GPF
জিপিএফ একাউন্ট এক্টিভেট করার জন্য ঘুস চেয়েছিলেন। না দেয়ার কারণে ২ মাসেও এক্টিভেট হয় নি। তাই ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। এই দেশের প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে গেলেই টাকা দিতে হয়। টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জিপিএফ একাউন্ট এক্টিভেট করার জন্য ঘুস চেয়েছিলেন। না দেয়ার কারণে ২ মাসেও এক্টিভেট হয় নি। তাই ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। এই দেশের প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে গেলেই টাকা দিতে হয়। টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না।
বয়স্ক, বিধবা সহ অন্যান্য ভাতা ভোক্তাদের নাম কেটে দিয়ে পূনরায় এন্ট্রির জন্য অর্থ দাবি করা হয়।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে নির্ধারিত টাকার বাহিরে অতিরিক্ত টাকা ছাড়া ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন হয় না বা করে না তারা বলে এটা নাকি অফিস খরচ আমি বললাম আমি তো সব টাকা জমা দিয়েই দিয়েছি তাহলে এটা আবার কিসের টাকা বলে যেটা অফিস খরচ এই বলে বাড়তি টাকা নেয়
In 2023, my nephew lost his mobile phone in a area which comes under Kodomtoli PS. We registered a GD at the PS. After a week, one ASI called and told me that the phone has been located outside dhaka. They would retrieve it only if we would pay some bribe. I refused but my nephew insisted that he needed the phone. He asked for 5000 and after some negotiation, he accepted 4000. We got the phone the next week.
প্রতিমাসে বিদ্যালয় পরিদর্শনের নাম করে জেলা শিক্ষা অফিস থেকে এসে,স্কুল থেকে খামে করে ১৫০০ টাকা নিয়ে যায়।
নামজারি করাতে গেলে বলে ওয়ারিশ বেশি । আর যেহেতু অনেক আগের দলিলপত্র তাই টাকা বেশি লাগবে। আমাদের বন্টনের জন্য তারাতারি নামজারি দরকার ছিল তাই ঘুষ দিয়াছি।
উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে আমার পাসপোর্ট করতে গিয়ে ৳২০০০ ঘুষ দিতে হয়েছে। ফর্ম পূরণ করে ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার পর যখন আমি ফর্ম জমা দিতে যাই তখন সকল কাগজ-পত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও পাসপোর্ট কামলা বলে আমার অরিজিনাল কাবিননামা দেখাতে হবে তানাহলে জমা নেবে না। তারপর বাধ্য হয়ে ৳২০০০ ঘুষ প্রদান করি।
মানিব্যাগ হারানোয় খিলক্ষেত থানায় জিডি করতে কর্তব্যরত পুলিশ ১০০ টাকা দাবি করে। আমি জিডির প্রয়োজনে তা দিতে বাধ্য হই।
এন আইডি কার্ডের স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তনের আবেদন করার জন্য টাকা নিয়েছে।
জমি মিউটেশন করতে সরকারি সর্বমোট খরচ 1170 টাকা , মতিঝিল ভূমি অফিস এর কথা অনুযায়ী ৪০,০০০ টাকা দিলাম তারপর আবার আরেকজন মহিলা আটকায় পরে আবার গিয়ে ১০,০০০ টাকা দিলে কাজ করে দেয়।নাহয় শুধু এটা ওটা বলে হিয়ারিং ডেট দিচ্ছিল আর ঘোরাচ্ছিল।টাকা দেয়ার পর আর কিছুই লাগে নাই।
আমার পাসপোর্ট নবায়ন করার জন্য গিয়েছিলাম আমার সবকিছু ঠিক ছিল কিন্তু ফাইল জমা নিচ্ছিল না কারণ আমি টাকা দেই নাই ফলে আমাকে বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত পনেরশো টাকা দাবি করে দিতে হয়েছে কারণ আমার সময় ছিল না ।চাকরি করি যে কারণ আমাকে আবার ঢাকা ফিরতে হতো
I was determined to do all the proceedings without giving a single penny as bribe. But everytime I tried to submit the required papers, they refused to accept indicating very minor things which were ignored for most of the people who already paid bribe. They didn't ask for bribe directly, rather refuse to accept the application again and again. Then at last to save my time, I went to the broker, who is linked to them, paid 4000 tk, then immediately the officer accepted my application previously he rejected indicating there were errors.
আমি নিজে পাসপোর্টের আবেদন করি, সেখানে একটু ভুল হয় যেটা তারা ঠিক করে দিতে পারতো কিন্ত তারা ১৫০০ টাকা চায় সেটা ঠিক করার জন্য, বাধ্য হয়ে আমি টাকাটা দেই
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট তুলতে মাস খানেক আগে ২০০০ টাকা দিতে হয়েছে। সেবার খরচ ১৫০০ + ঘুষ ২০০০= সর্বমোট ৩৫০০। মিরপুর অন্তর্ভুক্ত থানা। সেবাগ্রহীতা উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশ গমন করবেন।
আমার আরএমজি কারখানা শতভাগ রপ্তানীমুখী ও কম্প্লায়েন্স কারখানা । তারপরও লেআউট প্লান পরিবর্তন করতে নারায়ণগঞ্জ জেলার ডিআইজি সাড়ে তিন লক্ষ টাকার নিচে করবে না। ফাইল দীর্ঘদিন আটকে রাখার পর আমার প্রতিনিধিকে বলেন যে, অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের বসদের ম্যানেজ করতে হয়। এটা ছাড়া হবে না। বাধ্য হয়ে সাড়ে তিন লাখ টাকা দিয়ে লেআউট অনুমোদন নিতে হয়েছে। দুঃখের বিষয় অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করেও কোন সুরাহা হয় না। তাহলে কি ডিআইচির কথাই ঠিক।
সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য টাকা চাইলো না দিলে দিবে না।পরে দিয়া আসলাম।
আমার মা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের একজন এফ ডব্লিউ এ। তিনি ২০২৩ সালে চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন। তার রিটায়ারমেন্টের টাকা তুলতে অফিসে অফিস সহকারি কে বিভিন্ন সময় ঘুষ দিতে হয়েছে। তিনি অতিরিক্ত খরচের কথা বলে এই টাকা গ্রহণ করেছেন। পুরো প্রসেস শেষ হতে প্রায় দেড় লক্ষ টাকার মত নিয়েছেন।
আমি হোল্ডিং ট্যাক্স রেজিস্ট্রেশন জন্য আবেদন করি তখন তারা বেশি টাকা দাবি করে,আপনি যদি না মানেন তাহলে আরো বেশি কর ধরা হবে। ই হোল্ডিং ট্যাক্স আরো বেশি টাকা দাবি করে।
সরকারী অফিসে প্রকল্প দেয়ার জন্য যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে ফাইল জমা দেই। ঐ ফাইলের কাজের জন্য একজন সহকারী পরিচালক ১ বছর যাবত ১৮ লাখ টাকা ঘুষ নেয়। ফলাফল হিসেবে সে কোন কাজ দিতে পারেনি, এখনো টাকা দাবী করছে।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় (Divisional Controller of Accounts - DCA) নাসিরাবাদ শিল্প এলাকা, হিসাব ভবন, রোড নং-০৩, হাউজ নং-৬৫/এ, চট্টগ্রাম-এ অবস্থিত। এই অফিসটা ঘুষের আতুরঘর। এখানে আপনি যেই সেবাই নিতে যান না কেন আপনাকে কমপক্ষে ৫% টাকা দিতে হয়। আর যদি না দেন তাহলে মাসের পর মাস আপনার ফাইল একই রকম অবস্থায় থাকে।