বিদেশ যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট করা বা প্রবাসী
আমি পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম সেখানে সরকারি মূল্য নির্ধারিত হয়েছিল ৫৭৫০ টাকা কিন্তু অতিরিক্ত ঘোষ হিসাবে আমার লেগেছে ৭৫০০ টাকা প্রাইজ দেড় হাজার বেশি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৭২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম সেখানে সরকারি মূল্য নির্ধারিত হয়েছিল ৫৭৫০ টাকা কিন্তু অতিরিক্ত ঘোষ হিসাবে আমার লেগেছে ৭৫০০ টাকা প্রাইজ দেড় হাজার বেশি
For file approval related work, an assistant engineer of city corporation claim for his associates
Kaj sheshe bashai firchilam, uttarai 14 no sector a rasta block kore amake bike er papers dekhte chai, ami shob diyechilam, amar driving license Trainer chilo, but uni eta cholbe na bole prothom a 500 then 1000 taka chai, amio baddho hoye diye chole ashi. Police ti hindu chilo.
আমি বিদেশে গমনের উদ্দেশ্যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করি। তারপর আমি থানায় কাগজ জমা দিতে গেলে পুলিশ কর্মকর্তা আমাকে বলে যদি টাকা দেন তাহলে কাজ দ্রুত হবে না দিলে দুই মাস বা তার বেশিও লাগতে পারে। তিনি আমাকে প্রমাণস্বরূপ অন্যান্য ফাইল ও দেখিয়েছেন যারা টাকা না দেওয়ার ফলে ছয় মাস পূর্বের আবেদন এখনো থানায়। সুতরাং তিনি স্পষ্টই বলেন ঘুরেই টাকা দিবেন শেষে অযথা সময় নষ্ট না করে এখনই করে ফেলেন সবচেয়ে ভালো। তাই আমি আট হাজার টাকা দেই কিন্তু উনি ১০ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন শেষ পর্যন্ত আমি সাত হাজার টাকা দিয়ে সমাধান করেছি। অথচ পুলিশ রাফি আমি অনলাইনে পেমেন্ট করেছিলাম। আমি প্রবাসীদের বিদেশে যাওয়ার ব্যাপারে সরকারের প্রতি এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি স্বচ্ছতা দাবি করছি। এবং আর্থিক ক্ষতির হাত থেকে
Pani unnayan board (BWDB-Lalmonirhat )theke paoa ekti kaj er work order nebar agae sekhanker XEN tk dabi kore boshen and unake tk diyei kaj korte hoy r hosche.Ekhn uni local mp er shelter e obadhe corruption kore jaschen.Unar job Lalmonirhat branch e 2 years exceed korleo uni local mp er support niye sekhanei rajotto kortechen.
আমার গ্রামের জমিতে খাজনা দেওয়ার জন্য ভোটার অফিসে অনলাইনে সংরক্ষণ করতে গেলে বলে আমার নামে ভুল আছে যেটা তাদের কাছ থেকে কয়েকমাস আগে আমার নতুনটা নেওয়া। পরে তা ঠিক করে দিতে বললে বলে সময় নাই, এখন না এসব বলে ৩০০০ টাকা চায়, দিতে বাধ্য হই কারণ ১ মাস এর মত বসাই রাখছে সার্ভে করবে বলে। পরে সংশধোনের কাগজ ভূমি অফিস থেকে আনতে গেলে হেড এর সিগনাচার এবং অনলাইনে তারা কাগজ পূরণ করছে তার জন্য (১০০০০ + ২০০০ টাকা) চায়। কিন্তু সময় যাচ্ছে আর পরে আছে দেখে পরে দিয়ে দি। যার আসল সরকারি খরচ হলো ( ২০০ - ১০০০ + যাওয়া আসা এই + ভোটার অফিস এ যাওয়া আসা)
Ac land head took 25 lacs to provide sell permission of a hashishahar plot.
পেশকারকে বিচার কাজে স্বাক্ষীর নাম প্রদানে ঘুষ দিতে হয়েছে।
বন্ড লাইসেন্স এর মেয়াদ শেষ হয়েছিল ৪ বছর আগে, লাইসেন্স নবায়ন ফি ৫০০০ প্রতি বছর। যখন বন্ড অফিস এ যোগাযোগ করি তারা ঘুষ চাই ৩০০০০০ পরে ২০০০০০ টাকা দিয়ে নবায়ন করতে বাধ্য হই।
I applied for my retirement benefits, including gratuity and the Contributory Provident Fund (CPF), from the Bangladesh Agricultural Development Corporation (BADC). During the process, a BADC employee requested payment in exchange for providing the service. I paid the requested amount so that my retirement benefits could be processed and released.
