ল্যান্ড একুজিশনের টাকা নেওয়া
চট্টগ্রাম টু ঢাকা তেলের পাইপ লাইন যাওয়াতে সরকার জমি অধিগ্রহণ করেছিল। অধিগ্রহণ এর টাকা ফেরত নিতে হলে ৫% টাকা জমা দিতে হবে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৭২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
চট্টগ্রাম টু ঢাকা তেলের পাইপ লাইন যাওয়াতে সরকার জমি অধিগ্রহণ করেছিল। অধিগ্রহণ এর টাকা ফেরত নিতে হলে ৫% টাকা জমা দিতে হবে।
দাবি ছিলো যে, কিছু লাইন খরচ, চা-পানি খরচ, হাত খরচ লাগবে। এগুলো না দিলে সিরিয়ালেও দাঁড়াতে দিবে না। কী আর করার! অবশেষে দিতে বাধ্য হয়েছি।
আমার কাজ পাওয়া বাবদ তাদের এই অর্থ পরিশোধ করতে হয়েছিল। এটাতো একটা লিখছি, এরকম বহুবার বহু আলাদা আলাদা প্রতিষ্ঠানে ঘুষ দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
সার্টিফিকেটের নাম ও বয়স সংশোধন। অনলাইনে আবেদন করার তিন বছর পরও মেসেজ আসছিল না তারপর খোঁজ নিলে নবম শ্রেণীর একজন কর্মকর্তা আমার কাছে ৬০০০০ টাকা দাবি করেন এবং তিনি বলেন সব ঠিক হয়ে যাবে; উনার পরিচিত লোক আছে; তারপর আমি দিতে বাধ্য হই
২০১৫ সালের ঘটনা আমি ডকুমেন্টস ভেলিড করার জন্য এক কর্মকর্তাকে দিয়েছি ২০০০, এবং ভেরিফিকেশনের জন্য এক পুলিশ ফোন দিয়ে বলে টাকা দিতে। ওরে দিয়েছি ২০০০।
আব্বু সরকারি প্রাইমারি স্কুল এর প্রধান শিক্ষক ছিলেন।তিনি মারা যাবার পর মাসিক পেনসন ও এককালিন টাকার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসে গেলে অফিস সহকারী পুরো কাজ করে দেওয়ার জন্যে ২০হাজার টাকা দাবি করে।
ট্রাফিক সার্জেন্ট প্রতিনিয়ত ড্রাইভারদের কাছ থেকে এক হাজার থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে না দিলে হুমকি দেয় এবং আমাকেও দিয়েছে আমার কাছে ভিডিও আছে প্রমান হিসেবে
নামজারির আবেদন করা হয়েছিল। উল্লেখিত অর্থ প্রদান না করলে কাজ করতে অনেক বিলম্ব হয়। এমনকি ফাইল বাতিল করা হয়।
আজ নীলফামারিতে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য পরিক্ষা ছিলো আমার (মোটরসাইকেল) । এখানে আমায় ৩০০০/= অতিরিক্ত দিতে হয়েছে কোনো তৃতীয় জনকে । শুনেছিলাম এমনি এমনি পার হওয়া যাবে না । পরিক্ষা শেষ এ হয়েছেও তাই । আমি প্র্যাকটিকাল এ কিছুটা ভুল করেও পাস পেয়েছি, লেখিত পরিক্ষা আর ভাইবা এমনিও ভালো হয়েছে সাধারণ ভাবেই ।
আমি সাধারণ ভাবে জমা দিতে গেলে ফাইল জমা না নিয়ে ফিরিয়ে দেন। এরপর বাধ্য হয়ে এক কম্পিউটার দোকানদার, যিনি এইসব এর দালালি করেন, তার সহায়তা নেই। তার সাংকেতিক সিল ও সাইন দেখে ফাইল দ্বিতীয় জমার দিন আর কোনো সমস্যা হয়নি।
আমার মা একজন পরিবার পরিকল্পনা সহকারী হিসেবে তার চাকুরীজীবন শেষ করার পর থেকেই উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় থেকে নানান ভাবে হয়রানি শুরু করে। যেমন: কাগজ সমস্যা, রিন পরিশোধ হয়নি, বকেয়া আছে, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় থেকে ছাড়পত্র দিচ্ছে না, সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর থেকে বাজেট বরাদ্দ নাই, পিআরএল অনুমোদন করতে হবে, হিসাবরক্ষণ অফিসে টাকা ছাড়া কাজ করে না সহ নানা হয়রানি মূলক কাজ করে দিনের পর দিন ঘুরিয়ে পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ২২০০০ টাকা, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ১০০০ টাকা এবং উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ৪০০০ টাকা নিয়েছে তাছাড়া ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সেই দায়িত্বশীল কর্মকর্তা আরও টাকা দাবি করে যাচ্ছে।
