Bpdb/Wapda Chittagong
Current er phase or main wire e somossa hole complaint korar pore jara eshe fix kore tader taka dewa lage but eta to tader job
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Current er phase or main wire e somossa hole complaint korar pore jara eshe fix kore tader taka dewa lage but eta to tader job
In July 2026, I attended the Basila Passport Office for biometric submission (fingerprints and photograph) following my online renewal application. The presiding officer advised that additional documentation—namely a marriage certificate and a councillor-issued address certificate—was mandatory, despite my previous passport already listing a "married" status. Upon exiting, several intermediaries approached me, asserting that these documents were unnecessary. They offered to expedite the process on the same day for a fee of 3,000 BDT, which I negotiated to 2,000 BDT. Following this payment, the same officer proceeded with my renewal without any further remarks or requests for the previously.
আমরা কয়েকজন মিলে গ্রামে কিছু কৃষি জমি ক্রয় করি। ক্রয় করার পর নামজারি করতে গেলে ভূমি অফিসের লোক কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও ৪০০০০ টাকা দাবি করে। ঐ দিন টাকা না দেওয়ার বিভিন্ন অজুহাতে কাগজে সমস্যা আছে বলে নামজারি করেনি। পরবর্তীতে ৩০০০০ দিলে একই কাগজ মোতাবেক নামজারি করে দেয়। ভূমি অফিসের প্রধানকে জানিয়েও কোন লাভ হয়নি। সব তারা জড়িত।
আমার স্কুল বাড়ি থেকে মোটামুটি বেশ দূরে....দুটি ছোট বাচ্চা নিয়ে দুই তিন বার গাড়ি পরিবর্তন করে যাওয়া অনেক কঠিন ছিল। তার উপর স্বামীর সাথে সম্পর্ক খারাপ যাচ্ছিল.....সে চাচ্ছিল আমি চাকরি ছেড়ে দেই যাতে সে বাসায় আমাকে নির্যাতন করতে পারে। তার নির্যাতনে ইতোমধ্যে আমার মানসিক সমস্যা হয়েছিল। পরে এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছিলাম..এসব কারণে কাছের স্কুলে আসতে ছেয়েছিলাম। অথচ যৌক্তিক কারণ ছাড়া আমাকে বদলির আদেশ দিচ্ছিল না..শিক্ষা অফিসার ও অফিস সহায়ক নানারকম যুক্তি দেখায়...খারাপ ব্যবহার করত....পরে কলিগরা সবাই পরামর্শ দিচ্ছিল ঘুষ দেয়ার জন্য। শেষে ঘুষ দেয়ার পরে বদলির আদেশ হাতে পেলাম
একজন সার্ভেয়ার তার সহকারী ও ড্রাইভার নিয়ে মিস কেস এর বাদী ও বিবাদীর বাসায় যান। সরেজমিনে ভূমির পরিমান ও দখল দেখতে। তিনি দেখলেন। বাদী ও বিবাদী আপোষ মিমাংসা করে দখল ঠিক রেখেছেন। দুই পক্ষের সই গ্রহন করে চলে আসলেন। গাড়ী ভাড়া ২,০০০/ টাকা পরিশোধ করা হলো। অফিসে আসলে বিভিন্ন কথা বলে টাইম পাশ করে। শেষে বলেন উকিলের মাধ্যেমে সমাধান করতে হবে। উকিল সাহেব আসলে ১০,০০০/- টাকার কমে রিপোরট দিতে পারবেন না জানিয়ে দিলেন। অতবএব ১০,০০০/- পরিশোধ করতে হবে। অনুরোধ করেছিলাম। গরীব পরিবার, ছেলেটির বাবা নাই। দেখেন ৫ হাজার টাকায় রিপোর্ট টা করে দেয়া যায় কিনা? না হবে না। এভাবেই ঘুষ দিতে হলো।
আমি পাসপোর্ট আবেদনের ফাইল জমা দিতে গিয়ে পরপর কয়েকদিন ঘুরে আসি। নানান অজুহাতে আমাকে ঘুরিয়ে দেয়া হয়, একদিন রীতিমতো বাকবিতণ্ডা হয় আমার সাথে। পরে এক পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনের এক অনলাইনের দোকানে যোগাযোগ করি। তারাই টাকার অফার করে, আমারও জরুরি দরকার থাকাতে সেটা দিই। পরে সেদিনই আমার ফাইলও জমা হয়ে যায় আর বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টও।
গাড়ীর সব কাগজ নবায়ন ও সব ধরনের সরকারী ফি পরিশোধ করার পরেও দালালের মাধ্যমে ঘুস দাবী করেছিলো। তা না হলে ২৭ প্রকার টেস্টের সম্মুখীন হতে হবে। গাড়ী পরীক্ষায় যদি কোন একটিতে ভুল পায়, তাহলে তা সংশোধন করে আবার বি আর টি এ তে ফি দিয়ে নিয়ে যেতে হবে। গাড়ীতে কোন ধরনের সমস্যা না থাকার পরেও ভিন্ন ভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে তারা ফিটনেস নবায়ন না করে ঘুসের জন্যে আটকিয়ে দেয় বিধায় বাধ্য হয়ে ঘুস দিতে হচ্ছে। সরকারের উচিত, এসব সরকারী অফিসগুলো অটোমেশন করা। তা না হলে জনগণের দুর্ভোগ শেষ হবে না।
