সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১২,৪৫৫ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳২.০ হাজার

খাজনা উত্তোলন

শহরের কোতোয়ালী নিউমার্কেট এলাকায় আমাদের একটি জায়গা বিক্রির জন্য খাজনা উত্তোলন করতে গিয়েছিলাম।সেখানে প্রথমে ২/৩ শ টাকা দিয়ে চেক করতে হয়েছে।তারপর খাজনাসহ ৮ হাজার টাকার মতো পে করি,অথচ খাজনার সরকারি ফি আসছিলো ৬ হাজার সামান্য। বাকি টাকা ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের চা-নাস্তা খাওয়ার জন্য দিতে বলে না হলে খাজনা দিবে না।তাই বাধ্য হয়ে দিয়ে দিই।

কোতোয়ী সদর থানা ভূমি অফিস, চট্টগ্রাম ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৭.০ হাজার

ভূমি খারিজ

আমি খারিজ করার জন্য সম্পূর্ণ কাগজ পাতি জমা দেই এক মাস হয়ে যায় আমার জমি খারিজ হয় না ভূমি অফিসে গেলে বলে ৭ হাজার টাকা লাগবে এরপর আমি 7000 টাকা দেওয়ার পরে চার দিনের মধ্যে আমার খারিজ হয়ে যায়

টাঙ্গাইল, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳১.৩০ লাখ

ফাউন্ডেশন বা সোসাইটি নিবন্ধন

আরজেএসসিতে ফাউন্ডেশন/সোসাইটি নিবন্ধনে হয়রানি বন্ধে ১০ দফা দাবি আরজেএসসিতে একটি ফাউন্ডেশন বা সোসাইটি নিবন্ধনের সরকারি ফি মাত্র ২১,৭০০ টাকা। অথচ অনেক আবেদনকারীর কাছ থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এখন NSI রিপোর্টও বাধ্যতামূলক নয়, তবুও দালাল ও ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়ে না—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এই অনিয়ম বন্ধে জরুরি সংস্কার প্রয়োজন। আমাদের দাবি শতভাগ অনলাইন নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু করতে হবে। সরকারি ফি ও সব চার্জ ওয়েবসাইটে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে হবে। প্রতিটি আবেদনের জন্য অনলাইন ট্র্যাকিং নম্বর দিতে হবে। ফাইল কোন কর্মকর্তার কাছে এবং কতদিন আছে—তা অনলাইনে দেখা যাবে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তি বাধ্যতামূলক করতে হবে। সব সরকারি ফি ডিজিটাল পেমেন্টে গ্রহণ করে ই-রসিদ দিতে হ

আরজেএসসি অফিস, টিএসসি ভবন, কাওরান বাজার, ঢাকা।, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি পাসপোর্ট অফিস ৳১২.০ হাজার

পাসপোর্ট তৈরি

কক্সবাজারে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাসপোর্ট তৈরি করা এক বিশ্বযুদ্ধ জয় করার সমান। পাসপোর্ট অফিসের লোকজন ১ থেকে ২ লক্ষ টাকার চুক্তিতে রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেয় বেআইননি ভাবে। আর স্থানীয় লোকজন পাসপোর্ট তৈরি করতে হয়রানি করে। স্থানীয় লোকদের পাসপোর্ট তৈরিতে ৪ ধরনের অতিরিক্ত কাগজ লাগ, যার মধ্যে আছে- পাসপোর্ট সুপারিশপত্র, বিদেশি নাগরিক নয় এই মর্মে প্রত্যয়ন, রোহিঙ্গা নয় মর্মে প্রত্যয়ন, নাগরিক সনদ। এসব নিতে গেলে আবার ইউনিয়ন/পৌরসভায় দরবেশ বাবাকে খুশি করা লাগে টাকার বিনিময়ে। এরপর আসে পুলিশ ভ্যারিফিকেশন নামের অত্যাচার (যদিও অন্যান্ন জেলায় এটা বন্ধ এখন)।

COX'S BAZAR, চট্টগ্রাম ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳১০.০ হাজার

গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন

পুরাতন গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন করা যাবে না। ১০ হাজার টাকা দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করছি। কেউ কোটিপতি হতে চাইলে বি আর টি এ অফিসের পিওন হলেও চলবে

