সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১৩,৪৭৫ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ঘুষ দিয়েছি শিক্ষা অফিস ৳৬.০ হাজার

তদন্ত চাই এবং পরিবর্তন

অভিযোগ নাগেশ্বরী অফিসে পেনশন সংক্রান্ত কাজসহ বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজে স্বাক্ষর নিতে গেলে অনেক সময় টাকা দিতে হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। টাকা না দিলে ফাইল দিনের পর দিন, এমনকি দীর্ঘ সময় ধরে টেবিলে পড়ে থাকে; স্বাক্ষর করা হয় না এবং প্রয়োজনীয় কার্যক্রমও এগোয় না। অভিযোগ রয়েছে, অফিসের সহকারী কর্মচারী থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট TEO পর্যন্ত—টাকা ছাড়া কোনো কাজ করতে অনীহা প্রকাশ করেন। ফলে সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হয় এবং নিজের ন্যায্য দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করতেও অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে বাধ্য হতে হয়। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং সাধারণ মানুষের দাপ্তরিক সেবা নিশ্চিত করা জরুরি।

নাগেশ্বরী, রংপুর ২৮ আগস্ট ২০২৬ ৬ বার দেখা হয়েছে RNARFPQZ
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ট্রাফিক পুলিশ ৳৪.০ হাজার

রাস্তায় মোটর বাইক আটকিয়ে জনপ্রতি ৪০০০ টাকা ঘুষের বিনিময়ে ছেড়ে দেয়।

ধলাপাড়া একটি ইউনিয়ন, আশেপাশে সব গ্রাম্য রাস্তা। গ্রামের মধ্যেই মিনি রাস্তায় অনেকেই মোটর বাইক ব্যাবহার করে। এখানে কোনোদিন কখনো পোলিশ সার্জেন্ট মোটর সাইকেল আটকায় না। কিন্তু গতকাল ২৭/০৮/২০২৬ তারিখে ইউনিয়ন বিএনপির যোগসাজেসে জেলা শহর থেকে সার্জেন্ট পোলিশ এসে যাকে রাস্তায় পেয়েছে তাকেই ধরে পোলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যেয়ে মামলার ভয় দেখিয়ে জনপ্রতি ৪ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে ছেড়ে দেয়।

ধলাপাড়া, ঘাটাইল, টাঙ্গাইল, ঢাকা ২৮ আগস্ট ২০২৬ ৭ বার দেখা হয়েছে DK2MKPZH
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি পাসপোর্ট অফিস ৳২.০ হাজার

নতুন পাসপোর্ট আবেদন

আমি ট্রাভেল এজেন্সির কাজের সূত্রে প্রতিনিয়ত গ্রাহকদের পাসপোর্ট আবেদন জমা দিতে টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসে এ যাই। সমস্ত কাগজপত্র শতভাগ বৈধ ও নির্ভুল থাকা সত্ত্বেও ফাইল প্রতি নির্ধারিত ২০০০ টাকা ঘুষ না দিলে কোনো ফাইল জমা নেওয়া হয় না। ঘুষ ছাড়া জমা দিলে নানা অযৌক্তিক ভুল ধরে ফাইল আটকে দেওয়া হয় এবং গ্রাহকদের চরম হয়রানি করা হয়। অথচ ২০০০ টাকা দিলেই কোনো যাচাই ছাড়াই দ্রুত ফাইল গ্রহণ করা হয়। এই প্রাতিষ্ঠানিক ঘুষ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাচ্ছি।

টাঙ্গাইল, ঢাকা ২৮ আগস্ট ২০২৬ ৯ বার দেখা হয়েছে DKS2TUMW
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳৫.০ হাজার

সরকারি অফিসের বাজেটের অর্থছাড়

আমার অফিসের বাজেটের অর্থছাড় করতে চিঠি নিয়ে CGA অফিসে গিয়েছিলাম। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দপ্তরে দায়িত্বে থাকা কম্পিউটার অপারেটর ৫০০০ টাকা ফাইল তুলতে লাগবে বলে জানিয়েছে। এই হারামিরা হয়রানি করে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা লুটে নিচ্ছে। এদের কাজের পদ্ধতি পরিবর্তন চাই।

