তিতাসগ্যাস নাম পরিবর্তন
২০০০০ টাকা দাবি করা হয়েছিল। তিতাসগ্যাস এর নাম পরিবর্তন করতে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
২০০০০ টাকা দাবি করা হয়েছিল। তিতাসগ্যাস এর নাম পরিবর্তন করতে।
আমি আমার জমি খারিজ করতে গেলে ১০ হাজার টাকা আমাকে দিতে হয়েছে। আমার খারিজ করা জরুরি প্রয়োজন ছিলো । না করে উপায় ছিলো না।
আমি গাইবান্ধা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ড্রাগ লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম গত জুন মাসের ২৮ তারিখের দিকে। আমার সকল কাগজপত্র বৈধ ছিল। তারপরে অফিসের পিয়ন এবং ড্রাগ সুপারের সহকারী ২০০ টাকা দাবি করে। বাধ্য হয়ে আমি ২০০ টাকা দেই
জমির খারিজ নিতে গিয়েছিলাম। আমাকে বলে ২০০০০ টাকা লাগবে। বাধ্য হয়ে দিয়েছি।
বকেয়া বিল উত্তোলন করতে মোট টাকার ২৫% দাবি করেছেন অবশেষে ১০% টাকা দিয়ে বিলটি করিয়ে এনেছিলাম। এটার আগের বকেয়া বিল উত্তোলন করার সময় একই ধরনের দাবি করেছেন অবশেষে দাবি মানতে বাধ্য হয়েছিলাম। তিন থেকে চার মাস ফাইল আটকে রেখেছিলো।
প্রথম সরকারী চাকরীতে এজি অফিসে ১৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিলো। ঘুষ না দিলে তারা ফাইল মাসের পর মাস ফেলে রাখে। ফলে বেতন হয় না। এজি অফিস খুবই আউট অফ কন্ট্রোল কারন এখানে যায় সরকারী চাকরীজীবীরাই। এজন্য তারা চাইতে সাহস পায় কারন সরকারী চাকরীজীবীরা আর কি করবে!
আমি জমি খারিজের জন্য আবেদন করি প্রথমে আমি ফাইল নিয়ে যাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসে তার কিছু দিন পর ফাইল চলে আসে উপজেলা( আড়াইহাজার উপজেলা) ভূমি অফিসে শুনানির জন্য তখন এখানকার এক কর্মচারী বলতেছে কি দিয়ে করাব টাকা দিয়ে নাকি এমনিতেই। এমনিতেই বলার পর এটার মধ্যে ভুল আছে আর নানান কিছু কিন্তু সত্যিকার অর্থে কোন ভুলই ছিলনা। তখন আমি ঘুষ দিতে বাধ্য হই। ঘুষ দেওয়ার সাথে সাথেই আমার কাজ হয়ে গেছে।
খতিয়ানের জমি অন্যজনে নামজারি করে নেওয়ার কারনে মিসকেস না দিয়ে তাদেরকে এই টাকা পরিশোধ করলে তারা কাজটা করে দেয়।
সন্তানের জন্ম নিবন্ধন করার সময়, তারা দাবি করে ইংরেজিতে ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন লাগবে কিন্তু আমার ভোটার কার্ড আছে তখন একটা ডিজিটাল করেছিলাম এখন সেটা হবে না এখন ইংরেজি ডিজিটাল লাগবে সেটা করার জন্য আমার কাছ থেকে ১৫০ টাকা নেই, কিন্তু সরকারি হিসাব ৫০ টাকা করে এই টাকাটা না দিলে কাগজ না দিতে পারে এরকম সন্দেহ দেখে টাকাটা দিয়েছে
অনলাইনে নামজারির আবেদন করার পর নায়েব মহোদয় বললেন সর জমিনে গিয়ে দেখতে হবে ।কাগজপত্র সব যাচাই করতে হবে। সবকিছু বুঝতে হবে একটু দেরি হবে। কিছু খরচাপাতি আছে।
আমি আমার পৈতৃক ভুমি উন্নয়ন কর প্রদানের জন্য গেলে আমার কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা নিয়ে ৮ হাজার টাকার দাখিলা প্রদান করে।
police clearances এর জন্য আমার কাছে ২৫০০ টাকা নিয়েছে
car er name transfer korar somoy 8000 taka niyeche Amar kach theke. mirpur brta.
আমার বাবার অনেক পুরোনো একটি কৃষি ঋন ছিল যা পর্যায়ে ক্রমে পরিশোধ না করে একেবারে পরিশোধ করতে চেয়েছিলাম এবং সঠিক হিসেব চাইলে তা না দিয়ে নানান কথা বাড়িয়ে সে অনেক বড় এমাউন্ট উপস্থাপন করে।পরবর্তীতে বলা হয় দশ হাজার টাকা দিলে কমিয়ে দিবে।পরে তা ৫০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে সমাধান করে
Bill paser. Kjonno 20% ghus
ঘুষ দিলে সহজেই হবে না দিলে ভোগান্তি হবে। তাই ভোগান্তি এড়াতে দিয়ে দিছি
শালিস এর জন্য OC কে ১০০০০ টাকা দেওয়া লাগছে
কলকারখানার চট্টগ্রামের ডিআইজি তার পরিদর্শকদের দিয়ে নিজে এবং তার নামে এডিশনাল ডিআইজিকে দিয়ে কারখানা ও প্রতিষ্টান পরিদর্শনের নামে বিভিন্ন কারখানায় চাঁদাবাজি করে চলেছে।এখান থেকে আমরা চট্টগ্রামের ব্যবসায়িক সমাজ পরিত্রাণ চাই।টাকা না দিলে লাইসেন্স আটকানো সহ বিভিন্নভাবে হয়রানি করছে।তিনি তার সহকর্মীর মাধ্যমে ৩০০০০ টাকা আমাদের কারখানা থেকে নেন।
এটা বাংলাদেশের কমন সিনারিও এবং ৫০০০% সত্য ঘটনা, আমি অনেক জমিন খারিজ করেছি। খারিজের সরকারি যেই চালান বা জমা রশিদ প্রদান করে সেখানে সরকারের নিয়ম অনুযায়ী ১১৭৫/- টাকা সরকারী ফি খাত ওয়ারী লিখে দেয় এবং এটাই সরকারী ফি, কিন্তু বাস্তবতা হলো ফি নেয় ৬০০০/- থেকে আনলেমিটেড। ২০১৭ সালে চাঁদপুর সদর উপজেলার তরপুরচন্ডী ভূমি অফিসে আমার কাছ থেকে ৬০০০/- টাকা নিচে কিন্তু রশিদ দিছে ১১৭৫/- কিছু বল্লে বলে খারিজ করাবেন আরো বলে এই টাকার ভাগ মন্ত্রী, ডিসি এসপি সবাই পায়। ২০২১ ফরিদগন্জের রামপুর বাজার ভূমি অফিসে আমার কাছে প্রতি খারিজের বিপরীতে নিচে ৬৫০০/- টাকা করে। আমার কাছে রশিদ গুলো আছে।
নড়াইল সদর রেজিষ্ট্রি অফিসে দলিল প্রতি সাব রেজিস্ট্রার কে ২০০০ হাজার টাকা ও ঐখানের পিয়ন বা যে হাতে কালি দলিল বইতে সাক্ষর করায় সে দলিল প্রতি ৫০০ করে টাকা নিয়েছে।। পরবর্তীতে দলিলের টিকিট নিয়ে দলিল তুলতে গেলে আর ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।