শিক্ষকের বেতন চালু করণ
প্রথমে বেতন করানোর জন্য উপজেলা অফিস থেকে ফাইল ছেড়ে দিলেও জেলা অফিসে ফাইল আটকে রাখে। ২০২৩ সালের শেষের দিকে আমি জয়েন করি কিন্তু আমার বেতন হয় ৬ মাস পরে। ২০২৪ সালের মার্চ মাসে। ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় ঢাকার ডিডি স্যারকে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রথমে বেতন করানোর জন্য উপজেলা অফিস থেকে ফাইল ছেড়ে দিলেও জেলা অফিসে ফাইল আটকে রাখে। ২০২৩ সালের শেষের দিকে আমি জয়েন করি কিন্তু আমার বেতন হয় ৬ মাস পরে। ২০২৪ সালের মার্চ মাসে। ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় ঢাকার ডিডি স্যারকে।
আমি সরকারি ফি দিয়ে পাসপোর্ট অফিসে যাই নিজের পাসপোর্ট করানোর জন্য, কিন্তু সেখানে কাগজের এই ভুল আছে সে ভুল আছে বলে আমার কাছ থেকে টাকা দাবি করে, প্রথমে আমি টাকাটা জমা দিতে চাইনি পরে যখন দেখলাম যে আজকের দিনের ভিতরে পাসপোর্ট না করলে আমাকে আগামী দিনে আবার আসতে হবে, তখন আমি বাধ্য হয়ে তাদেরকে ৩ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে পাসপোর্ট করে চলে আসি সেম কাগজপত্র দিয়ে একদিনের ভিতর
আমার টেক্স ফাইল অডিট পরেছে নিস্পত্তির জন্য সকল কাগজ থাকার পরেও তারা মানবেনা ৩০০০০০ টাকা দেয়ার পরে আমার রেমিটেন্স মেনে নিয়েছে
License er jonne 12k dalali fee dite hoicilo
Asked for mutation I paid Unless no problem
ঘুষ দেয়া ছাড়া আমার বাবা ডেড সার্টিফিকেট দিচ্ছিলো না, যা আমাদের ওয়ারিশান সার্টিফিকেট করার জন্য দরকার হচ্ছিলো।
Application was pending due to not giving bribe. Unnecessarily lengthen the whole process. The whole online system is a kind of scam. The office secretary and assistant run the whole syndicate there. It is an organized crime in Bangladesh for long time.
নবায়নযোগ্য জ্বালানি সংক্রান্ত অফিসে মেগাওয়াট বা কিলোওয়াট প্রকল্পের উপর ভিত্তি করে চড়া মূল্য ঘুষ নেয়া হয়। না দিলে নেট মিটারিং কানেকশন করে দিবেন না বরঞ্চ হেনস্থা করা হয় আরও বেশি
I visited the PWD office for the PWD license process. The government fee was BDT 5,500, and an additional BDT 100,000 was paid as an unofficial charge. For the renewal process, I subsequently paid BDT 5,000. Now, the ABC license renewal is also required, including the applicable renewal fee and associated charges.
আমার বাবা কে পুলিশ ধরে থানা নিয়ে যায়। আমি সকালে আমার বাবা দেখতে যায়। কিন্তু একজন পুলিশের কর্মচারী আমার কাছে থেকে ২৫০ টাকা চাই, শেষমেশ তাকে আমি ১৮০ দিয়ে। বাবার সাথে দেখা করি।
পুরাতন পাসপোর্টের বয়স ভুল ছিলো, সংশোধন করতে আবেদন করার পর পাসপোর্ট অফিসে থাকা এক ব্যক্তি টাকাটা দাবি করেছিলো
Passport korar jonno tk niyecilo..1500 tk diyecilam
Bogura govt. Girls school. Registration complete. But maximum registration paper was wrong. Some are name mistake, some picture mistaka, some DOB change etc. I hope those mistake was happen intentionally. So that they can earn a lot of money without money receipt. I have completed the issue with the principal.he said for the correction they need money for bankdraft. But didn't know the amount.he said will take care. But maybe nothing would be taken care. Every guardian already paid the money. They say nothing because they think if some guardian make complaint then their child may have some problem by school authority.
