ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন
অফিস খরচ বলে দাবি করেছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
অফিস খরচ বলে দাবি করেছে।
ছোট ভাইয়ের পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করার পর একজন ব্যক্তি ফোন করে WhatsApp-এ ব্যক্তিগত ডকুমেন্ট চান এবং পরে আবেদন অ্যাপ্রুভ করে দেওয়ার বিনিময়ে টাকা দাবি করেন। প্রথমে ৫০০ টাকা এবং পরে ১,৫০০ টাকা নিয়ে দর-কষাকষি হয়। এরপর তিনি ভোর প্রায় ৪টার দিকে ছোট ভাইকে ফোন করে ৫০০ টাকা দাবি করেন। টাকা দেওয়ার পরও আবেদনটি রিজেক্ট করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আবেদন রিজেক্ট করা ও টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বললে ওই ব্যক্তি অপমানজনক ভাষায় কথা বলেন এবং হুমকি দেন যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেতে ছয় মাসও লাগতে পারে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পরে আরও ৫০০ টাকা দেওয়া হলেও আবেদনটি শেষ পর্যন্ত রিজেক্ট করা হয়। এরপর নতুন করে আবেদন করলে অন্য কোনো মডারেটর/কর্তৃপক্ষ সেটি অ্যাপ্রুভ করে দেয়।
সাব রেজিস্ট্রার দলিল মালিকানা পরিবর্তন - জমি বিক্রি করতে গেলে নামের আক্ষরিক বানাম ভুলের কারনে টাকা দাবি করে , এর পতিবাদ করে কোনো ফলাফল হয় নাই, পরে ৩ য় পক্ষ দলিল লেখক টাকা নিয়ে সাবরেজিস্টার সে দিলে স্্াক্ষর করে
বাইকের কাগজপত্র এবং আমার মাথায় হেলমেট সবই ঠিক ছিলো, শুধুমাত্র পিছনের পিলিয়ন মানে আমার বউয়ের মাথায় হেলমেট ছিলো না বলে বাইক নিয়ে ভৈরব হাইওয়ে থানায় আটকে রাখে। আমি মামলা দিয়ে ছেড়ে দিতে বললাম সেটাও করে না। তার ২ ঘন্টা পরে তাদের ৫০০ টাকা দিলে তারা ছেড়ে দেয়। এই ঘটনার সাথে ওসি সহ বাকি সবাই জড়িত।
পাসপোর্ট এর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার জন্য সিরিয়াল নাম্বার ৪৩৮ লিখে দেয়, তারপর বলে আপনি কোত্থেকে এসেছেন, আমি বলি ঢাকা থেকে এসেছি, তারপর সে বলে আপনার তো অনেক দেরি হয়ে যাবে আপনি আমাকে 500 টাকা দিন আপনার কাজ দ্রুত করে দিব। আমার আবার ওই দিন ঢাকায় ফিরা লাগবে, আমি অনেক রিকোয়েস্ট করি। তারপর সে বলে ঠিক আছে 400 টাকা দেন। একটা আনসার আমার কাছ থেকে টাকাটা নিছে
আমার সকল ডকুমেন্টস ঠিক থাকা সত্যেও বিভিন্ন ভাবে ভুল খোজার চেষ্টা করা হয়৷ আমার বাইকে গত ২৬ দিন আগে একটা হর্ণ মামলা ছিলো৷ যেহেতু ১ মাস পুরন হয়নি আমি কাগজ উঠাইনি৷ উনারা বলছে মেয়াদ ২০ দিন এই নিয়ে সে ১০ হাজার টাকার মামলা দিবে৷ সর্ব শেষ এ ৫ হাজার দিতে হয়৷ ঢাকায় এছাড়াও প্রায় এই রকম টাকা খোর রা থাকে বিশেষ করে, চানখারপুল, গাবতলি পর্বত, আগারগাঁও এবং বিজয়সরনির মাঝে,
আমরা একটা কাজ পেয়েছিলাম সেই কাজের বিল তুলতে গিয়ে এই ঘুষ দেয়া লাগছে।
নামজারি করতে ঘুষ দিয়েছি, তবু প্রপারলি করে দিতে পারে নি, নির্ভূল হয়নি
নতুন পাসপোর্ট অতিরিক্তদাবি,
আমার কাছ থেকে ইনডিরেক্টলি ডিমান্ড করেছিলো
City Corporation, Cumilla Sadar South/ officer doesn't demand but asks for a under-table money for quick confirmation of renewed Trade License every year.
