নামজারি
সরকারি ফি ১১৭০ টাকা। কাগজপত্রের হয়রানি করে অতিরিক্ত অর্থ নিয়ে কাজটি করে দেয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সরকারি ফি ১১৭০ টাকা। কাগজপত্রের হয়রানি করে অতিরিক্ত অর্থ নিয়ে কাজটি করে দেয়।
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের সময় পুলিশ ফোন দিয়ে নিয়ে গিয়েছিলো বিভিন্ন ডকুমেন্টস আনতে বলে, সেখানে এড্রেস এ কিছুটা মিল না থাকায়, ভ্যারিফিকেশন করবে না বলে। ৮০০০ টাকা দাবি করে।শেস অব্ধি ৫০০০ টাকা দিয়ে ভ্যারিফিকেশন হয়
আমি বয়স নির্ধারণ এর জন্য যশোর সিভিল সার্জন অফিসে আবেদন করি এবং সিভিল সার্জন অফিস ফরওয়ার্ড করে সদর হাসপাতাল এ পাঠায় এবং সেখানে আমার বিভিন্ন টেষ্ট কটেষ্ট করায় এবং বোর্ড বসায় ডাক্তার এর পর অফিস সহকারী দাবী করে ৮০০০০ হাজার টাকা নতুবা সঠিক রিপোর্ট না দিয়ে নেকেটিভ রিপোর্ট দিবে বলে তখন আমি বলিবলি যদি রিপোর্ট ঠিক থাকে তাহলে আমার পজিটিভ রিপোর্ট আসবেই তখন অফিস সহকারী বলে টাকা ই সব রিপোর্ট বোর্ড এগুলো কিছুই না। তখন আমি টাকা দেই এবং টাকা দেয়ার ডগুমেন্স রাখি। এরপর রিপোর্ট পাওয়ার পর তথ্য প্রমান সহ ঐ হাসপাতালে পরিচালক বরাবর অভিযোগ করি কিন্তু একমাস হলেও কোনো পদক্ষেপ নেননি পরিচালক তাতে।।
আমি একজন আঘাতপ্রাপ্ত রোগী নিয়ে পঙ্গু হসপিটালে গেলে পঙ্গু হসপিটালে এক্সরে করানোর জন্য ৫০ টাকা ঘুষ জলের জন্য ৫০০ টাকা ঘুষ এবং অপারেশন থিয়েটারে ৩ হাজার টাকা ঘুষ নেই না হলে রোগে ফালায় রাখত
প্রথমে টেস্ট করানোর জন্য জমা দিছি, যে পরীক্ষা করতে ৩০ মিনিটও লাগবেনা, সেটির জন্য বলে পরের দিন আসেন। এখানেই মূলত ওদের কারসাজি। টাকা দিলে ৫ মিনিটের মধ্যেই রিপোর্ট রেডি। এরকম অহরহ নানান বিষয় এ ঘুষ বাণিজ্য চলতেছে৷ এটি সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ঘটনা।
জন্ম নিবন্ধন কার্ডে বানান ভুল ছিল। যা বেশিরভাগ জনেরই হয়ে আছে। বানান সংশোধনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের গেলে ২৫০ টাকা ফি চান। আমি জানি, সরকারি ফি ৫০ টাকা। তিনি বলেন ২৫০ টাকাই লাগবে। করলে করেন তার ব্যস্ততা আছে। নিরুপায় হয়ে ২৫০ টাকা দিয়ে করতে হয়েছে।
পাসপোর্ট তৈরির সময় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ২০০০ টাকা দেয়া ছাড়া পাসপোর্ট দিবে না (পরে ২ হাজার টাকা দিয়ে পাসপোর্ট পাই)
paid a bribe of 40,000 taka to kushtia housing office staff to facilitate the process of sale permission for an apartment.
