সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১৩,৫০২ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

পুলিশ

একটি আন্তর্জাতিক সংস্থায় আমার চাকরি হয়। সেই সংস্থা পুলিশ ভেরিফিকেশন পাঠায় আমার নিজ থানায়। সেখান থেকে কল দিয়ে আমাকে দেখা করতে বলে। খরচ বাবদ টাকা চাইলো। প্রথমে আমি প্রত্যাখান করেছি। পরে বল্লো খরচ টাকা না দিলে সে খারাপ রিপোর্ট দিবে। চাকরিটা দরকার তাই ২০০০ টাকা ধার এনে দিতে বাধ্য হয়েছি।

ঘুষ দিয়েছি
মির্জাগঞ্জ, পটুয়াখালী ৳২.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১০ BR6FDFVN
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

সাবজেক্টের ভুল সংশোধন

আমার এইচএসসি পরীক্ষায় এডমিট কার্ড একটি সাবজেক্ট ভুল এসেছিল আমি সেই ভুল সংশোধন করতে গেছিলাম এবং সেখানে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একটি পিয়ন আমার থেকে দ্রুত কাজের বিনিময় ঘুষ চাই এখানে নাকি ঘুষের টাকা উপর থেকে নিচ পর্যন্ত সব অফিসারই খায়

ঘুষ দিয়েছি
রাজশাহী ৳৪০০
৩১ আগস্ট ২০২৬ RJ9J5XUE
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

অব্যাহতি পত্র গ্রহণ

আমি সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকরি করেছিলাম। পরে রিজাইন দিয়েছিলাম। এখন বিসিএস ভাইবার জন্য অব্যাহতি পত্র দরকার ছিল। সেই অব্যাহতি পত্রর জন্য ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
রায়পুর, লক্ষ্মীপুর ৳৫০০
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১২ CTH4WZ2L
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

আমার মৃত মায়ের জিপিএস সহ অন্যান্য টাকা উত্তোলন সহ পেনশন চালু করতে ঘুষ প্রদানে বাধ্য হই

আমার মা একজন সরকারি চাকুরিজীবী ছিলেন। চাকুরীতে বহাল থাকাকালীন 2023 সালে মায়ের মৃত্যু হয়। তারপর আমার বাবা পেনশন চালু করতে হিসাব রক্ষণ অফিসে গেলে প্রথমেই ঘুষ বাবদ 100000 টাকা চাওয়া হয়। প্রথমে টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় প্রচুর হয়রানির শিকার হতে হয়েছে আমাদের। বহু ঝামেলার পর একপর্যায়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হই এবং আমাদের উপর রাগ করে হিসাব রক্ষণ অফিস একটা ইনক্রিমেন্ট কমিয়ে দিয়ে আমাদের প্রাপ্য টাকা সহ পেনশন চালু করে দেয় । উল্লেখ্য উক্ত অফিসের প্রতিটি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা দীর্ঘদিন একই অফিসে চাকরি করায় সমস্ত সেবা গ্রহণকারীদের জিম্মি করে ফেলেছে। হিসাব রক্ষণ অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বদলী হলেও কিছুদিনের মধ্যেই আবার একই কর্মস্থলে ফিরে আসে।

ঘুষ দিয়েছি
কালিয়া ৳১.০০ লাখ
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১০ KHTSYY64
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরি

আমি আমার বাচ্চাকে নিয়ে পাসপোর্ট করতে যাই, আমার বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন যেহেতু অনলাইন আছে তাই আমি ফটোকপি নিয়ে যাই, তারা বলে মেইন কপি লাগবে, আমাকে ফেরত দেয়, আমার পাসপোর্ট এ একটা সামান্য সংশোধনী ছিল যা অনলাইনে আবেদন করার সময় ভুল হয়েছে। আমি হতাশ হয়ে বের হয়ে যাই, বাইরে গিয়ে জানতে পারি এসব ঠিক করে গেলেও তারা আবার নতুন ভুল ধরবে, তারচেয়ে দুইটাতে ৫০০০ টাকা দিলে ভিআইপি রুমে নিয়ে ছবি তুলবে। আমি যেহেতু অফিস থেকে ছুটি নিয়ে গেছি আর বাচ্চাদের সাথে নিয়ে গেছি তাই বাধ্য হয়ে দালাল কে টাকা দেই, টাকা দেয়ার পর দালাল ফোন করে অফিসের এক পিয়ন কে ঢাকে, সে এসে কোন মেইন কপি বা সংশোধনী ছাড়াই আমাকে ভিআইপি রুমে নিয়ে যায় এবং সব কিছু ঐ রুমে বসে ঠিক করে দিয়ে দেয়।এর আগেও আমাকে আমার মেয়ের আর স্ত্রী র পাসপোর্ট করার সময় ৫০০০নিছে

ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রাম মনসুরাবাদ পাসপোর্ট অফিস ৳৫.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১২ CTKBYDG5
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

রাজউক থেকে বাড়ি তৈরির অনুমতি নিতে ঘুষ প্রদান

রাজউক আমার বাড়ির কাজের অনুমোদন আটকে দেয় কোনো কারণ ছাড়াই। এরপর তাদের একজন ইঞ্জিনিয়ার বিশ লাখ টাকার বিনিময়ে আমাদের বাড়ির কাজের অনুমোদন দেয়। এরপর বাড়ির কাজ চলাকালীন সময়ে রাজউক এর এলাকা পরিদর্শন কারি ইঞ্জিনিয়ার ও ধাপে ধাপে ২-৪ লাখ করে চাঁদা দাবি করে এবং তা পরিশোধ না করলে বাড়ির কাজে বাঁধা দেয়। এইভাবে আমাদের অনেক অর্থের লোকসান ঘটায়।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳২০.০০ লাখ
৩১ আগস্ট ২০২৬ DKG3CLV6
মন্তব্য
ভূমি অফিস

জমি রেজিস্ট্রার

জমি রেজিস্ট্রার এর কাজে প্রতিটা টেবিলের জন্য ২৫০০ টাকা করে রাখালাগে টাকা না দিলে ফাইল ছুরে মারছিলো

ঘুষ দিয়েছি
ঝিনাইদহ,শৈলকুপা ৳৭.৫ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১৩ KHRENUAY
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

নতুন পাসপোর্ট বানানোর জন্য

৫৭৫০ টাকা সরকারি ফ্রি পাসপোর্ট এর জন্য নিজে নিজে আবেদন করে পাসপোর্ট বানাতে গেলে তারা যে কোনভাবে ফাইল আমার সাথে যারা ছিল তারা নিজের নিজের ট্রাই করছিল কিন্তু তারা বাট অনেক জায়গায় ঘুরছে তারপর পাইলে এখান থেকে ওইখানে ওইখান থেকে এখানে তাদের এই পরিস্থিতি দেখে আমি কন্টাক্ট করলাম দালালের সাথে উত্তরা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস দালাল কন্টাকের সাথে সাথে প্রথম দিনই টাকা পরিশোধ করার সাথে সাথেই ফিঙ্গার আর আমার পিছনে যারা নিজেরে যেটা ট্রাই করছিল তারা আজকে ১১ দিন যাব ফাইল নিয়ে ঘুরতাছে তাও ফিঙ্গার দিতে পারে নাই পরবর্তীতে আজ সাথে কথা বলায় দেয়ার পর বাড়তি ২০০০ করে টাকা চেয়েছে টাকা দিয়ে মাত্র ফিঙ্গার দিতে পারছো আজকে

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা উত্তরা ৳৩.৫ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১৩ DK7KCWCN
মন্তব্য
ভূমি অফিস

জমির মিউটেশন

জমির নামজারি বা মিউটেশন করার জন্য মোট চার বার অনলাইনে আবেদন করতে হয়েছে। কোন অবস্থাতেই তারা ঘুষ ছাড়া করে দিবে না। প্রত্যেকটা ফাইলে তাদের গোপন চিহ্ন থাকে যদি ওটা কোন দালালের মাধ্যমে অথবা তাদের কোন লোকের মাধ্যমে আসে তাহলে ওটা সাথে সাথে করে দিব অর্থাৎ ওই টাকাটা ওনারা পেয়ে গেছে হিসেবে। হঠাৎ করে ভাগ বাটোয়ারা হবে। আর যদি কোন ফাইলে চিহ্ন না থাকে তাহলে বিভিন্ন ধরনের অজুহাতে তারা এটাকে বাদ করে দিবে। আমারটার ক্ষেত্রে যেটা হয়েছে সেটা হলো আগের মিউটেশন এর কাগজ দেখে বলতেছে এটা জাল সিগনেচার। টাকা দেওয়ার পরে একই মিউটেশনের কাগজ দিয়ে কাজ হয়েছে। টাকা ছাড়া কোনভাবেই কাজ করানো সম্ভব না ।অনেক চেষ্টা করেছি। হয় নি।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳৬.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১০ RJF3EUBH
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