ঢাকা, ঢাকা ২৮ আগস্ট ২০২৬ ৫ বার দেখা হয়েছে DK6FPGHW
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সরকারি হাসপাতাল ৳১০০

হার্টের রোগির ভর্তি

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ। আব্বুর হার্টের অসুখে কারনে ভর্তি ছিলো। হাসপাতালে ওয়ার্ড , আব্বু অসুস্থ হলে, সিসিউ তে উয়ুল চেয়ার দিয়ে নিয়ে যেতে গেলে, ওয়ার্ড বয় আসা নেওয়া ১০০টাকা দাবি করে। প্রতিবার, তাদের সাথে বাকবিতণ্ড হয়। ডাক্তাদের জানালে, তারা কোন ব্যবস্থা নেয় নি। ওয়ার্ড যারা কাজ করে, তাদের ভাষ্যমতে তাদের স্যালারি কম। তাই তারা এইভাবে টাকা নিয়ে থাকে।

চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ২৮ আগস্ট ২০২৬ ৯ বার দেখা হয়েছে CT72ZZC8
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি পাসপোর্ট অফিস ৳২.০ হাজার

পাসপোর্ট এর জন্য কাগজপত্র জমা দেওয়া।

পাসপোর্ট অফিসের পার্শ্ববর্তী একটি কম্পিউটারের দোকান থেকে অনলাইনে ই পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করি।তো দোকানদার আমাকে জিজ্ঞেস করল আপনি নিজে নিজেই করবেন নাকি আমরা করে দিব। বিস্তারিত জানতে চাইলাম।তখন তিনি আমাকে বললেন যে যদি ২০০০ টাকা বেশি দেন তাহলে আমাদের অফিসের ভিতরে আমাদের লোক আছে আপনার কোন কষ্ট করতে হবে না অফিসের ভিতরের লোক আপনার কাজ করে দিবে আপনি যাবেন আর ফিঙ্গার প্রিন্ট দিয়ে এসে পড়বেন। আর যদি আপনি নিজে নিজে করতে চান তাহলে আপনার সারাদিন লাগবে। আমি বললাম আমি নিজে নিজেই করব।দশটা বাজে গিয়ে অফিসের কাউন্টারে কাগজ জমা দেওয়ার পর বিকাল তিনটা বাজে আমাকে জানানো হয় আজকে আর হবেনা। আগামীকাল আসেন। অফিস আওয়ার শেষ। বাধ্য হয়েই ফিরে আসলাম।পরের দিন"— কম্পিউটার"দোকানে ২০০০টাকা দিয়েছি।১০ মিনিটে কাজ শেষ।

মুন্সিগঞ্জ সদর, ঢাকা ২৮ আগস্ট ২০২৬ ৯ বার দেখা হয়েছে DKF5G836
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি পাসপোর্ট অফিস ৳২.৫ হাজার

নতুন পাসপোর্ট তৈরিতে হয়রানি ও অর্থ আদায়

আমার পাসপোর্ট আবেদনের তিক্ত অভিজ্ঞতা: চাঁদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে নিজে অনলাইনে ফরম পূরণ করে সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ জমা দিতে যাই। কিন্তু কাউন্টারে থাকা কর্মকর্তা আবেদন কপিটি মাত্র কয়েক সেকেন্ড দেখেই ঠিকানায় ভুল আছে বলে কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই "সংশোধন প্রয়োজন" সিল মেরে ফেরত দেন।অফিস থেকে বের হওয়ার সময় বাইরে থাকা এক লোক ইঙ্গিত দিয়ে ডাকেন। নিজে সমাধান করার কোনো উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে পাসপোর্ট অফিসের পাশের একটি কম্পিউটার দোকানে যাই। সেখানে ২৫০০ টাকার বিনিময়ে নতুন করে আবেদন করে দেওয়া হয়, যেখানে দোকানদার তাদের নির্দিষ্ট একটি জিমেইল আইডি ব্যবহার করে। পুরো প্রক্রিয়া দেখে এটিই স্পষ্ট যে, পাসপোর্ট অফিসের কিছু অসাধু কর্মচারীর সাথে বাইরের কম্পিউটার দোকানগুলোর আগে থেকেই আর্থিক সমঝোতা ও সিন্ডিকেট রয়েছে।

