ড্রাইভিং লাইসেন্স গ্রহন
আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স রিসিভ করার জন্য রাজবাড়ী বিআরটিএ অফিসে যাই, সেখানে মোটা করে একজন ব্যাক্তি যে কার্ডটি দিয়ে থাকেন তিনি কার্ড নেয়ার জন্য ১৫০০ টাকা দাবি করেন। আমার ইমার্জেন্সি থাকায় দিতে বাধ্য হই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স রিসিভ করার জন্য রাজবাড়ী বিআরটিএ অফিসে যাই, সেখানে মোটা করে একজন ব্যাক্তি যে কার্ডটি দিয়ে থাকেন তিনি কার্ড নেয়ার জন্য ১৫০০ টাকা দাবি করেন। আমার ইমার্জেন্সি থাকায় দিতে বাধ্য হই।
Amar bike ar sob paper took chilo. Ami helmet o pora Chilham. Sob kichu amar ok. But se amake thamiye sudhu sudhu malar voy dekhay. Jemon tumi kothay jaccho tumi ki kaj koro. Ki korte jaccho. Asob suniye malar voy dekhiye amar theke 500 taka dabi kore. Pore amar theke jor purbok taka ney
ওয়ারিশ সার্টিফিকেট ফটোকপি ছিল,তাই রেস্ট্রি হবেনা। আবার এক্সট্রা ৫০০০/- দিয়ে রেস্ট্রি করেছি।
সকালে অফিসে যাওয়ার সময় রাস্তার মোর ঘুরার সময় পুলিশে আমার মাথায় হেলমেট না থাকায় পুলিশ মামলা দিতে চাইলো। পরে জোর পূবোক ১০০০ টাকা নিয়ে আমাকে বললো চলে যান।
জমির নামজারি করতে গেলে ঘুষ হিসাবে ১৫০০০ দিতে বাধ্য হইছি
পাসপোর্ট এর জন্য অতিরিক্ত পনেরশো টাকা দিয়েছিলাম
আমি মোটরসাইকেল ড্রাইভিং এর জন্য যোগাযোগ করি থেকে ৭ হাজার টাকা বেশি তারা আমার কাছ থেকে নিয়েছে। এভাবে অনেকের কাছ থেকে নিয়েছে।
দুটি মৌজার জমি বন্টননামা খারিজের জন্য ১২,০০০/- চেয়েছে। উপায় না পেয়ে ১১,৬০০/- টাকা দিয়ে কাজটি করতে বাধ্য হয়েছি। না হলে বছরের পর বছর ঘুরতে হবে, কাজ হবে না। অথচ আমি নিজেও একটি সরকারী অফিসের ৩য় শ্রেনীর কর্মচারী। আমরা তো আর প্রতিদিন যেতে পারব না।
তিনবার ঘুষ দি নাই তৃতীয়বার ক্যানসেল করেছেন তারপর বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি তারপর মিউটেশন করে দিয়েছে
মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন বাবদ বিআরটিএ টাকা পরিশোধ করার পর কাগজ পাতি জমা দেওয়ার সময় অফিস থেকে আমাকে বলে দুই হাজার টাকা বেশি না দিলে ফাইল কেউ ধরবে না টাকা জমা দিয়েছি পাঁচ মাস হলো এখনো কোন অগ্রগতি নেই
I applied for passport renewal and requested a correction to my parents’ names. Although my application was accepted, it remained in the “back end” status for a long time before approval. I had no other option but to pay them BDT 3,500, after which they approved my passport.
