সার্টিফিকেট উত্তেলোন
আমি মান উন্নয়ন পরীক্ষা দিয়েছিলাম। তো আমার আগের সার্টিফিকেট জমা দিয়ে নতুন সার্টিফিকেট তুলতে গেলে কিছু খরচ চায়, ২০০টাকা দিলে বলে ৫০০টাকা করে নেই, পরে আর ১০০ (মোট ৩০০)দিলে সার্টিফিকেট দেয়। আমার আগে একজনের কাছ থেকেও নিতে দেখেছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৭২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি মান উন্নয়ন পরীক্ষা দিয়েছিলাম। তো আমার আগের সার্টিফিকেট জমা দিয়ে নতুন সার্টিফিকেট তুলতে গেলে কিছু খরচ চায়, ২০০টাকা দিলে বলে ৫০০টাকা করে নেই, পরে আর ১০০ (মোট ৩০০)দিলে সার্টিফিকেট দেয়। আমার আগে একজনের কাছ থেকেও নিতে দেখেছি।
নোয়াখালীর পাসপোর্ট অফিস তিনবার পাসপোর্ট করেছি নরমাল আবার ডিজিটাল আবার এমআরপি প্রত্যেক বার বাড়তি টাকা দিতে হয়েছে সর্বশেষ এমআরপি পাসপোর্ট নিয়েছি 2024 এর জুন মাসে , পাসপোর্ট অফিসের বাইরের এমনকি সুবর্ণচর এর কম্পিউটার দোকান গুলো আবেদন করালে দোকানদার বলে তিন হাজার টাকা বাড়তি না দিলে আপনাকে হয়রানি করবে তখন আমার পরিচিত অনেকেই বাড়তি টাকা সহ পরিশোধ করে দেয় আর ওটার নাম লিখে দেয় চ্যানেল যা পাসপোর্ট অফিসের এক নাম্বার কাউন্টার দেখলেই বুঝে যায় এটা পেইড বাড়তি তাকে সেবা আর চ্যানেল দেখা না থাকলে তাকে নানা অজুহাতে দুই তিনবার ও ঘুরিয়ে দেয় । 2024 এর ঈদ ছুটির পর জুলাইয়ের প্রথম দিকে বাবার ওমরাহ যাবে তার পাসপোর্ট করতে আবেদন করি কিন্তু বাড়তি টাকা দিলাম না পরে বাবাকে অনেক হয়রানি করে
নারায়ণগঞ্জ এর বন্দর উপজেলায় মনারবাড়ি এলাকায় "কদম রসূল কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা" নামে ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে এবং টাকা বিতরণ করা হচ্ছে। অথচ দা*লাল ছাড়া টাকা কোন ভাবেই উত্তোলন করা যাচ্ছে না। এই দা*লালদের মাধ্যমে ডিসি সাহেব নিচ্ছেন ৩%, ভূমি অফিস ও ৫ আসন এর এমপি নিচ্ছে ৩%, দা*লাল নিচ্ছেন ১-২% (মোট টাকা থেকে ৭%-৮% সর্বনিম্ন তাদের দিতে হচ্ছে) আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে জমির মালিকদের বিপদে ফেলে ২০% থেকে ২৫% ও ঘুস নেয়া হচ্ছে।
আমি আমার নিকট আত্মীয়র জন্য পোস্ট অফিসের ডাক মাধ্যমে কাপড় সামগ্রি পাটাই। তারা পেকেজিং এর নামে ৫০০ টাকা নেয় আমার কাছে। যেটার প্রমান সরুপ বিল দিতে বল্লে তারা বিল দিতে অস্বীকার করে। বলে এটা নিয়ম এবং দিতে হবে।
এম পি ও ফাইল আবেদন ফরওয়ার্ড করতে এই টাকা সম্মানী খরচ চাওয়া হয়।
২০২৩ সালে আমি পাসপোর্ট করি। ওই সময় পুলিশ ভেরিফিকেশন ছিল। যখন আমার পাসপোর্ট পুলিশের কাছে আসে। তখন আমাকে ফোন দেওয়া হয় । এবং আমাকে ফোন দিয়ে ডেকে নেয়া হয় । প্রাথমিক অবস্থায় আমার কাছে কোন টাকা না চাইলেও। পরবর্তীতে যখন শুনে আমার বাবা-মা বিদেশ থাকে। তখন ৫ হাজার টাকা দাবি করে। এবং আমাকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত বসিয়ে রাখে টাকা না দেওয়া পর্যন্ত।
