সব ঠিক থাকলেও 1500/2000 টাকা চায়,
আমি একজন কম্পিউটার দোকানদার, সব পেপার ঠিক থাকলেও টাকা ছড়া কাজ করে না.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি একজন কম্পিউটার দোকানদার, সব পেপার ঠিক থাকলেও টাকা ছড়া কাজ করে না.
Without money dub register didn’t agree to accept the file.
বীজ ডিলার নবায়নের জন্য ২০,০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
19 লাখ টাকা পেনশনের জন্য 19হাজার টাকা দাবি
Every masei tader dite hoy file process korte naile hudai iccha kore amn qus kore jar kono ans thake na.
বয়লারের বাৎসরিক নিবন্ধন এর জন্য এই টাকা দেয়া হয়েছে। আমাদের ফ্যাক্টরি টি কমপ্লায়েন্স ফ্যাক্টরি। নিয়ম অনুযায়ী আবেদনের সাথে সাথে বাৎসরিক নিবন্ধন অনলাইনে আপডেট করা হত তাহলে কোম্পানি এই টাকা দিতে বাধ্য হতনা। বয়লার অফিসের নিয়ম অনুযায়ী সকল কার্যক্রম যথাযথভাবে মেনে চলা হয়। আমার ১৮ বছর চাকরি জীবনে এই প্রথম ঘুষের টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। আল্লাহ বয়লার অফিসের লোকদেরকে হেফাজত করুক। আমিন
আমার জাপানি ভাষা N5শেষ করার জিএলটি পরিক্ষা ছিল সব ডুকুমেন্ট ঠিক থাকার পর ও ফাইল আটকিয়ে দিয়েছিল, বাধ্য হয়ে 2000 টাকা বেশি দিয়ে করতে হয়
বাড়ি বানানোর জন্য আমার এক আঙ্কেল ৫ লাখ টাকা ঘুষ হিসেবে দিয়েছিলেন। কিন্তু ৬ মাস হয়ে গেলেও কোনো খবর নেই। শেষমেশ অফিস থেকে জানানো হয়েছে যে, তারা নিশ্চিত নয় কবে প্ল্যান পাস হতে পারে। তাই আঙ্কেলের বিল্ডিং বানানোর কাজও বন্ধ হয়ে গেছে।
তাদের কিছু আনুসাঙ্গিক খ্রচ আছে, এজন্য টাকা দিতে হবে, না দিলে নেগেটিভ রিপোর্ট দিবে।
৭৫০০ টাকা দিলে পাসপোর্ট কোরে দিবে যামেলা ছারাই আর টাকা না দিলে জামেলা হব সময় লাগবে বেসি।
ঘুষ ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করা অসম্ভব আমার ৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
HSC প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা জন্য 1000 টাকা চাওয়া হয়, এই টাকা দিতে চাই নি বলে আমাকে অন্য একটা রুমে নিয়ে বসানো হয়, প্রিন্সিপাল আমার admit card কেড়ে নেয়। রুমে একাই আমি । পরিত্যক্ত রুম ছিল । সব কিছু ময়লা । বিভিন্ন হুমকি ও দেওয়া হয় । চাপে পড়ে বাধ্য হই দিতে
আমি পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স বানানোর ক্ষেত্রে যেদিন হাতে কলমে টেস্ট নেওয়া হয় সেদিন উক্ত টেস্ট দিতে গিয়েছিলাম,আমি ড্রাইভিং পারি তাও সেখানে টেস্ট নিয়ে আড়ালে ২০০+২০০ বাইক+প্রাইভেট গাড়ীর জন্য ৪০০টাকা নেওয়া হচ্চে,কেন নিবে?আমরা তো সব ফি এপ্লিকেশন এর সময় জমা দিয়েছি,ম্যাজিস্ট্রেট+সারজেন্ট বিষয়টা দেখে ও না দেখক্র ভানে ছিলো,ম্যাজিস্ট্রেট তাকাচ্ছেও না দেখছে ও না যে কে পাস আর কে ফেইল কারণ তাদের আগেই কন্ট্রাক্ট করা থাকে পাস করলে ও পাস আর ফেইল করলে ও পাস, তাদের বিবিন্ন মাধ্যাম থাকে এপ্লাই এর বিবিন্ন দোকান যেগুলো তাদের কন্ট্রাক্ট করা,আপনি সেখানে এপ্লাই করলে পাস না করলেও পাস কিন্তু এপ্লাই না করলে পাস করলেও ফেইল। আমার কাছ থেকে টোটাল ১১হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে, অথছ সরকারি ফি সর্বোচ্চ ৩০০০ থেকে ৩৫০০ টাকা।