চাঁদপুর, চট্টগ্রাম ২৮ আগস্ট ২০২৬ ৬ বার দেখা হয়েছে CTGLDA5A
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ট্রাফিক পুলিশ ৳৫.০ হাজার

অবৈধ লাইসেন্স ব্যবহার করে + ট্রাফিক কে ঘুষ দিয়ে পার হয়ে যায় ।

অবৈধ লাইসেন্স ব্যবহার করে + ট্রাফিক কে ঘুষ দিয়ে পার হয়ে যায় । আমার কাছে ৫০০০ টাকা দাবি করেছিল । আমি পরে ৩০০০ টাকা দেই ।

ঢাকার সব জায়গায় ।, ঢাকা ২৮ আগস্ট ২০২৬ ৫ বার দেখা হয়েছে DK7K4JVW
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সরকারি হাসপাতাল ৳৩৫

জানা নেই

বিষয় হচ্ছে আমি আমার মোটরসাইকেল দিয়ে পার্কে নিয়ে রেখেছি কিন্তু তারা আমাকে অন্য একটি মোটর সাইকেলের রিসিভ দিয়ে আমার থেকে টাকা নেই আপনি আমার গাড়ি নিয়ে প্রবেশ করেছি ৮: ০০ টা বাজে ৎ তারা আমাকে প্রবেশ পি দিয়েছে সেটাতে সময় দেওয়া আছে ছয়টা১১ এবং আমার গাড়ির নাম্বার এর সাথে প্রবেশ বা টিকেটের সাথে মিল নেই

Dhaka, ঢাকা ২৮ আগস্ট ২০২৬ ১৩ বার দেখা হয়েছে DKP4A8UA
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সরকারি হাসপাতাল ৳৭০০

MRI রিপোর্ট কালেকশন

এম-আর-আই রিপোর্ট আনতে গেলে, যে রিপোর্ট দেয়, সে নিজেই দালাল। বলে যে ৭০০ টাকা চা নাস্তার খরচ দিলে আজকেই রিপোর্ট দিয়ে দিবে। না হলে নাকি ১৪-২০ দিন টাইম লাগবে। আমি বললাম রোগির রিপোর্ট লাগবে ইমার্জেন্সি আর আপনি বলেন ২০ দিন লাগবে। তখন দালাল বলে ৭০০ টাকা খরচ দিলে হয়ে যাবে আজকেই। যেহেতু আমার আম্মু হসপিটালের ভর্তি ছিলো তাই আর আমি সিনক্রিয়েট করি না এবং ৭০০ টাকা দিয়ে দেই। তারপরো ওই দালাল আমাকে ১ দিন পর রিপোর্ট দিবে বলছে। যা দেখলাম, দালাল ছাড়া আমার এম-আর-আই করানোর সিরিয়াল পাইনি, আমাকে বিভিন্ন যায়গায় ঘুরায় এবং ইনডিরেক্টলি দালালের কাছে পাঠায়। নার্স, ওয়ার্ড বয়, আয়া সবাইকে আমার টাকা দেওয়া লাগসে এক্সট্রা। নাহলে তারা কেউ রোগির আশেপাশে আসে না। খুব বাজে ব্যবহার ও করে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা ২৮ আগস্ট ২০২৬ ৯ বার দেখা হয়েছে DKWNLQJR
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳১.০ হাজার

