পার্সপোর্ট
কক্সবাজার আমি পার্সপোর্ট করতে গেছি পার্সপোর্ট করতে ২০ হাজার টাকা ঘুস নিছে এর আগে পার্সপোর্ট অফিসে ৪৫০০ দিছি বলতে গেলে ঘুস ছাড়া চলে না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
কক্সবাজার আমি পার্সপোর্ট করতে গেছি পার্সপোর্ট করতে ২০ হাজার টাকা ঘুস নিছে এর আগে পার্সপোর্ট অফিসে ৪৫০০ দিছি বলতে গেলে ঘুস ছাড়া চলে না
The police came to my father’s place for verification. They asked him for some money for tea. They told my father that I’m a very good boy and all that bla-bla-bla. So, my father gave them some money. That was twice verification one was in 2008 and another was may be 2012.
২০১২ সালে আমার একটা চাকরির ভেরিফিকেশন এর জন্য গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া থানা থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন এস আই আমাকে ভেরিফিকেশন এর জন্য থানায় যেতে বলে। উনার কথামতো আমি থানায় গেলে আমার কাছে ৫০০০ টাকা দাবি করে। অনেক কথা কাটাকাটির পর ১৭০০ টাকা ঘুষ দিয়ে ভেরিফিকেশন ওকে হলো।
পিআইও অফিস থেকে হিসাবরক্ষক অফিসে কোন স্বাক্ষর নিতে চাইলে টাকা দিতে হয় এক জনকে তিনি সকলের সামনে বলে এই টাকা নেয়
Amr wppf found er kichu hisab gormil hoy.income tex amk chiti dey.amr fine shoho 170000 taka tex ashe.ami sokol takay pay korte raji but income tax-er hishab rokkhom amr kache 40000 taka gush dabi kore.jodi ami taka na di, kor komishonar amr fine aaro bariye dibe bole and kor porishoder certificate dibe na amk janai.tai ami 170000tk bank calan porishod kori and 20000 tk cash oooder hate diye nishpotti kori.
হজ্ব এর সময় কাছাকাছি আসতেই সময় মতো পাসপোর্ট দিতে গড়িমসি করায় উপায় না পেয়ে ঘুষ তারা নিয়েছিল।
আমরা সাতজন একসাথে নিয়োগ পাই কেশবপুর উপজেলার একটা মাদ্রাসায়, ২০২৩ সালের অক্টোবর মাস, আমাদের এমপিও আবেদনের সময় উপজেলা শিক্ষা অফিসার চেয়ারে বসে গুনে গুনে টাকাটা নিয়েছিলেন। এখনো ঘটনাটা ঘৃণা ভরে স্মরণ করি।
আমি কিছুদিন আগে আমাদের ১৪ শতাংশ জমি খারিজ করার উদ্দেশ্য নিকটস্থ ভুমি অফিসে গিয়ে সেখানে একটি জমি খারিজ এর আবেদন করি এবং আবেদন ফি জমা দেই।কিন্তু তারা আমাকে তখনই বলে দেয় যে নরমাল ভাবে আগাইলে কাজ টা হবে না তাই আপনাকে অন্য ভাবে আগাইতে হবে। মানে ৭ হাজার টাকা ঘুস/হারাম দিত্র হবে। আমি দেখলাম অনেক টাকা তাই পরিকল্পনা করলাম আমি নিজেই বাকি অফিসে গিয়ে কাজ টা করিয়ে নিবো যেহেতু আমি সরকারি কর্মচারী তারা আমার কথা রাখবেন।কিন্তু আমি উপজেলা ভুমি অফিসে গেলে তারা আমার সাথে রিতিমত মস্কারা করেছেন।যাই হোক কিছু দিন পর ওই আবেদন টি অহেতুক কারন দেখিয়ে বাতিল করে দেয়া হয়।পরবর্তীতে আমি আমার সেই আগের ডকুমেন্টস দিয়ে আবার সেই অফিসেই আবেদন করি সাথে ৭ হাজার টাকা দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ কাজ টা হয়ে গিয়েছে। বাধ্য হয়েই ঘুশ দিয়ে করতে হ
একজন জুনিয়র কর্মকর্তা তার অনেক সিনিয়র কর্মকর্তাকে বদলী করেন গুলশান মেট্রো কৃষি অফিস, ঢাকায় যা ঢাকা খামারবাড়ী থেকে করা হয়।
৬ বছর ধরে বদলীর চেষ্টা করছিলাম। মোটা অঙ্কের টাকা দাবী করায় হতে পারিনি। ২০২৫ সালে অধিদপ্তর থেকে বদলীর প্রজ্ঞাপন হওয়ায় বদলীর সুযোগ দিতে বাধ্য হয়। কিন্তু ২০০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হই।
মোটর সাইকেল রেজিস্ট্রেশন করতে গেলে কাগজ পত্রে ভুল আছে এসব বলে তালবাহানা করে পরে টাকা দেওয়ার ইঙ্গিত করে.