২ বছর যাবৎ আমার পাসপোর্ট রি-নিউ করা হয় নি, আর্জেন্ট প্রয়োজনে আমি সুপার এক্সপ্রেস পাসপোর্ট করার চেষ্টা করি। পাসপোর্ট বসিলা অফিস, আমার সব ডকুমেন্টস দেখে বলে আপনি কাবিননামার ফটোকপি জমা দিসেন, অরিজিনাল কপি লাগবে। আমি ধরে নেই আমার বিদেশ যাওয়া হবে না। কারন আমার কাছে সময় নাই, তখন এক দালাল যে সকাল থেকে আমার পিছনে ঘুরছিলো যে, ৩০০০ টাকা দিলে এখনি করে দিবে বাট আমি সকালে পাত্তা দেই নি কারন আমার সব ডকুমেন্টস ছিলো। দুপুরে নিরুপায় হয়ে ২৫০০ টাকা দিতে রাজি হই, এবং সে তখন পাসপোর্ট অফিসার এর রুমে আমাকে নিয়ে যায়, তখন সে আমার ডকুমেন্টস এপ্রুভ করে দেয়, সাথে সাথে আমার ছবি তুলে, পরদিন পাসপোর্ট পাই। বসিলাতে, লিস্ট এর বাহিরে ডকুমেন্টস চায়, এবং চাপে ফেলে টাকা খায়, অফিসার, আনসার, কম্পিউটার দোকানি সবাই সিন্ডিকেটে জড়িত
TA বিলের জন্য চট্টগ্রাম হিসাবরক্ষণ অফিসে গিয়েছিলাম ২ নাম্বার গেইট।একজন অডিটর অনেক হয়রানি করছিল আর ঘোরাচ্ছিল, পরে বলে কিছু দেন। ১০০০ টাকা দিলাম, অনেক নীতি কথা শোনানো দাড়িওয়ালা লোকটা বলল ১৫০০ দেন।
আমার বাবা বেশ কয়েকবছর দেশের বাইরে ছিলেন তো উনি দেশে আসার পর ভোটার আইডি কার্ড বানানোর জন্য এপ্লাই করি পরিচিত এক ভাইয়ের সাহায্যে তো উনি আমাকে বললেন ভাই আপনি যদি আর্জেন্ট নিতে চান তাহলে ৫০০০ টাকা দিতে হবে উপজেলার এই কর্মকর্তা কে আর যদি টাকা না দেন তাহলে ২/৩ মাস সময় লাগতে পারে সাধারণ প্রসেসে হবে আমি অনেক কিছু বলার পরও হলো না দিতেই হবে আমিও না পেরেই টাকা দিয়ে দেই কারণ আমার আব্বুর আইডি কার্ডের খুব প্রয়োজন ছিলো উনার পাসপোর্ট বানানোর জন্য। এর কয়েকদিন পর আমার বোনের আইডি কার্ডের নামের একটি অংশ সংশোধনের জন্য এপ্লাই করি যা ২০০ টাকায় হওয়ার কথা কিন্তু তারা ৫০০ টাকা দাবী করে বসে রইলো না দিলে সংশোধন হবে না অপারগ হয়ে দিতে হলো। এই হলো আমার সোনার দেশের সোনার ছেলেদের অবস্থা প্রতি সেক্টরেই ঘুষ বানিজ্য।
জমির নামজারি করা, সরকারি ফি ১১৭০ টাকা মাত্র। কিন্তু কাজটি করার জন্য আটখালি ইউনিয়ন ভূমি অফিস কর্মকর্তা -কর্মচারীরা ১১০০০ টাকা অতিরিক্ত দাবী করে। প্রথমে, টাকা পরিশোধ না করায় আমার আবেদনটি বাতিল করে। টাকা পরিশোধের শর্তে পুনরায় আবেদন করি এবং টাকা পরিশোধ করলে আবেদন মঞ্জুর করে।
আজ পর্যন্ত কোন মানুষ বলতে শুনি নি সরকারি ফি দিয়ে দলিল উত্তোলন করেছে। দলিলের সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ করতে গেলে অতিরিক্ত টাকা দেয়া লাগে এটা বাংলাদেশে সকল স্থানের চিত্র।। সাবরেজিস্ট্রার অফিস এক গোলক ধাধার নাম। জনগন বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে সরকারি ফি এর অতিরিক্ত টাকা দিয়ে কাজ করাতে হয় এ অফিসে
পাইকগাছা ভূমি অফিসে আমার পারিবারিক বসতি জমির মিউটেশন করতে গেলে সহজে কাজটি করতে গড়িমসি করে পরে ভূমি অফিসের সামনে অবস্থিত িএক দালাল(পরিচয় দেয় মহুরি) সে ৮০০০ টাকা দাবি করে দ্রুত কাজ হওয়ার জন্য। আমরা দ্রুত পাওয়ার জন্য সেটা ধাপে ধাপে তাকে প্রদানও করি।
driving licens banayte taka lage 5000tk er moto. amar theke nise 9500tk
বাব মারা যাওয়ায় খাজনা দিতে পারছিলাম না, নাম জারি করতে হবে আগে। সব কাগজপত্র নিয়ে যাওয়ার পর ও নিরধারিত ফি জমা দিলে আরও ১৫০০০ টাকা দাবি করে, পরে ৮০০০ টাকায় সমাধান হয়।
একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছিলো থানায়। দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারের তদন্ত করার ও প্রয়োজন পড়েনি। সেই অভিযোগটি প্রত্যাহার করার আবেদন করলে তিনি জানান সেটা প্রত্যাহার করতে হলে তাকে ১০০০ টাকা দিতে হবে। অনেক রিকোয়েস্ট করে ৫০০ টাকায় রাজি করে সেটা প্রত্যাহার করেছিলাম।
গত কয়েকদিন আগে আমি আমার বসের গাড়ির ফিটনেস টেস্ট এর জন্য মিরপুরের বিআরটি র অফিসে যায়। ওখানে নামার অনেকেই আমাদের কে জাসৃট বলতে থাকে উনারা সব কিছু করে দিবে। সব আনঅফিশিয়াল লোক, দালাল দিয়ে ভরা। একজন লোক আমাদের পিছু নেয়, সঠিক কোনো দিক নির্দেশনা না থাকায় আমি একটু কনফিউজড ছিলাম। ঐ লোক টি এসে আমাদের পেপারস ওয়ার্ক গুছিয়ে দেয়। আমরা কিছু না বলা সত্বেও আমাদের সাথে থাকে। তার পর ফিটনেস চেক এর একজন এর সাথে কি কথা হয় তার। শতভাগ ফিট থাকার পরেও, আমাদের গাড়িকে আনফিট দেখানো হয়। পরে ৩০০০ টাকা দাবি করা হয় ফিট দেখানোর জন্য। টাকা পে করার সাথে সাথে ফিটনেস লেভেল গুড লিখে আপডেট করে দেওয়া হয়েছে।
আউটসোর্সিং লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদন করেছিলাম। প্রায় ২ মাস হয়ে গেলো কোন আপডেট না পাওয়ায় অফিসে যোগাযোগ করলে ৩ লক্ষ টাকা দাবী করা হয়। যুগ্ম-মহাপরিদর্শক ও আইজি কে দিতে হবে না হলে নবায়ন হবেনা। পরে ১ লক্ষ টাকা দিলে আমার ফাইলের কাজ শুরু হয়। যদিও এখনো লাইসেন্স পাইনি। বলতেছে প্রক্রিয়াধীন।
বাংলাদেশ রেলওয়ে পয়েন্টস্ম্যানম্যান পদে চাকরি করতাম। এরই মধ্যে প্রাইমারিতে চাকরি হয়। যে কারণে রেলওয়ে চাকরি ছাড়তে হয়। আইবাস কাটতে আমার আনুমানিক ৫০০০ টাকা খরচ হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে চট্টগ্রাম ডিভিশনের পাহাড়তলী রেলওয়ে স্টেশনের অফিসে।
গ্রামীণ রাস্তা সংস্কার কাজে বরাদ্দ। ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। সেখান থেকে উপজেলা প্রকৌশলীকে ৬০ হাজার টাকা নগদ দিতে হয়। আর সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয় সরকারি প্রকৌশল অফিসে। এটা কে আলাদা খাত হিসেবে যুক্ত করুন। আর এখানে মূলত ঘুষ দেয় ঠিকাদার তাই বিষয়টি সাধারণের আলোচনায় নেই!! শিক্ষা প্রকৌশল, এলজিআরডি, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল, পাবলিক ওয়ার্ক ডিপার্টমেন্ট এগুলো প্রতিষ্ঠিত দুর্নীতিগ্রস্থ। কিন্তু এখানে সাধারণ মানুষের কাজ নেই, ঠিকাদার লেনদেন করে, সেও কম কাজ করে টাকা মেরে দেয়!!
নব্বই দশকের মাঝামাঝি চট্টগ্রামের একে খানের বিদ্যুৎ অফিসে মিটার আবেদন করি সম্ভবত 5 বা 7 হাজার নিয়েছে কিন্তু পেপারে লিখেছে 500 টাকা পরে 2021 সালে প্রিপেইড মিটার আবেদন করে ছেলে তখন নেয় 15 হাজার টাকা আর 2019 সালে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে গ্রামের বাড়িতে মিটার আবেদন করি নিয়েছে 5000 টাকা বলেছে এক বছর লাগবে এই টাকায় 15 হাজার বা 18 হাজার দিলে পনের দিনে বিদ্যুৎ সংযোগ ও মিটার দিয়ে দিবে ,, আমার জমি রেজিস্ট্রি ও খাজনা আদায়ের অনেক ঘুষের রেকর্ড আছে প্রতিবেশী সহ অনেকের ক্রমান্বয়ে দেব পারলে