Police verification
তাদের কিছু আনুসাঙ্গিক খ্রচ আছে, এজন্য টাকা দিতে হবে, না দিলে নেগেটিভ রিপোর্ট দিবে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৭২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
তাদের কিছু আনুসাঙ্গিক খ্রচ আছে, এজন্য টাকা দিতে হবে, না দিলে নেগেটিভ রিপোর্ট দিবে।
৭৫০০ টাকা দিলে পাসপোর্ট কোরে দিবে যামেলা ছারাই আর টাকা না দিলে জামেলা হব সময় লাগবে বেসি।
ঘুষ ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করা অসম্ভব আমার ৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
HSC প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা জন্য 1000 টাকা চাওয়া হয়, এই টাকা দিতে চাই নি বলে আমাকে অন্য একটা রুমে নিয়ে বসানো হয়, প্রিন্সিপাল আমার admit card কেড়ে নেয়। রুমে একাই আমি । পরিত্যক্ত রুম ছিল । সব কিছু ময়লা । বিভিন্ন হুমকি ও দেওয়া হয় । চাপে পড়ে বাধ্য হই দিতে
আমি পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স বানানোর ক্ষেত্রে যেদিন হাতে কলমে টেস্ট নেওয়া হয় সেদিন উক্ত টেস্ট দিতে গিয়েছিলাম,আমি ড্রাইভিং পারি তাও সেখানে টেস্ট নিয়ে আড়ালে ২০০+২০০ বাইক+প্রাইভেট গাড়ীর জন্য ৪০০টাকা নেওয়া হচ্চে,কেন নিবে?আমরা তো সব ফি এপ্লিকেশন এর সময় জমা দিয়েছি,ম্যাজিস্ট্রেট+সারজেন্ট বিষয়টা দেখে ও না দেখক্র ভানে ছিলো,ম্যাজিস্ট্রেট তাকাচ্ছেও না দেখছে ও না যে কে পাস আর কে ফেইল কারণ তাদের আগেই কন্ট্রাক্ট করা থাকে পাস করলে ও পাস আর ফেইল করলে ও পাস, তাদের বিবিন্ন মাধ্যাম থাকে এপ্লাই এর বিবিন্ন দোকান যেগুলো তাদের কন্ট্রাক্ট করা,আপনি সেখানে এপ্লাই করলে পাস না করলেও পাস কিন্তু এপ্লাই না করলে পাস করলেও ফেইল। আমার কাছ থেকে টোটাল ১১হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে, অথছ সরকারি ফি সর্বোচ্চ ৩০০০ থেকে ৩৫০০ টাকা।
আমি চাকরির জন্য মেডিকেল করাতে এসেছিলাম। আমার একসাথে অনেকগুলো কাজ হাতে ছিল। পূর্বে যখন আমি মেডিকেলে এসেছিলাম অনেকের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমার ঝামেলা হতো। যেহেতু আজকে আমার কাজের চাপ এই সকল বিবেচনায় এদের সাথে কোন ঝামেলা করে নিয়ে তারা ১০০ টাকা চেয়েছে কিন্তু আমাকে কোন রিসিট দেয়নি। আমিও আজকে আবার কোন ঝামেলায় যেতে চাইনি। কিন্তু তারা আমার কাছ থেকে যে ১০০ টাকা নিল এটা তো দুর্নীতি তাই না? এরকম আমার কাছে আর অপরিচিত অনেকে বলেছে যে রক্ত পরীক্ষা করতে গেলে ব্লাড গ্রুপ আইডেন্টিফাই করতে গেলে টাকা লাগে ১০০ টাকা করে রেখে দে কিন্তু রিসিট দেয় না। দুর্নীতি বন্ধ হোক।
হাস্যকর হলেও সত্য, এই টাকা প্রতিবার বিল এর চেক নেয়ার আগে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের একাউন্টস ও অন্যান্য বিভাগ কে দিতে হয়েছে, আওয়ামীলীগ আমলে । এই ঘুষের এমাউন্ট আরো বেশি হিসাব করতে ইচ্ছা হচ্ছে না আর ।
During the submission of my passport application, an officer at the passport office demanded a bribe of BDT 1,500 and stated that my application would not be accepted unless I paid the demanded amount. Subsequently, during the police verification process, the police officer responsible for conducting the verification demanded a bribe of BDT 3,000, despite the fact that all of my documents and information were accurate and in order. The officer further threatened that if I did not pay the demanded amount, they would submit a negative verification report, which would result in my passport application being rejected and prevent me from obtaining a passport.
কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার নির্বাচন অফিস থেকে স্মার্ট কার্ড উত্তোলনের সময় অফিস সহকারি একশো টাকা দাবি করে । অন্যথায় সে স্মার্ট কার্ড দিবে না । তাকে একশো টাকা দেওয়ার পর দেখলাম যে আরো কয়েকজন আসলো তাদের কাছ থেকেও সে একশো টাকা করে নিচ্ছে আরকি । এটা হচ্ছে ওনাদের ব্যক্তিগত আয় ।
ঘুষ গ্রহীতা: টাকা না দিলে ফাইল আগাবেনা, যারা টাকা দেয়নি তাদের ফাইল ৩ বছর ধরে পরে আছে আগামী ৩ বছরেও কেউ ফাইলে হাত দিবেনা।
আরও বেশি টাকা চায়, পরে কোনোভাবে ২০০ দেওয়া হয়
2010 সালে বাবা মারা যাবার পরে প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিসাব শাখার হয়রানির স্বীকার হয়।তবে শেষ পর্যন্ত কাজ হয়নি।
বিষয়: পুলিশ কর্তৃক টাকা দাবি ও চাবি আটকে রাখার বিষয়ে অভিযোগ মাননীয় কর্তৃপক্ষ, আমি অভিযোগ করছি যে, কাশিমপুর থানার পুলিশের সদস্যরা আমার বাড়ির সামনে এসে তল্লাশি করেন। তল্লাশির সময় তারা আমার কাছে হেলমেটের বিষয়ে জানতে চান। এরপর তারা আমার কাছে ২,০০০ টাকা দাবি করেন। পরবর্তীতে আমি ১,০০০ টাকা প্রদান করি। টাকা দেওয়ার পর পুলিশ সদস্যরা আমার চাবি ফেরত দেন। টাকা দেওয়ার আগে আমার চাবি তাদের কাছে ছিল/আটকে রাখা হয়েছিল। ঘটনাটি আন্ধার মানিক, কাশিমপুর এলাকায় ঘটে। আমি বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের শনাক্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি। ঘটনার স্থান: আন্ধার মানিক, কাশিমপুর থানা: কাশিমপুর থানা দাবি করা টাকা: ২,০০০ টাকা প্রদান করা টাকা: ১,০০০ টাকা অভিযোগ: টাকা দাবি এবং টাকা দেওয়া
কুড়িগ্রাম জেলার ২০২৫ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ২৫, ২৬ ও ২৭ জানুয়ারি কাগজপত্র জমা দেওয়ার নোটিশ দেওয়া হয়। চিলমারী উপজেলার কাগজ ২৫ জানুয়ারি জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেদিন গাজীপুর থেকে সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে যাওয়ায় কাগজ জমা দিতে পারিনি। বিষয়টি আগে থেকেই জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে ই-মেইলে জানালে তিনি জানান, কোনো সমস্যা হবে না, পরে এসে জমা দিতে পারবেন। ২৬ জানুয়ারি কাগজ জমা দিতে গেলে দুইজন অফিস সহকারী টাকা ছাড়া কাগজ জমা নেবেন না বলে জানান। জেলা শিক্ষা অফিসারের ই-মেইল দেখানোর পরও তারা আমার কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাগজপত্র জমা নেন।
আমার ১৫০০ টাকা দেয়ার পড়ে পাসপোর্ট হয়েছিল আর চাকরির জন্য আনসার অভিসে ৫০০০০ হাজার নিয়েছিল । আমার এলাকায় একটা গাছ কাটার জন্য ২ ঘন্টা বিদ্যুৎ বন্ধ করার জন্য ঘন্টায় ৫০০ দেয়া লাগছে ২ ঘন্টায় ১০০০ । বরিশাল প্রায় সব হাসপাতালে রোগির সিরিয়ালের জন্য আপনি যদি টাকা দেন আপনার সিরিয়াল আগে দিবে। বাংলাদেশের সব যায়গা দুর্নীতি এখন শুধু একটাই সপ্ন দেশ ছাড়া ।
জেলা শিক্ষা অফিসারের স্বাক্ষর এর জন্য পিওন, কেরানিরা এই অর্থ দাবি করে
ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের জন্য ৫০০০ টাকা ঘুস দিতে হয়েছে
জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন এর জন্য আবেদন করেছি অনলাইনে ৯ মাসেও কেনো কাজ হচ্ছিলো না বিধায় যোগাযোগ করি তখন দালাল মারফত ঘোষের টাকা চাওয়া হলো
প্রাইভেট সার্ভিসের প্রতায়ন দেয়া ছিল তারপর বলছে হবে না পরে ১৫০০ টাকা ঘুষ দেয়া লাগছে এখন আমার প্রয়োজন বাধ্য হয়ে দিয়ছি
sob kichu thik thakar poreo bollo amr return er file naki atkaia dibe , jodi tader ke tk dewa hoy tahole amr file atkabe na evabe voy dekhaya tk nise