ড্রাইভিং লাইসেন্স নেওয়ার সময় বলছে কিছু চা পানি খাওয়ার জন্য দেন।
ঘুষ না দিলে ফাইলই উপরে উঠায় না। এটা অলিখিত নিয়ম। আমার ফাইল রেডি করে কল দিয়ে বলেছিলো এই নাম্বারে বিকাশ আছে পাঁচ হাজার পাঠাইয়েন।
সেবাটি ছিল আমদানি সনদ পাওয়ার অনলাইন আবেদন। আমি আমার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ করেছিলাম এবং আমার এলাকার চেম্বার অফ কমার্সের সদস্য হয়েছিলাম। যেটা আমদানি সনদ পাওয়ার পূর্ব শর্ত। কিন্তু যেহেতু আমি ব্যবসায়িক স্বার্থে আমার ব্যবসায়িক ঠিকানা ঢাকায় দিয়েছিলাম সে কারণে আমার আবেদন বারবার প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছিল। যেহেতু সনদটি আমার খুবই প্রয়োজন ছিল। সেজন্য পরবর্তীতে নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে সনদপত্র নিতে আমাকে বাধ্য করা হয়। যা আমি দীর্ঘদিন অপেক্ষা করার পর টাকার বিনিময়ে একদিনের মধ্যেই সনদ প্রাপ্ত হই। দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে আমি অভিযোগ করতে পারতাম। কিন্তু সেটা করলে আমার সনদ প্রাপ্তি দীর্ঘায়িত হতো এবং আমি ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতাম।
আমাদের একটা স'মিল' আছে। প্রতি বছর আমাদের ৫ টা লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়।এদের মধ্যে একটি হলো বিভাগীয় এটি প্রক্রিয়াদিন হয়ে আমাদের উপজেলা আসে। উপজেলা থেকে শীল,সাক্ষর হয়ে আবার সিলেট যায়। সরকারি একটা অফিস চলে সরকারের টাকা দিয়ে। তাদের মাসে মাসে সরকার থেকে বেতন দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত পরিমাণে সরকার থেকে অফিস খরচ কত দেওয়া হয়। আমাদের কাছ থেকে অফিস খরচ বলে প্রতি বছর ৪০০০ টাকা নেওয়া হয়। টাকা না দিলে তারা শীল, সাক্ষর দিয়ে সিলেট পাঠায় না। যার ফলে টাকা দেওয়া লাগে। আমরা কি করব? তাদের বিপক্ষে গেলে হয়ত আমাদের মিল টা বন্ধ করে দিবে না হয় অবৈধ বলে মামলা দিবে! আমরা কি তাদের কাছে জিম্মি হয়ে আছি? এটার কি কোনোদিন প্রতিরোধ করা যাবে না।নাকি বছরের পর বছর এই ভাবে টাকা দিয়ে আসতে হবে? আরও অনেক অভিযোগ আছে এই স'মিল' এর লাইসেন্স
তথ্য সব ঠিকই ছিল কিন্তু ভুল দেখানো হহেছিল
আমার জমির খাজনা ২০ টাকা, দিতে হয়েছে ১০০০ টাকা। জরুরী প্রয়োজন ছিল তাই দিতেই হলো।
একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামতের জন্য বরাদ্দকৃত ১৫০০০০ টাকা। ভ্যাট আইটি কর্তন অব্যবহিত পরবর্তি নীট প্রাপ্য ১২০০০০ টাকা থেকে শিক্ষা অফিস ২৫০০০ টাকা ঘুস নিয়েছে।
আমি টাংগাইল জেলার সখিপুর উপজেলায় ভুমি অফিসে যাই আমার ওয়ারিশ সুত্রে পাওয়া ভুমি নামজারি করতে।সেখানে আমার কাছে ৮০০০ হাজার টাকা দাবি করে।আমার সামনে আরো অনেক লোকের কাছ থেকে টাকা নেয়।তাদের আমি চিনি না।আমি প্রায় ৪০ মিনিটের মত সেখানে অবস্থান করে দেখতে পাই কারো টাকা ছারা কোন কাজ হচ্ছে না।বাধ্য হয়েই আমি টাকা দেই।টাকা না দিলে বিভিন্ন তালবাহানায় দিনের পর দিন ঘুরায়।
আমার স্ত্রীর আঙ্গুল ভেঙ্গে যাওয়ায় ইমারজেন্সী গাজীপুর সদর হাসপাতাল যাই। ওখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্লাস্টার করতে বলে। চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতির একজন লোক বলে যে ১২০০ টাকা লাগবে। পরে দামাদামি করে ৮০০ টাকায় প্লাস্টার করে দেয়। পরবর্তীতে পায়ের ব্যথা বাড়ার কারনে নিটোরে যাই, ওখানে ফিঙ্গার স্ট্রিপিং করে দেয় এবং বলে যে প্লাস্টার করার প্রয়োজন ছিল না, এমনকি ভুল ভাবে প্লাস্টার করার কারণে চাপে থেকে পায়ে ব্যথা বেড়ে গেছে।