Passport renewal
I lost my passport & reported it the nearest police station. Inspite of having the police report they said they will not proceed renew the passport if I don't pay them tk 3000 extra .
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৭২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
I lost my passport & reported it the nearest police station. Inspite of having the police report they said they will not proceed renew the passport if I don't pay them tk 3000 extra .
পাসপোর্ট তৈরির সময়, পুলিশ ভেরিফিকেশন এর দরকার হয়,তখন ভেরিফিকেশন এর জন্য শরিয়তপুরের নড়িয়া থানায় আমাকে ডাকা হয়েছিল,,তখন ১০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন কমপ্লিট করতে হয়েছিল
আমি দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে গিয়েছিলাম আমার এবং আমার সহপাঠীদের বিষয় পরিবর্তনের একটি কাজ নিয়ে তো সেখানে যাওয়ার পর আমার সাথে প্রথমে খুব বাজে ব্যবহার করা হয়েছিল আমাকে রুম থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল এর পরবর্তীতে আমার এক পরিচিত লোক আসলো তিনি বললো শ্ধু তোমার কাজটা হবে বাকিদের হবেনা আমি মূলত আমার সহ টোটাল ১৭ জনের কাজ নিয়ে গিয়েছিলাম পুরো দায়িত্বটি ছিল আমার অথচ এর আগে তারা ব্যাংকের মাধ্যমে আমাদের ১৭ জনের কাছ থেকে একটা ছোট amount নিয়েছিল পরবর্তীতে তাদের অফিসে যাওয়ার পর বলে এই কাজ হবেনা এবং অনেক request করার পর তারা শুধু আমার কাজ করে দিতে রাজি হয় তবে বাকিদের না কিন্তু পরে খবর পাই যে তখনো কাজ হয়নি এটার জন্য নাকি রাজশাহী বোর্ডে যাওয়া লাগবে এবং সবাইকে ২০০০ টাকা করে দেওয়া লাগবে তাইলে হবে
আমি বাংলাদেশ বিমান ক্যাটারিং সার্ভিস এ ইন্টার্ন হিসেবে জয়েনের উদ্দেশ্যে আমার বর্তমানের ঠিকানা অনুযায়ী বাড্ডা থানায় যাই এবং পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য বর্তমান বাসার বিদ্যুৎ বিলের কপি সরবারহ করা হলেও তারা ২০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে।যেহেতু বিষয়টি আমার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাই আমার অনিচ্ছা সত্ত্বেও টাকা দিয়ে পুলিশ ভেরিফিকেশন করে নেই।আর এ ক্ষেত্রে একজন এ এস আই অর্থের বিনিময়ে কাজটি সম্পন্ন করে।
আমি নামজারীর আবেদন করলে তার একটি জায়গায় ডেকে এটি জানায় আপনার খাজনা এবং নামজারী বাবদ ৩০,০০০ টাকা লাগবে না হলে হবে না। আমার কাছে ২০০৫ সালের খাজনার চেক ছিলো ঐ জমির। কিন্তু তার পরেও সেটা তারা প্রত্যাখান করে। আমি কোন উপায় না পেয়ে এই কাজ করতে বাধ্য হই।কারন জমি টা হাতবদল হবে। আর এ জন্য হালসনের খাজনার চেক লাগবে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের hsc ও সমমান পরীক্ষার প্রাকটিক্যাল পরীক্ষা চলাকালীন সংশ্লিষ্ট বিভাগের পিয়নেরা পূর্ণ মার্ক দেয়ার আশ্বাসে ঘুষ দাবি করেন। ফলে মার্ক কমিয়ে দেওয়া হবে এই আশঙ্কায় শিক্ষার্থীরা দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ করে। বিভিন্ন বিভাগ থেকে অন্যতম একশ টাকা দাবি করা হয়েছিল।
