স করতে গেলেও একই অবস্থা ঘুষ ছাড়া কোন কাজ হয় না ৪নং শায়েস্তাবাদ ইউনিয়ন পরিষদে। পঙ্গুভাতা, বিধবা ভাতা, বয়স্কভাতার ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। একটি বয়স্কভাতার আবেদন করতে গেলে ৪০০০-৫০০০/- টাকা ছাড়া হয় না।
গ্রামের জমির খাজনা বাবদ ঘুষ হিসেবে অতিরিক্ত ১০০০০/- টাকা চেয়েছিল আমি ৯০০০ /- টাকা দিয়ে ফয়সালা করি
আমি ইন্ডিয়া থেকে আসার সময় বেনাপোল বর্ডার এর এক ইমিগ্রেশন অফিসার, আমার পাসপোর্ট দেখতে চাইলো আর চা নাস্তা এর জন্য কিছু দিতে বল্লো । আমি তাকে ৩০০ টাকা দিয়েছি।
আমার জীবনে এইটা ঘুষ দেওয়ার প্রথম অভিজ্ঞতা ছিল পরে আরও দিতে হয়েছে।আমরা বাইক এ করে শেরপুর থেকে বাড়ি আসছিলাম,সময় কই রোড এলাকায় এসে কয়েকজন পুলিশ আমাদের বাইক আটকায়,তারপর একজন আরেকজনকে বলতে থাকে আজকে অনেকগুলো বাইক থানায় নিয়ে যেতে হবে। এটা সম্ভবত ২০০৯ সালের ঘটনা।আমরা অনেক রিকুয়েস্ট করি ছেড়ে দেওয়ার জন্য।তখন আরেকজন কনস্টেবল এসে এক হাত আর এক হাতের বগলের নিচে ইশারাতে টাকা চায় আমরা তখন বুঝতে পারিনা,তখন সে পুলিশ কনস্টেবল বাধ্য হয়ে সরাসরি মুখে বলে ৫০০ টাকা দাও দিয়ে চলে যাও স্যার কে মেনেজ করতে হবে।আমাদের কাছে তেমন টাকা পয়সা ছিল না, আমরা সবার পকেট চেক করে মাত্র ১২৭ টাকা আছে এটা ওই কনস্টেবল কে জানাই তিনি রাগান্বিত হয়ে বলে এটা তো হবে না তোমাদের বাইক থানায় নিয়ে যাব পরবর্তীতে এস আই কে জানায় এরা ছ
have experienced corruption in Bangladesh on four separate occasions. Government officials demanded bribes to perform services that should be free. For my passport, I was asked to pay $4,000, and then an additional $3,000 during verification. I had similar experiences with my property registration and property taxes, where officials refused to provide documents or inflated my tax assessment unless I paid extra money. Now living in the United States, I find this system deeply shocking. another way pay 25000
আমি আমার জমির কাগজ বুঝতে গেছি সে বুঝায় দিয়ে নাস্তা খাওয়ার টাকা দেন৷ আমি ১০০ টাকা দিলাম কিন্তু সে ১০০ টাকা হাতে নিয়ে বলতে লাগলো এটা দিয়ে হবে না আরো লাগবে। নয়তো জমির কাজ সম্পূর্ণ করতে পারবেননা। ঐ সময় অনেক লোক ঢুকছে তাই আর কথা বাড়াতে চায় নাই তিনি। আমি কিছু ক্ষণ দেখলাম সবাইরে একে অবস্থা সবাই যার যার মতো করে ঘুষ নিতেছে। কৃষক যে দিগে যায় সে দিগেই লসে পড়ে যায়। না আছে শস্যর দাম না সার এর দাম তো আগুন ভূমি অফিস টাকা ছাড়া কথাই বলে না