আমি চাকরির জন্য মেডিকেল করাতে এসেছিলাম। আমার একসাথে অনেকগুলো কাজ হাতে ছিল। পূর্বে যখন আমি মেডিকেলে এসেছিলাম অনেকের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমার ঝামেলা হতো। যেহেতু আজকে আমার কাজের চাপ এই সকল বিবেচনায় এদের সাথে কোন ঝামেলা করে নিয়ে তারা ১০০ টাকা চেয়েছে কিন্তু আমাকে কোন রিসিট দেয়নি। আমিও আজকে আবার কোন ঝামেলায় যেতে চাইনি। কিন্তু তারা আমার কাছ থেকে যে ১০০ টাকা নিল এটা তো দুর্নীতি তাই না? এরকম আমার কাছে আর অপরিচিত অনেকে বলেছে যে রক্ত পরীক্ষা করতে গেলে ব্লাড গ্রুপ আইডেন্টিফাই করতে গেলে টাকা লাগে ১০০ টাকা করে রেখে দে কিন্তু রিসিট দেয় না। দুর্নীতি বন্ধ হোক।
আমার ভোটার হবার জন্য যখন আবেদন করতে যাই তখন চোখে পরে আমার সার্টিফিকেট এ বাবার নামের বানান ভুল এসেছে। এই বানান সংশোধন করতে আমি আমার স্কুলে যাই। সেখানে দায়িত্বরত শিক্ষক আমাকে প্রায় ২ মাস ঘুরিয়েছেন তারপর আমার থেকে ১৮০০ টাকা দাবি করেন যেখানে আবেদন এর সরকারি খরচ মাএ ৫০০ টাকা। ৫ মিনিটের কাজের জন্য ১৩০০ টাকা দাবি করেন শেষ পর্যন্ত ৮০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছিলাম।
হাস্যকর হলেও সত্য, এই টাকা প্রতিবার বিল এর চেক নেয়ার আগে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের একাউন্টস ও অন্যান্য বিভাগ কে দিতে হয়েছে, আওয়ামীলীগ আমলে । এই ঘুষের এমাউন্ট আরো বেশি হিসাব করতে ইচ্ছা হচ্ছে না আর ।
During the submission of my passport application, an officer at the passport office demanded a bribe of BDT 1,500 and stated that my application would not be accepted unless I paid the demanded amount. Subsequently, during the police verification process, the police officer responsible for conducting the verification demanded a bribe of BDT 3,000, despite the fact that all of my documents and information were accurate and in order. The officer further threatened that if I did not pay the demanded amount, they would submit a negative verification report, which would result in my passport application being rejected and prevent me from obtaining a passport.
কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার নির্বাচন অফিস থেকে স্মার্ট কার্ড উত্তোলনের সময় অফিস সহকারি একশো টাকা দাবি করে । অন্যথায় সে স্মার্ট কার্ড দিবে না । তাকে একশো টাকা দেওয়ার পর দেখলাম যে আরো কয়েকজন আসলো তাদের কাছ থেকেও সে একশো টাকা করে নিচ্ছে আরকি । এটা হচ্ছে ওনাদের ব্যক্তিগত আয় ।
ঘুষ গ্রহীতা: টাকা না দিলে ফাইল আগাবেনা, যারা টাকা দেয়নি তাদের ফাইল ৩ বছর ধরে পরে আছে আগামী ৩ বছরেও কেউ ফাইলে হাত দিবেনা।
আরও বেশি টাকা চায়, পরে কোনোভাবে ২০০ দেওয়া হয়