পাসপোর্ট নবায়ন
পুরাতন পাসপোর্টের বয়স ভুল ছিলো, সংশোধন করতে আবেদন করার পর পাসপোর্ট অফিসে থাকা এক ব্যক্তি টাকাটা দাবি করেছিলো
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২১৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পুরাতন পাসপোর্টের বয়স ভুল ছিলো, সংশোধন করতে আবেদন করার পর পাসপোর্ট অফিসে থাকা এক ব্যক্তি টাকাটা দাবি করেছিলো
Passport korar jonno tk niyecilo..1500 tk diyecilam
Bogura govt. Girls school. Registration complete. But maximum registration paper was wrong. Some are name mistake, some picture mistaka, some DOB change etc. I hope those mistake was happen intentionally. So that they can earn a lot of money without money receipt. I have completed the issue with the principal.he said for the correction they need money for bankdraft. But didn't know the amount.he said will take care. But maybe nothing would be taken care. Every guardian already paid the money. They say nothing because they think if some guardian make complaint then their child may have some problem by school authority.
সিটি কর্পোরেশনের আন্ডারে কামরাঙ্গীরচর এলাকার কমিশনারের অফিসে জাতীয় পরিচয় পত্র করতে গেলে একজন উপসচিবের স্বাক্ষরের জন্য ২০০০ টাকা চেয়েছে। অনেকদিন ঘুরিয়েছে। টাকা দেওয়ার পর কাজটি করে দিয়েছে।
আমি এবং আমার ভাই ইলিশ মাছ নিয়ে ঢাকায় যাওয়ার জন্য চাঁদপুর লঞ্চঘাটে লঞ্চের অপেক্ষায় ছিলাম। এ সময় একজন ব্যক্তি আমাদের কাছে এসে মাছ নিয়ে যাওয়ার কারণে ৫০ টাকা ঘাট ফি দিতে হবে বলে জানান। তিনি অন্য একজন ব্যক্তিকে দেখিয়ে দেন এবং ওই ব্যক্তি একটি রসিদ দেখিয়ে আমাদের কাছে ৫০ টাকা দাবি করেন। আমি জানতে চাই, কীসের জন্য এই টাকা নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু তিনি বিষয়টি স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা না করে বলেন, টাকা না দিলে আমাদের মাছ নিয়ে যেতে দেওয়া হবে না। এ নিয়ে আমাদের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি ও গ্যাঞ্জাম শুরু হয়। একপর্যায়ে কোনো ঝামেলা না করে বাধ্য হয়ে আমরা ৫০ টাকা পরিশোধ করে লঞ্চে উঠি। এই ৫০ টাকা নেওয়ার নিয়ম, নির্ধারিত ফি এবং টাকা নেওয়ার বৈধতা সম্পর্কে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ
আমার বাবা ছিল একজন কনস্টেবল। আমার বাবা মারা যাওয়ার পরে আমার আম্মুর নামে চান্দিনা উপজেলার হিসাব রক্ষক শাখায় পেনশন নামকরণ করা হয়। এজন্য ঘুষ বাবদ ৭০০০/- টাকা দেওয়া লাগছে।
আমার মা ২০২৪ সালে সরকারি কলেজ থেকে দীর্ঘ ২৬ বছর চাকরি করার পর retired করেছেন। ওনার পেনশনের টাকা আজ অব্দি আমরা সংগ্রহ করতে পারিনি। এর সাথে এডিশনাল যে বকেয়া টাকা ছিল টা আদায় করার প্রক্রিয়ায় এখন অব্দি অর্ধ লক্ষ এর মতন টাকা দিতে হয়েছে। কদিন আগেই ২৫০০০ টাকা দেওয়ার পর কল্যাণ ভাতা পেয়েছেন। টেনশন হচ্ছে যে পেনশনের জন্য কতোনা টাকা দাবি করে বসে।
আমি প্রথমে নিজেই আনলাইন থেকে আবেদন করেছি এবং ডেট আনুপাতে ফিঙ্গার আর ছবি তুলার জন্য সিরিয়ালে দাডিয়েছি। প্রায় ৪ ঘন্টা পর আমি গেট এর সামনে আসি। তারা আমার পেপার দেখতে চাইলো আমি দিলাম ঐ কমকর্তা কিছুখন দেখার পর বলো তুমি কি করো? আমি বলাম আমি স্টুডেন্ট সে বললো তোমার সাটিফিকেট কই তাকে তখন আমি আমার সাটিফিকেট দিলাম। সে দেখে বল্লো এটা হবে ঠিক করে নিয়ে আসুন। এর পর আমাকে কথা বলার কোনো সুযোগ দিলো না।যোর করে বের করে দিলো। এর পর অনেকক্ষণ ঘুরার পর আনেক দালাল এর সাথে কন্টাক করার পর এক দালাল এর মাধ্যমে ২৩০০ টাকায় সে আমাকে পেপার পিছে কয়টা সিল মেরেদিয়েছিল। এর নিয়ে গিয়ে জমা দেওয়ার পর ঐ একি কমকর্তা সে পেপার সাইন করে ভিতরে যারয়ার জন্য দিয়েছে
আমার বিদেশ যাত্রার জন্য করোনা কার্ডে নাম ভুল ছিল, তাই সংশোধন করতে গিয়েছিলাম। বলেছিল আপনি যদি ফ্রি করাতে চান তাহলে অনেকদিন ঘুরতে হবে, আমার এমার্জেন্সি দরকার ছিল তাই আমার কাছ থেকে ৩০০০ টাকা দাবি করে। টাকা খেয়ে পরে অবশ্যই কাজও করে দিছে।
আমার ক্লায়েন্ট x Company tax audit এর assessment notice a টোটাল ৫০ লাক্ষ + দাবি করা হয়। পরে ৫ লক্ষ টাকা দিয়ে ৫০ লক্ষ ৪৫০০০০ টাকায় সেটেল করা হয়
প্রথম বার নিজে নিজে আবেদন করে ব্যাংক ড্রাফট করে আবেদন ফরম নিয়ে জমা দিতে গিয়েছিলাম প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সহ , কিন্তু ওনারা আমার ভুল ধরে , যদিও কোন ভুল ছিল না , কিন্তু দ্বিতীয় বার যখন দালাল দিয়ে আবেদন করা হলো আমার ওই কাগজপত্র দিয়ে তখন সবকিছু ঠিক আছে বলে দিল । এবং এক মাসের মাথায় পাসপোর্ট পেয়ে ও গেলাম
Ghush er taka na dile amar file Audit a pele mota ongker taka jorimana kore , ty ami dite baddo hoy .