টেন্ডার এর বিনিময়ে টাকা দেয়া হয়েছে।
বিধবা ভাতার জন্য আমার কাছে ৪০০০ টাকা চাওয়া হয়েছিল। আমি টাকা দেওয়ার পরও আমার বোনের বিধবা ভাতা হয় নি।
টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হয়েছি
গাড়ী আটকায়ে টাকা নেয়,কাগজ সব ঠিক থাকার পরও
একদিন হঠাৎ করে ৬/৭ জনের দল নিয়ে উপস্থিত হন ভ্যাট অফিসার। এসেই বিভিন্ন নথিপত্র চাপ দিয়ে সংগ্রহ করে এবং প্রতিষ্ঠানের বেছে বেছে কিছু ফাইল জব্দ করে এবং লেনদেন সংক্রান্ত লেজার সাথে নিয়ে নেয়। বলে যায় তিন কার্যদিবসের মধ্যে দেখা করতে। আমরা বিষয়টি আমাদের নিযুক্তিয় উকিল দ্বারা সমাধা করতে চেষ্টা করি কিন্তু তারা কোন কথাই শুনলো না। উপরন্তু নানাভাবে আইন কানুনের ভয় দেখিয়ে প্রথমে এক কোটি ঘুষ দাবী করে, না হলে মামলা করার ভয় দেখায় এবং তাতে আরো বেশি টাকা খরচ হওয়ার কথা জানায়। তাদের চাপে পড়ে ও ব্যবসা চালু রাখার স্বার্থে শেষ পর্যন্ত ২০ লক্ষ টাকা তাদের ঘুষ দিতে বাধ্য করে। অতঃপর সরকারি কোষাগারে উপযুক্ত ভ্যাট প্রদান করে জব্দ কৃত নথিপত্র ও ফাইল ফেরত পাই। তাদের শর্ত ছিল যেন কেউ বিষয়টি জানতে না পারে বা প্রকাশিত না হয়।
জমির খাজনা পরিশোধ করার জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে খতিয়ান দেখে বলে অনলাইনে আবেদন করেছেন? অনলাইনে আবেদন করেন, পাশের কম্পিউটার দোকান থেকে। আমি তৎক্ষণাৎ মুঠো°ফোন দিয়ে অনলাইনে আবেদন করি, তারা বাতিল করে দেয়। বাতিলের কারণ জানতে চাইলে বলে, খতিয়ানে যাদের নাম আছে সকালের এনআইডি কার্ডের ফটোকপি লাগবে। যেদিন মৃত হয় তাহলে তাদের ওয়ারিশান সনদ লাগবে এবং সকল ওয়ারিশদের পেন আইডি কার্ডের ফটোকপি লাগবে। প্রতিউত্তরে আমি তাদের বলেছি অনলাইনে আবেদন করার সময় খতিয়ানের আলোকচিত্র এবং খতিয়ানের যেকোনো এক অংশের মালিক চাইলে খাজনা পরিশোধ করতে পারবে পুরো খতিয়ানের।২৬ শতক জমির খাজনা দেওয়ার জন্য অনুমোদন নিতে ১০০০০ টাকা চেয়েছিল, টাকা না দিলে কাজ হবে না বলে দিয়েছে। আমি এ কাজের জন্য দুই বছর ঘুরেছি, প্রয়োজনীয়তায় হেরে
টিটিসি থেকে ১৫ হাজার টাকা দেওয়ার কথা, সেখান থেকে ৫ হাজার টাকা দাবি করে বসে।
ভেরিফাইয়ের জন্য ময়মনসিংহ সদরে আমার তালিকা গেলে কয়েকদিন হয় তারা জওয়াব দেয় না। তখন আমি একজন কে পাঠাই আমার কাগজপত্র দিয়ে আসতে। নিজে থেকেই অফিসে যোগাযোগ করি। আমার লোক যাওয়ার পর বলে কাজ দেরী হবে। কারণ জিজ্ঞেস করলে কিছুই বলে না। পরে ৫০০ টাকা দিলে ঐ দিনই কাজ করে দেয়।।
মূলত, কল কারখানা অধিদপ্তর এর লাইসেন্স আমার দরকার হয়, এবং প্রতি বছর এটি নবায়ন করতে হয়। সিরকারি ফি ৫০০/= (পাচ শত টাকা) কিন্তু এই দপ্তরের কোনো কাজই অল্পতে হয় না। ১০ থেকে ২০ গুন অথবা এর চেয়েও বেশি দাবি করে ওনারা, উনাদের কাছে খুদ্র ব্যাবসায়ীরা অত্যন্ত অসহায়। টাকা বেশি বা ঘুষ দিয়ে হলেও এই সারটিফিকেট আমারা নেই। এ এক নিরব ঘুষ বানিজ্য বলা যেতে পারে। কল কারখানা অধিদপ্তর এর সারটিফিকেট ছাড়া ছোট, মাঝারি এবং বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানের ব্যাংকিং অনেক কাজ করা যায় না। ঘুষ না দিলে সারটিফিকেট পাবেন ই না এবং শ্রম আইনে মামলা করারও ভয় দেখিয়ে যায়।