মিস কেস
আমি প্রথমে ১০০০ ও ২০০ টাকা এবং পরে আরও ১০০০ টাকা তিন জঙ্কে দেই। কিন্ত এখনও কুনু কাজএর আগ্রগতি নাই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি প্রথমে ১০০০ ও ২০০ টাকা এবং পরে আরও ১০০০ টাকা তিন জঙ্কে দেই। কিন্ত এখনও কুনু কাজএর আগ্রগতি নাই।
দুটি জন্ম নিবন্ধন বাংলা থেকে ইংরেজী করব সরকারি ফি বোর্ডে লেখা 50 টাকা করে প্রতিটি তবে নিয়েছেন প্রতিটি 300 করে মোট 600 টাকা যার 500 টাকা ঘুষ ।
নেত্রকোনা জেলাতে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে ১১০০০ দিয়েছি, পাসপোর্ট অফিসে নিয়েছে ২০০০ টাকা বেশি, কি বলবো সকল জাগায় ঘুষ লাগে৷ নেত্রকোনা পাসপোর্ট অফিসের অবস্থা খুবি খারাপ, রাতে ১০ টার সময় গেলেও পাসপোর্ট করা যায় টাকার অংক বাড়ালে৷
আমার আম্মু ফ্যামিলি প্ল্যানিং এ জব করতেন। তিনি রিটায়ারমেন্ট এর পর টাকা তুলতে গেলে ৪০০০০০ টাকা দাবী করে। পরে সেটা ১০০০০০ টাকা দিয়ে। ফয়সালা করা হয়।
ঢাকা এসএফসি যেইকোন বিল পাস বা বিল সংক্রান্ত কাজে ১০% ঘুষ দাবি করে। না দিলে বিল নিয়ে হয়রানি করে, বিল আটকিয়ে রাখে। এই অফিসের পিয়ন থেকে শুরু করে এরিয়া ফাইনেন্স অফিসার পযন্ত ঘুষ নেয়।
আমি ঢাকা থেকে একটি পাসপোর্ট এর আবেদন করেছিলাম। যেহেতু আমার বর্তমান ঠিকানা ঢাকা ছিল এবং স্থায়ী ঠিকানা ছিল হোমনা থানায়। তাই আমার দুই ঠিকানাতেই ভেরিফিকেশন হয়েছিল। বর্তমান ঠিকানায় মোহাম্মদপুর থানা থেকে পুলিশ এসেছিল এবং সুন্দর মত ভেরিফিকেশন করে গেল কোন টাকা দাবী করেনি। কিন্তু আমার স্থায়ী ঠিকানা হোমনা থানায় গেলে পুলিশ টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে আমাকে ১ হাজার টাকা দিতে বাধ্য করা হয়।
পাসপোর্টের ফর্ম দেখে প্রথমে বলে যে, এই পাসপোর্ট এর আবেদন বাতিল। কিছুক্ষণ পরে আবার পিওন এসে বলে যে৪০০০ টাকা দিলে পাসপোর্ট হয়ে যাবে। পরবর্তীতে তিন হাজার টাকায় রাজি হই।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে দালালকে ৮০০০ টাকা দিতে হয়ে ছিল
মোটরসাইকেল এর শোরুম থেকে মোটরসাইকেল বিক্রি করলে প্রতি মোটরসাইকেল এর লাভ্যাংশের ১৫% ভ্যাট দিতে হয় ৷ কিছু মোটরসাইকেল এর ভ্যাট ১০০০ টাকা হলে সেই ভ্যাট এর চালান সত্যাইত করতে কর কর্মকর্তা নেন ১০০ টাকা ৷ মানে মাসে ১০০ টি গাড়ি বিক্রি হলে কর কর্মকর্তা নেন ১০,০০০ টাকা ৷ পরে আসি রিটার্ন সাবমিট এ ৷ সঠিক ভ্যাট দিয়ে রিটার্ন জমা দিতে লাগে ৩০০০ টাকা ৷ এটা প্রতি মাসে দিতে হয় ৷
মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য যোগাযোগ করা হলে, ইউপি সদস্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়—সুবিধা পেতে ৫,০০০ টাকা দিতে হবে। সেই টাকা দেওয়ার পরও আমার স্ত্রীর মাতৃত্বকালীন ভাতার তালিকায় নাম দেওয়া হয়নি। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। সরকারি সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে এ ধরনের অর্থ দাবি ও লেনদেনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুষ্ঠু তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।
তফশিল অফিসের অফিস সহকারী & পিয়ন মিলে সিন্ডিকেট করে। নায়েব অনেকটাই নিরুপায়। কোনো নামজারি & খাজনা দিতে গেলে ওদের মাধ্যমে দিতে হয়। তা না হলে এই ভুল সেই ভুল বলে বাতিল করে দিবে। কিন্তু যদি বলা হয় যে আমার ডকুমেন্টস এ কি কোনো প্রব্লেম আছে তখন সেটা দেখবে না। কিছু বলবেও না। আর অফিস সহকারী তো বলেই বসলো যে এসিল্যাড টাকা ছাড়া কাজ করে না। তবে তোমাদের (পাব্লিকের) কাছে থেকে নিবে না। আমদের (অফিস সহকারী / পিয়ন) মাধ্যমে গেলে নিবে। কি আর করা। অফিস সহকারী আর পিয়ন যে কত টাকার মালিক হয়েছে দুদুক ওদের ইনকাম সোর্স চেকিং করলেই বের হবে। আমি মনে করি সারা দেশের মানুষ ওদের এই জালায় আছে। আর অফিস এর কথা কি বলবো সিস্টেম এমন ভাবে ডিজাইন করা ওরা জাতে খেতে পারে তেমন ফাক ফোকর রেখে দিয়েছে। আংশিক খাজনা নিবে না। কিন্তু ওরা পারে
তদন্ত অফিসার বাড়িতে এসে ২৫০০ টাকা ঘুষ নিয়ে যায়
২০২৪ সালে আমার স্মার্টফোনটি চুরি হয়ে যায়। তখন দৌলতপুর মডেল থানায় একটা সাধারণ ডায়েরি করতে যাই। দায়িত্বরত কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে ২০০ টাকা খরচ চায়। আমি তখন জানতাম না যে জিডি করতে কোন টাকা লাগে না। আমি টাকা পরিশোধ করে দেই। উনারা কোন আপডেট আমাকে জানায়নি। আমি কয়েকবার ফোন দিয়ে খোঁজ নিয়েছি ফোনটি পাওয়া গিয়েছে কিনা।
ভোলার চরফ্যাশন থানার একজন পুলিশ আমার কাছ থেকে পাসপোর্ট ভেরিফিকিশন এর জন্য ২০০০ টাকা চেয়েছিলো আমি তাকে দিতে না করা সে আমার ভুল রিপোর্ট জমা দিয়েছে যার কারনে আমাকে আবারো পাসপোর্ট অফিসে যেতে হয় এবং পরবর্তীতে আবারো আমার ভেরিফিকেশন আসে এবার সে আমার সাথে ধানাই পানাই করে এবং ৪০০০ টাকা দাবি করে তখন আমি বাধ্য হয়ে তাকে টাকা দেই।
২০২৩ সালের মার্চ মাসে যখন আমি পাসপোর্ট করাতে যাই তখন আমার সব কিছুই ঠিক ছিল কিন্তু তারা আমার ইমারজেন্সি পাসপোর্ট দিতে অস্বীকৃত করল। এভাবেই ৩ দিন চলল। আমি আমার পাসপোর্ট হাতে পেলাম না। তখন পাসপোর্ট অফিসে কর্মরত গার্ড কে আমি বিষয় টা বলি তিনি বলেছেন ১ ঘণ্টার ভিতরে আমার পাসপোর্ট দিয়ে দিবেন তবে তাকে কিছু নাস্তার টাকা দিতে হবে। আমি যখন তাকে জিজ্ঞেস করলাম কত টাকা তখন তিনি ৫০০০ টাকার কথা বলেন। পরে আমি তাকে আরও ভালো ভাবে বুজিয়ে বলি তারপর তিনি ৪০০০ হাজার টাকা নিতে রাজি হন। ঠিক টাকা দেওয়ার সাথে সাথে ৩০ মিনিট এর মাথায় তিনি আমার পাসপোর্ট এর সম্পূর্ণ বিষয় টি সমাধান করে দেন.
পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করেছিলাম, বায়োমেট্রিক এর ডেট পড়েছে দুই মাস পরে। আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসের সামনে দরবেশ বাবারা বসে থাকে। তারা বলল তাদেরকে মোট ১০৫০০ টাকা দিলে ২ ঘণ্টার মধ্যে বায়োমেট্রিক কমপ্লিট করে দিবে। তারপর দরবেশ বাবা টাকা দিলাম আসলেই দুই ঘণ্টার মধ্যে কাজ হয়ে গেছে। পাসপোর্ট ডেলিভারির দিন, ভিতরে বিশাল বড় লাইন ছিল কিন্তু সেখানে আনসাররা ঘুষ খায়। একটা আনসারকে ৫০০ টাকা দিলাম সেই লাইন ছাড়াই নিজেই সবকিছু কমপ্লিট করে নিয়ে এসেছে।
বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নে নাগরিক সনদ পত্র অনলাইনে আবেদন করা এবং সরকার কতৃক নির্ধারিত ফি জমা দেওয়ার পরেও ইউনিয়ন পরিষদে অতিরিক্ত টাকা আদার করে। টাকার পরিমাণ হয়তো কম -১০০ টাকা করে ২ টির জন্য ২০০ টাকা। কিন্তু এটা অন্যায়। এমন ধরনের যত সনদ আছে যেমন পারিবারিক, ওয়ারিশ, মৃত্যু, চারিত্রিক সনদ সকল ধরনের সনদের অনলাইনের ফি এর পরেও অতিরিক্ত টাকা আদায় করে।
গৌরীপুর থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিতে গিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নিতে গেলে একজন পুরুষ পুলিশ সদস্য আমার কাছে ৪,০০০ টাকা দাবি করেন। আমি তাকে বলি, “ভাই, এই মুহূর্তে আমার কাছে এত টাকা নেই, আমার আর্থিক অবস্থাও ভালো না।” কিন্তু তারপরও তিনি রাজি হননি। পরবর্তীতে সার্টিফিকেট আসার পর তিনি আবার “মিষ্টি খাওয়ার জন্য” বখশিশ দাবি করেন। সরকারি একটি সেবা নিতে গিয়ে এমন অভিজ্ঞতা সত্যিই হতাশাজনক। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ—বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করা হোক এবং অনিয়ম হয়ে থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকতার ২বছর পূর্ণ হওয়ায় চাকুরী স্থায়ী করণের জন্য ৫০০০০ হাজার জেলা প্রাইমারি শিক্ষা অফিসারের জন্য ও উপজেলা প্রাইমারি শিক্ষা অফিসারের জন্য ৪০০০০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। ওনাদের দাবী ছিল জনপতি ৩০০০ করে ৫০ জনে ১৫০০০০ টাকা। আমরা ৫০ জনে ৯০০০০ টাকা পরিশোধের বিনিময়ে চাকুরী স্থায়ীকরন করা হয়।
পাসপোর্ট বানাতে গিয়ে সকল ডকুমেন্টস দেওয়ার পরও কোন না কোন কারণে অর্থাৎ কোন ডকুমেন্টসের অজুহাত দিয়ে ওনারা পাসপোর্টের ফিঙ্গার এবং ছবি তুলতে অস্বীকৃতি জানায়। নিরুপায় হয়ে আমি টাকা দিয়ে কাজটা শেষ করি কারণ আমার অতি দ্রুত পাসপোর্টটা প্রয়োজন উনারা যে কাগজপত্রের কথা বলছে এগুলা যোগাড় করতো আমার অনেক সময় লেগে যাবে। পাসপোর্ট করতে নাগরিক সনদপত্র কেন লাগবে আমি জানিনা। বেকারত্বের সার্টিফিকেট কেন লাগবে তাও আমি জানিনা। অনলাইনে যখন আবেদন করেছিলাম তখন আন ইমপ্লোড দিয়ে এপ্লিকেশন সাবমিট করেছিলাম