২০১৮ সালের কথা। তখন আমাদের জমি খারিজ করার জন্য উপজেলা ভূমি অফিসের সহযোগিতার জন্য যায়। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের একাধিক কর্মচারী দলিল প্রতি কেউ ৩০০০ কেউ ৩৫০০ টাকার বিনিময়ে জমি খারিজ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। সেই কাজ শেষ হয়েছে চার বছর পর। দলিল প্রতি আমার মোট খরচ হয়েছে ৪৫০০ টাকা। এছাড়া যেসব দলিল হারিয়ে গেছে সেসব দলিলে নকল তোলার জন্য দলিল প্রতি আমাকে তিন হাজার টাকা করে পরিশোধ করতে হয়েছে। কিন্তু জমি খারিজ বা ই নামজারি ক্ষেত্রে সরকারি ফি ১১৭০ এবং জমির নকল দলিল তোলার ক্ষেত্রে ৮০০ এত টাকা হওয়ার কথা ছিল।
জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুল থাকার কারনে পে ফিক্সেশন করাতে পারিনি। পরে সংশোধন করে এরিয়ার বিল করার সময় এক মাসের বেতন দাবি করে রাঙ্গুনিয়া হিসাব রক্ষন অফিস।রাঙ্গুনিয়া শিক্ষা অফিস করে ২০০০। আমার মোট বকেয়া বিল ছিলো ৫২০০০/-। পরে ২০০০০/- ঘুস দিয়ে এই বিল এপ্রুভ করাতে হয়। রাঙ্গুনিয়া হিসাব রক্ষন অফিস কে জিপিএফ ফান্ডের টাকা উত্তোলন করার সময় ২০০০/- ঘুষ দিতে হয়।জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করে পে ফিক্সেশন করার জন্য ২০০০/- দিতে হয়। ফেনি হিসাব রক্ষন অফিস কে জিপিএফ ফান্ডের একাউন্ট করার জন্য ২০০০/- এবং নতুন বেতন বিল করার সময় ৫০০০/- । এরা হচ্ছে লেখক আবু ইসহাকের জোক।
বাইক রেজিস্ট্রেশন করার সময় বাইক পরিদর্শন অফিসার বিলম্ব করছিল। টাকা দেয়ার সাথে সাথে তিনি পরিদর্শন সম্পন্ন করেন।
অনার্সের স্টুডেন্ট। বয়স প্রায় ২২ বছর। সব ধরনের এভিডেন্স দেওয়ার পরও। বরিশাল পাসপোর্ট অফিস ও জন্মনিবন্ধন অফিস যোগসাজশ করে ১৭ বছর বয়স দিয়ে নতুন জন্মনিবন্ধন করে পাসপোর্ট করে।
২৫ বিঘার কম কৃষি জমির ভূমি উন্নয়ন কর জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে হয়রানি। ২৫ বিঘার কম কৃষি জমির মালিক কিনা তার প্রমাণ দিতে বলে। এই হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে চাই।
৫০০০ টাকা ন দিলে দলিল রেজিস্ট্রি করবেনা।পরে অনেক কষ্টে, হাতে-পাঁয়ে ধরে ৩০০০ টাকা দিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করি।
Amar sathe bike ar kagoj nite vule gesilam ar jonno amie bolsilam sir amie kagoj niye ase dei na hoi amar phone photo ache seta dekhai police bolse hobe na tk dan
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দাবি করে। আমি জামেলায় না জরিয়ে পরিশধ করি।
ফায়ার সার্ভিস এর লাইসেন্স নবায়ন ফি ৩৬০০ টাকা ৪০০ টাকা অন্যান্য ফি। কিন্তু আমার কাছে অতিরিক্ত ৭০০০ টাকা সহ মোট ১১০০০টাকা নিয়েছে।
চুপ করে টাকা নেয় কর্মকর্তা
টাকা না দিলে খারিজ হবে না। এখনো হয় না। আমার ঘটনা ১ বছর আগের।
সময়টা ২০২৫ সাল। আমি আমার ক্রয়কৃত জায়গা নামজারি করাতে ভূমি অফিস যাই। আমার সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। আমমোক্তারনামা বলে জায়গা ক্রয় করি। ক্রয়ের আগে আমমোক্তার যাচাই করা হয়। কিন্তু ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার বলে আমমোক্তারনামা যাচাই করতে হবে। সময় লাগবে ৭ দিন। আমি বলেছিলাম এটা যাচাই করা আছে। তিনি বললেন ২০০০ টাকা দিলে এখনই সমাধান হয়ে যাবে। পরে বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দেই।
amder pray 6 lak jomanu tk chilo dak office e pore ek kormochari tk dewar khota bole room e nie cha natar th chai.......amr ammu poe oke 1000 tk dei ..........ami sobar samne er protibad kori .......but keo amake support korenai...