দলিল রেজিষ্ট্রেশন
দলিল রেজিষ্ট্রেশন করা বাবদ সাব-রেজিস্টার অফিসে ১০,০০০ টাকা ঘুস দিতে হয়েছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
দলিল রেজিষ্ট্রেশন করা বাবদ সাব-রেজিস্টার অফিসে ১০,০০০ টাকা ঘুস দিতে হয়েছে
আমি আমার পাসপোর্টে হারিয়ে ফেলি তার জন্য জিডি ও করা হয় নতুন পাসপোর্ট করতে গেলে সরকারি ফ্রী দেওয়ার পরেও লাইন ম্যানেজ করার জন্য ৩০০০ টাকা চাওয়া হয় যদি সেটা না দেই তাহলে ফিঙ্গার দেয়ার যাবে না বিভিন্ন হয়রানি করা হবে এজন্যই, নতুন পাসপোর্ট করতে গেলে লাইন ম্যানেজ খরচ ২০০০ টাকা আর হারিয়ে যাওয়া পাসপোর্ট দিতে আবার করতে গেলে ডবল লাইন খরচ চার হাজার টাকা, ১০০০ টাকা ডিসকাউন্ট দিয়ে ৩০০০ টাকা নেয়।
একটা চাকরিতে যোগদানের জন্য জেলা সিভিল সার্জনের অফিস থেকে হেলথ সার্টিফিকেট নিতে গিয়েছিলাম। সেখানে নিয়ম হচ্ছে হেলথ সার্টিফিকেট নিতে ১০০ টাকা জমা দিতে হয়। কিন্তু তারা সবার কাছে ৫০০ টাকা দাবি করে। ১০০ টাকা সরকারি খাতে জমা দেই আর বাকি ৪০০ তারা মিষ্টি খাওয়ার জন্য নেই। আমরা ১০০+ জন ছিলাম। প্রায় সবাইকেই ঐ অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়েছে। সেখানে নাকি এভাবেই ১০০ এর পরিবর্তে ৫০০ টাকা দিতে হয়।
মিস কেইস মামলার রায় হয়েছে সেই রায় লিখে দিবে তার জন্য দিতে হবে ৫০০০০ টাকা ৩০০০০ টাকা দিয়েছি তার পরেও কাজ শেষ করে দেয় নাই।
কোন TA/DA বিল এবং ওভার টাইম বিল সহ যে কেন বিল পাশ করাতে হলে SFC মীরপুর কে ১% টাকা দিতে হয় না হলে কেন বিল পাশ হয় না,, এটা থেকে প্রতিকার চাচ্ছি। এটা রেগুলার।।
নতুন ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য আমি গেলে সব পেপার দেখে বলে ব্যাংক এর টাকা বাদে 4000 টাকা লাগবে না হলে হবে না আমার urgent houar karone taka diye diyechi
Cha pan khawar taka.
আমরা সরকার এর কাছে ধান বিক্রি করতে গেলে, খাদ্য গুদাম মহিলা করমকরতা আমাদের কাছে ৩০০০ টাকা নেন।
২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে আমি ঢাকার উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্টের সব কাগজ জমা দিতে গিয়েছিলাম ৪ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়ানোর পর যখন আমার পালা আসে, তখন সে তন্নতন্ন করে খুঁজেও আমার কোনো ভুল ধরতে পারেনি। পরিশেষে সে লাল কালি দিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্মনিবন্ধনের নাম্বার কেনো একসাথে দিয়েছি জানতে চায়। আমি বলি দুটো অপশন ওপেন ছিল তাই দিয়েছি, সে বলে না এটা হবে না, আপনি নতুন করে আবেদন করুন। পরে আমি জানতে চাই টাকা রিফান্ডের প্রসেস, সে বলে অনলাইন পেমেন্ট রিফান্ডের কোনো সুযোগ নেই। পরে আমি বেশ হতাশ হয়ে ফিরে আসি, আবেদন আর প্রত্যাখ্যান করি নাই। ২০২৫ সালের জুনে আমার পাসপোর্ট বানানো অতিব জরুরি হয়ে পড়ে, তখন ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখি আমার আবেদন খারিজ হয় নি। পরে পাসপোর্ট অফিসে ৩০০০/- ঘুষ প্রদানের মাধ্যমে পাসপোর্ট হাতে পাই।
২০২৩ সালে আমার আব্বুর চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যেতে হতো তাই তার পাসপোর্ট বানাতে গিয়েছিলাম সব প্রসেস হওয়ার পর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য সাভার থানায় যেতে বলা হয়েছিল সেখানে যাওয়ার পর দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার ১০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে আমাদের পাসপোর্ট ছিল দুইটি আমার ভাইয়ের একটি ছিল দুইটার জন্য ২ হাজার টাকা ঘুষ চাওয়া হয় কোন রাস্তা না থাকা সেটি দিতে হয়েছিল, বিষয়টি অনেক পুরনো কিন্তু বিষয় হচ্ছে সে অফিসার গুলা এখনো দায়িত্ব প্রাপ্ত রয়েছে এবং কাজ করে যাচ্ছে এবং তাদের কোন শাস্তিও হয়নি। এমনকি বিগত সরকারের সময়ে এই সাভার থানার পুলিশ অফিসাররা সবচেয়ে নিকৃষ্ট কাজ করেছে তাদের কোন শাস্তিও হয়নি ওপেন ফায়ার করেছে তারা অনেককে মেরেছে।
