লাইসেন্স পুনঃ নবায়ন
সরকারি ভাবে ফি জমা নেবার পর আইডি আর ভেরিফাইড না করে ৩ মাস ফেলে রাখা এর পর সেটার জন্য তদবির করলে ২০০০ টাকা ঘুস নিয়ে করে দেয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সরকারি ভাবে ফি জমা নেবার পর আইডি আর ভেরিফাইড না করে ৩ মাস ফেলে রাখা এর পর সেটার জন্য তদবির করলে ২০০০ টাকা ঘুস নিয়ে করে দেয়
এক লক্ষ টাকার বেশি লাগবে না দিলে বিবাদীর খারিজ বাতিল করা যাবে না, পরে এসিল্যান্ড খিলক্ষেত অফিসে ৬০ হাজার টাকা দিলাম, দক্ষিনখান অফিসে দিলাম ৭০০০ টাকা, আবার আসতে হলো খিলক্ষেত এসিল্যান্ড অফিসে আবার শেখানে তামিল করতে নিলো পাঁচ হাজার টাকা ৬০,০০০+৭,০০০+৫,০০০=৭২,০০০/দিলাম
আমি ৪র্থ গণবিজ্ঞতিতে ডুমুরিয়া উপজেলার একটি স্কুলে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করি এবং আমার এমপিও করানোর জন্য যথারীতি আবেদন করি। ফাইল উপজেলাতে গেলে প্রধান শিক্ষক বলে টাকা ছাড়া ডুমুরিয়া শিক্ষা অফিসার ফাইল ছাড়বে না তখন প্রধান শিক্ষককে নিয়ে থানা শিক্ষা অফিসে যাই। প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে ৩০০০ টাকা দিলে তিনি ফেরত দেন এবং বলেন ৫০০০ টাকা দিতে।আবশেষে ৫০০০ টাকা দেই এবং তারপর সেইদিন রাতে ফাইল জেলায় ফরওয়ার্ড করে দেয়। আর কোথাও কোন টাকা দেয়নি
সৌদি আসার ১ম ধাপ হলো সরকারি মেডিকেল টেষ্ট এলাউ বা এপ্রোভ হওয়া। আমি বেসরকারি মেডিকেল থেকে আমার টেষ্ট করর পর আমার স্আাস্থের অবস্থা সম্পূর্ণ ফিট ছিল। যখন আমি রিকোটমেন্ট এজেন্সি থেকে সরকারি মেডিকেল এপয়েনমেন্ট নিয় তখন, মেডিকেল এর দারোয়ান বলে, "আগে থেকে টাকা দিয়ে কথা না বলে রাখলে মেডিকেল ফিট হয়না" মেডিকেল ফিট হওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে ৩৫০০০ টাকা নিয়েচে৷
they offered my dad a job for me on post office 19 grade job for the sallerya of 12000 TK, and i don't know about it and my dad has been paid the money to them for getting me the job, but its been 2 years my job is not ready yet and its pending all the time, and also if i want my money back the just say wait you will get the job soon !
২০১৬ সালে পিতার মৃত্যুর পর পেনশন ভোগ করেন মা। ২০২১ সালে মা মারা যান। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিবন্ধী সন্তান পেনশনের দাবীদার। ডিসি অফিস, সিভিল সার্জন, অফিস, পৌরসভায় বহুবার কয়েকমাস দৌড়াদৌড়ি ক কাগজপত্র প্রস্তুত করে আটকা পড়লাম জেলা একাউন্টস অফিসে। আইনের ফ্যাঁকরা দেখিয়ে ফেরত পাঠালো। হবে না। দৌড়ালাম মহা হিসাব নিয়ন্ত্রক বরাবর। কয়েকমাস পর একই উত্তর না। ২০২৫ সালে জেলা একাউন্টস অফিস থেকে ফোন পেয়ে দৌড়ালাম সেখানে। তারা পেনশন রানিং করে দিবে বিনিময়ে এরিয়ার যা পাওয়া যাবে (৩লক্ষ ২০ হাজার টাকা) ছেড়ে দিতে দাবী। রাজী হলাম না। আবার গেলাম মহা হিসাব নিরীক্ষণ অফিস, ঢাকায়। তারা পরামর্শ দিলা জেলা অফিস যা অফার দিয়েছে তাতেই রাজী হয়ে পেনশন চালুর ব্যবস্থা করেন। একটা পর্যায়ে কোন ভাবেই হচ্ছে না দেখে DAO এর সাথে ফয়সালা করি।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য গিয়েছিলাম। পরে বলতেছে যে আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে ২৫০০ টাকা লাগবে। আমি বললাম ব্যাংক চালান ১৫০০ আমি ২৫০০ দেব কেনো। বললো আমাদের একটা খরচ আছে।
আমার কম্পিউটারের দোকান আছে। জনগণকে পাসপোর্ট ফরম পূরণ করে পাঠালে তারা বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্রের চাপ, সার্ভার সমস্যাসহ অনেক রকমের অজুহাত দিয়ে ফেরত পাঠায়। আবার বাইরে থাকা আনসার সদসদ্যকে অথবা অফিসের কাউকে ১৫০০ টাকা দিলেই কোন সমস্যাই আর সমস্যা থাকে না। অনায়াসে হয়ে যায়। যে সকল কাগজ চাই তার আর লাগে না। ফলে বাধ্য হয়ে আমাকে যত জনের ফরম দিয়ে পাঠায় কাগজ প্রতি ১২০০/- টাকা করে অফিসে দিতে হয় যাহা বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে অত্যন্ত কষ্টের। এভাবে প্রতি মাসে প্রায় ৪০ হাজার টাকারও বেশি অনিচ্ছাকৃত বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়। একজন গরীব মানুষের এই ভাবে ঘুষ দিতে বাধ্য হওয়াটা একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে ঘৃণা করি। আমরা এই সিস্টেম থেকে মুক্তি চাই।