পাসপোর্ট এর আবেদন নিজ মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে করে নিয়ে গেলে কয়েক ডজন ভূল বের করে বলে কাজ হবে না। অপরদিকে সেখানের দোকান থেকে আবেদন করে নিলে ২০০০ টাকা আবেদনের থেকে বেসি নিয়ে কাজ ঠিকই হয়ে যায়। অফিস এর লোক সরাসরি টাকার অফার করে না। কিন্তু আসে পাসের কম্পিউটার মাল্টিমিডিয়ার দোকানগুলো সবগুলোই এই চক্রের সাথে জরিত।
Baba pension er takar jonno. Ekojn nise 5000 ar ekjon 50000 tk. Total 55000 tk. Auditor 5000 DAO 50000 tk.
One week ago, I traveled from Gafargaon to Dhaka Airport Railway Station. I had a valid ticket but mistakenly boarded the wrong train. At the station, security stopped me. I explained my mistake and said I was a student. They demanded Tk 1,000. After bargaining, I paid Tk 500. I asked for a receipt, but they refused and threatened to file a case unless I paid.
নামজারী বাবদ ৫০০০/-টাকা দিয়েছি।
ইউনিয়ন পরিষদ এ সরকারীভাবে পায়খানা নিতে হলে 5000 টাকা দিতে হচ্ছে। এই টাকার কোন রশিদ দেওয়া হয়না। পরিষদ এর অফিস সহকারী এই টাকা নিচ্ছেন, মেম্বার ও চেয়াম্যান এর যোগ সাজস্বে। এর থেকে কি পরিত্যাণ এর কোন উপায় নেই? সরকার কি টাকা নিয়ে গরিবদের পাকা পায়খানা দিচ্ছেন? নাকি ফ্রিতে ?
প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই এমন একটি সাইট তৈরির জন্য। আমি আজকেই এই সাইটটি দেখলাম। যাই হোক আমার সাথে ঘটনাটি ঘটেছিলো আরও ৩-৪ মাস আগে, শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া থাকার ঘড়িসার কাচারি (ভূমি) অফিসে। সেখানে আমাদের বাড়ির বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও কাচারির নায়েম আমাদের মিউটেশনের জন্য এক্সট্রা ৩ লক্ষ টাকা দাবি করেন। আমার চাচাতো ভাই একটু ভিতু প্রকৃতির তাই বিষয়টি নিয়ে ভেজাল না করে তার সাথে নেগোশিয়েট করে ২ লক্ষ টাকায় ডিল ফাইনাল করেন। অবাক হলেও সত্য মাত্র ১০-১৫ দিনের মধ্যে আমাদের সকল কাগজপত্র আপডেট হয়ে গেলো। আমরা সব বুঝে পেলাম। অথচ এখানে হয়তো সরকারি ফি ১০-১৫ হাজার টাকা। কিংবা তারও কম।
আমার এক বন্ধু চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীনে উচ্চমাধ্যমিক (ইন্টার) এর সার্টিফিকেট সংশোধন করতে গিয়েছিল। চট্টগ্রাম বোর্ডের লোকজনই এই ঘুষ দাবি করে। প্রায় ১৫ দিনের ভেতর হয়ে গিয়েছিল কাজ। এফিডেভিড ইত্যাদি কোন কিছুর জন্য তার থেকে দৌড়াদৌড়ি করতে হয় নাই। যে জায়গায় হাজার হাজার স্টুডেন্ট আছে যারা সার্টিফিকেট সংশোধন এর জন্য বোর্ডের রেগুলার সিস্টেম অনুযায়ী আবেদন করে এবং সংশোধনের আশায় বসে আছে বছরের পর বছর। আর এদিকে ১৫ দিনের ভিতর সংশোধিত সার্টিফিকেট হাজির। এগুলো কি আদৌ বাংলাদেশে কোনদিন ঠিক হবে?? এগুলোর সাথে সরকারের দলের লোক আমলারা জড়িত। প্রতিটা সেক্টরে পদে পদে রয়েছে হাজার হাজার দালাল।
আমার মা মারা যাওয়ার সময় ছিল। তখন আমি ৩ মাস আমাদের লাইসেন্স এর ভ্যাট রিটার্ন করতে পারি নাই। তখন আমি অফিসে গেলে জানায় আমাদের কিছু করার নাই। এটা এ্যাডজাস্টমেন্ট করতে ৩০০০০/- লাগবে। আমি উপপরিদর্শক এর সাহায্য নিতে গিয়েছিলাম। তখন উনি বলল আমার কিছু করার নাই(মায়ের পরে সবচেয়ে মধুর কন্ঠে)। দিতে হয়েছিল আমাকে। পরবর্তীতে ১ বছর পরে আমি আবার ভুলে গেলে কম্পিউটার অপারেটর কে ২০০০/- দিলে সে এ্যাডজাস্টমেন্ট করে দেয়।