পাসপোর্টে পুলিশ ভেরিফিকেসন
পুলিশ আমার ছোট ভাইকে কল করে এবং দেখা করে ৮০০ টাকা দাবি করে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পুলিশ আমার ছোট ভাইকে কল করে এবং দেখা করে ৮০০ টাকা দাবি করে।
এমপিওভূক্ত মাদ্রাসার শিক্ষকের নামের একটা শব্দ সংশোধনের জন্য কাগজপত্রাদি জমা দিতে গেছিলাম মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে, নিউ বেইলি রোড। সেখানে উপর থেকে নিচ সব পজিশনেই ঘুষ চলে। টাকা ছাড়া কাগজ পর্যন্ত জমা নেয়না। আবেদনপত্র ও ডকুমেন্টস জমা নেয়ার জন্য ১০০০ টাকা দিতে হয়েছে। পিওন ও সেখানকার ডকুমেন্টস রিসিভার বলছে যে এই টাকা উপর স্যাররা নিতে বলেছে। টাকা না দিলে আবেদনপত্রটি পরবর্তী কার্যক্রমে গতিশীল করবেনা এই ভয়েই টাকা জমা দিতে হয়েছে।
বাবা মারা যাওয়ার পর মায়ের নামে পেনশন পরিবর্তনের জন্য সকল কাগজপত্র, ফর্ম পূরণ থেকে শুরু করে সকল কাজ করার পর ও দীর্ঘদিন আমার ফাইলটি আটকে রাখা হয় পরবর্তীতে আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা দাবি করে।।। আমি নিরূপায় হয়ে তা পরিশোধ করি ।
I had a long pending FD as it matured long time ago and I was residing at Dhaka. I had to go to Chittagong Government Post Office (GPO) to collect the money from Dhaka. Understanding my scenario, they made the process more bureaucratic and asked for 5000 BDT to close the issue. I tried not giving the money, but it would have costed me more with the transportation and other cost (Dhaka-Ctg). Finally settled at 3000 BDT. Cash transaction took place at 11:45 am on 24th Aug,2026 at GPO.
4 year diploma in medical laboratory technology বিষয় এ internship করতে Institute এর সবাইকেই এই ঘুষ প্রদান করতে হয়েছে।
ঘুষ না দিলে পাশ হবে না মর্মে ঘুষ দিতে বাধ্য হয়ে দেয়া হয়েছে।
বরিশালের উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নে ইউনিয়ন পরিষদ কতৃক নাগরিক সনদ সহ সকল ধরনের সনদের জন্য অনলাইনের ফি জমা দেওয়ার পরেও অতিরিক্ত ১০০ টাকা করে আদায় করে।
আমাকে বলল নামজারি করতে হলে ১০ হাজার টাকা দিতেই হবে
আমার বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবার জন্য ভাতা পাওয়ার আবেদন করার কথা বলে [অভিযুক্তের নাম] আমার কাছ থেকে ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা ঘুষ নেন। টাকা নেওয়ার পর তিনি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরবর্তীতে আমি উকিল নোটিশ পাঠালে তিনি টাকা ফেরত দেওয়ার লিখিত অঙ্গীকার করলেও এখন পর্যন্ত তা দেননি। এই প্রতারক ও ঘুষ গ্রহণকারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আমার টাকা উদ্ধারের দাবি জানাচ্ছি।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।সনদ শাখায় সহকারী যারা রয়েছেন,ঘুষ ছাড়া কাজ করেন না।আমার সনদ তুলতে যাই,তখন খুজে পায় না।টাকা দাবি করল প্রতি কপি ৫০০ করে দিতে হবে।এসস সি সার্টিফিকেট, মার্কশীট সংশোধিত হয়েছিল।তোলার দিন টাকা চাইল।দুইটা কপি নিতে ১০০০ টাকা দিতে হয়েছিল।সিড়ি হতে নামার সময় চোখে পানি আসল,কি শিখলাম পড়াশোনা করে,যেই বিদ্যাপিঠের কারিগরে ঘুষ বানিজ্য চলে।
আমি চাকুরী হতে অব্যাহতি নেই ২০১৭ সালে। তখন জিপি ফান্ড এর অর্থ চূড়ান্ত উত্তোলন করার সময় রাজনগর হিসাবরক্ষণ অফিসের কথা বলে আমার কাছ থেকে ৫০০০/- নেয় পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, রাজনগর এর একজন কর্মচারী।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করে লার্নার সংগ্রহ করেছি। একাধিকবার ভালো পরীক্ষা দিলেও আমাকে অকৃতকার্য দেখানো হয়। পরবর্তীতে দালালের মাধ্যমে ১২ হাজার টাকা কন্টাকে পরীক্ষায় নাম মাত্র উপস্থিত হয়ে মাত্র তিন দিনের মাঝে প্রফেশনাল ড্রাইভিং লাইসেন্স হাতে পাই