আমার বাড়ীর জমির নামজারি করতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাই কাগজপত্র দেখে আবেদন করে তার পর ভুমি কর্মকর্তা ৬০০০ হাজার দাবি করে যার সরকারি মুল্য ১১৭০ টাকা আমি ৬ হাজার টাকাই দেই এবং আমার নামজারি হয় বি:দ্র: এর আগে আমি নিজে আবেদন করে কাগজপত্র জমা দেই কিন্তু নামজারি হয় নাই। ঘুষ ছাড়া এসিল্যান্ড অফিস এর ফাইল এক টেবিল থেকে অন্য টেবিল এ যায় না।
টাকা না দিলে পাস হয় না |
সবার বাসায় বাসায় গিয়ে ভূমি জরিপ রের্কড এর স্লীপ দিয়ে গেছে তারিখ অনুযায়ী সে জায়গায় উপস্থিত থাকার জন্য এবং কাগজপএ দেখে সরকারি BDS এর কপিটা পেতে টাকা দাবি করে সহযোগীরা সরাসরি স্যারেরা নেয় না তারা সহযোগী ঠিক করে রাখছে তারা বলে দেয় কত দিতে হবে? একেক জনের কাছ থেকে একেক অঙ্ক দাবি করছে কারও কাছে ৭,১০,১৫,২০,৫০ (হাজার) কারও কাছে ১ লাক্ষ সব মিলিয়ে কোটি কোটি টাকা উঠানো হচ্ছে এই জরিপের মাধ্যমে। আমরা তো বাধ্য হয়ে দিয়ে কাগজ আনতে হয়? এই জুলুমের শেষ কোথায়? জমি কেনা থেকে শুরু করে সকল ধরনের কাগজপত্রে টাকা আর টাকা দিতে হয়।অথচ যে সেবা পাওয়ার কথা ছিলো সল্প ব্যয়ে। এখন কি পাচ্ছি কবে পরিবর্তন হবে দেশ কবে এসব হয়রানি বন্ধ হবে? কবে আমরা শান্তি পাবো?আল্লাহ এসব জুলুমের বিচার করো ঘুষখর ও দুর্নীতিবাজদের। এলাকাবাসীর পক্ষে
নতুন খতিয়ান সংগ্রহের জন্য সরকারি নির্ধারিত ফি প্রতি খতিয়ানে ১০০ টাকা। আমার মোট ৪টি খতিয়ান ছিল, তাই সরকারি ফি অনুযায়ী মোট ৪০০ টাকা দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসের কর্মচারীরা প্রতি খতিয়ানের জন্য ৩০০ টাকা করে মোট ১,২০০ টাকা আদায় করেন, অর্থাৎ আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত ৮০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে তারা বলেন, সরকারের আরও বিভিন্ন খরচ রয়েছে। আমি বলি, অতিরিক্ত কোনো সরকারি খরচ থাকলে সেটি সরকারি ফি-এর সঙ্গে যুক্ত করে নোটিশে উল্লেখ করা উচিত। এ কথা বলার পর তারা ক্ষুব্ধ হয়ে জানান, অতিরিক্ত টাকা না দিলে খতিয়ান দেওয়া হবে না। বাধ্য হয়ে আমাকে অতিরিক্ত ৮০০ টাকা দিয়ে খতিয়ান সংগ্রহ করতে হয়েছে।
Police verifier said that form has some wrong info, he will correct it by taking some money. Then he negitiates with 600.
Hudai nilo 100 tk,,jei khane 2 taka o lage na,,,
পাসপোর্টের জন্য নাগরিক সনদ আবেদন করার পর প্রিন্ট করার জন্য কিছু খরচ চাওয়া হয় , আমি জানতে চাই উনাদের কি প্রিন্টার দেয় নাই সরকারের পক্ষ থেকে , অতঃপর তর্ক বিতর্কের পর উনাকে বারতি টাকা দেয়া হয়
নাম খারিজ করার জন্য সব কাগজ ঠিক থাকার পরও তিন হাজার টাকা অতিরিক্ত নিয়েছে। কানুনগো এর সহকারী গ্রহণ করেছে।
নতুন পাসপোর্ট করতে গেলে পাসপোর্ট প্রতি ১২০০ করে টাকা নেয়, লালমনিরহাট পাসপোর্ট অফিসে, নয়তো পাসপোর্ট হয় না, কাগজে ভুল দেখায়, বাতিল করে, আমি ২ টা পাসপোর্ট করতে গেছিলাম ২৪০০ টাকা নিয়েছে, লালমনিরহাটর পাসপোর্ট অফিসে দালান ও অফিসারেরা এ টাকা নেয়,
২৫০০টাকা দিলে কিছু সবকিছু সমাধান করে দিবে।
নামজারি করার জন্য ভূমি অফিসে আবেদন এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেই, এবং অফিসের দারিবর প্রেক্ষিতে টাকা প্রদান করি। কিন্তু আবেদন না মঞ্জুর হয়।
নতুন লাইসেন্স করা। সরকারি ফি ৭৪৪০ টাকা। আবেদন ও অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ৮০০০ হাজার টাকা অতিরিক্ত দেওয়া লাগছে