আমার ইন্ডিয়ান টুরিস্ট ভিসা মাল্টিপল এন্ট্রি আছে আইন এবং ভিসার ধরন অনুযায়ী আমি প্রতি মাসে একবার আসা যাওয়া করতে পারবো, কিন্তু সেই জায়গায় আমি ২মাস গ্যাপ দিয়েও যদি আসা যাওয়া করি বাংলাদেশ ইমিগ্রেশনের অফিসাররা পাস দিতে চায় না নানান এক্সকিউজ দেখায় যেগুলোর কোন ভিত্তি নেই, তারপর পাসপোর্ট নিয়ে বাইরে এলে তাদেরই লোক এসে বলে ৫ হাজার দেন ৭ হাজার দেন ইমিগ্রেশন কমপ্লিট করে দিচ্ছি তো টাকা দেওয়ার পর ঠিকই পাস দেয় এই ভুগান্তি কমবে কবে? আমার ভ্যালিড ভিসা থাকা সত্তেও টাকা দিয়ে ইমিগ্রেশন কমপ্লিট করানো লাগে।
শুনেছিলাম মিরপুর বিআরটিএ অফিসে অটোমেটিক মেশিনে গাড়ির পরীক্ষা করা হয় বলে কোনো দালাল ধরতে হবে না। কিন্তু গাড়ি প্রবেশ করানোর পর আমার মোবাইলে রিপোর্ট আসে আমার গাড়ির সাসপেনশন এ সমস্যা আছে। এরপর বিআরটিএর ফিটনেস পরীক্ষার মেশিন যে কোম্পানি চালায় অর্থাৎ থার্ড পার্টি তাদের আইডি কার্ড দেখিয়ে একজন লোক এসে বলে আমার গাড়িতে সমস্যা থাকায় সেটি ফিটনেস পরীক্ষায় ফেল করবে। এজন্য আমাকে ৪৮ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। পরবর্তীতে আমাকে পাশের ফটোকপির দোকানগুলোর দিকে নিয়ে যাওয়া হয় এবং আমি ২৫ হাজার প্রদান করি। ফিটনেস করানোর পর আমি বাইরে থেকে চেক করি এবং দেখি আসলে আমার গাড়িতে সাসপেনশনে কোনো সমস্যা নেই। এই থার্ড পার্টির লোকেরা একটা সিন্ডিকেট বানিয়ে ঘুষ বাণিজ্য করছে।
আমি একজন ভুক্তভোগী প্রবাসে যাওয়ার জন্য টাকা জমা দিয়েছিলাম সব ধরনের ব্যাংক স্টেটমেন্ট আছে ও দুইটি চেক আছে এবং স্ট্যাম্পিং লেখা আছে তা সবকিছু ডকুমেন্ট দিয়ে হবিগঞ্জ কোর্টে মামলা দায়ের করেছিলাম সেই ক্ষেত্রে শায়েস্তাগঞ্জ থানা এই মামলার দায়িত্ব পায় সেই সুযোগে সে আমার কাছ থেকে তদন্ত প্রতিবেদন কোর্টের মধ্যে জমা দেওয়ার নামে বারবার টাকা চায় আমি দ্বিতীয়বার টাকা না দিতে আগ্রহী হই এমনি অবস্থায় বর্তমানে পর্যন্ত আমার মামলা তদন্ত প্রতিবেদন ১০ মাস পার হয়ে গেলেও সে-ই তদন্ত প্রতিবেদন আজ পর্যন্ত হবিগঞ্জ কোর্টে জমা হয় নাই এই হচ্ছে সোনার বাংলার পুলিশ।
৪ টি প্রোজেকটের ই সি সি (পরিবেশগত ছাড়পত্র নবায়ন) বাবদ ৫ লক্ষ টাকা অতিরিক্ত দিতে হয় এবং ১ টি তে ৪ দিনের জন্য আরেকটিতে ২ মাসের জন্য নবায়ন মিলে। সরকারী কোষাগারে নির্ধারিত অর্থ পরিশোধের পরেও আমাকে আমার দায়িত্ব পালনের জন্য দীর্ঘ আট (০৮) মাস ঐ অধিদফতরের কর্মকর্তাদের পেছনে ঘুরতে হয়। অবশেষে কোম্পানি টাকা দিয়ে আমার মাধ্যমে বিষয়টি সুরাহা করে।
টাকা ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স যেনো টাকা ছাড়া হয়ইনা। বিশেষ করে ঢাকাতে। এখানে কে গাড়ি চালাতে পারে, বা পারে না তা দায়িত্বরত মেজিস্ট্রেট দেখেই না। সবাইকে ফিল্ড-এ গনহারে ফেল দেখানো হয়, পরবর্তিতে যে সিস্টাম করে রাখে সে অটো পাশ। প্রথমবার আমি সিস্টেম ছাড়া লিখিত, মৌখিক কৃতকার্য হলে, ড্রাইভিং পারার পরে ফেল দেখানো হযেছে। পরবর্তিতে ১২০০০ টাকা পেমেন্ট দেওয়ার পর (এই টাকার মধ্যে ব্যাংক পেমেন্টসহ সকল চার্জ) দিত্বীয় পরিক্ষায় গাড়িতে খালি উঠে নেমে গিয়েছি, চালায়নি, ফিল্ড ফেইল হলেও অনলাইনে পাশ। এবং পরবর্তিতে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেয়েছি।