১:-জমি নামজারি জন্য ৫ বার আবেদন করেও নামঞ্জুর হয়। গেলে বলেন ULAO নামঞ্জুর করেছে, ULAO কাছে গেলে বলে বলে তার এসিস্ট্যান্ট এর সাথে দেখা করেন। সেখানে তার সাথে দেখা করায় সে ৪৫০০০ টাকা চায় & ৩০০০০ হাজারে কণ্টাক কয়। কিন্তু সে করে দেয় না। টাকা চেয়ে নামজারি করবো না এই ব্যাপারে চাপ দিলে বলে সময় চায়। সময় দিয়েও কাজ হয়নি। কাগজ পত্রে কোন ঝামেলা নাই। তবে শুনেছি এই জমির দাগের কিছু একটা অংশ *খাস* আছে। কিন্তু জমিতে গিয়ে দেখা যায় যে জমি টুকু খাস তা একপাশে মার্ক করে সরকারি সাইনবোর্ড লাগানো আছে ভুমি অফিস কর্তৃক। ২:-আমার বাড়িতে একটা জমির খতিয়ান তুলতে গিয়ে একটা জেলায় যে সকল যায়গায় ভুমির খতিয়ান পেপার থাকার কথা সে সব যায়গা থেকে খতিয়ানের পাতা ছেড়া নোটিস দিয়েছে। বিসয়টি খতিয়ে দেখার অনুরোধ করছি।
আমাদের ইউনিয়নের ভূমি অফিসের পাশের দোকানদার দিয়ে ঘুষ বানিজ্য করা হয়। আমার বাবা কে মিউটেশন করার জন্য পাঠানো হয় ভুমি অফিসে সে দোকান থেকে আবেদন করার পরে বলে যে এটি সম্পূর্ন করার জন্য 5000 টাকা লাগবে তখন আব্বা জিজ্ঞাসা করল কেন 5000 টাকা দিতে হবে সে বলে আপনার আবেদন তারা দেখবে না যদি আপনি তাদের টাকা না দেন। আর এটাই হয় স্বাধারনত যদি টাকা দেয় তাহলে তারা কাজ করে আর না হলে পেন্ডিং রাখে। তবে তারা সরাসরি ঘুষ নেয় না থার্ট পাটি লোকের মাধ্যমে নেয়।
আমার ট্রেড লাইসেন্স করা ছেলে নতুন করে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে উনি টাকা দাবি করেন অথবা ইউ অল সাহেবের কাছ থেকে পারমিশন নিয়ে আসতে বলেন তার পরিপ্রেক্ষিতে উনি ২৫০০ টাকা নিয়ে পরবর্তীতে নিজেই অনুমোদন করে দেন
আমি নিজে নিজে দালাল ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে চেয়েছিলাম এর জন্য মুন্সিগঞ্জ বিআরটিএ তে পরিক্ষা দিতে কিন্তু সব বিষয়ে পাশের পরেও মোটরসাইকেল পরিক্ষায় আমাকে ফেইল করিয়ে দেয়া হয় অনেক রিকুয়েষ্ট করেছি কিন্তু পাস দেয়নি অথচ যারা দালাল ধরে এসেছে তারা মোটরসাইকেল চালাতে পারেনা অনেকেই কিন্তু তারা পাশ, তারপর এক লোক ডাক দিয়ে বলে একটা দোকানে যেতে আমি গেলাম পরে তারা প্রথমে ১০হাজার দাবি করে তারপর ৫হাজার নেয় আমার থেকে বলে পাশ করিয়ে দিবে তারপর পরের দিন দেখি আমি পাশ, হায়রে বাংলাদেশের সিস্টেম, প্রত্যেকটা সরকারি সেক্টরে এখন দালাল এর কথায় ও নোটে কাজ হচ্ছে আমাদের সরকার কি এইগুলো দেখছে না? সরকারের কাছে দরখস্ত এদেরকে যেনো ছাটাই করে কড়া নজরদারিতে রাখা হয়!
