জমি সংক্রান্ত
আমার বাবা 2 years আগে একটি জমি সংক্রান্ত কাজে ভূমি অফিস e গেলে তারা সেই কাজের জন্য 300 টাকা দাবি করে শেষ পর্যন্ত আমার বাবা টাকা দিতে বাধ্য হয়েছিল
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার বাবা 2 years আগে একটি জমি সংক্রান্ত কাজে ভূমি অফিস e গেলে তারা সেই কাজের জন্য 300 টাকা দাবি করে শেষ পর্যন্ত আমার বাবা টাকা দিতে বাধ্য হয়েছিল
আমাদের তিনজনের একসাথে চাকরি হয়েছিল কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ হয়েছিল। সমস্ত কাগজপত্র রেডি করে ঢাকায় জমা দিতে যাওয়ার পরে সেখানে অফিসে ফাইল জমা দেই। পরে একজন কেরানী আমার সাথে যোগাযোগ করে এবং দেখা করতে বলে। দেখা করার পরে প্রতি ফাইল এর জন্য ১০ হাজার টাকা করে দাবী করেছে এটা পরিশোধ না করলে এমপিওভক্তি সহজে হবে না। কারণ ফাইল তাদের কাছে থাকে। পরের প্রিন্সিপালের সাথে পরামর্শ করে ১০ হাজার টাকা করে জমা দেই।
আমার বাবা একজন প্রাইমারি স্কুল এর শিক্ষক ছিলেন তার lpr চলতেছে বাবা যখন প্রভিডেন্ট ফান্ড, কল্যান টাস্ট ও পেনশনের টাকা উত্তোলনের জন্য ময়মনসিংহ উপজেলা শিক্ষা অফিস এ যায় তখন বাবা জানতে পারে এই খানে ঘুষ সারা কোনো কাজ হয়না কিন্তু বাবার হাতে টাকা ছিলো না টাকার খুব প্রয়োজন তারপর ওইখানে এক কর্মকর্তা বাবকে বলে আপনার কাজ করে দিব কিন্তু ধাপে ধাপে আমাদের টাকা দিতে হবে যখন যেখানে লাগে। পরে বাবা বাধ্য হয়ে রাজি হয় বর্তমানে বাবা বাধ্য হয়ে ঘুষের টাকা দিতে হচ্ছে যখন যেখানে লাগতেছে😰
আমাদের দাদার জমি অনেক বছর ধরে খাজনা দেয়া হয়নি । অনেক বছরের খাজনা দেয়ার জন্য ঘুষ নিয়েছে । ১০০০০ টাকা সামনে আরও দিতে হবে কারন জমি অনেক তাই ।
কল কারখানা সার্টিফিকেট নবায়ন করার জন্য প্রতি বছর ২০০০ টাকা করে ৬ বছরে ১২ হাজার টাকা দিয়েছিলাম, ২০২৪ সালে নতুন এক অফিসার আসলেন সেই লোক ১৫০০০ টাকা চাইলে আমি ৬০০০ টাকা তার হাতের মধ্যে দিলাম, কিন্তু সেই লোক ১৫০০০ টাকা ছাড়া করতে পারবেনা বলে টাকা ফেরত দিলেন, আমি বললাম প্রতি বছর ২০০০ টাকা ঘুষ দিতাম, কিন্তু হটাৎ ১৫০০০ টাকা কেন? জবাবে বললেন ৮ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে এখানে বদলি হয়ে আসলাম, টাকাটা তুলতে হবে, তাই রেট বেশী, আশাকরি বুঝতে পেরেছেন।
আমি বিআরটি তে গিয়েছিলাম লাইসেন্স করতে আমার সেখানে দশ হাজার টাকার বিনিময়ে লাইসেন্স করে দিয়েছে এই টাকার বাহিরে যারা যায় তাদেরকে লাইসেন্স পরীক্ষায় পাশ করতে দেওয়া হয় না
ঘটনা ২০২২ সালের জুন মাসের, সমবায় সমিতির নিবন্ধন বাতিল করার হুমকি দেন উপজেলা সমবায় অফিসার, হুমকি দিয়ে প্রায় পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করে, অনেক অনুরোধ করার পরে আমরা ২৫ হাজার টাকা দেই|
বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলায় একটি জমির নামজারি/জমাখারিজ করতে গেলে প্রথমে তহসিল নায়েবকে ১-২০ হাজার টাকা, ভূমি অফিসের কানুনগো, অফিস সহকারী বা অফিস প্রধান, সার্ভেয়ার ও এ্যাসিল্যান্ডকে গুনতে হয় ৩-৩০০০০ টাকা, এরপর ডিসিআর ফি সরকার কর্তৃক ১১০০/- সাথে ভ্যাট ১১/-। তাছাড়া ১৫০ ধারা রিপোর্টে ১০-২০০০০০/- টাকা ঘুষ নেয়। এ উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের কলিগাতী, কলাতলা, চিতলমারী সদর ও চরবানিয়ারী ভূমি অফিসে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার ঘুষ বাণিজ্য হয়। তবে এসব ঘুষ জমির প্রকারভেদে বা জটিলতা দেখিয়ে নেওয়া হয়। এছাড়াও সরকারকে ফাকি দিয়ে প্রতিটি ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ৫০,০০০/- টাকার দাখিলা ২০০০০/- টাকা ঘুষ নিয়ে ৫০০/- টাকায় সমন্বয় করে সরকারকে ফাকি দিচ্ছে।
সরকারি ভাবে ফি কাজে অর্থ দাবি এবং অথ না দিলে বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে ঘোরানো।
জমি অনলাইনে আবেদন করছি, তারা সমন্নয় করছে না তাই সরকারি টেক্স দিতে পারছি না। টাকা দিলে সমন্ন্য় হবে। পরে টাকা দিয়েছি অনলাইন হয়েছে।
Ami vat return form er sign ante gele uonara ei taka dabi kore,noyto uonara sign dibe na,or amar uopor aro boro Kono blame dibe.blackmail korese amake
১০ বছর শিক্ষকতা পূর্ণ হওয়ার পরে আমার উচ্চতা বেশি আবেদন করা হয়। প্রিন্সিপাল সাহেবের মাধ্যমে কাজটি সম্পাদন করেছিলেন তিনি বলেছেন শিক্ষা অফিসার কে ৪ হাজার টাকা দিতে হবে। আমি দিতে না চাইলে আমার উচ্চতার স্কেল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়ে দিয়েছে। পরে আমি টাকা দিয়েছি তারপরে স্কেলে শিক্ষক অফিসারে ওকে করে সাবমিট করে দিয়েছে।
দালালের মাধ্যমে দাবি করেছিল
ইপিজেড কাস্টমস গেইট রপ্তানি পণ্য প্রবেশ করন। ভ্যাট চালান প্রতি ২০ টাকা হারে মাসিক চাঁদা দিতে হয়।
আমার নামে একটা মামলা হয়েছিল । আমাকে থানা ( তদন্ত অফিসার ) থেকে ডেকে আমার আইডি কার্ড নিল আর বলল ২০০০ টাকা দেন তাহলে ভাল রিপোর্ট দিব ।
পেনশনভোগী মারা যাওয়ার পরে তার স্বামীর নামে পেনশন নেওয়ার ক্ষেত্রে সকল কাগজপত্র ১৫ দিনের মধ্যে জমা দিলেও কাজ আটকে রাখে এবং বলে ১০০০০ টাকা লাগবে। পরে দশ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হই।
রংপুর ডিসি অফিসে নাগরিকত্ব সনদ স্বাক্ষর নিতে ৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়, না দিলে স্বাক্ষর হয় না
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ৪নং বালিয়ান ইউনিয়ন এ যদি কেউ NID কার্ড করার জন্য প্রসংশাপত্র তুলতে যায় তখন ওই একটা কাগজের জন্য ৫০ টাকার দিতে হয়। কিন্তু এসব খরচ ত সরকার বহন করে।
কারো মধ্যে na leged তে বিল নিয়ে গেলে পিওন থেকে নির্বাহী প্রকৌশলী সবাই টাকা ছাড়া ফাইল ছাড়ে na।
নামজারি খতিয়ান করে দিবে।সরকারি ফি ১১৭০ টাকা। ১২০০০.পরে আরো ৪০০০ টাকায় প্রাথমিক রিপোর্ট করতে হলো