পেনশন এর টাকা উত্তোলন
এক সচিব বাবার পেনশন ওকে করে দিবে সাথে শিক্ষা কল্যাণ ট্রাস্ট এর টাকা টাও। পার্সেন্ট হিসাব করে ঘুষ নিচ্ছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৭২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এক সচিব বাবার পেনশন ওকে করে দিবে সাথে শিক্ষা কল্যাণ ট্রাস্ট এর টাকা টাও। পার্সেন্ট হিসাব করে ঘুষ নিচ্ছে
পাসপোর্ট অফিসে চাকরি করে আমার এমন একজন বন্ধুকে বললাম, বন্ধু পাসপোর্ট করব, কি কি জমা দিতে হবে,। আমাকে একটু হেল্প করিও।সে বলল বন্ধু আমি তোমাদের পাসপোর্ট অফিস থেকে ট্রান্সফার হয়ে চলে আসছি। আর বলল বন্ধু ওইখানে তো সিন্ডিকেট চলে, তোমাকে অনেক হয়রানি করবে। আইডি কার্ড অরজিনাল লাগবে, বিয়ে করলে কাবিননামা লাগবে, কারেন্ট বিল লাগবে, তুমি যেখানে চাকরি করো ওইখানের প্রত্যয়ন পত্র লাগবে, চাকরির আইডি কার্ড লাগবে। ইত্যাদি ইত্যাদি। আরো বলল তুমি যদি ১৫০০/- টাকা দাও তাহলে কারেন্ট বিল, প্রত্যয়ন পত্র, কাবিননামা কিছুই লাগবেনা, আইডি কার্ডের ফটোকপি হলেও হবে। আমি ওদের চ্যানেলে তোমার পাসপোর্ট এর OID নাম্বার দিয়ে দিব তুমি গেলেই বুঝতে পারবা তোমার কোন পেরেশানি হবে না।
Under Dhaka City Corporation, every house has a holding number. So, I went to the City Corporation office to apply for one. The officer checked all my documents and sent me to his assistant. The assistant politely collected all my papers and asked for 30,000 taka. I paid the amount, but unfortunately, he did not complete the work. A few months later, I heard that he had passed away. After that, I went to the new officer and explained everything. But the same thing happened again. They asked me for another 30,000 taka. I told them that I had already paid the same amount to the previous person, but they did not accept my explanation and again asked for the money. This time, I did not pay. Unfo
নতুন পাসপোর্টের জন্য দুই জনের মোট ৩০০০ টাকা (জনপ্রতি ১৫০০ টাকা) জমা দিয়েছিলাম। ঘুষ বা অতিরিক্ত টাকা ছাড়া ফাইল জমা দিতে গিয়ে নানা রকমের সমস্যা দেখিয়ে আমাকে অনেক হয়রানি করা হয়েছে। কিন্তু ময়মনসিংহ পাসপোর্ট অফিসে ঘুষ বা অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার পর দেখলাম সব কাজ খুব দ্রুত হয়ে গেল।
তারা সরাসরি বলে যে চা পানি খাওয়ার জন্য কিছু দিয়ে যান
জমির নামজারি জন্য| আমি যার কাছ থেকে জমি ক্রয় করেছিলাম তার ভাই আমার অংশ হতে ৪ শতাংশ জমি জালিয়াতি করে নামজারি করে নিয়ে যায়| আমি বিদেশ থাকি বিদায় আমার ভাই কে ভূমি অফিসে পাঠিয়ে যোগাযোগ করি| প্রথম দিন কাগজ দেখে বলেছে আমার ৬ শতক ৫৪ পয়েন্ট জমির মধ্যে আমি ২ শতক ৫৪ পয়েন্ট জমির মালিক| পরে ২ লক্ষ টাকা দাবি করে নেগুচিয়েশন করে ৭০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে নামজারি করে দেয়| তাও ১৫/২০ তাদের পিছনে ঘুরতে হয়েছিল|
মোহাম্মদপুর বসিলা পাসপোর্ট অফিসে রমরমা ঘুশের ব্যবসা চলছে ভিতোরে দালালদের অবস্থান এমন জেনো তারা অইখানে চাকুরি করে, কেউ দালাল ছাড়া গেলে অফিসার তার ফিংগার নেয় না নানান বাহানা দিয়ে, একজন ড্রাইভার কাছেও চাকুরির সনদ চায়।
সব কাগজপত্র নিজেরা রেডি করে অফিসে জমা দেওয়ার সময় জন প্রতি ২০০০ করে টাকা দাবি করে, টাকা না দেওয়া হলে প্রসেসিং আটকে থাকে, পরে জনপ্রতি ১০০০ করে টাকা দেওয়া হলে বেতন চালু হয়, পরবর্তীতে কাগজের কপি নিতে গেলে আবার ৫০০ টাকা দিয়ে কপি নেওয়া হয়।
জায়গার নকল তুলতে ৫০০ টাকা দাবি করে। টাকা পরিশোধ করার পর কাগজটি হাতে পাই