আমি অত্যন্ত ক্ষোভ, হতাশা ও উদ্বেগের সঙ্গে এই লিখিত অভিযোগটি জানাচ্ছি যে, ঢাকা ওয়াসার মিরপুর জোনে আমার বাসার পানির মিটার প্রতিস্থাপনের সময় আমার কাছ থেকে ২৭,০০০ টাকা দাবি করা হয়। এর মধ্যে ২০,০০০ টাকার একটি রসিদ আমাকে প্রদান করা হলেও অবশিষ্ট ৭,০০০ টাকা নেওয়ার পর কোনো রসিদ, চালান বা সরকারি প্রমাণপত্র আমাকে দেওয়া হয়নি। ঘটনাটি নিম্নরূপ: অর্থ দাবির লিখিত হিসাব ক্রম খাত দাবি করা অর্থ ১ নতুন পানির মিটার ২০,০০০ টাকা ২ অন্যান্য খরচ ৬,০০০ টাকা ৩ Installation Charge ১,০০০ টাকা মোট ২৭,০০০ টাকা আমি ২০,০০০ টাকা পরিশোধ করি এবং তার বিপরীতে রসিদ পাই। কিন্তু অবশিষ্ট ৭,০০০ টাকা রসিদ ছাড়া নেওয়া হয়। এখানে আমার সরাসরি প্রশ্ন হলো—যদি ২৭,০০০ টাকা বৈধ সরকারি খরচ হয়, তাহলে পুরো ২৭,০০০ টাকার সরকারি রসিদ কেন দেওয়া হলো ন
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য টেস্ট পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে আমি পরীক্ষায় পাস করেছিলাম। কিন্তু এরপরও আমাকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করিয়ে দেওয়া হয়। পরে আবার নতুন তারিখ নিয়ে পুনরায় পরীক্ষা দিতে হয়। সেই পরীক্ষার জন্য ঘুষ হিসেবে ৩,৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। টাকা দেওয়ার পর আমাকে পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়া হয়।
৫০০০ টাকা না দিলে ফাইল তৈরি করবেন না। ফলে আমি প্রতিবছর হোল্ডিং ট্যাক্স ট্যাক্স দিতে পারব না। ঘুষ দেওয়াটা একটা সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। মোটামুটি সবাইকে দিতে হয়। কর কমানোর জন্য আপিল করতে দেওয়া হয়নি।
আমার ছোট ভাইকে অহেতুক পুলিশ ধরে নিয়ে গিয়েছিলো, টাকা দিতে পারিনি তাই ৫৪ ধারায় জেলে দিয়েছিলো,কক্সবাজার, মহেশখালী উপজেলা, মাতারবাড়ী ইউনিয়ন, এখানে পুলিশ ফাড়ির যে এস আই থাকে, সে এইখানে রাজার মতো,ওনি আদালতের মতো বিচার করেন, বাংলাদেশের ভিতরে আরেকটা দেশের মতো,। রাজনৈতিক নেতারা তার সহযোগী হিসেবে কাজ করে। এখানে পুলিশ না চাইলে কিছুই হয় না। প্রতিদিন বিকালে শালিসি আদালত বসে এখানে,বিচারক এস আই সাহেব। আমার বুদ্ধির বয়সে এমনই দেখে আসছি...১৪ বছর পরে বিদেশ এসে দেখি আখনো সে একি অবস্থা
“ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম,,5865 টাকার রশিদ দিয়েছে,, কিন্তু অতিরিক্ত 5135 টাকা দিতে হয়েছে, নইলে কোনভাবেই দিচ্ছিলো না,,টঙ্গী পৌরসভা অফিস”
আমি যখন এনআইডি কার্ড তৈরি করতে যাই। তখন উপজেলা পর্যায় ওখানে প্রধান যে থাকে। এনআইডি তৈরি করা ক্ষেত্রে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে আমার এনআইডিতে ভুল করে। এবং এই ভুল সংশোধন জন্য তারা আমার কাছে টাকা চায়। টাকা রংটা যদি এখন আমার কাছে অতটা বেশি মনে হয় না। তবে স্টুডেন্ট লাইফে সেই সময়ের আমলে আমার কাছে ওই টাকাটা অনেক বড় কিছু ছিল। অনেক কষ্টে ম্যানেজ করে আমি তাদেরকে দিয়েছিলাম। এবং আমার এনআইডি কার্ডের ভুল সংশোধন হয়। এটা হচ্ছে কোটালীপাড়ায় গোপালগঞ্জ জেলার। ২০২১ সালের ঘটনা