১৯৯৭ সালে আমাদের ক্রয়কৃত জায়গা " প্রয়াত ছোট চাচা"হতে ৩৫শতক জায়গা "সাব কাবলা" মূলে খরিদ করি। ১৯৯৭সালে বিক্রিত সম্পত্তি ২০১৪সালে, ২৩৮নামীয় খারিজ খতিয়ান সৃজনে চাচাতো ভাই একজন(৪জনের মধ্যে) হিস্যা দাবী মূলে অন্যায়ভাবে রেকর্ড করে। বারংবার রেকর্ড রিভাইস করতে বললেও সে অপারগতা করে। ২০২৪সালে মূল দলিল,প্রয়োজনীয় কাগজমূলে অভিযোগ দায়ের করা হয়। চাচাতো ভাই সবাই বিষয়টাকে অন্যায় বলে স্বীকার করলেও রেকর্ড মালিক দাবীদার তার পক্ষে উকিল নিযুক্ত করে হবে হাজিরার ডেইটে অনুপস্থিত থাকে। পরে নাজির সাহেব রেকর্ডের পক্ষে রায় দেবার জন্য ৩০,০০০৳ দাবী করেন।
ট্যাক্স অফিস থেকে তারা এসে প্রতিনিয়ত এরকম ট্যাক্স দাবি করে, আমাদের ১০ তলা বিল্ডিং আছে পাঁচ তলা পর্যন্ত বিক্রি করা বিল্ডিং যেগুলো তো মার্কেট বসে ঘড়ির মার্কেট আর উপরের পাঁচতালা আবাসিক ভবন, এখন টেবিলে নগর ভবন থেকে যে এই এলাকায় দায়িত্ব আছে তিনি এসে যেখানে দেখা হয় সেখানে এসব ঘুষের তার কথা সরাসরি দাবি করে। এবং পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে নগর ভবনে যেতে হয় এবং সেখানে তারা সরাসরি এসব ঘুষের আলোচনা করে এবং ঘুষের দাবি করে। এবং বাধ্য হয়ে কিছু কমিয়ে ২ লাখে টাকার মত তারা আবদার করেছে এবং সেটা পরিশোধ করার বাধ্য হতে হয়েছি।
মিউটেসন করার জন্য ১৫,০০০/- ঘুষ দিলাম, টাকা ছাড়া জমির মিউটেসন করবে না, তাই ১৫০০০টাকা ঘুষ দিয়ে করতে হইছে।
এটা একটা রেগুলার প্রাকটিস । অফিস এর বিল করলে নিয়ম মাফিক ভ্যাট, ট্যাক্স কর্তন করার পর যে টাকা অফিস পাবে তার থেকে ৪-৫% টাকা এজি অফিস অবশ্যই রেখে দিবে। আর না দিলে সেই বিলে নানা রকম আপত্তি দিবে।
প্রথমে অনলাইনে পাসপোর্ট নিবন্ধনের সকল প্রক্রিয়া শেষ করি। এরপর যেদিন আমার ডেট আসে সেদিন যখন অফিসে যাই বিশাল লাইন ছিল। ৩-৪ ঘন্টা অপেক্ষার পর আমার সিরিয়াল আসে। দায়িত্বরত কর্মকর্তা আমার আবেদন বাতিল করে দেয়। কারন হিসেবে দেখায় যে আমার নিজ জেলা শহরে তো পাসপোর্ট অফিস আছে তাহলে আমি কেন এখানে আবেদন করেছি। উলেখ্য আমি ঢাকায় থাকি এবং এখানেই চাকুরিরত আছি। বর্তমান বাসা বিদ্যুৎ বিল ও গ্যাস বিলের কপিও প্রদান করি। এরপরও আমার আবেদন বাতিল করা হয়। পরবর্তীতে সেখানকার একজন দালাল (আনসার সদস্য) আমাকে ফলো করে এবং বলে যে এক্সট্রা ৩০০০ টাকা তাকে দিলে সব সমাধান হয়ে যাবে। আমি এরপর ২০০০ এ তার সাথে ডিল করতে বাধ্য হই। পরদিন আমাকে আসতে বলে। আমি যখন পরদিন আসি সেদিনের সিরিয়াল লাগেনি সরাসরি আমার ছবি ও ফিঙ্গার দিয়ে চলে আসি।