পাসপোর্ট করার জন্য স্বাভাবিক নিয়মে আমি আবেদন করি যখন পাসপোর্ট অফিসে কাগজ জমা দিতে যায় তখন তারা আমারআমার কাগজ ভুল বলে আমি দেখলাম যারা দালাল ধরেনি তাদের কাগজগুলো ভুল ধরছে এবং যারা দালাল ধরছে তাদের কাগজ গুলা আলাদা সাইট করে রাখে এবং তাদের পাসপোর্ট হয়ে যাচ্ছে তখন আমি বুঝতে পারলাম দালাল না ধরলে আমার পাসপোর্ট হবে না পরবর্তীতে আমি পাসপোর্ট অফিসের সামনে কম্পিউটারের দোকানে যোগাযোগ করলাম তারা বলল আমরা সমস্ত কাগজ সাজিয়ে দেবো আপনার কাগজ ভালোভাবে ওরা চেকও করবে না শুধু আপনাকে ২০০০ টাকা দিতে হবে আমি তাদের কথামতো টাকা দিলাম এবং কাগজগুলো পাসপোর্ট অফিসে জমা দিলাম পরবর্তীতে আমার পাসপোর্ট হয়ে গেল এই ঘটনাটি মাত্র তিন মাস আগের।
আমাদের ছয় ভাইবোন এর মাত্র ১৩ গন্ডার মতো জায়গা নাম জারি করতে ৩০০০০০ টাকা দাবি করে পরে ২০০০০০ টাকার বিনিময়ে কাজটা সমাধান করা হয়। একই ভাবে উক্ত অফিসে আমার বাব চাচারাও নাম জারি করতে ৩-৫ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন অফিসে নতুন ফ্ল্যাট এর ট্যাক্স রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়া বিপাকে পড়েছি, অন্যায় ভাবে নির্ধারিত টাকার বাইরে ১২০০০ টাকা দাবি করেছিলো, যা পরিশোধ না করায় । আমি আমার ফ্ল্যাট সিটি কর্পরপোরেশন ট্যাক্স দিতে পারছিলাম না । পরবর্তিতে আমার দারোয়ানের মাধম্যে ৪০০০ টাকায় রাজি হয়েছে । পরে জানতে পেরেছি তারা সকল নতুন ফ্ল্যাট এর জন্য এক্সট্রা ৪০০০ টাকা নেয় । শুধু ওই বাড়ির কেয়ার টেকারের মাধ্যমে , যা উচ্চ পর্যায় পর্যন্ত ভাগ বাটোয়ারা হয় ।
১৫ বছর যাবত গাড়ীর ফিটনেস করাচ্ছি। অনেক কষ্টে ফিটনেস করানোর জন্য গত মাসে সিরিয়াল নিয়েছি। কাছাকাছি আসার পর আমার কাছে ১৫ বছর আগে যে গাড়ী সিএনজি করেছিলাম সেটার কাগজ চেয়েছে। না দিলে লাইন থেকে বের করে দিবে। ৩৫০০/- টাকা দিলে করে দিবে। তখন বাধ্য হয়ে ৩৫০০/- টাকা দেই। এর আগে কখনোও গাড়ী সিএনজি করার কাগজ চায় নাই। এ সরকার আসার পর এই নতুন ব্যবস্থা।
বায়োমেট্রিকের জন্য আবেদন জমা দিলে আমার আবেদন থেকে অনেকগুলো অসংগতি বের করলো এবং বলা হলো পুনরায় আবেদন ফরম পুরণ করে আনতে এবং প্রতিটি তথ্যের জন্য আলাদা ডকুমেন্ট চায় যা যথেষ্ট সময় সাপেক্ষ। অথচ বাইরে বের হওয়ার পরে একজন আমার সমস্যার কথা জিজ্ঞেস করলেন, আমি বললাম। তিনি আমার কাছে ১৫০০ টাকা চাইলেন। আমিও রাজি হলাম। আমার ওই "ত্রুটিপূর্ণ" আবেদন নতুন করে প্রিন্ট করেই আমার কাজ হয়ে গেল এবং আমার কোনো সিরিয়াল লাগেনি। সোজা বায়োমেট্রিকের রুমে নিয়ে গেছে, সেখানে শুধু আমার সাইন রেখে বেশ কিছু জায়গায় এডিট করলো। ব্যাস, কাজ হয়ে গেলো।
১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ড বোর্ড চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন অফিস যা চৌধুরীহাট স্টেশনে অবস্থিত সেখানে নিযুক্ত জন্ম নিবন্ধন করার লোক প্রত্যেক মানুষ থেকে ১ টি জন্ম নিবন্ধন বাবদ ২০০ টাকা করে নেয়। এক ওয়ার্ডের এই অবস্থা হলে কত কোটি টাকা উঠে এইসব কিছু থেকে?
আমার এক ভাইয়ের গাড়ি ধরেছিল সার্জন পুলিশ। গাড়ির লাইসেন্স/ড্রাইভিং লাইসেন্স সবকিছুই আছে।যাস্ট হেলমেট সাথে নিতে ভুলে গেছিলো।তার জন্য ৩০০০৳ জরিমানা তো করেছেই। আবার গাড়িও ছাড়ছিল না অনেকক্ষন আটকে রেখেছিল
পৈতৃকসম্পত্তি ওয়ারিশদের নামে নামজারির জন্য বিএস খতিয়ান ও ওয়ারিশ সনদ আবেদন করলে। ভুমি অফিস বলে- বিগত সকল দলিল দস্তাবেজ ও বাটোয়ারা দিলল লাগবে, শুধু রেকর্ড দিয়ে নামজারি হবেনা। কিন্তু আরেকজন বলে ১০০০০/- টাকা দেন আমি করে দিবো পরবর্তীতে ৯০০০/- টাকা দিয়ে দুই কর্ম দিবসেই নামজারি করে দিয়েছে।