আমার পরিবারের সবার পাসপোর্ট এর ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে গিয়েছিলাম মোট ৭জন। আমাদের ৪ জনের টা সরাসরি কোনো সমস্যা ছাড়া হয়ে গিয়েছে কিন্তু আমার বড় ভাইয়ের বউ এবং তার ২ ছেলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার সময় কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও হয়রানি করা হয়েছে । তারপর আমরা বাহিরে কম্পিউটার দোকান থেকে ৩০০০ টাকা দিয়ে ৩ টা ফাইলে একটা তাদের গোপন কোড বসানোর পর আবার অফিসে যাওয়ার পর তারা ফাইল গুলো রিসিভ করছে । যা একটা সিন্ডিকেট ব্যবসা। আমি চাই আপনার এই সাইটের মাধ্যমে উপযুক্ত শাস্তি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা উপজেলার সকল ভূমি অফিসে অকল্পনীয় দূর্নীতি হয়। আমি জমি খতিয়ান মানে খারিজ করতে গেলে ৯০০০ টাকা দাবি করে পরে আমি নিজেই আবেদন করি, সকল কাগজপত্র সঠিক থাকলেও ভূমি অফিস তা বাতিল করে দেয়। পরে বাধ্য হয়ে ৯০০০ টাকা দিয়ে খারিজ করতে হয়েছে।
নাম খারিজ করতে গিয়ে এই টাকাটা দিতে হয়েছিল।
2025 সালে সংগঠিত শ্রমিক আন্দোলনের সময় কারখানাগুলোর নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ মোতায়েন প্রয়োজন পড়ে, তৎকালীন পুলিশ সুপার প্রতিটি ফ্যাক্টরি হতে 2 লক্ষ টাকার বিনিময়ে পুলিশ মোতায়েন করেন।
Income tax officer assessed my building without any physical visit and he increase my value n rent without proper justification. I already submitted all related documents and deeds with tenant but income tax officer demanded 2,50,000tk and after negotiation he told me 1,80,000tk should be given as ghush, otherwise he will use his power for my unathetical financial loss. I went to tax office and meet with his boss, Deputy Commissioner of Taxes, and told all the things tax inspector done but DCT also want his money without any reason. I tried my best to avoid ghush but without ghush, they will not do anything. Really pathetic. We general public are suffering and nobody is there to help.
সমাজ সেবা অধিদপ্তরর,২০২১ সরকারি প্রতিবদ্ধি ভাতা পায় তখন ১ম বারের মত। সেখান থেকে ৬০০০ টাকা যে অফিসারের মাধ্যমে পাই তিনি নিয়ে নিই।কর্ণপুলী উপজেলা সমাজ সেবা অফিসে।
আইডি কার্ডের অরিজিনাল কপি ছিল না এর জন্য বাড়তি টাকা দিতে হলো। ফটোকপি নাকি গ্রহণযোগ্য নয়। টাকা দেওয়ার পর ঠিক গ্রহণ যোগ্যতা পেলাম।
বিক্রেতার এনআইডি এর সাথে খতিয়ানের নামের আংশিক অমিল থাকায় সাব- রেজিষ্ট্রার দলির রেজিস্ট্রি করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং ২০ হাজার টাকা দাবি করে অতপর বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়ে কাজ করাতে হয়। উল্লেখ্য নামের আংশিক অমিল এর জন্য প্রমান স্বরুপ ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান কতৃক একই নামের প্রত্যয়ন দেয়ার পরেও সাব রেজিস্ট্রার ভিত্তিহীন বলে বিবেচনা করেন। ঘটনাটি - ২০২২ সালের।
“দাদ্রর মৃত্যুর পর, ওয়ারিশগণের নামে মাত্র ২৪ শতাংশ জমি নামজারি করতে গেলে ইউনিয়ন ভুমি অফিস ১২০০০ টাকা চায়। পরে ১০,০০০ টাকায় রফাদফা হয়। এর মধ্যে ৮০০০ টাকা অগ্রীম দেই। বাকী টাকা নামজারি হয়ে যাওয়ার পর দেই । সময়টা তখন ২০২৬ সালের । জুলাইয়ের শেষের দিকে নামজারি কমপ্লিট হয়। ভুমি অফিস থেকে কল করে নামজারির কাগজ নিয়ে যেতে বলা হয় । পরে নামজারি ও খাজনার কাগজ নিয়ে চলে আসি।”
পাসপোর্ট করার সময় যে হার্ডকপিটি(আবেদনপত্র) ডকুমেন্টস সহ জমা দেয়া লাগে ওটাতে প্রত্যেকবার নানান ভুল দেখিয়ে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছিলো। একসময় টাকাই দাবি করে বসে এবং বলে পাসপোর্ট কর্মকর্তা টাকা না দিলে আবেদনপত্র গ্রান্ট করতে সই করবেন না। অফিসারের কেরানিকে আমরা ২০০০ টাকা ঘুষ দেই ২ টা পাসপোর্ট এর জন্যে। ২০১৬ সালের ঘটনা এটি।
ট্যাক্স অডিট করা হচ্ছে যেটি খুবই ভালো। কিন্তু ট্যাক্স অডিটের নামে কর সার্কেলের কর্মচারীরা ঘুষ বাণিজ্যে মেতে উঠেছে। আমার বাবার ট্যাক্স রিটার্নে জোরপূর্বক ও অহেতুক ভুল প্রমাণিত করে অধিক ট্যাক্স পরিশোধের জন্য বলে, যেই এমাউন্ট কোনোভাবেই যুক্তিযুক্ত নয়। সেই ব্যক্তিরাই আবার গোপনে উকিলদের দিয়ে ঘুষের বিনিময়ে এই অডিট নিষ্পত্তি করতে চেয়েছে। ট্যাক্স অফিসের মতন দুর্নীতিবাজ একটা সেবা খাত থাকলে দেশের রাজস্ব আহরণ কখনোই লক্ষ্যমাত্রায় পৌছাতে পারবে না।