কয়েক বছর আগে জমির খতিয়ান তুলতে বোয়ালমারী সাব রেজিস্টার অফিসে গিয়েছিলাম, ওখানে দাড়িওয়ালা একজন লোক থাকে যে সামনে টেবিলে বসে, সে খাতা দেখে জমির খতিয়ান তুলতে 400 টাকা দাবি করল। আমি পরিশোধ করে খতিয়ান তুললাম, কারন এছাড়া কোন উপায় ছিল না।
আমার ছোট বোনের ডিভোর্স কে কেন্দ্র করে, ইউনিয়ন পরিষদের বৈঠক এর জন্য আমাদের ওয়ার্ডের স্থানিয় মেম্বার টাকা দাবি করে। কিন্তু যে সেবা টা উনি বিনা খরচে করার কথা।
জরুরি প্রয়াজনে সন্তানের জন্ম নিবন্ধনে বাংলা নাম সংযোজন করতে হয়েছিল। আমাকে বলা হয়েছিল ৭ দিনের মধ্যে নিয়ম মাফিক পাওয়া যায়। তারপরও ৫০০/- টাকা এক্সট্রা দিতে হবে। নয়ত কবে হবে তার কোন ঠিক নাই। আর সাথে সাথে পেতে হলে সরকারি ফি বাদে ৭০০/- টাকা দিতে হবে। ৭০০/- কি আর ৫০০/- কি তাই ৭০০/- দিলাম।
নকল দলিল উঠানোর জন্য টাকা দিতে হয়
৩০০০ থেকে ৭০০০ টাকা প্রতি পাসপোর্ট প্রতি নিয়ে যায়। দালাল ছাড়া ব্রাক্ষণবাড়িইয়ায় কোন পাস্পোর্ট হয় না, এই ঐটা, ইভেন দাদার সার্টিফিকেট পর্যন্ত চেয়ে বসে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে দালাল ছাড়া নিজে ই-পাসপোর্ট করতে যাওয়াই ছিল আমার সবচেয়ে বড় ভুল। অনলাইনে নিখুঁত আবেদন জমা দেওয়ার পরও এডি স্যার ফাইলটি বাতিল করে দিলেন। বাইরে আসতেই এক আনসারের মাধ্যমে এক দালালের খোঁজ পেলাম। সে হাসিমুখে জানাল যে এখানে ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত সবাই জড়িত! দশ হাজার টাকা দিলে কাজ এখনই হয়ে যাবে। নিরুপায় হয়ে সাত হাজার টাকায় রফা করলাম। টাকা পেতেই দালাল আমার সেই বাতিল ফাইলে একটি সিগনেচার বসিয়ে দিল। এরপরের ঘটনা স্রেফ ম্যাজিক! ওই সিগনেচার করা ফাইল নিয়ে ভেতরে যেতেই সবাই একদম চুপ। কেউ আমাকে একটি প্রশ্নও করল না। চোখের সামনেই দেখলাম, মাত্র সাত হাজার টাকায় দুর্নীতির পুরো সিস্টেম কীভাবে মুহূর্তেই অন্ধ আর বোবা হয়ে যায়!
ছাতক গ্রীডের ইনচাজ — ও মেইনটেনেন্স অফিসার — দুজনে মিলে প্রায় ৩০ হাজার টাকার বেশি নগদ অথ গ্রহণ করেছে কিছু কাজ না করিয়ে তার বিনিময়ে এবং নিজে অপেনলি ঘুষের টাকা চেয়ে নিয়েছে।
দ্রুত NID করার জন্য ক্যান্টনমেন্ট থানা নির্বাচন অফিসে বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়েছি। অথচ বিদেশে কয়েক ঘন্টার মধ্যেই নির্ধারিত ফি'র মাধ্যমে অতি সহজেই এই কাজটা হয়ে থাকে। প্রবাসী হওয়ায় সময়ের অভাবে এই অন্যায় কাজটি করে আমি নিজেও অপরাধভোগে ভুগছি, তাই সবার জ্ঞ্যাতার্থে এই সাইটে অভিজ্ঞতা শেয়ার করলাম। সরকার বদলায় কিন্তু দেশের দুর্নীতির সিস্টেম বদলায় না। হায়রে আমার মন মাতানো দেশ...
ট্রাফিক সা্রজেন্ট বাইক থামিয়ে বললেন ২০ টাকা দিতে।