আমি অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদন করে ফিস জমা দিয়ে ফরমটি প্রিন্ট করতে জমা দিতে যাই অফিসে৷ সেখানে আমার ফরম দেখে বলে কই থেকে করছেন? বললাম অনলাইনে। আমাকে বললো ভুল আছে সংশোধন করতে হবে। আমি বললাম কি ভুল? বললো নামের আগে MD দেয়া যাবে না। বললাম আমার এন আইডি তে যা আছে তাই দিয়েছি। উনি বললেন সামনের দোকানে যেয়ে বললেই ঠিক করে দিবে এভাবে জমা নেয়া যাবে না। কথা মতো তাই করলাম। দোকানে যেতেই বললো অফিস থেকে পাঠিয়েছে? বললাম হ্যাঁ। দোকানদান বললো ১৫০০ টাকা লাগবে। দিতে চাইনি৷ কিন্ত অনেক কিছু করেও যখন লাভ হলো না বাধ্য হয়ে ১২০০ টাকা দিলাম। দোকানদান শুধু একটা কলমের খোচা মেরে দিয়ে বললেন এখন যান। অনেক কথা কাটা কাটি করেও লাভ হলো না। পরে ফরম জমা নিলো। কিছু চেঞ্জ করলো না কিচ্ছু না। ওই এক কলমের খোচার দাম ১২০০ টাকা।
আমার গাড়িটি একটি মিথ্যা মামলাই জড়িয়ে যাই যার কারণে আমি কোর্টে গিয়ে উকিলের কাছে যাই তারপর উকিলের মাধ্যমে দরখাস্ত করার পরে রায় আসে আমাদের গাড়ির পক্ষে পরে যে আদেশটা আমার থানার পুলিশকে দিলে আমার গাড়িটাকে ছেড়ে দিবে সেই আদেশটা তুলতে গিয়ে আমাকে ১৪০০ টাকা দিতেই হয়েছে
পাসপোর্ট করতে গেলে তাদের চ্যানেল এর মাধ্যমে টাকা দিতে হয়। আমি পাসপোর্ট এর জন্য কাগজ জমা দিলে তারা বলে এটা মিল নেই সেটা মিল নাই, কাগজ আনতে হবে, ওটা আনতে হবে। তারপর একজন আনসার বাহিনী বললো ওখানে দোকান থেকে ১ টি সিল নিয়ে আসলে এটা দিয়েই জমা করতে পারবেন। পরে দোকানে গেলে বলে ভাই পাসপোর্ট করবেন? পরে বলে ২,০০০ টাকা দিলে করতে পারবেন। পরে আমি ওদের ওখানে ২,০০০ টাকা দিয়েছি। পরে একটা সিল দিয়েছে। তারপর একই অফিসার কথা না বলে কাগজপত্র জমা নিয়েছে। এই হচ্ছে দেশের অবস্থা।
jonmonibondhon korte gesi, koy 1000 taka den
আমার বাচ্চার জন্মনিবন্ধন করতে গেলে মাথাপিছু ১০০০ করে ঘুষ দাবী করে।
Ami nije nije shob online a apply kore passport form joma dite gesi kintu tara joma ney na counter a gafargaon theke 4-5 din ektana gesi joma ney na. Pore bujlam dalal sara joma nibe na. Pore ek dalal dhori ora dukaner ki ekta paper lagaya dey just ar kisui kore nai oita deikha counter er luk joma ney amr almost 1k-20k tk gese eshob korte korte. Amr oshustho baba k niye daily eto jatayat onk koshto hoise. 2024 er ghotona eta.
হারানো পাসপোর্ট পুনরায় করতে গিয়ে, বিভিন্ন ভাবে তা আটক রাখে, পরবর্তী এক দালালের মাধ্যমে যোগাযোগ করলল, তাঁরা উপরোক্ত চাঁদা দাবি করলে তা দিলে, কিছু দিন পর পাসপোর্ট পুনরায় পায়।
প্রিপেইড মিটার নিয়ে সাত মাসের ভোগান্তি—এর দায় কার? সরকার প্রিপেইড মিটার স্থাপনের দায়িত্ব দিয়েছে একটি থার্ড পার্টি প্রতিষ্ঠানকে। তারা অনেকটা জোর করেই আমাদের বাসায় প্রিপেইড মিটার স্থাপন করে। কিন্তু মিটার লাগানোর পর থেকেই শুরু হয় একের পর এক ভোগান্তি এবং বিভিন্ন অজুহাতে টাকা দাবি। মিটার লাগানোর পর প্রথমেই তারা ৩,০০০ টাকা দাবি করে। শেষ পর্যন্ত ২,০০০ টাকা দিয়ে তাদের বিদায় করি। তখন বলা হয়েছিল, ২৫ দিনের মধ্যে মিটার অ্যাকটিভ হয়ে যাবে। কিন্তু ২৫ দিন তো দূরের কথা, তিন মাস পার হয়ে গেলেও মিটার অ্যাকটিভ হয়নি। যোগাযোগ করলেই কখনো লোক পাঠানো হয়, কখনো বলা হয়—‘হয়ে যাবে’, ‘হচ্ছে’, ‘আর একটু সময় লাগবে’। এভাবেই চলতে থাকে। এরপর একদিন আবার বাসায় এসে মিটারসংক্রান্ত সব কাগজপত্র নিয়ে যায়। সেদিনও ‘কষ্ট করে এসেছে’—এই
নতুন পাসপোর্ট তৈরির জন্য সরকারের নির্ধারিত টাকার চেয়ে ২০০০ টাকা বেশি দিতে হয়েছে