পারিবারিক সঞ্চয়পত্র রিনিউ করা

আমার একটা ৫ লাখ টাকার পারিবারিক সঞ্চয়পত্র আছে শাহরাস্তি উপজেলা পোস্ট অফিস, চাঁদপুরে। সঞ্চয়পত্র ম্যাচিউর হয়ে যাওয়ায় সেটি রিনিউ করতে গেছিলাম আজকে। উনি কাজ করে দিয়ে সরাসরি ১০০০ টাকা ঘুষ চাইলেন। অনেক রিকোয়েস্ট করে ৫০০ টাকা দিয়ে কাজ করিয়েছি। যারা টাকা দেয়না তাদের সঞ্চয়পত্রের টাকা ম্যাচিউর হয়ে গেলেও ৪-৫ মাস ধরে রাখে। মানুষগুলো রিনিউ করতে না পারায় ৪-৫ মাস ইন্টারেস্ট পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়। টাকা ছাড়া ওই পোস্ট মাস্টার একটা কাজও করেনা। সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা ঘুষ নেয়।

উপজেলা পোস্ট অফিস, শাহরাস্তি, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম ২৮ আগস্ট ২০২৬ ৪ বার দেখা হয়েছে CT38WHJL
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳১৫.০ হাজার

নামজারি

নামজারি বা খারিজের জন্য সরকারি নিধারিত ফি মোট ১১৭০ টাকা কিন্তু ভূমি অফিস থেকে ১৫০০০ বা ২০,০০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়। অনলাইনে নিজে নিজে আবেদন করলে শেষ পর্যন্ত নামজারি হয় না, অনেক সময় ঝুলে থাকে বা বিভিন্ন কারন দেখিয়ে না মন্জুর করা হয়। কিন্তু টাকা দিলে হয়ে যায়।

আয়ূবপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস, শিবপুর, নরসিংদী, ঢাকা ২৮ আগস্ট ২০২৬ ৯ বার দেখা হয়েছে DK39L8DM
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳১০.০ হাজার

ফিটনেস

আমি ফিটনেস ফি ব্যাংকের মাধ্যমে জমা দিয়েছিলাম। প্রথমে তারা আমাকে জানাল, “স্যার, সিরিয়াল অনেক লম্বা। আপনার কাজটা আমরা একটু দ্রুত করে দিতে পারব।” যেহেতু আমার সঙ্গে কোনো ড্রাইভার নেই, তাই আমি ৫০০ টাকা দিতে রাজি হলাম। পরবর্তীতে তারা জানাল, মেশিনে গাড়ি টেস্ট করানোর জন্য আরও ২,৮১২ টাকা লাগবে। আমি বললাম, “আমি তো ব্যাংকের মাধ্যমে সব ফি জমা দিয়েছি।” তখন তারা বলল, “এই টাকা জমা না দিলে আপনাকে ফিটনেসের টোকেন দেওয়া হবে না।” বাধ্য হয়ে সেই টাকাও দিলাম। ফিটনেস টেস্টের পর তারা আমাকে একটি স্লিপ দেখিয়ে বলল, “আপনার গাড়ির হ্যান্ডব্রেক ও সাসপেনশনে সমস্যা আছে। এগুলো ঠিক করতে আপনাকে নাভানাতে যেতে হবে এবং প্রায় এক থেকে দেড় লাখ টাকা খরচ হবে। এরপর আবার এখানে এসে ২৫,০০০ টাকা জমা দিয়ে ফিটনেস পরীক্ষা করাতে হব

মিরপুর, ঢাকা ২৮ আগস্ট ২০২৬ ৯ বার দেখা হয়েছে DKJBE3RD
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳২.০ হাজার

চট্টগ্রাম আদালত ভবনে বিচারপ্রার্থী ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রকাশ্যে ঘুষ আদায় এবং প্রশাসনিক অনিয়ম