সিটি কর্পোরেশনের আন্ডারে কামরাঙ্গীরচর এলাকার কমিশনারের অফিসে জাতীয় পরিচয় পত্র করতে গেলে একজন উপসচিবের স্বাক্ষরের জন্য ২০০০ টাকা চেয়েছে। অনেকদিন ঘুরিয়েছে। টাকা দেওয়ার পর কাজটি করে দিয়েছে।
আমি এবং আমার ভাই ইলিশ মাছ নিয়ে ঢাকায় যাওয়ার জন্য চাঁদপুর লঞ্চঘাটে লঞ্চের অপেক্ষায় ছিলাম। এ সময় একজন ব্যক্তি আমাদের কাছে এসে মাছ নিয়ে যাওয়ার কারণে ৫০ টাকা ঘাট ফি দিতে হবে বলে জানান। তিনি অন্য একজন ব্যক্তিকে দেখিয়ে দেন এবং ওই ব্যক্তি একটি রসিদ দেখিয়ে আমাদের কাছে ৫০ টাকা দাবি করেন। আমি জানতে চাই, কীসের জন্য এই টাকা নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু তিনি বিষয়টি স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা না করে বলেন, টাকা না দিলে আমাদের মাছ নিয়ে যেতে দেওয়া হবে না। এ নিয়ে আমাদের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি ও গ্যাঞ্জাম শুরু হয়। একপর্যায়ে কোনো ঝামেলা না করে বাধ্য হয়ে আমরা ৫০ টাকা পরিশোধ করে লঞ্চে উঠি। এই ৫০ টাকা নেওয়ার নিয়ম, নির্ধারিত ফি এবং টাকা নেওয়ার বৈধতা সম্পর্কে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ
আমার বাবা ছিল একজন কনস্টেবল। আমার বাবা মারা যাওয়ার পরে আমার আম্মুর নামে চান্দিনা উপজেলার হিসাব রক্ষক শাখায় পেনশন নামকরণ করা হয়। এজন্য ঘুষ বাবদ ৭০০০/- টাকা দেওয়া লাগছে।
আমার মা ২০২৪ সালে সরকারি কলেজ থেকে দীর্ঘ ২৬ বছর চাকরি করার পর retired করেছেন। ওনার পেনশনের টাকা আজ অব্দি আমরা সংগ্রহ করতে পারিনি। এর সাথে এডিশনাল যে বকেয়া টাকা ছিল টা আদায় করার প্রক্রিয়ায় এখন অব্দি অর্ধ লক্ষ এর মতন টাকা দিতে হয়েছে। কদিন আগেই ২৫০০০ টাকা দেওয়ার পর কল্যাণ ভাতা পেয়েছেন। টেনশন হচ্ছে যে পেনশনের জন্য কতোনা টাকা দাবি করে বসে।
আমি প্রথমে নিজেই আনলাইন থেকে আবেদন করেছি এবং ডেট আনুপাতে ফিঙ্গার আর ছবি তুলার জন্য সিরিয়ালে দাডিয়েছি। প্রায় ৪ ঘন্টা পর আমি গেট এর সামনে আসি। তারা আমার পেপার দেখতে চাইলো আমি দিলাম ঐ কমকর্তা কিছুখন দেখার পর বলো তুমি কি করো? আমি বলাম আমি স্টুডেন্ট সে বললো তোমার সাটিফিকেট কই তাকে তখন আমি আমার সাটিফিকেট দিলাম। সে দেখে বল্লো এটা হবে ঠিক করে নিয়ে আসুন। এর পর আমাকে কথা বলার কোনো সুযোগ দিলো না।যোর করে বের করে দিলো। এর পর অনেকক্ষণ ঘুরার পর আনেক দালাল এর সাথে কন্টাক করার পর এক দালাল এর মাধ্যমে ২৩০০ টাকায় সে আমাকে পেপার পিছে কয়টা সিল মেরেদিয়েছিল। এর নিয়ে গিয়ে জমা দেওয়ার পর ঐ একি কমকর্তা সে পেপার সাইন করে ভিতরে যারয়ার জন্য দিয়েছে
আমার বিদেশ যাত্রার জন্য করোনা কার্ডে নাম ভুল ছিল, তাই সংশোধন করতে গিয়েছিলাম। বলেছিল আপনি যদি ফ্রি করাতে চান তাহলে অনেকদিন ঘুরতে হবে, আমার এমার্জেন্সি দরকার ছিল তাই আমার কাছ থেকে ৩০০০ টাকা দাবি করে। টাকা খেয়ে পরে অবশ্যই কাজও করে দিছে।
আমার ক্লায়েন্ট x Company tax audit এর assessment notice a টোটাল ৫০ লাক্ষ + দাবি করা হয়। পরে ৫ লক্ষ টাকা দিয়ে ৫০ লক্ষ ৪৫০০০০ টাকায় সেটেল করা হয়