িইমারজেন্সী সেবা
আমার স্ত্রীর আঙ্গুল ভেঙ্গে যাওয়ায় ইমারজেন্সী গাজীপুর সদর হাসপাতাল যাই। ওখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্লাস্টার করতে বলে। চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতির একজন লোক বলে যে ১২০০ টাকা লাগবে। পরে দামাদামি করে ৮০০ টাকায় প্লাস্টার করে দেয়। পরবর্তীতে পায়ের ব্যথা বাড়ার কারনে নিটোরে যাই, ওখানে ফিঙ্গার স্ট্রিপিং করে দেয় এবং বলে যে প্লাস্টার করার প্রয়োজন ছিল না, এমনকি ভুল ভাবে প্লাস্টার করার কারণে চাপে থেকে পায়ে ব্যথা বেড়ে গেছে।