ইউনিয়ন পরিষদ অফিস
ইউনিয়ন পরিষদ অফিস থেকে একটি প্রত্যয়ন পত্র ও দুইটি ওয়ারিশ সার্টিফিকেট তুলতে ১২০০ টাকা দেওয়া লাগছে এখানকার গ্রাম পুলিশ বলে এটা নাকি ফি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ইউনিয়ন পরিষদ অফিস থেকে একটি প্রত্যয়ন পত্র ও দুইটি ওয়ারিশ সার্টিফিকেট তুলতে ১২০০ টাকা দেওয়া লাগছে এখানকার গ্রাম পুলিশ বলে এটা নাকি ফি
আমার একটি নামজারির জন্য নালিতাবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিস এ ৭ দিন ঘুরানোর পরে ২০ হাজার টাকা নিয়েছে। ১০ সেপ্টেম্বর এর মাঝেই হয়ে যাবে বলেছে।টাকা না দিলে যার কাছেই যাই কাজ হবে না বলে জানিয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি।
Transfer er jonno taka chaise, porichito lok dekhe naki discount diyeche.
Uttara High School and College e admission neyar somoy amake 5000 taka bribe dite hoye chilo. It is so pathethic experience for me .
সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও আমাকে ৬ মাস ঘুরিয়েছে মেলান্দহ একাউন্টস অফিস। শেষে কেরানিকে দিয়ে একাউন্টস অফিসার ১০% ঘুষ দাবি করে। যেহেতু ৬ মাস যাবৎ আমি কোন প্রকার বিল পাইনি তাই বাধ্য হয়ে ৪০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
আমার এক ফুফু মানসিক সমস্যা হয়েছিল জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে, তখন তার জ্বর থাকায় তাকে নতুন ভবনের ৮ তলায় মহিলা ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা হয়েছিল তার অবস্থা ছিলো ইমারজেন্সি কিন্তু তারা অবহেলা করলো ২ দিন পর মরে গেলো, যাক আল্লাহ নিয়ে গেছে। কিন্তু ওখানে ওয়ার্ড ইনচার্জ লোকটা মর্গে লাস টা রেজিস্ট্রার করতে ৫০০ টাকা নিছে, ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার তাকে নিষেধ করেছিলো তাও সে তার কাছে ফটোকপিতে সিল নিয়ে তারপর ৫০০ টাকা দিয়ে লাসটা ছাড়পত্র দেয়, তাও তার বিনিময় তাদের এম্বুলেন্সে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে লাস বাড়িতে নিছি, আমি তখন বুঝতে পারছি বাংলাদেশের জমিনে আমরা মরলেও মুক্তি নেই।
দুই বন্ধু বাইকে করে যাওয়ার সময় রাস্তা থেকে কোনো এক দরকারে আরেক প্রাইমারিতে পড়া পিচ্চি ছোটভাই কে গাড়িতে তুলি। অল্প একটু রাস্তা গিয়ে ড্রপ করে দিবো বলে। তার আগেই পুলিশের লোকজন আটক করে। কাগজপত্র হেলমেট সবকিছু ঠিক থাকলেও তিনজনের অপরাধে তিন হাজার টাকা মামলা দিয়ে দিছে। বাচ্চা ছোট মানুষকে তৃতীয় আইন অমান্যকারী যাত্রী হিসেবে ধরেছে। টাকা মেশিনে না নিয়ে ক্যাশ নিয়েছে সার্জেন্ট সাহেব নিজে।
আমি আমার ছোট ভাইয়ের জন্য নিজে পাসপোর্ট এর আবেদন করি এবং সকল ডকুমেন্টস সঠিক ভাবে জমা দেই। যখন ফিঙ্গার ও ছবি তুলার জন্য ডাকে তখন ও সব ডকুমেন্টস নিয়ে যায় যেমন nid, Barth registration, application from, payment রসিদ ইত্যাদি। ওকে প্রথম দিন ফিঙ্গার ও ছবি নিতে দেইনি এটা বলে চ্যয়ারম্যান সনদ লাগবে। তারপর দ্বিতীয় দিন বাদ দিলো এটা বলে যে তুমি আবেদন ফরম এ nid ও barth registration নম্বর দিয়েছো যেকোনো একটা দেয়া লাগতো। তখন মনে মনে সরকার কে প্রচুর গালি দিয়েছি এবং খুবই হতাস হই। তারপর একজন আমাকে একটি দালালের নম্বর দিলো তার সাথে যোগাযোগ করার পর সে বললো ১৫০০ টাকা লাগবে সে করে দিবে। আমি দিয়ে দিলাম। আমাকে বললো আপনার ছোট ভাইকে কাল সুদু আবেদন ফরম ও পেমেন্ট এর রসিদ টা নিতে যেতে বলেন। এর পর দিন কি চমৎকার কোনো ভুল নেই
passport er jonno apply er shomoy tk sara nei na abr verifiction tk sara hoi na.
