IBASS++
Taka chara kaj kore na
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৭২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Taka chara kaj kore na
২০২৩ সালে আমার এমপিও আবেদন করা হয়। আবেদন ডিজিতে পাঠানোর জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসার প্রিন্সিপালের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা দাবী করেন। পরবর্তীতে আমি টাকা দিতে বাধ্য হই
নানান কারণ দেখিয়ে কাগজ সাইন না করা। পরে আনসার এর মাধ্যমে টাকা দাবি।
পাসপোর্ট রিনিউ করতে গিয়েছিলাম!! সকল কাগজপত্র ঠিক থাকলেও ফাইল জমা করতে পারিনি!! পরে ২০০০ টাকা ঘুষ চাওয়া হয়।। আমার কাছে টাকা নাই বললেও ছাড় পাইনাই।। অবশেষ বিকাশের মাধ্যমে ১৫০০ টাকা বাড়তি দিয়ে; ফাইল জমা করে আসছি।। চট্টগ্রাম পাসপোর্ট অফিসে।।। তাছাড়া আরো কত সরকারি অফিসে মূল ফিস নেওয়ার পরেও বাড়তি টাকা পরিশোধ করে আসতে হয় যার কোন রসিদ পত্র দেওয়া হয়না!! রসিদ উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়া একজন মানুষ কেন বাড়তি টাকা পরিশোধ করবেন আমার প্রশ্ন রইল!! অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে এই রকম সাহসী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য।। বাংলাদেশ সরকার বিষয়টি অবশ্যই দেখবেন।। ধন্যবাদ সকল কে.... ঘুষ একটি জাতির জন্য মহামারী।।।
সাক্ষর নিতে হলে টাকা দেতে হয়। না হলে দিনের পর দিন ঘুরতে হয়
অফিস প্রধান কর্তৃক বলা হয় এলপিসি নিতে হলে এক হাজার টাকা খরচ দিতে হবে।
নতুন ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য এই ডকুমেন্ট দাও, সেই ডকুমেন্ট দাও। বললো 2000 টাকা দাও দেখতেছি আমি কি করা যায়। ২০০০ টাকা দেওয়ায় কাজ হয়ে গেল।
এখানে ঘুষ না দিলে লাইসেন্স পাওয়া যায় না। ঘুষ দিলে পরিক্ষায় ফেল করলেও পাশ দেয়
Kharij Korte Taka besi chaice..
টাকা না দিলে করবে না। আমি নিন্দা জানাই এই সিস্টেম এর।
মিস কেস করার পর তদন্তের জন্য যে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নথি পাঠাবে তাই পাঠায় নাই। কয়েকদিন বলার পরও পাঠায় নাই। পরে গিয়ে দেখা করে বলার পরও কাজ করে নাই। পরে 2000 টাকা চায়। 1000 টাকা দিয়ে তদন্তের জন্য পাঠায়।
টাকা না দিলে দলিল করে দেয়নি।
আমার বাবার কেনা জমি নাম খারিজের জন্য নিছে সার্বেয়ার এরপর AC Land আবার বাতিল করে দিছে।
আমি ভূমি অফিসে গেলাম একটি জমি খারিজ করতে,বললো এভাবে হবে না,নিচে দোকান আছে,ওখানে গিয়ে আমার কথা বলেন,ওনি আবেদন করে দিবে।পরে ওই দোকানদার টাকা চাইছে, আমি বললাম প্রক্রিয়া মত আমি নিজে করবো,কিভাবে করবো বলেন,পরে বলে হবে না ৬ মাসেও,আমাকে পনের হাজার টাকা দিলে ১ মাসের মধ্যে কাজ হবে।পরে দিলাম।
অফিস খরচ বাবদ ২০০০/- দিতে হবে ড্রাইভি লাইসেন্স বাবদ।
Demanded 12K for a new connection. Threatened to never give the connection. Then settled at 7k
আমার মার জমি খারিজ/নামজারি করার সময় ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে টাইপিং মিস্টেক করে ৩২৩৬দাগ নম্বর ৩২৬৩করে দেয়।তখন সংশোধন আবেদন করা হলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে ৩হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে আমাদের কপিতে কলম দিয়ে কেটে সঠিক দাগ নম্বর লিখে দিয়ে সীল মেরে দেয়। কিন্তু সরকারী নথিতে সংশোধন করে নাই। পরবর্তীতে ভুল দাগ নম্বর ডিজিটাল সার্ভারে আপলোড করা হয় এবং আমাদের দরকারের সময় দেখা যায় দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর ভুল দেখায়। পরবর্তীতে আবারো এসি ল্যান্ড অফিস বরাবর আবেদন করা হয় অনলাইনের তথ্য সংশোধনের জন্য। নিজের কাজ ফেলে এখানে অসংখ্যবার যেতে হয় ও পদে পদে পিয়ন, অফিস সহকারী, সার্ভেয়ার,ডিসি অফিসের রেকর্ড রুম পর্যন্ত ২৩হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। তথ্য সংশোধনের পর আবারো খারিজ আবেদন করলে আবারো ঘুষ ৩হাজার টাকা দিতে হয়।
বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশ এ ইজিপি টেন্ডাত এর মাধ্যমে একটি কাজ পেয়েছি, কিন্তু তারা কোনো মাল না নিয়ে আমাকে খরচের যৎসামান্য টাকা দিয়ে পুরোটা নিয়ে নিয়েছে।
প্রতিটি টি স্বাভাবিক জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে 200/- টাকা হারে ফি নিচ্ছে, গণহারে , এই ফি এর অতিরিক্ত টাকা প্রতিদিন কার পকেটে যাচ্ছে। প্রতিদিন চলমান এভাবে, এছাড়াও বিদেশে যাওয়ার জন্য ছেলেদের বয়স বাড়িতে জন্ম নিবন্ধন করে দিচ্ছে 4000- 5000 টাকার বিনিময়ে , মেয়েদের বিবাহের জন্য 5000- 10000 টাকার বিনিময়ে। অরহর হচ্ছে এই বানিজ্য।
চাকরির শুরুতে পে ফিক্সেশন করতে হয় হিসাবরক্ষণ অফিসে। এইজন্য টাকা দিতে বাধ্য করা হয় প্রক্রিয়া বিলম্বন করে।