পারিবারিক পেনশন হস্তান্তর

আব্বা রির্টায়মেন্টের টাকা একাকালীন উত্তোলনের পর শুধু চিকিৎসা ভাতা এবং দুই ঈদে বোনাস, বৈশাখী ভাতা পেলেন। উনার মৃত্যুর পর আম্মার নামে হস্তান্তরের সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ এবং তৈরিতে জটিলতা সৃষ্টি হয় যা ৫ আগস্টের পটপরিবর্তন আরও বাড়িয়ে দেয়। সিটি কর্পোরেশন, ময়মনসিংহ এবং কৃষি সম্প্রসারণ অফিস, ধোবাউড়া পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে। তখন হিসাবরক্ষণ অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি, কাজটি করে দিবেন বলে সম্মত হন এবং উল্লেখিত অর্থ দাবি করেন। প্রায় তিনমাস দৌড়াদৌড়ির পর আমি বাধ্য হয়ে তা প্রদান করি এবং একদিন পরই আম্মার নামে বই এবং চেক পাই।

ঘুষ দিয়েছি
ময়মনসিংহ ৳১০.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১০ MYXHYFU6
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

জন্মনিবন্ধন সংশোধন

আমার ছোট ভাই এর পাসপোর্ট হিসাবে জন্মনিব্ধন করা হয়েছে এখোন তার বিদেশে পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আগের আর,এম,পি পাসপোর্ট নতুন করে আর বানাতে পারছেনা নতুন ডিজিটাল পাসপোর্ট বানেতে যাই দেখা গেলো তার জন্মনিব্ধন অনলাইন করা নাই,ইউনিয়ন অফিসে যাই যোগাযোগ করলাম তারা চেক করে দেখলো এই নম্বারে অন্য কারো নামে নিবন্ধন করা আছে তাহলে আমরা যে আগের নিবন্ধন করেছিলাম সেটা ইউনিয়ন পরিষদ কিভাবে দিয়োছিলো,এখোন যখোন বললাম আমাদের পাসপোর্ট দিয়ে নতুন করে একটা করতে বললাম বললো তা করা যাবে না,পরবর্তীতে ৫০০০ টাকা দিলে করে দিবে পস্তাব দেয়, আমরা ও ৫০০০ দিয়ে করতে বাধ্য হই নাহলে সে দেশে আসতে পারবে না।

ঘুষ দিয়েছি
ফেনী ৳৫.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১১ CTYYN2LZ
মন্তব্য
ভূমি অফিস

জমির খতিয়ান সমস্যা

আমার দলিলে দাগ নাম্বার আর খতিয়ানের দাগ নাম্বার ভুল ছিলো। এটার জন্য আমাকে কমপ্লেইন করতে হবে ভূমি অফিসে। আমি তার জন্য এপ্লিকেশন করছি কিন্তু আমার এই ফাইল টেবিলে টেবিলে সিগনেচার এর জন্য এবং ইনকোয়ারির জন্য পদে পদে ঘুষ দিতে হয়েছে। তারপর ও আমার কাজটা এখনো সমাধান হয়নি। এখনো জুলে আছে।

ঘুষ দিয়েছি
গ্রাম ৳৭০.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১১ CTHW3J3P
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

নোয়াখালী জেনারেল হসপিটাল।

কিছুদিন আগে আমার ওয়াইফের সরকারী হাসপাতালে সিজার হয়, সিজারের পর একজন সিনিয়র নার্স আমাকে বললেন কিছু চা নাস্তার জন্য টাকা দিলে তিনি আমাকে সরকারী সব ঔষধ দিবেন। পরে ২০০ টাকা দিয়ে ঔষধ গুলা নেওয়া লাগছে। তাও সব ঔষধ পেলাম না

ঘুষ দিয়েছি
Noakhali ৳২০০
৩১ আগস্ট ২০২৬ CTJCX6UV
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

শ্রম এবং কল কারখানা অধিদপ্তর

মূলত, কল কারখানা অধিদপ্তর এর লাইসেন্স আমার দরকার হয়, এবং প্রতি বছর এটি নবায়ন করতে হয়। সিরকারি ফি ৫০০/= (পাচ শত টাকা) কিন্তু এই দপ্তরের কোনো কাজই অল্পতে হয় না। ১০ থেকে ২০ গুন অথবা এর চেয়েও বেশি দাবি করে ওনারা, উনাদের কাছে খুদ্র ব্যাবসায়ীরা অত্যন্ত অসহায়। টাকা বেশি বা ঘুষ দিয়ে হলেও এই সারটিফিকেট আমারা নেই। এ এক নিরব ঘুষ বানিজ্য বলা যেতে পারে। কল কারখানা অধিদপ্তর এর সারটিফিকেট ছাড়া ছোট, মাঝারি এবং বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানের ব্যাংকিং অনেক কাজ করা যায় না। ঘুষ না দিলে সারটিফিকেট পাবেন ই না এবং শ্রম আইনে মামলা করারও ভয় দেখিয়ে যায়।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳১০.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১০ DK8E6L2Z
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট ভেরিফাই