অভিযোগের মূল বিষয়সমূহ: ​১. পেশকার ও সেকশনের ঘুষ গ্রহণ: মামলার পরবর্তী তারিখ গ্রহণ, জামিননামা (বেল বন্ড) উপস্থাপন, সহি মহরর (সত্যায়িত নকশা বা নকল) তোলা এবং মামলার নথি এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে পাঠাতে নির্ধারিত ফির বাইরে বাধ্যতামূলক ঘুষ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে ইচ্ছাকৃতভাবে ফাইলে ভুল ধরে সময়ক্ষেপণ করা হয়। ​২. পিওন ও নিম্নপদস্থ কর্মচারীদের বকশিশের নামে চাঁদাবাজি: হাজিরা প্রদান, আদেশ নামা সংগ্রহ বা ফাইল খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে প্রতিটি পিওন ও ঝাড়ুদার পর্যন্ত টেবিলভেদে নগদ টাকা দাবি করে। ​৩. রেকর্ড রুম ও নকলখানার অনিয়ম: মামলার সার্টিফাইড কপি (Certified Copy) উত্তোলনের জন্য সরকারি ফি জমা দেওয়ার পরও রেকর্ড রুমের কর্মচারীদের আলাদাভাবে ২০০ থেকে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ না দিলে মাসের পর মাস কপি ঝুলিয়ে

চট্রগ্রাম, চট্টগ্রাম ২৮ আগস্ট ২০২৬ ৭ বার দেখা হয়েছে CT44UXBY
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳১০.০ হাজার

নামজারী

নামজারী করতে গেলে ১০০০০ টাকার কমে করে না বাদ্যতামূলক ভাবে করতে হয়,,,যার সরকারী ফ্রী ১১০০ টাকা

গ্রাম, ঢাকা ২৮ আগস্ট ২০২৬ ৯ বার দেখা হয়েছে DKXAZJ2J
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৯.০ হাজার

নামজারি

নামজারির জন্য সরকারি রেইট ২৭০০ টাকা হলেও , রামগতির চর রমিজ ইউনিয়ন পরিশোদে কর্মরত ভূমি অফিস সহকারী , আমার কাছ থেকে বাধ্যতামূলক ভাবে ৯০০০ টাকা নিয়েছে ।।।

রামগতি, লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রাম ২৮ আগস্ট ২০২৬ ৪ বার দেখা হয়েছে CTRTXUPF
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳১০০

জন্ম নিবন্ধন সংশোধন

আমার জন্মনিবন্ধন নাম্বার দেখার পরে ১০০ টাকা নিছে,,,আর ট্রেড লাইসেন্স বানানোর জন্য 2400 টাকা চেয়েছে,,যেখানে 600-700 টাকায় অন্য জন কে একই কাজ করে দিয়েছে।

রাজশাহী, রাজশাহী ২৮ আগস্ট ২০২৬ ৮ বার দেখা হয়েছে RJFHG4CK
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৫০০

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স

আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করি পরবর্তী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ আবেদন ফরম জমা দিতে আমার থেকে ৫০০টাকা দাবি।এটা নাকি তাদের খরচ। আমার সাথে থাকা আরও ২জন এরকম ৫০০টাকা দিতে হয়েছে। তারা প্রতিনিয়ত সবার থেকে এই খরচ নেয়।যে ব্যাক্তি টাকা নিয়েছে সে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ কনস্টেবল —।যেটা কুমিল্লা জেলার অন্তর্ভুক্ত থানা।

নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ২৮ আগস্ট ২০২৬ ৭ বার দেখা হয়েছে CT5HASLJ
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি পাসপোর্ট অফিস ৳২.৫ হাজার

পাসপোর্ট রি-ইসূ

মুলতো আমি পাসপোর্ট রি-ইসূ করতে গিয়েছিলাম। আমার পাসপোর্ট অন্য জেলা থেকে বানানো ছিলো, কিন্তু আমি রাংগামাটি তে অবস্থান করায় অনলাইনে রাংগামাটি অফিসে আবেদন করি। কিন্তু জমা দিতে গেলে আমার আবেদন জমা নিচ্ছিলো না বলতেছে অন্য জেলার আবেদন এই জেলাতে জমা নিবে না। পরে দালাল দরে দিতে হইছে। এবং সে আমার সামনের আমাকে আর কোনো প্রশ্ন না করে জমা নিয়ে নিলো।

রাংগামাটি, চট্টগ্রাম ২৮ আগস্ট ২০২৬ ৯ বার দেখা হয়েছে CTCTSH7L
মন্তব্য