অযথা আটকায়ে টাকা নেশ
গাড়ী আটকায়ে টাকা নেয়,কাগজ সব ঠিক থাকার পরও
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
গাড়ী আটকায়ে টাকা নেয়,কাগজ সব ঠিক থাকার পরও
টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হয়েছি
বিধবা ভাতার জন্য আমার কাছে ৪০০০ টাকা চাওয়া হয়েছিল। আমি টাকা দেওয়ার পরও আমার বোনের বিধবা ভাতা হয় নি।
টেন্ডার এর বিনিময়ে টাকা দেয়া হয়েছে।
আমার মা একজন পরিবার পরিকল্পনা সহকারী হিসেবে তার চাকুরীজীবন শেষ করার পর থেকেই উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় থেকে নানান ভাবে হয়রানি শুরু করে। যেমন: কাগজ সমস্যা, রিন পরিশোধ হয়নি, বকেয়া আছে, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় থেকে ছাড়পত্র দিচ্ছে না, সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর থেকে বাজেট বরাদ্দ নাই, পিআরএল অনুমোদন করতে হবে, হিসাবরক্ষণ অফিসে টাকা ছাড়া কাজ করে না সহ নানা হয়রানি মূলক কাজ করে দিনের পর দিন ঘুরিয়ে পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ২২০০০ টাকা, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ১০০০ টাকা এবং উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ৪০০০ টাকা নিয়েছে তাছাড়া ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সেই দায়িত্বশীল কর্মকর্তা আরও টাকা দাবি করে যাচ্ছে।
আমি সাধারণ ভাবে জমা দিতে গেলে ফাইল জমা না নিয়ে ফিরিয়ে দেন। এরপর বাধ্য হয়ে এক কম্পিউটার দোকানদার, যিনি এইসব এর দালালি করেন, তার সহায়তা নেই। তার সাংকেতিক সিল ও সাইন দেখে ফাইল দ্বিতীয় জমার দিন আর কোনো সমস্যা হয়নি।
নামজারির আবেদন করা হয়েছিল। উল্লেখিত অর্থ প্রদান না করলে কাজ করতে অনেক বিলম্ব হয়। এমনকি ফাইল বাতিল করা হয়।
ট্রাফিক সার্জেন্ট প্রতিনিয়ত ড্রাইভারদের কাছ থেকে এক হাজার থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে না দিলে হুমকি দেয় এবং আমাকেও দিয়েছে আমার কাছে ভিডিও আছে প্রমান হিসেবে
আব্বু সরকারি প্রাইমারি স্কুল এর প্রধান শিক্ষক ছিলেন।তিনি মারা যাবার পর মাসিক পেনসন ও এককালিন টাকার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসে গেলে অফিস সহকারী পুরো কাজ করে দেওয়ার জন্যে ২০হাজার টাকা দাবি করে।
২০১৫ সালের ঘটনা আমি ডকুমেন্টস ভেলিড করার জন্য এক কর্মকর্তাকে দিয়েছি ২০০০, এবং ভেরিফিকেশনের জন্য এক পুলিশ ফোন দিয়ে বলে টাকা দিতে। ওরে দিয়েছি ২০০০।
সার্টিফিকেটের নাম ও বয়স সংশোধন। অনলাইনে আবেদন করার তিন বছর পরও মেসেজ আসছিল না তারপর খোঁজ নিলে নবম শ্রেণীর একজন কর্মকর্তা আমার কাছে ৬০০০০ টাকা দাবি করেন এবং তিনি বলেন সব ঠিক হয়ে যাবে; উনার পরিচিত লোক আছে; তারপর আমি দিতে বাধ্য হই
আমার কাজ পাওয়া বাবদ তাদের এই অর্থ পরিশোধ করতে হয়েছিল। এটাতো একটা লিখছি, এরকম বহুবার বহু আলাদা আলাদা প্রতিষ্ঠানে ঘুষ দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
দাবি ছিলো যে, কিছু লাইন খরচ, চা-পানি খরচ, হাত খরচ লাগবে। এগুলো না দিলে সিরিয়ালেও দাঁড়াতে দিবে না। কী আর করার! অবশেষে দিতে বাধ্য হয়েছি।
চট্টগ্রাম টু ঢাকা তেলের পাইপ লাইন যাওয়াতে সরকার জমি অধিগ্রহণ করেছিল। অধিগ্রহণ এর টাকা ফেরত নিতে হলে ৫% টাকা জমা দিতে হবে।
অগ্রণী ব্যাংকের একাউন্ট ওপেন করার সময় ২০০ টাকা ঘুষ দাবি করে ব্যাংকের কর্মকর্তা না দিলে একাউন্ট ওপেনিং করবেনা আমার জরুরী বিদায় আমি দিতে বাধ্য হয়েছি দুঃখিত
কাগজ পত্র সব ঠিক থাকার পর ও নামজারি খতিয়ান করতে ১৫০০০ টাকা ঘুুষ চাইছে
একটা মিস কেইসের আবেদন করেছি, সেটা ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে শুনানি পর্যন্ত মোট ৫০০০ টাকার মতো ঘুষ লাগছে, কতবার যে যাওয়া লাগছে তার কোন হিসেব নাই, এখন কানুনগোর কাছে আটকে আছে আরো টাকা পরিশোধ না করার কারণে। আরো কত টাকা লাগবে জানিনা। আর মিউটেশন করতে আরো অনেক দিতে হবে।
আমি একজন স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে সরকারকে ২৪ বছর সেবা দিয়ে এসেছি। আমি চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পর আমার পেনশন এর কাগজ পত্র ক্লিয়ারেন্স নিতে যাওয়ার সময়, ফটিকছড়ি উপজেলা অডিট অফিসার আমার কাছে ৩০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। তার নাম উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা, ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম। পরবর্তীতে তাকে ঘুষ দেওয়ার পর সে পেনশন এর কাগজপত্র ক্লিয়ার করে।
আমার শাশুড়ির জিপিএফ এর টাকা উত্তোলনের জন্য ধাপে ধাপে উপজেলা শিক্ষা অফিস চরভদ্রাসন ফরিদপুর ২১০০০ টাকা নেয় । এখনও পেনশন এর টাকা পাই নাই। তবে ওই টাকা দেওয়ার পর জিপিএফ এর টাকা পেয়েছি।
দালালের মাধ্যম ছাড়া এখানে কেউ ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে পারবে না। এই দালাল বি আর টি এ কর্মকর্তা এবং কম্পিউটার অপারেটর ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের একটা সিন্ডিকেটের যুগ সাজসের ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দেয়। আমার কাছ থেকে ১২০০০ টাকা নিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দিয়েছে। টাকা ছাড়া এমন কোন ব্যক্তি নাই যে এখান থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স করে আমি এটা হচ্ছে নরসিংদী বিআরটিএ