জরুরী প্রয়োজনে সোনালী ব্যাংক পারুলিয়া শাখায় গিয়েছিলাম একাউন্ট খোলার জন্য,এখন হবেনা বলে নিষেধ করে দেয়, পরে এক সিকিউরিটি গার্ড চা,পান খাওয়ার ব্যাবস্থা করে দিলে সব ব্যাবস্থা করে দিবে বলে ,কিন্তু ব্যার্থ হয়,আবার পুনরায় পরের দিন 15 কিলো দুর থেকে অসুস্থ মা,শিশু কে নিয়ে পরের দিন গিয়ে একাউন্ট খোলা হয়
আমার একটি নামজারির আবেদনের ইউনিয়ন ভুমি অফিসার রিপোর্ট দিবেন।তার বিনিময়ে ২০০০ টাকা চেয়েছে। অনেক অনুরোধের পর ১৫০০ টাকা পরিশোধ করেছি।পাশাপাশি সরজমিনে তদন্তের জন্য ৫০০ টাকা দাবি করেছে তাও পরিশোধ করেছি।
When I went to the Khilgaon Councilor's office to get my citizenship certificate for Dhaka Ward No. 4, they asked me for 200 BDT. When I refused to pay, they demanded at least 100 BDT. I paid the 100 BDT out of fear that they would intentionally delay issuing my certificate otherwise. Then I got my Citizenship Certificate after 2 days.
Thanay ghush dite hoyeche police clearance certificate er jonne.
২০১৫ সালে আমার প্রথম পাসপোর্টের আবেদন করি, কিন্তু তারা কোনভাবেই আবেদন গ্রহণ করেনি, অনলাইন আবেদন করে নিয়ে গেলেও বলে সার্ভার কাজ করছেনা! পরবর্তিতে ১৫০০ টাকা দাবি করে আবেদন জমা নেওয়ার জন্য, যে আবেদন জমা নিয়েছে সে ৫০০ রেখে বাকিটা অফিস প্রধানকে দিয়েছে! ভালো রকমের একটা সিন্ডিকেট ছিলো, হাজীরাও রেহাই পায়নি...
ট্যাক্স সারকেলঃ২০৩, ট্যাক্স জোনঃ ১০ , লিফটের ৭/৮ তলায় অবস্থিত অফিস থেকে গত নভেম্বর ২০২৪, আমার কাছ থেকে শুধুমাত্র ট্যাক্স জমা দেয়ার প্রত্যয়ণ পত্র পেতে আমার কাছ থেকে তারা ৫০০০ হাজার টাকা চা নাস্তার টাকা দাবি করে, যেহেতু ব্যাংকের কাজের জন্য আমার এটা জরুরি ছিল, তারা আমাকে বলে ১ মাস ও লাগতে পারে এর জন্য, এই বলে আমাকে ভীতি প্রদর্শন করে, তারপর অনেক অনুনয় করার পর ২০০০ টাকা নিতে রাজী হয়, ৫ মিনিট পর তারা আমার প্রত্যয়ন পত্র প্রদান করে।
স্কুল থেকে এসএসসির মার্কশিট নিতে আর প্রশংসা পত্র নিতে,,সরকারি স্কুল হাওয়া সত্বেও,, লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়
আমি অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদন করেছিলাম। সব ঠিক ছিল। কোন ঝামেলা ছিল না। কিন্তু যিনি পাসপোর্ট ভোরিফিকেশনের জন্য আমার বাসায় এসেছিলেন উনাকে ৮০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল।
নামে ভুল ছিলো, আইডিতে ঠিক করা হয়েছে, নতুন আইডি অনুযায়ী নাম পরিবর্তন করে দরখাস্ত করা হয়েছে তাই এটা ৬ মাস পরে করতে হবে, বলে ফিরিয়ে দেয়, অনেক জায়গায় ঘোরাঘুরি করেও কাজ না হলে পাশে এক দোকানদার বলে আপনার কাছে চাওয়ার সাহস পায়নি, ২০০০ টাকা সাথে দিলেই সব হবে, পরে তাই হয়েছে। তরখাস্ত জমা দেওয়ার কাউন্টার।
দাদীর টেষ্টের রিপোর্ট করতে গিয়েছিলাম হৃদরোগ ইন্সটিটিউট শ্যমলী তে, ইমার্জেন্সি ছিলো, হার্ট এটাক এর রোগী, রিপোর্ট এর জন্য কোনো মানি রিসিট না দিয়ে টেষ্টের কাগজের উপর লাল দাগ দিয়ে ছিলো, আড় এক্সট্রা টাকা নিয়েছিল। আবার হৃদরোগ এর আই সি ইউ তে রোগীর সাথে একজন থাকা লাগে, সেখানে ঢুকতে বের হতেও আনসার কে টাকা দেয়া লাগছে।