গাইবান্ধা, রংপুর ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সরকারি হাসপাতাল ৳১.৯ হাজার

স্যারের চা নাস্তা বাবদ প্রত্যেকে ৫০০+৮০০+৬০০ টাকা দিবেন,অথবা এক মাস পরে আসবেন

ঘটনা ০১) ২০১৮ সালের নভেম্বর মাস, MATS থেকে মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট কোর্স শেষ করে এই সরকারি অফিসে যেতে হয় সার্টিফিকেট তুলতে, এখানে সাধারণত ডিপ্লোমা মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট,নার্স এদেরকে নানাভাবে হ্যানস্তা করা হয়। প্রভিশনাল সার্টিফিকেট উঠাতে সকাল ১০ টা থেকে এখানে অপেক্ষা করা হয় এবং বিকাল ৪ টা পর্জন্ত বসে থাকার পর, উপস্থিত দপ্তরি আমাকে বলে যে স্যারকে চা নাস্তা বাবদ কিছু দিলেই সার্টিফিকেট হাতে পেয়ে যাবেন। অতঃপর ৫০০ টাকার চা নাস্তা খরচ দেবার পর প্রভিশনাল সার্টিফিকেট হাতে পায় আমি। উলেক্ষ্য উনি প্রথমে ৭০০ টাকা চেয়েছিলেন কিন্তু দরদাম বার্গেনিং করে তবেই সেটা ৫০০ টাকায় নেমে আসে। ঘটনা ০২) ২০২০ সালের জানুয়ারি মাস, ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট এর অরিজিনাল কপি উঠানোর জন্য সকল কাগজপত্র নিয়ে পুনরায় এই অফিসে যাওয়া লাগলো, একই স্টাফ একই অফিসার, একই ঘটনা, সকাল ১০ টা থেকে বসে বসে অপেক্ষা করার পর বিকাল ৪ টা বাজলে দপ্তরি এসে বললেন, স্যারকে চা নাস্তা বাবদ কিছু খাওয়ালেই উনি সার্টিফিকেট দিয়ে দেবেন। এবার চার নাস্তা বাবদ ৮০০ টাকা দেয়া লাগলো। এদিন আমি ওই অফিসে ঝুলিয়ে রাখা দুর্নিতি দমন কমিশনের রিপোর্ট বক্স দেখেছিলাম, সেখানে খাটি বাংলা ভাষায় স্টাফ ও অফিসারের নাম সহকারে এই চা নাস্তা খাবার কাহিনি লিখে রিপোর্ট জমা করেছিলাম। মনে হয়না কাজ হয়েছিল। ঘটনা ০৩) ২০২৩ সালের জুলাই মাস, পুনরায় এই স্টেট মেডিকেল ফ্যাকাল্টি অফিসে যেতে হয়, একই স্টাফ একই অফিসার। এবার কাজ ছিল ট্রান্সক্রিপ নিয়ে। বরাবরের মত বহু অপেক্ষা শেষে এবারো বিকাল ৪ টায় চা নাস্তা বাবদ ভদ্রলোক অফিসার কে ৬০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। এদিন আমি উনাকে খুব অপমান জনক কথা শুনিয়েছিলাম, অথচ লোকটা কি বিশ্রিভাবে হেসেই চলেছিল। এই ফ্রাস্ট্রেশন লিখে বুঝানো যাবেনা। এই দিনো আমি রিপোর্ট বক্সে রিপোর্ট লিখে জমা দিয়েছিলাম। পরিশেষে, আমার এই ঘটনা আরো অনেক ডিপ্লোমা মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট ও নার্সদের সাথে প্রতিদিন ঘটেই চলেছে। "চা নাস্তা বাবদ কিছু খরচ দিলেই হবে" এই ভাবে প্রতিদিন উক্ত অফিসের স্টাফ থেকে শুরু করে অফিসার সকলেই হাজার লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে থাকে। ব্যাপারটা এরকম যে যদি ৭ জন একসাথে যায় সার্টিফিকেট উঠাতে, তো বিকাল ৪ টা বাজলে প্রত্যেকে কাছ থেকে "চা নাস্তা" বাবদ ৫০০-১০০০ টাকার ঘুষ আদায় করে তবেই সার্টিফিকেট ছাড়া হয়। আরেকটা উপায় হল যদি কেউ ঘুষ দিতে না চায় তো ১৫ দিন থেকে ১ মাস পর সেই অফিসে গেলে তখন উক্ত কাগজ পাওয়া যায়। এখন এইটা কি কোনো যুক্তিসংগত সলুশন হল? আমি জানি এই সাইটে আমার এই রিপোর্ট পাব্লিশ হবার পরেও কোনো সমাধান হবেনা। এত দিন পর্জন্ত যখন সামাধান হয়নি এবারো হবেনা। আমি রিপোর্ট করলাম, নিজের মনকে শান্ত করতে যে এট লিস্ট এই অভাগার দেশে এরকম ডিজিটাল মাধ্যমে রিপোর্ট করার সিস্টেম রয়েছে। এবং অন্যারের বিরুদ্ধে জীবিত অবস্থায় রিপোর্ট করেছিলাম। এটাই মনের শান্তনা।

