পেনশন উত্তোলন
পেনশন এর টাকা তুলতে গেলে সংশ্লিষ্ট সরকারি অফিস মোট টাকার ২% হারে দাবি করে। পরে ২০০০০ টাকায় কাজটি করে দেয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পেনশন এর টাকা তুলতে গেলে সংশ্লিষ্ট সরকারি অফিস মোট টাকার ২% হারে দাবি করে। পরে ২০০০০ টাকায় কাজটি করে দেয়।
এটি একটি কোম্পানি গামেন্টস সেক্টর এক্সসরিজ অডিট জন্য এই ২০ লক্ষ টাকা ঢাকা উওরা কাস্টমস এক অফিসার দাবী করে এবং এটা কোম্পানি থেকে পরিশোধ করা হয় টাকা না দিলে অডিট পাস করতে চায় না
আমি আমার সমস্ত জমি জমার ট্যাক্স ক্জমা করার জন্য হোল্ডিং খুলতে গিয়েছিলাম, হয়রানি ও অবজ্ঞা, শেষমেশ আমাকে বাধ্য করে ১০০০ টাকা রশিদ ছাড়া, ও একাউন্ট খুলতে ৫০০ নিয়েছে,
নামজরির জন্য গাজীপুর সদরের মির্জাপুর ভূমি অফিসের সহকারী ভুমি কর্মকর্তা ৫১ শতাংশ জমির নাম জারির জন্য ৫০০০০০ টাকা দাবি করেন,অবশেষে বিপদে পড়ে ৩০০০০০ টাকা দিয়ে মিমাংসা করা হয় এবং টাকা পরিশোধ করতে হয়।
লাইসেন্স ছিল, তবে নাম ট্রান্সফার ছিল না। সুতরাং সে ঘুস দাবি করে
আমার বাবার ও চাচার যৌত সকল সম্মত্তির খাজনা দেওয়া হয়নি অনেক বছর। আমি খাজনা আদায় করতে গেলে। ২৪,০০০ হাজার উপরে চাদিদা দেয়। কিন্তু আমি অন লাইনেও ২৪০০০ হাজার এর উপরে অপরিশোদ দেখায় ছিল। আমাকে বলা হলো। ১৬,০০০ হাজার টাকা দিলে সব হয় যাবে। কিন্তু ১৬০০০ হাজার টাকা দেওয়াতে পড়ে দেখা গেলো আমাকে ৬০০০ হাজার এর একটি স্লিপ দিয়ে দিলো। সরকারের কোষাকাগে মাত্র ৬০০০ হাজার জমা করেন।
খাজনা আসছে ২ হাজার, দাবি করছে ৩৫ হাজার, তারপর ১০হাজারের মধ্যে নেগোসিয়েশন হয়
এ ধরনের নিয়োগের ক্ষেত্রে, বিদ্যালয় বা কলেজ কমিটি স্থানীয় রাজনৈতিক ও এমপি সহায়তায় শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তাদের লিয়াজো করে নিয়োগ দিয়ে থাকেন। আমার উপজেলায় আমার মত প্রায় ২০-৩০ জনের কাছে প্রত্যেকের সাথে ২০ থেকে ২২ লাখ টাকা করে ঘুষ নিয়ে আয়া,পিয়ন ল্যবএসিস্টেন্ট নাইট গার্ড নিয়োগ দেয়া হয়। আমি একজন ল্যাব এসিসট্যান্ট হিসেবে ২০০০০০০ ২০ লক্ষ টাকা দিয়ে চাকরি করছি। আমার বেতন মাত্র ১৩ হাজার টাকা। জানিনা এই ২০ লক্ষ টাকা কবে খুলতে পারবো।
রাজউকের আওতাভুক্ত প্রোপার্টি নামজারি করতে গেলেই ৩৫০০০-৪০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। তারা বলে এটায় নাকি অফিস রেট। ভূমি অফিসে ঘুষ না দিলে খসড়া খতিয়ান ও প্রস্তাবপত্র হয়না। এসি ল্যান্ড অফিসে শুনানি প্রতিবেদন হয়না।
আমার বাবার রেটিয়ার এর টাকা দিচ্ছিল না । লমগ্রান্ড ও ভবিষ্যৎ তহবিল এর টাকা প্রসেস করছিল না । এর জন্যে মিষ্টি হওয়ার টাকা বলে 1 লক্ষ টাকা নিয়েছে। আর পেসব চালু করতে 2 লক্ষ টাকা নিয়েছে
চট্টগ্রামের একজন আওয়ামী লীগের নেতা দাবি করে চাকরি দেওয়ার নামে আমার কাছ থেকে নগদ দেড় লাখ টাকা নেই, এমন কোনো মাধ্যম রাখিনি যে টাকা উদ্ধারের কিন্তু কোনো ভাবে টাকা গুলো পেলাম না
আমি পাসপোর্ট করার জন্য সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে গেলে আমাকে জানানো হয় যে পাসপোর্টের জন্য সরকারি নির্ধারিত ফি ৬,১৭০ টাকা। কিন্তু পরবর্তীতে আমার কাছ থেকে মোট ১২,০০০ টাকা নেওয়া হয়। সরকারি ফি ৬,১৭০ টাকা হওয়া সত্ত্বেও অতিরিক্ত ৫,৮৩০ টাকা কেন নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে আমাকে কোনো বৈধ সরকারি রসিদ বা সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। অতিরিক্ত এই অর্থ নেওয়ার বিষয়টি আমার কাছে অনিয়ম/ঘুষ গ্রহণের মতো মনে হয়েছে। আমি বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করে দেখতে এবং অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার কারণ ও এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। প্রয়োজনে আমি পাসপোর্ট আবেদন, পেমেন্ট/রসিদ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ তদন্তকারী কর্তৃপক্ষকে প্রদান করতে প্রস্তুত আছি।