ঘটনাটি ২০২১-২২ সালের দিকে, চট্টগ্রাম পাঁচলাইশ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আমার প্রতিবেশী এক ভাইয়ের জন্য নতুন পাসপোর্টের আবেদন করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সবকিছু জমা দিয়ে বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করি কোন তৃতীয় মাধ্যমের সহায়তা না নিয়েই। ফাইল জমা দেওয়ার কিছুদিন পর চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে ফোন করে দেখা করতে বলে ভেরিফিকেশনের জন্য। পৌঁছানোর পর অফিসে প্রবেশ করলে সেখান থেকে বাইরে নিয়ে যান কর্মরত একজন। তারপর, জন্ম নিবন্ধন জমা দিয়েছি, এনআইডি কেন দেয়নি, নানা অজুহাত দেখিয়ে বলা হলো কিছু দেন কাজ হয়ে যাবে। "পাসপোর্ট অফিস সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে ফাইল জমা নিয়েছে, আপনি আবার অর্থ দাবি করছেন কেন। যা পারেন করেন।"- এই বলে চলে আসলাম। পরে নিরুপায় হয়ে বিকাশে ২০০০ টাকা পাঠিয়ে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করিয়ে নিলাম।
জমি জমা খারিজ করার জন্য প্রতি খরিজ প্রতি ৬০০০- ৫০০০০, খারিজ সংশোধনের জন্য 10000- 200000 পর্যন্ত নেয়। মহাদেবপুর উপজেলা ভূমি অফিসে প্রতিদিন 150+ খারিজ পাশ হয়। 150*2500= 375000 ও অণ্যান্য বিয়য় সহ 50 লক্ষ টাকা ঘুষ লেনদেন হয়। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ও লাগামহীন ঘুষ লেনদেন হচেছ, ঘুষ ছাড়া কোন কাজ সম্পন্ন কার মানে বিশ্ব জয় কারার সমান।
মিরপুর হাউজিং অফিসে নামজারির জন্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ফাইল আটকে রাখেন এবং বিভিন্ন কারণ দেখান। একটা পর্যায়ে সরাসরি জিজ্ঞেস করলে 50000 টাকা দাবি করেন। ঘুষ দেওয়ার দিন তিনি আমার সামনেই অফিসে এর বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ডেকে যার যার ভাগ বুঝিয়ে দেন। এর কিছু দিন পরই আমার কাজ হয়ে যায়। ঘটনাটি আরও 11 বছর আগের।
প্রথমেই আইন দেখায় যে অনেক ট্যাক্স দিতে হবে, ঘুষ দিলে, তারা আপিল ইত্যাদি করে মিনিমাম ট্যাক্স নির্ধারণ করবে । অর্থাৎ আইনের প্রয়োগ ঘুষ ওপর নির্ভরশীল ।
আমি ঠাকুরগাও BRTA তে আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স ও মোটর সাইকেলের রেজিস্টেশনের জন্য BRTA এর website থেকে দেখে প্রয়োজনীয় কাগজ সাথে নিযে online এ আবেদন করি। সকল সরকারি ফী জমা দেওয়ার পরে, যখন BRTA এর final approval দেওয়ার কথা, তখন তারা approval না দিয়ে বারে বারে reject করে দেয়। ঠাকুরগাও BRTA সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিঃ) ওনার সাথে দেখা করে কথা বললাম। কথা বলে মনে হলো দালাল আর টাকা ছাড়া আসলেই এইসব কাজ অসম্ভব। পরবতীতে আমি একজন ঠাকুরগাও BRTA এর অফিস সহায়ককে ৫ হাজার টাকা দিয়ে আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স ও মোটর সাইকেল রেজিস্টেশনের কাজ শেষ করি। মজার বিষয় টাকা দেওয়ার পরে আমার তেমন কোন কাগজপত্র লাগে নাই।