পল্টন, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সিটি কর্পোরেশন ৳১.২ হাজার

1 hazar liter wasa truck service

আমাদের Natun বাজার ,vatara এলাকায় আগস্ট ২০২৬ মাসে প্রায় ১৫ দিন ধরে নিয়মিত পানি সরবরাহ ছিল না। পানি সরবরাহের জন্য আমরা একাধিকবার WASA-এর কল সেন্টারে ফোন করে অভিযোগ ও সিরিয়াল প্রদান করেছি। কিন্তু প্রতিবার সিরিয়াল নেওয়া হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। অনেক সময় অভিযোগ করার পর প্রায় ৩ দিন পর্যন্ত কোনো ধরনের সাড়া বা সমাধান পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে পানির তীব্র সংকটের কারণে বাধ্য হয়ে WASA-এর ১,০০০ লিটারের পানির ট্রাকের মাধ্যমে পানি সংগ্রহ করতে হয়েছে। সাধারণত যে পানির মূল্য প্রায় ৩০০ টাকা হওয়ার কথা, সেই পানির জন্য আমাদের কাছ থেকে ১,২০০ টাকা দাবি করা হয়। পানির জরুরি প্রয়োজনের কারণে বাধ্য হয়ে ১,২০০ টাকা পরিশোধ করে পানি সংগ্রহ করতে হয়েছে।

Natun bazar wasa office,dhaka, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳৪.০ হাজার

বিবাহ সনদ অনলাইন রেজিস্ট্রার

আমি একজন প্রবাসী বাংলাদেশি।আমার স্ত্রী কে বিদেশে আনার জন্য কাবিননামা অনলাইন এ আবেদন করার পর জেলা রেজিস্ট্রি অফিসে যায় ওখানে বলে রেজিস্টার এর খরচ না দিলে অনলাইন হবে না, তারা ৪০০০ টাকা দাবি করে আমি বাধ্য হয়ে টাকা দেই।আর টাকা না দিলে কবে হবে বলতে পারে না।ভিসার মেয়াদ কম থাকায় আমি ঘুস দিতে বাধ্য হই।গতো জুলাই ২০২৬ এ ঐ দিন জেলা রেজিস্ট্রার এর লাস্ট কর্ম দিবস ছিলো।পরদিন উনি বদলি হয়ে যায়। ঐ দিন সকালে আমি টাকা দেওয়ার পর বিকালেই অনলাইন হয়ে যায়। ঘুষ মুক্ত দেশ চাই। সবার আগে বাংলাদেশ।