বিভিন্ন খাতে টাকা দিয়ে করে আনতে হয়।
চাকরি স্থায়ী করণ ও বিনোদন ভাতা পেতে হলে তাকে ঘিষ প্রদান করতে হয়। এছাড়াও গ্রেড উন্নয়ন সহ সকল কাজে সে ঘুষ নেয়।
ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য আমার উকিলের মাধ্যমে করা রিটার্নের কপি নিজে নিয়ে ট্যাক্স অফিসে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে নানা ধরনের কথা বলে এবং বিভিন্ন ভুল ধরিয়ে আমার কাছে সরাসরি ২,০০০ টাকা দাবি করা হয়। বিষয়টি নিয়ে আমি বেশ দ্বিধায় পড়ে যাই। আমি তাদের বললাম, “আমার উকিলই তো আমার রিটার্ন তৈরি করে দিয়েছেন। কোনো ভুল থাকলে পরে আমি দেখে নেব।” কিন্তু তারা কোনোভাবেই আমাকে ছাড়তে চাচ্ছিল না। একপর্যায়ে আমার দ্বিধা দেখে টুপি পরা লোকটি আমাকে তাড়াহুড়া করে বলল, “তাড়াতাড়ি টাকা দেন, নামাজে যাব।” বিষয়টি শুনে আমি আরও হতবাক হয়ে যাই। সে তখন আমাকে সরাসরি বলল, “ম্যাডাম, আমরা একা খাই না, সবাই মিলে-মিশে খাই।”
আমি ২০১৩ সালে ইউনিভার্সিটির ২য় বর্ষে পড়ার সময় প্রথমবারের মতো একটি ব্যবসা শুরু করার উদ্যোগ নিই। নতুন ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স করতে আমি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে যাই। আমি তাদের সকল নিয়ম মেনে, প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র ও তথ্য সঠিকভাবে দিয়ে, যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করি। এমনকি ভেরিফিকেশনের জন্য কর্মকর্তারা আমার প্রতিষ্ঠানে এসেছিলেন এবং সবকিছু ঠিকঠাকই পেয়েছিলেন। এরপর তারা আমাকে ট্রেড লাইসেন্স নেওয়ার একটি তারিখ দেন। নির্ধারিত দিনে আমি ট্রেড লাইসেন্স নিতে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি, যিনি আমার কাজটি দেখছিলেন, তিনি নামাজ পড়তেন, মাথায় টুপি ছিল এবং দাড়িও ছিল। তিনি আমাকে বললেন, “ব্যবসা করবেন, ভালো কথা। আমাদের চা-পানি খাওয়ার টাকা দেন।” আমিও সরল মনে ২০ টাকা দিলাম। ভাবলাম, আর কত
রংপুর - সৈয়দপুর বিশ্বরোড হয়ে ভিন্নজগত যাচ্ছিলাম। মাঝখানে ট্রাফিক পুলিশ পুরো টিম দাঁড়িয়ে। গাড়ি সাইড এ নেয়ার পর বিভিন্ন আলবাল বুঝাতে থাকে। যদিও আমার সকল কাগজ ছিল পিডিএফ করা কিন্তু সেটা তারা দেখেও না দেখার ভান করলো আর একপর্যায়ে সার্জেন্ট বলল আপনার ১০,০০০ টাকার মামলা হবে। আমি অনেক আকুতি মিনতি করার পরেও এক কনস্টেবল সাইড এ নিয়ে বলল ২০০০ টাকা দেন আমি স্যারকে ম্যানেজ দিচ্ছি। পরে ১০০০ টাকা দিয়ে ওখান থেকে আসতে হইসে। মজার বিষয় হচ্ছে টাকা দিয়ে চলে আসার সময় অন্য আরেক কনস্টেবলেরা বলছিল যে ভাই নেক্সট এ এখন দিয়ে যাওয়ার সময় আর ঝামেলা হবে না। টেনশন ফ্রি থাকেন।
আমি ইউনিয়ন পরিষদে গিয়েছিলাম ওয়ারিশ সনদ করার জন্য। আমার জানা মতে ওয়ারিশ সনদ সম্পূর্ণ ফ্রি। কিন্তু আমার কাছ থেকে ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার কর্মকর্তা চারটা ওয়ারিশ সনদ এর কপি দিয়ে ৪০০ টাকা দাবি করে। আমি তাকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত দিছিলাম তাতেও সে সন্তুষ্ট ছিল না। যাক তাপর চৌকিদারকে দিয়ে ভেরিফাইড করার জন্য দিলাম। কিন্তু চৌকিদার টাকা ছাড়া ভেরিফাইড করতে রাজি হচ্ছে না। নানান ধরনের কথা বলে। তাকে শেষপর্যন্ত ২৮০ টাকা দিলাম তারপর সে বলল কালকে আসেন হয়ে যাবে। এই হলো সরকারি সেবার অবস্থা। 😢😢
নতুন পাসপোর্ট করার জন্য সকল কাগজপত্র জমা দিই, কিন্তু আমার পুলিস ভেরিফিকেশন করার সময় পাসপোর্ট অফিসে ২০০০ টাকা জমা দিতে বলা হয়। পরে আরও ৫০০ টাকা দাবি করে, যা বিকাশের মাধ্যমে আরেকজনের কাছে পাঠানো হয়। নিজের নম্বরে কিন্ত জমা নেই নি। আজব একটা সিস্টেম রে ভাই। আমরা নাগরিকরা সবাই দোচণে আছি।
আমি ইমারজেন্সি পাসপোর্ট করতে আবেদন করি কিন্তু পাসপোর্ট অফিসে জমা দিলে তারা বিভিন্ন অজুহাতে ফাইল ফিরে দেই পরে একটা দালালকে দিছি সে আমার থেকে সর্বমোট ১৭০০০টাকা চাই, আমি তখন তাকে টাকা টা দিয়ে দিছি তখন সে বলে তুমি পাসপোর্ট অফিসে যাও সেখানে আমার মানুষ আছে পরে সে যে ভাবে বলছে সে ভাবে গিয়ে তার নাম বলে জমা দিছি কিছুক্ষণ পর সেটাতে সাইন করে দিয়ে দেই!
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে লাগে ৫০০০ টাকার ও কম কিন্তু সেখানে আমার থেকে নিয়েছে ১৫০০০ টাকা আবার ফিঙ্গার দিতে নিয়েছে ১০০০ টাকা,কিসু বলার নাই আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে হবে