খারিজ
আমার ৩ শতাংশ জায়গা খারিজ করার জন্য ৩০ হাজার টাকা দাবি করেছে। গোপালপুর পৌর ভূমি অফিসের নায়েব।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৭২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার ৩ শতাংশ জায়গা খারিজ করার জন্য ৩০ হাজার টাকা দাবি করেছে। গোপালপুর পৌর ভূমি অফিসের নায়েব।
ফোন পেয়ে বন্দর বাজার পুলিশ ফাড়িতে উপস্থিত হই। অফিসার দাবি করেন ২ হাজার দিতে হবে (বুঝতেই পারছেন) হুজুর মানুষ কম বললাম। যদি বাড়ি যেতাম তখন খরচা হতো, বেতন পাইনি নানান বাহানা করে ১০০০ দিয়ে আমার শালার পাসপোর্ট টা ভেরিফিকেশন করি।
আউটসোর্সিং এ ৬০জনের নিয়োগে জনপ্রতি পঞ্চাশ হাজার টাকা করে চাওয়া হয়েছিল,
৩০ বছর ধরে চাকরি করে অবসর এর টাকা পাওয়া যায় না , ৩ বছর ধরে অপেক্ষা এখনও পাওয়া যায় না , এক কর্মকর্তা বলে পাইয়ে দিবে
সকাল ১১ টার পর কমপক্ষে ১০০ টাকা ঘুষ না দিলে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসিজি করানো হয় না।
আমার আম্মুর পাসপোর্ট করার জন্য পুলিশ স্টেশনে যাই পুলিশ ভেরিফিকেশন করার জন্য নির্ধারিত পুলিশ সদস্য উনি আমার আম্মুর কাগজপত্র দেখে বলে এখানে নামে ভুল আছে ওইখানে ভুল আছে যখন বুঝলাম যে টাকার জন্য এরকম করতেছে তখন ৫০০ টাকা দেওয়াতে বলে এখন সব ঠিক আছে বাসায় চলে যান সব ঠিক হয়ে যাবে।
৮ নং রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদ, পীরগঞ্জ রংপুর জান নিবন্ধন অনলাইন করতে গেছিলাম ১০০০ টাকার বেশি দাবি করে বসে আমি অবশ্যই পরিশোধ করছি তারপর আমার কাজটা করে দিছে আবার তাও ১০-১৫ দিন অনেক ঘোরানোর পর
দৌলতখান পৌরসভা থেকে নাগরিক সনদ গ্রহন প্রাক্কালে — নামে একজন স্টাপ দৌলতখান পৌরসভার এই টাকা দাবী করে। টাকা পরিষদ না করলে সনদ দিবে না। বলা হয়েছিলো কিছু খরচ আছে। রশিদ ছারা ২০০ টাকা দিতে বাধ্য হলাম।
everything happened through a syndicate adopted by Jashore Municipality .over the year its sarveyor , engineer along with local fire office has created a eco system where you cant pass your house plan without a payout .some times they will ask for certain plans that needs files from their desincated people who will ask random amount just for the sake of smooth processing .specially the so called fire plan .then NOC of Municipality is other point. Even Jashore DC office officials also are now involved in this events .for this harassment, now the local engineers community bare submit plans for approval anymore .