যশোর সদর, খুলনা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি পাসপোর্ট অফিস ৳৫.০ হাজার

passport renew

আমার সাথে পাসপোর্ট অফিসে যা ঘটলো, তা সত্যিই হতাশাজনক।আমি অনলাইনে পাসপোর্টের রিনিউয়ালের সব কাজ শেষ করে, ফাইল পুরোপুরি রেডি করে অফিসে গিয়েছিলাম। আমার ফাইল শতভাগ ঠিক থাকা সত্ত্বেও কাউন্টার থেকে বলা হলো ফাইলে নাকি ভুল আছে এবং জমা নেওয়া যাবে না। এরপর তারা আমাকে একটা কাগজে একটি সংখ্যা (কোড) লিখে দিয়ে বললো, "নদীর পাড়ের যেকোনো ফটোকপির দোকানে যান, তারা ঠিক করে দেবে।"আমি সরল বিশ্বাসে ওই দোকানে গেলাম। তারা আমার ফাইলটা নিয়ে একটা প্রিন্ট বের করে দিলো। আমি যখন জিজ্ঞেস করলাম ফটোকপির জন্য কত টাকা দিতে হবে, তখন দোকানদার যা বললো তা শুনে আমার চোখ কপালে উঠলো! সে বললো— "ফটোকপির কোনো টাকা লাগবে না, আপনি আমাকে ৫,০০০ টাকা দেন। আপনাকে আর লাইনে দাঁড়াতে হবে না, টাকাটা সরাসরি আনসার সদস্যের কাছে দিলেই বাকি সব কাজ হয়ে

SYLHET, সিলেট ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ট্রাফিক পুলিশ ৳৭০০

বাইকের নাম্বার নিয়ে

বাইকের নাম্বার এর জন্য গভমেন্ট কে টাকা জমা দিছি, কাগজে সিল দেয়া ছিলো জুনে নুম্বার প্লেট দিব। কিন্তু জুনে দিতে পারেনাই গভমেন্ট এর বেরথতা ছিলো? গভমেন্ট থেকে আমাকে কোনো মেছেও দেয়া হয় নাই যে এই সমায় বারাতে হবে। ছারজেন আমাকে দরে বলে আপনি ডেট কেনো বারান নাই এখম মামলা নিতে হবে। পরে আমি তাকে বললাম, আমি আশলে জানতাম না যে এইতার ডেট বারাতে হয়। আমি বললাম আজ তো শনিবার আজকে BRTA বন্ধ আজকে তো ডেট বারাতে পারবো না। আমাকে একটা দিন সমায় দেন আমি ডেট বারিয়ে নিয়া আসব। সে আমার কোনো কথা না শুনে আমাকে মামলা দিবে ২০০০/- টাকার। পরে আমি বললাম স্যার আমাকে মামলা দিয়েন না। আপনি দেখেন আমার সব ঠিক আছে। উনি বলে মামলা নেন না হলে ১২০০ টাকা দেন। পরে আমার কাছে সব মিলে ৭০০/- টাকা ছিলো সেটা দিয়া আসলাম। আমি বাইক দিয়া সংসার চালাই।

ঢাকা, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি শিক্ষা অফিস ৳৭৫.০ হাজার

উচ্চতর গ্রেড মঞ্জুর

উপজেলা শিক্ষা অফিসের ক্লার্ক ৮৬ জন সহকারী শিক্ষকের উচ্চতর গ্রেডের ফাইল রেডি করা এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের স্বাক্ষর নিয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে প্রেরণ করা বাবদ এই টাকা দাবি করেন। আমরা এই টাকা পরিশোধ করি। যদিও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বিধি সম্মত না হওয়া ফাইলটি না মঞ্জুর করেন।

বুড়িচং, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳২০.০ হাজার

নামজারি

নামজারি করতে ২০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে বিভিন্ন পর্যায়ে। ইউনিয়ন, উপজেলা অফিস, স্থানীয় পাতি নেতা সব মিলিয়ে ২০,০০০ টাকা।

ঝিকরগাছা, খুলনা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৬.০ হাজার

খতিয়ান খোলার জন্য

আমার নামে পৃথক খতিয়ান খোলার জন্য সার্ভেয়ার আমার কাছে ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা দাবি করা করেছিল । পরবর্তীতে সর্বশেষ আমাকে ৬,০০০/- (ছয় হাজার) টাকা প্রদান করতে হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, টাকা নেওয়ার পরও আমার কাজটি করে দেওয়া হয়নি।

পূর্বধলা, ময়মনসিংহ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳২.৫ হাজার