ভ্যাট অফিস থেকে ফোন করে দেখা করতে চায়, আমি আমার প্রতিনিধিদের সাথে কথা বলতে বলি। আমার কাগজপত্র সঠিক থাকার পরও উনি আমাকে বললেন টাকা দিয়ে মিটমাট করতে হবে নচেৎ কোন না ভুল বের করবেন। তারপর ফ্যাক্টরীর ভাড়ার উপর ভ্যাট দেই না বলে বললেন টাকা দিলে তিনি এই সংক্রান্ত আইন আমাকে দিবেন। অবশেষে ২৫,০০০ টাকায় আইন ক্রয় করতে হয় এবং তাকে মাসিক ৫০০০ টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে হয়। আমার সিজোনাল ব্যবসা। ঠিক মত সিজনে কাজ না করতে পারলে সারা বছর বহু পরিবারের আয় রোজগার বাঁধাগ্রস্হ হবে বিধায় রাজি হতে হয়।
শিক্ষা অফিসে তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীরা শিক্ষকদের যেকোনো কাজে গেলে যেমন জিপিএফ চালু, চাকরি স্থায়ী করণ, সন্তানের শিক্ষা ভাতা চালু, এলপিআর এর যাওয়ার সময়, পেনশন এর সময় সকল ফাইল এর সমস্যা দেখায় যা টাকা দিলেই ঠিক হয়ে যায়। ছোট কাজের ক্ষেত্রে ৫০০/১০০০. বড় কাজে ৫০০০-২০০০০ নেয়।
জমি মিউটেশন করারা জন্য উপজেলা ভুমি অফিসে যাই। সেখানে সরাসরি কাজ করতে চাইলে অনেক দপ্তরে যেতে হবে। তারচেয় সহজ একজন মহুরির সহায়তা নিলে ভালো হবে। সেই মোতাবেক মহুরির কাছে যোগাযোগ করি। মহুরি সরকারি ফী সহ মোট ১০,০০০/- টাকা দাবি করে। এক টাকা ও কম হবে না সাফ জানায়। অন্যথায় অন্য ব্যবস্থা করেন। দূরত্ব বিবেচনা করে ০০.৪৫ জমি মিউটেশন করতে চাহিদা অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করি। অবশেষে সংশোধিত মিউটেশন রেকর্ড পাই।
আমি একজন প্রবাসী , আমার জমির খাজনা ও দলিল অন্য জনের করে নিয়েছে, এখন আমার নামে সব করে দিবে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা দিয়েছি, এখনও আমার কাজ হয় নাই ,
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য একজন এএসআই আসছিলেন। সব ইনফরমেশন নেওয়ার পরে ৫০০০ টাকা দাবি করে। অনেক রিকোয়েস্ট করার পরে শেষ পর্যন্ত ৩০০০ টাকা দেওয়া হয়েছে। হিজলা উপজেলা থেকে এবার নিয়োগপ্রাপ্তের সংখ্যা ৩০+.... সবার থেকেই এমন টাকা নেওয়া হয়েছে। যার থেকে যা পারে।
আমি একজন ব্যবসায়ী, আমি ট্রাভেল ইন্ডাস্ট্রির সাথে জড়িত, দুঃখের বিষয় হচ্ছে একজন মানুষ নাগরিক অধিকার হিসেবে খুব সহজেই পাসপোর্ট করার অধিকার রাখে কিন্তু পাসপোর্ট অফিসের কর্মরত কর্মচারীদের ঘুষের সিস্টেমের কারণে এ কাজটি সহজে হয় না, উনারা এমন ভাবে পদ্ধতি গুলো রাখছে যা একটা মানুষের জন্য খুবই দুঃখ জনক যেমন উনারা যেসব দালাল মার্কেটে সেট করে রেখেছে উনাদের কাছ থেকে একটা ইউনিক ক নিতে হবে অথবা ওই দালালরা পাসপোর্ট এর টাকা জমা দেওয়ার সামারি কপি সরাসরি পাসপোর্ট এর কর্মকর্তাদেরকে পৌঁছে দেন,উনাদের হাতে পাওয়া ওইসব পাসপোর্ট যদি জমা দেওয়ার জন্য যায় তাহলে কোন কথাবার্তা ছাড়াই পাসপোর্ট জমা করে নেন যদি ভুলে থাকে তাও কোন সমস্যা না আর এটার বাইরে যদি কেউ জমা দিতে যায় তাকে হাজার রকমের প্রশ্ন হাজার রকমের হয়রানি
গত ১৮/১০/২০২৫ ঢাকা বিমান বন্দরে আগুনে পুড়ে গেছে আমার ৯ টি কনসাইনমন্ট ৮ টি বিমানের গুডাউনে ছিল ১ টি ছিলো এওয়াই জেট কোরিয়ার এর গুডাউনে। ৮ টির কনসানমেন্টর প্রত্যায়ন পত্র নিতে দিতে হলো ১০০০০ টাকা।
সরকারি মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য কোনো ধরনের সরকারি ফি দিতে হয় না। সরকার কর্তৃক প্রদত্ত এই সেবাটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। কিন্তু ওরা আমার কাছ থেকে 5000 টাকা দাবি করেছে, এবং সেটা দিতে হয়েছে না হলে আমাকে সেবাটি দিবে না,