বাইকের রেজিষ্ট্রেশন নিজে নিজে করতে চাইলে কত্ত সত্ত ভুল। আর দরবেশ বাবা ধরে টাকা দিয়ে করলে সব সঠিক। কাগজ কিংবা নাম্বার প্লেইট আনার সময় শুধু শুধু এই কাগজ সেই কাগজ বলে পাবলিক হয়রানি । কিন্তু টাকা দিলেই সব সমাদান।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে যোগদান করার পর পে ফিক্সেশন করার জন্য নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত সকল শিক্ষকের নিকট থেকে একযোগে নেওয়া হয়েছে। একাজে সহযোগিতা করছে উপজেলা শিক্ষা অফিস।
নামজারি খারিজ এর জন্য অনলাইনে নিজে পরিশোধ করে আবেদনের পরেও সে ইউএনও কে ফরোয়ার্ড করতে, খাতায় এন্ট্রি দিতে টাকা দাবি করে ৮০০০ পরে ৫০০০ এ রাজি হয়, আমার জরুরি ছিল বলে আমার সেইটাতেই রাজি হয়ে নেয়া লাগছে। ভূমি অফিসের ঠিকানা- ইউনিয়ন-পাঁকা, থানা-বাগাতিপাড়া, জেলা-নাটোর, বিভাগ-রাজশাহী
আমার নিজের জম্ম নিবন্ধন অনলাইন হওয়ার পর চেক করে দেখি স এর জায়গায় ই হয়েছে। সেটা আমি নিজেই সংশোধন করি এবং পিন নম্বর নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ এ যায়। আমার থেকে টাকা ছাড়া তারা না দেওয়ার জন্য নানা অজুহাত দেখায়। অবশেষে 300 টাকা দিতে হয়।
আমি আমার শ্বশুরের পিয়ারএল ও লামগ্রান্ড মঞ্জুরের জন্য,,গোপালগঞ্জ জেলার টুংগীপাড়া উপজেলার হিসাবরক্ষণ অফিসে যায়,,,দায়িত্বরত Account officer,Auditor আমাদের কাছে ৫০০০০ টাকা দাবি করে।
২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের ২৭ তারিখ আমার একটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য কেরানীগঞ্জ থানায় আবেদন করি ।সেখানকার কর্তব্যরত এসআই আমার কাছ থেকে 10000 হাজার টাকা দাবি করে এবং আমি টাকা পরিশোধও করি পরবর্তীতে তারা আমাকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রদান করে।
আমার একটা জমির খাজনা দিতে গিয়েছিলাম, হাজারটা ভুল করে সেটার জন্য আবার আমার থেকে টাকা দাবি করে এবং টাকা নেয় । ওরা বলে , টাকা না দিলে কাজ হবে না
মাতৃকালীন ভাতার আবেদন এর জন্য দিতে হয়েছে। তবে ভাতাভোগী হতে পারিনি।
একটা ব্যাংকের কাজে আমার ওয়াইফের ভোটার আইডি কার্ডটা খুব দরকাএ ছিল। আমার ওয়াইফের বাবার নামে একটু ভুল ছিল কোর্টে এপিড ওপিড। পত্রিকায় বিজ্ঞাপন নাম সংসোধন এর এপ্লাই।করছি বোর্ডে সেই রশিদ দেওয়ার পরও ৫০০০ টাকা দেওয়া লাগছে
In July 2023, when applied for an Birth Certificate English copy, Union parishad sectretary was not cooperating to get the English Birth Certificate. They were claiming that there was a server problem. After waiting for some days, the female secretary offered for money with other person. They claimed around 2000 or some less or more. I paid that because I was waiting for the birth certificate. After paying the money it was issued within a day. Note: When they want to get an extra money from people they said that they have server problem. And then delayed they works. Later indirectly ask for money. After giving money they do it with a day.
বাংলাদেশের সেরা ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের পরিচালকের একটা লিফট কোম্পানি আছে। এটা বড় কোম্পানি আমি এই কোম্পানিতে চাকরি করি। ২০২০ সালে ট্যাক্স অফিসের লোক আসে কোম্পানির ট্যাক্স ফাঁকি দিয়েছে নাকি এই অডিট করে। অডিট করে অনেক ট্যাক্স ফাঁকি পায়। এজন্য ট্যাক্স অফিসের লোকজন দুই কোটি টাকা ঘুষ নেয়।
দাবি করা হয় আপনার হোল্ডিং ট্যাক্স চারগুণ করে দেওয়া হবে, টাকা পরিশোধ করলে হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়বে না।