ফিটনেস সনদ

আমি এই শহরেই বাস করা একজন ডাক্তার। আমার কার এলপিজি করা ছিলো। বিআরটিএর যিনি ইন্সপেকশন করছিলেন তিনি, এক আনসার সদস্য এবং একজন স্টাফ বাইরের এক ফোটোকপির দোকানে আমাকে এক পেজ ফোটোকপি করতে পাঠায়। সেই দোকানে আমার কাছে অফিস খরচ দাবী করে, তারা বলে অফিস থেকেই তাদের কাছে এভাবে সবাইকে পাঠায়। আমি টাকা দিতে না চাইলে ইন্সপেক্টর সাহেব আমার কারের এক গাদা সমস্যা বের করে, যেমিন হর্ন একটা কম সোনা যাচ্ছে কেনো, গাড়ির উইন্ডশিল্ড পরিস্কার কম। এরকিম ইনেক। পরে ২৫০০ টাকা দিলাম, সব সমস্যার সমাধান হয়ে গেলো।এখানে যে গাড়ি নিয়ে যান, ১৫০০ টাকা ফিক্সড রেট ফিটনেসের জন্য। আর দিতে না চাইলে একের পর এক হয়রানি করে টাকার পরিমান বাড়াবে।

রাজশাহী, রাজশাহী ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ট্রাফিক পুলিশ ৳১.২ হাজার

license

আমি স্টুডেন্ট আমি আমার কলেজের ঢাকা সিটি কলেজ দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে পড়ালেখা করার উদ্দেশ্যে চলে যাচ্ছিলাম মূলত আমার ক্লাস ছিল এই মাঝখানে আমাকে পুলিশেরা ধরেছিল আমার ঐদিন পরীক্ষা ছিল পুলিশ মামাকে রিকোয়েস্ট করছিলাম আমার গাড়িটা ছেড়ে দিন নাহলে আমি লেট হয়ে যাব আমি পরীক্ষাটা দিতে পারবো না পরে পুলিশ মামা না আমাকে আমাকে ছেড়ে দিয়ে আমার গাড়িটাকে রেখে দিয়ে পরবর্তী আমার বড় ভাই টাকা দিয়ে পরে আমার গাড়িটাকে ফেরত আনায়।

dhaka, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি কাস্টমস অফিস ৳২.০ হাজার

ডকুমেন্ট অ্যাসেসমেন্ট

কাস্টমস এ প্রতিটি ডকুমেন্ট অ্যাসেসমেন্ট করার জন্য বাধ্যতামূলকভাবে সহকারী রেভিনিউ অফিসার, রেভিনিউ অফিসারকে ঘুষ দিতে হয়। টাকা ছাড়া কোনো ডকুমেন্ট এর কাজকরা যায় না। এই টাকার ভাগ বিভিন্ন দফতরে বন্টন ও হয়। কোনো ডকুমেন্ট রেভিনিউ অফিসারের উপরে গেলে সেখানে টাকার পরিমাণ আরো বেশি। এমন ও অফিসার আছে, যারা দিনে কয়েক লক্ষ টাকা নিয়ে বাসায় ফেরেন। বহুবার লোকদেখানো অভিযান চালানো হয়। কিন্তু এই ঘুষের রাজত্ব বন্ধ করার জন্য কেউ আগ্রহী না। সর্বোপরি, চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস হচ্ছে দুধ দেওয়া গাভীর মতো। এখানো পোস্টিং নিতে বহু অর্থের লেনদেন হয় উপর মহলে।

চট্টগ্রাম বন্দর, চট্টগ্রাম ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳২০.০ হাজার

নামজারি

নামজারি করিয়ে দিবে বলে টাকা নিয়ে প্রায় ৭ মাস ঘুরিয়ে ছিল পিয়ন। কাটগড়, পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম এই এলাকায় ভূমি অফিস। এইখানে মানুষের কাছ হতে বিভিন্ন কাজে যেমন নামজারি, দাখিলা ইত্যাদি কাজের জন্য ঘুষ চাওয়া হয়।

কাটঘড় ভূমি অফিস, পতেঙ্গা,চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳১.০ হাজার

ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন

ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স ফি ২৩০ টাকা কিন্তু তারা ১০০০ টাকা নেয়, নবায়ন করার সময় এই ১ হাজার দিতে হয়।

Muktagachha, ময়মনসিংহ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য