য়ারা বিআরটি এ তে কাগজ করে দেওয়ার দালালীর কাজ করে। সাধারণত ৩০০০ টাকা লাগে কিন্তু আমার কাছ হতে ২৫০০ নিয়েছিলো।
টাকা দেওয়ায় কাজ খুব দ্রুত হয়েছে
নতুন করে ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য টাকা চাইছে দালাল(বিআরটিএ জোয়ারসাহার ঢাকা উত্তরা)। দালালের ভাষ্য মতে :একা একা করতে গেলে লাইসেন্স পাবেন না। আমাদের মাধ্যমে গেলে, আপনার পরীক্ষাও দিতে হবে না। সব তাদের লোক। তাই হলো, প্রথমে ৫ হাজার টাকা নিয়ে, ১ মাসের মধ্যে আমার ডিজিটাল ড্রাইভিং লাইসেন্স বানিয়ে দেয়। পরবর্তীতে ১৩হাজার টাকা দিয়ে লাইসেন্স নিতে হয়।
দেওয়ানি মামলা নং — এর আরজি ও রায়ের কপি এবং — জারী মামলার কপি চেয়েছিলাম জজকোর্টের রেকর্ড রুমে দায়িত্বরত ব্যক্তিদের কাছে। তারা বলল অনেক আগের। তাই বের করতে হলে পারিশ্রমিক বাবদ ৮০০০/ টাকা দিতে হবে। আর যদি নকল খানায় দরখাস্ত করেন তবে আমরা পাওয়া যাইনি লিখে দিবো। নথি খুব প্রয়োজন ছিলো বলে সবশেষে ৬০০০/টাকায় রাজি হয়ে যাই।
— আমলে ৬০০০ টাকার পাসপোর্ট ১২০০০ দিয়ে নিতে হয়েছিল। — এর আমলে তা আমার বন্ধুরা সরকারি খরচ ৬০০০ টাকা দিয়ে নিতে পেরেছে। বিএনপির আমলে আবার ১২০০০/১৩০০০ হাজার
সরকারি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেয়েছি, পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে দুই হাজার টাকা দিতে হয়েছে আমার বাবা কে
প্রথমে অনলাইন আবেদন নিয়ে গেলে সেটিকে পত্যাক্ষান করে । এবং বলে যে আবেদন ভুল আছে আবেদন বাতিল করে আবার করতে হবে। তারপর একজন আনসার সদস্যর সাথে কথা হলে বলে । প্রতি পাসপোর্ট প্রতি ২ হাজার টাকা করে লাগবে । তাই আমাদের সাতে যেহুতো মুরুব্বি ছিল আমরা ফ্যামিলি ছিলাম তখন এক প্রকার বাদ্য হয়েই দিতে হয়েছে ।
পাসপোর্ট করতে সব ডকুমেন্টস জমা দেয়ার পরে সেখানে একজন ১০০০টাকা দাবি করে। বলে যে, ১০০০টাকা দেন, দিলে আমরা এখান থেকেই সব OK করে দিবো। পুলিশ ভেরিফিকেশক লাগবা না। আমি দেই নি। বলেছি সমস্যা নাই। ভেরিফিকেশক করুক। কিছু দিন পর থানা থেকে ফোন আসে , আমাকে থানায় যেতে বলে। আমি যাওয়ার পরে আমার থেকে 2000 টাকা চায় ভেরিফিকেশক এর জন্য। আমি ওনাকে বলি যে আমার থেকে পাসপোর্ট অফিসে ১000 টাকা চেয়েছে আমি দেই নাই। আর আপনি আমার থেকে দ্বিগুণ চাচ্ছেন। ওনি বলেন , ঠিক আছে তাহলে আপনি পাসপোর্ট অফিস থেকে ভেরিফিকেশক করে নেন। শেষে আর ঝামেলা না করে ওনাকে ১৫০০ টাকা দিয়ে ভেরিফিকেশক করাই।
একটা মিউটেশনের রিপোর্টের জন্য, কিন্তু সে টাকা চার হাজার নেয়ার পরেও রিপোর্টটা নেগেটিভ দিয়েছে যাতে আরো বেশি টাকা দাবি করা যায়।
আমি ভোটার নিবন্ধন করতে গিয়েছিলাম, তারা বলেছিল ৩মাস লাগবে৷ পরবর্তীতে মাত্র ৩ দিনে কাজ করে দেওয়ার কথা বলে ৫০০ টাকা দাবি করে। আমি নিরুপায় হয়ে টাকা পরিশোধ করি৷
নামজারির আবেদনের পর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি কর্মকর্তা তদন্তে আসেন এবং রিপোর্ট জমা দেয়ার জন্য গড়ি মসি করেন। পরবর্তীতে টাকা পরিশোধের পরপরই কাজ হয়ে যায়।