ami badho hoye, harrassment eriye cholte ,badho hoye otirikto taka ghus diye passport korechi
Took 2000 taka from our car as bribe due to engine number mismatch
অফিস প্রধান ঘুষ ছাড়া কোনো কিছু বুঝে না
For the execution of a registered Mortgage Process
আমার গাড়ি আটকে ছিল আমি বলেছিলাম কাগজ আছে বাসায়। পরে তারা বলেছে না এখনি কাগজ দেখাতে হবে পরে আমি কাগজ দেখাতে পারিনি যে কারণে তারা ভয় দেখায় অথচ মামলা হয় নাই পরে ৫ হাজার টাকার মামলা হবে কিন্তু যদি তাদেরকে তিন হাজার টাকা দেই তারা মামলা দিবে না ছেড়ে দিবে তখন আমি তাদেরকে টাকা দিয়ে এবং তারা আমাদের আমাকে ছেড়ে দেয় অসংখ্য মানুষকে তারা হয়রানি করেন।
হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয় ঢাকাতে আমার কোম্পানীর একটি ৪৭,০০,০০০+ টাকা চেক সংগ্রহ করতে যায় তাতে ঐখানকার কর্মকর্তা পারসেন্টিস % আকারে ঘুষ চেয়েছিলো। অনেক কষ্ট করে ৫০০০ টাকায় সমঝোতা করে নিয়ে আসি। এই আমাদের সোনার বাংলাদেশ। ঘুষ ছাড়া সরকারি একটি কাজও করা সম্ভব না। এতে সরকারের উপর মহল জড়িত থাকে।
আমি খাজনা খারিজ ও নাম জারির জন্য ধামরাই ভূমি অফিসএ গিয়েছিলাম সেখানে একজন মহিলা ৭০ হাজার টাকার বিনিময়ে আমার কাজ করে দিবেন বলে জানান। আমি অস্বীকৃতি জানানোর পর আমার বিভিন্ন কাজে সাইন পেতে ও ফাইল দীর্ঘদিন পড়ে থাকে। পরে ৭০ হাযার টাকার বিনিময়ে কাজটা করাতে হয়।
আমার নামে একটি মিথ্যা মামলা হয়। আমার বাবার নামেও মিথ্যা মামলা হয়। আমি এবং আমার বাবা দুজনেই অফিসের কাজে উপস্থিত ছিলাম। অফিসের অনলাইন হাজিরা কপি জমা দেয়ার পরও আমি এবং আমার বাবার নাম আসামীর লিস্ট থেকে কেটে দেয়ার জন্য আমাদের কাছে টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে টাকার পরিমাণ কিছু কম দিলেও শুধু আমার নাম কেটে দেয় এবং আমার বাবার নাম রেখে দেয়। বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখায় এবং বিভিন্নভাবে আমাদেরকে হেরেস করে।
একজন নাগরিক হিসেবে এটা আবেদন করছি স্কুলের প্রধান শিক্ষক ফর্ম ফিলাপ ফি অতিরিক্ত আদায় করছেন। তার ভাষ্যমতে শিক্ষা বোর্ড তাদের কাছ থেকে পুরো ৫০০০টাকা নিচ্ছে আর সেন্টার ফি বাবদ অতিরিক্ত ২৫০০ টাকা । কিন্তু ফর্ম ফিলাপের মোট প্রদেয় ফি বিজ্ঞান বিভাগের ২৪৩৫ টাকা যেতা সর্বোচ্চ আর সেন্টার ফি বাবদ ৫১৫ টাকা সর্বোচ্চ । কিন্তু তিনি সত্যিকার অর্থে যা অর্থ প্রয়োজন তা বোর্ডে জমা দিচ্ছেন বাকি টাকা তিনি আত্বসাথ করছেন। আমি টাকা পরিশোধ করেছি এতে আমার কিছু করার ছিল না কিন্তু আমার পরে যারা আসবে তারা যেন এই অসুবিধা না পায়। বিদ্র: তিনি বিগত ৭ বছর বা তার বেশি সময় ধরে এই কাজ করে আসছেন।
amer just website a , kor er info update korar projon chilo kintu oita online a korlau offline a jaya manage krore hoi , what a system
Job kore atho taka income korben. 2000 e hobe na, 3000 laghbe.