ভেরিফাইয়ের জন্য ময়মনসিংহ সদরে আমার তালিকা গেলে কয়েকদিন হয় তারা জওয়াব দেয় না। তখন আমি একজন কে পাঠাই আমার কাগজপত্র দিয়ে আসতে। নিজে থেকেই অফিসে যোগাযোগ করি। আমার লোক যাওয়ার পর বলে কাজ দেরী হবে। কারণ জিজ্ঞেস করলে কিছুই বলে না। পরে ৫০০ টাকা দিলে ঐ দিনই কাজ করে দেয়।।

ঘুষ দিয়েছি
ময়মনসিংহ সদর ৳৫০০
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১২ MYVY8LAP
মন্তব্য
বিআরটিএ

লাইসেন্স বানানো

ড্রাইভিং লাইসেন্স বানানোর জন্য গিয়েছিলাম। ঘুষ ছাড়া কোনো কাজই হয় না। তাই টাকা দিয়ে লাইসেন্স বানিয়ে এখন গাড়ি চালাই।

ঘুষ দিয়েছি
কুমিল্লা ৳১২.৫ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১০ CTQAFHFN
মন্তব্য
ভূমি অফিস

খাজনা পরিশোধ করার জন্য অনুমোদন নিতে বাধাগ্রস্ত হওয়া

জমির খাজনা পরিশোধ করার জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে খতিয়ান দেখে বলে অনলাইনে আবেদন করেছেন? অনলাইনে আবেদন করেন, পাশের কম্পিউটার দোকান থেকে। আমি তৎক্ষণাৎ মুঠো°ফোন দিয়ে অনলাইনে আবেদন করি, তারা বাতিল করে দেয়। বাতিলের কারণ জানতে চাইলে বলে, খতিয়ানে যাদের নাম আছে সকালের এনআইডি কার্ডের ফটোকপি লাগবে। যেদিন মৃত হয় তাহলে তাদের ওয়ারিশান সনদ লাগবে এবং সকল ওয়ারিশদের পেন আইডি কার্ডের ফটোকপি লাগবে। প্রতিউত্তরে আমি তাদের বলেছি অনলাইনে আবেদন করার সময় খতিয়ানের আলোকচিত্র এবং খতিয়ানের যেকোনো এক অংশের মালিক চাইলে খাজনা পরিশোধ করতে পারবে পুরো খতিয়ানের।২৬ শতক জমির খাজনা দেওয়ার জন্য অনুমোদন নিতে ১০০০০ টাকা চেয়েছিল, টাকা না দিলে কাজ হবে না বলে দিয়েছে। আমি এ কাজের জন্য দুই বছর ঘুরেছি, প্রয়োজনীয়তায় হেরে

ঘুষ দিয়েছি
ফতেপুর ৳১০.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১৩ RJXE5CTY
মন্তব্য
কর অফিস

ভ্যাট ট্যাক্স

একদিন হঠাৎ করে ৬/৭ জনের দল নিয়ে উপস্থিত হন ভ্যাট অফিসার। এসেই বিভিন্ন নথিপত্র চাপ দিয়ে সংগ্রহ করে এবং প্রতিষ্ঠানের বেছে বেছে কিছু ফাইল জব্দ করে এবং লেনদেন সংক্রান্ত লেজার সাথে নিয়ে নেয়। বলে যায় তিন কার্যদিবসের মধ্যে দেখা করতে। আমরা বিষয়টি আমাদের নিযুক্তিয় উকিল দ্বারা সমাধা করতে চেষ্টা করি কিন্তু তারা কোন কথাই শুনলো না। উপরন্তু নানাভাবে আইন কানুনের ভয় দেখিয়ে প্রথমে এক কোটি ঘুষ দাবী করে, না হলে মামলা করার ভয় দেখায় এবং তাতে আরো বেশি টাকা খরচ হওয়ার কথা জানায়। তাদের চাপে পড়ে ও ব্যবসা চালু রাখার স্বার্থে শেষ পর্যন্ত ২০ লক্ষ টাকা তাদের ঘুষ দিতে বাধ্য করে। অতঃপর সরকারি কোষাগারে উপযুক্ত ভ্যাট প্রদান করে জব্দ কৃত নথিপত্র ও ফাইল ফেরত পাই। তাদের শর্ত ছিল যেন কেউ বিষয়টি জানতে না পারে বা প্রকাশিত না হয়।

ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রাম ৳২০.০০ লাখ
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১০ CTCJGJV9
মন্তব্য